নির্দেশ অমান্য পাইলটের, বিমানের ভেতরেই মারা গেলেন যাত্রী
Loading...

নির্দেশ অমান্য পাইলটের, বিমানের ভেতরেই মারা গেলেন যাত্রী
যাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরের পরও জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর পাইলট পূণরায় উড্ডয়ন করা বিমানবন্দরে ফিরে আসেন। এর মধ্যেই মারা যান যাত্রী। আলোচিত এ ঘটনা ঘটেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে।
এ ঘটনার পর সংস্থাটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আর ওই ফ্লাইটটি অপারেটিং করছিলেন পাইলট আলেয়া।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
জানা গেছে, গত ৩১ ডিসেম্বর সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি ২০১। ফ্লাইটটি যখন পাকিস্তানের আকাশসীমায়, তখন বিমানে থাকা এক যাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে যাত্রীর প্রাণ রক্ষার্থে পার্শ্ববর্তী কোনও বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কন্ট্রোল টাওয়ারের নির্দেশ অমান্য করে এই বিমানের পাইলট আলেয়া পাকিস্তানের আকাশসীমা থেকে ঢাকায় ফেরত আসেন।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। দীর্ঘসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় যাত্রী বিমানের ভেতরই মারা যান। পরে আবহাওয়াজনিত কারণে বিমানটি ওই দিন আর লন্ডনে যেতে পারেনি। এতে দুর্ভোগে পড়েন অন্য যাত্রীরা।
এদিকে এ ঘটনার পর তোলপাড় শুরু হয়। পরে বিমান কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিমানের ফ্লাইট সেফটি প্রধান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন কাস্টমার সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার ও অ্যাকাউন্টস, প্যাসেঞ্জার রেভিনিউ প্রসেস র্যাপিডের ম্যানেজার।
Loading...
জানা গেছে, তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট যাত্রীর মেডিক্যাল ফিটনেস, ক্লিয়ারেন্স ও প্রি-ফ্লাইট মেডিক্যাল শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা, ফ্লাইট ডাইভারশন বা ঢাকায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক ছিল, ইন-ফ্লাইট ফার্স্ট এইড ও জরুরি জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা সময়মতো নেওয়া হয়েছিল কি না বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
Loading...






