শতাধিক মিসাইল-ড্রোন দিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি টার্গেটে ইরানের তাণ্ডব

Loading...

শতাধিক মিসাইল-ড্রোন দিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি টার্গেটে ইরানের তাণ্ডব

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বুধবার ভোরে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ১০০টিরও বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে শক্তিশালী হামলা চালানোর দাবি করেছে।

কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন

Loading...

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর অংশ হিসেবে পরিচালিত এই ৮৯তম দফার প্রতিশোধমূলক অভিযানে ২০০টিরও বেশি রকেট ব্যবহার করা হয়েছে বলে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। এই সমন্বিত অভিযানে তেহরান ও আঞ্চলিক প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলো যৌথভাবে অংশ নেয় এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনের ইলাত, তেল আবিব ও বনি ব্রাক শহরের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আঘাত হানে।

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এসব হামলায় ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটির কাছে একটি গোপন আস্তানা এবং কুয়েতের আল-উদাইরি ঘাঁটিতে মার্কিন হেলিকপ্টার গ্রুপকে লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

আল-উদাইরি ঘাঁটিতে একটি চিনুক হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং বেশ কয়েকটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনের গোপন আস্তানায় অবস্থানরত জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর ড্রোন হামলার ফলে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে এবং আহতদের মানামার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমায় অবস্থিত দুটি মার্কিন আগাম সতর্কীকরণ রাডার ব্যবস্থা এবং পারস্য উপসাগরে ইসরায়েলি মালিকানাধীন ‘অ্যাকুয়া ওয়ান’ নামক একটি ট্যাঙ্কার সফলভাবে ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরানি নৌবাহিনী।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকেও ড্রোন দিয়ে ধাওয়া করা হয়েছে, যার ফলে রণতরীটি তার অবস্থান ছেড়ে গভীর সমুদ্রের দিকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। আইআরজিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী এখনো তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং শত্রুপক্ষকে এই রুট ব্যবহারের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

Loading...

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অযাচিত আগ্রাসন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার খাতিরে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে

Loading...

আরো পড়ুন

Loading...

Loading