বৃহঃস্পতিবার ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২১ |

সুস্বাস্থ্য গড়ার উপায় যখন অস্বাস্থ্যকর

 রবিবার ২৭শে ডিসেম্বর ২০২০ বিকাল ০৪:১৬:২৬
সুস্বাস্থ্য


সুন্দর আকর্ষণীয় এবং পেশীবহুল দেহ এখন সুস্থতার পাশাপাশি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তরুণরা বেশিরভাগ ঝুঁকছেন এদিকে। জিমনেসিয়ামে গিয়ে বডি বিল্ডিং করা এখন আধুনিক তরুণদের ট্রেন্ড।

এই ট্রেন্ডকে ঘিরে এখন গড়ে ওঠেছে আধুনিক জিমনেসিয়াম, অত্যাধুনিক ইকুইপমেন্ট এবং নানা ওষুধ, যার মধ্যে আছে স্টেরয়েড, প্রোটিন এবং টেস্টেস্টোরেনের মত গুরুত্বপূর্ণ সাপ্লিমেন্ট।

পেশী গড়তে এসব ওষুধ কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা জানতে সম্প্রতি অনুসন্ধান চালিয়েছে কাতারের দৈনিক আল-শারক পত্রিকা।

ওই অনুসন্ধানী রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, প্রথমত জিমনেসিয়ামগুলোতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি বাড়ানো দরকার। কাতারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক এতে সন্দেহ নেই। তবে এদিকে এখন লক্ষ্য রাখা দরকার।

জিমে আসা তরুণরা বেশিরভাগই দ্রুত ওজন কমাতে বা মাসল বিল্ডিং করতে চান। এজন্য নানা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হয় তাদের। বাণিজ্যিক লাভের জন্য এসব সাপ্লিমেন্ট কোনো বিধি নিষেধ মানা ছাড়াই বিক্রি করা হয়।

প্রোটিন, স্টেরয়েড এবং টেস্টেস্টোরেনের সাপ্লিমেন্ট ফার্মেসিতেও পাওয়া যায়। সেখানে এসব কিনতে হলে দরকার হয় চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের। চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে এসব সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দিতে পারেন।

কিন্তু জিমনেসিয়ামে আসা তরুণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নেই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের প্রয়োজনীয়তা। জিমের তত্ত্বাবধানে থাকা কোচরা তরুণদের চাহিদার ভিত্তিতে এসব সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে 

থাকেন।

অথচ এসব ওষুধ গ্রহণে সর্বোচ্চ সতর্কতা দরকার।। পুষ্টিবিদ ডক্টর আয়েশা সাকার দৈনিক আল শারককে বলেন, মাত্রাতিরিক্ত প্রটিন শরীরের অনেক ক্ষতি করে। এর ফলে কিডনি এবং ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হরমোন ও স্টেরয়েডের ভুল ব্যবহারের কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

শিফা হাসপাতালের ডা. খালেদ ইউসুফ বলেন, এসব অষুধে সীসা ও পারদের মত ক্ষতিকর পদার্থ থাকে। এসব পদার্থ মানুষের দেহের জন্য ক্ষতিকর।

পেশীবহুল দেহ তৈরিতে সহায়ক ওষুধের চাহিদা বেশি থাকায় তৈরি হয়েছে কালোবাজারও। নকল ও মান অনুত্তীর্ন ওষুধ বিক্রি করছেন অনেকে। আবার নিয়ম মত ওষুধ সংরক্ষণ করছেন না কেউ কেউ। তাই ওষুধের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে দৈনিক আল শারকের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে আইনজীবী খালেদ আব্দুল্লাহ বলেন, এসব ক্ষেত্রে প্রথমত নজরদারি বাড়ানো দরকার। সাথে সাথে এসব ওষুধের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ প্রণীত আইন আছে। সেগুলো মেনে চললে বাজার অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

আরও পড়ুন: কাতারের আমিরকে আমন্ত্রণ জানালেন সৌদি বাদশাহ

কাতারে প্রথম প্রবাসী বাংলাদেশি হিসেবে করোনার টিকা পেলেন আসলাম

কাতারে ১৩৮ জনকে হাতেনাতে ধরলো পুলিশ

কাতারের আরও খবর


কিছু বিশ্ব সংবাদ 

গালফবাংলায় প্রকাশিত যে কোনো খবর কপি করা অনৈতিক কাজ। এটি করা থেকে বিরত থাকুন। গালফবাংলার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
খবর বা বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: editorgulfbangla@gmail.com

কাতার,কাতারের খবর,কাতার প্রবাসী,দোহা,দোহার খবর,আজকের কাতার,আজকের দোহা,কাতারের দোহা,দোহার নিউজ,কাতারের সংবাদ,কাতার প্রবাসীদের খবর,Qatar,Doha,Qatar News,Doha News,Today Qatar News,Qatar Bangladesh,Qatar Bangla News,Doha Bangla News

গালফ বাংলা

সংশ্লিষ্ট খবর