বুধবার ২৫শে নভেম্বর ২০২০ |

জাতিসংঘে এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি উপস্থাপন

 শুক্রবার ২১শে জুলাই ২০১৭ রাত ০৯:৪০:৩৯
জাতিসংঘে

গালফ বাংলা: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় জাতিসংঘের হাই লেভেল পলিটিক্যাল ফোরামে (এইচএলপিএফ) বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছে। ‘পরিবর্তিত বিশ্বে দারিদ্র্য নির্মূল ও উন্নয়নে অগ্রগতি’ প্রতিপাদ্যে সোমবার শুরু হওয়া ৮ দিনব্যাপী মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের তৃতীয় দিন এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ৪৪টি দেশ এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি বিষয়ে তাদের জাতীয় প্রতিবেদন উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) এ প্রতিবেদন তৈরি করে। উদ্বোধনী দিনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামালের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বৈঠকে যোগ দেয়। এ দিন অন্যতম প্যানেল আলোচক হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামালের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ এসিডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

দিনের শুরুতে বাংলাদেশ, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে ‘ব্যক্তিখাতে এসডিজি অর্জন: ২০৩০ সালের মধ্যে ব্যক্তিখাতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি প্রণোদনা’ শিরোনামের সাইড ইভেন্টে অংশ নেন পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামাল। এতে এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ‘কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না’ বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এসডিজির লক্ষ্যগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের নিবিড় সম্পৃক্ততা জরুরি। এসডিজি অর্জনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ত্বরান্বিত করতে আমরা তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছি। সেগুলো হলো- ব্যবসা খাতকে উৎসাহিত করতে সহায়ক পরিবেশ তৈরি, ট্যাক্স ও ভর্তুকি নীতিমালার মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে প্রণোদনা দেওয়া এবং বহুজাতিক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা।’

বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ৭৭ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে আসে জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী  বলেন, ‘বিদ্যুৎ সেক্টরে এ খাতের অংশগ্রহণ ৪৫ শতাংশ। আমাদের সরকার বেসরকারি খাতের পূর্ণ বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বাংলাদেশ আয়োজিত এই প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন এসডিজি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। এতে প্যানেল আলোচক হিসেবে এস্তোনিয়ার পরিবেশ বিষয়ক উপমন্ত্রী আডো লোহ্মুজ, নেপালের পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ অনুষ্ঠানে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা ছিল, যাতে বাংলাদেশে তথ্যের সহজলভ্যতা এসডিজি বাস্তবায়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কিভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে, তা তুলে ধরা হয়।

এইচএলপিএফের দিনব্যাপী কর্মসূচিতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনৈতিক বিভাগের সদস্য শামসুল আলম ও পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল করিম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এনএম জিয়াউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জিআইইউয়ের মহাপরিচালক আব্দুল হালিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরীও ছিলেন।



//এইচএন

গালফবাংলায় প্রকাশিত যে কোনো খবর কপি করা অনৈতিক কাজ। এটি করা থেকে বিরত থাকুন। গালফবাংলার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
খবর বা বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: editorgulfbangla@gmail.com

সংশ্লিষ্ট খবর