৪ অক্টোবর ২০২৬

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ‘ইসান’ কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে সহজ হচ্ছে বয়স্কদের বিমান ভ্রমণ

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ‘ইসান’ কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে সহজ হচ্ছে বয়স্কদের বিমান ভ্রমণ

আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবস উপলক্ষে বয়স্কদের ভ্রমণ প্রক্রিয়া, বিভিন্ন সেবা এবং বিমানবন্দরের প্রবেশগম্যতা সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি যৌথ সহযোগী কর্মসূচি চালু করেছে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কাতার ফাউন্ডেশন ফর সোশ্যাল ওয়ার্কের আওতাধীন বয়স্কদের ক্ষমতায়ন ও যত্ন কেন্দ্র ‘ইসান’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রবীণদের ভ্রমণকে আরও স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা।

সামাজিক অংশীদারত্ব জোরদার এবং প্রবীণদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বিমানবন্দরের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ডিজিটাল সমাধান এবং বিভিন্ন সেবামূলক সহায়তা নেওয়ার প্রক্রিয়া সরাসরি জানার সুযোগ পাবেন।

কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • পরিদর্শন ও পরিচিতিমূলক ট্যুর: হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বয়স্কদের জন্য নিয়মিত পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে তাঁদের বিমানবন্দরের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে।

  • সচেতনতামূলক সেশন: প্রবীণরা যাতে আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য যাত্রার বিভিন্ন ধাপ এবং ডিজিটাল সেবা নিয়ে বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হবে।

  • মতামত ও মূল্যায়ন: প্রবীণদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও ফিডব্যাক শোনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা ভবিষ্যতে সেবা আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে।

‘ইসান’ কেন্দ্রের নির্বাহী ব্যবস্থাপক মানাল আল মান্নাই জানান, আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবসে এই কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকার বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে ওঠে। তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ সচেতনতা এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রবীণদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁদের জীবনযাত্রার মান আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সব যাত্রীর জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, যা ‘ইসান’ কেন্দ্রের প্রবীণদের ক্ষমতায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ‘ইসান’ কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে সহজ হচ্ছে বয়স্কদের বিমান ভ্রমণ

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ‘ইসান’ কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে সহজ হচ্ছে বয়স্কদের বিমান ভ্রমণ

আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবস উপলক্ষে বয়স্কদের ভ্রমণ প্রক্রিয়া, বিভিন্ন সেবা এবং বিমানবন্দরের প্রবেশগম্যতা সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি যৌথ সহযোগী কর্মসূচি চালু করেছে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কাতার ফাউন্ডেশন ফর সোশ্যাল ওয়ার্কের আওতাধীন বয়স্কদের ক্ষমতায়ন ও যত্ন কেন্দ্র ‘ইসান’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রবীণদের ভ্রমণকে আরও স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা।

সামাজিক অংশীদারত্ব জোরদার এবং প্রবীণদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বিমানবন্দরের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ডিজিটাল সমাধান এবং বিভিন্ন সেবামূলক সহায়তা নেওয়ার প্রক্রিয়া সরাসরি জানার সুযোগ পাবেন।

কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • পরিদর্শন ও পরিচিতিমূলক ট্যুর: হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বয়স্কদের জন্য নিয়মিত পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে তাঁদের বিমানবন্দরের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে।

  • সচেতনতামূলক সেশন: প্রবীণরা যাতে আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য যাত্রার বিভিন্ন ধাপ এবং ডিজিটাল সেবা নিয়ে বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হবে।

  • মতামত ও মূল্যায়ন: প্রবীণদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও ফিডব্যাক শোনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা ভবিষ্যতে সেবা আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে।

‘ইসান’ কেন্দ্রের নির্বাহী ব্যবস্থাপক মানাল আল মান্নাই জানান, আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবসে এই কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকার বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে ওঠে। তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ সচেতনতা এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রবীণদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁদের জীবনযাত্রার মান আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সব যাত্রীর জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, যা ‘ইসান’ কেন্দ্রের প্রবীণদের ক্ষমতায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কাতার ও সৌদি আরবে অতিরিক্ত মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কাতার ও সৌদি আরবে অতিরিক্ত মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব ও কাতারে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে ফের হামলা চালানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন- এমন বক্তব্যের পরই এই মোতায়েনের খবর সামনে এলো।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, সৌদি আরবে একটি অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি পাঠানো হয়েছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল স্থাপনা সুরক্ষায় এটি মোতায়েন করা হয়েছে। একইভাবে কাতারে একটি প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনার নিরাপত্তায় আরেকটি প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চাহিদা বেশি থাকায় নতুন এই মোতায়েনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বর্তমানে সীমিত সংখ্যক প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি রয়েছে।

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত নিরাপত্তা সহায়তার ওপর নির্ভর করছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়ে।

সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধা এবং ইরাকভিত্তিক শিয়া মিলিশিয়াদের হামলার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে রিয়াদের।

এদিকে ইরানে ফের হামলা চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, তেহরানকে ‘ন্যায্য চুক্তি’ করতে হবে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সামরিক শক্তি পাঠানো হচ্ছে। ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী গত রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো ছেড়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার মেরিন নিয়ে তিনটি উভচর জাহাজের সমন্বয়ে গঠিত ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপও সোমবার যাত্রা করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে এরই মধ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন রয়েছে। থিওডোর রুজভেল্ট পৌঁছালে ওই অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা দাঁড়াবে তিনটিতে- যা ২০২৬ সালের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ।

সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সীমা অতিক্রম করেছেন। কাতার যখন যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করছিল এবং দোহায় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখনই ইসরাইল কাতারে হামলা চালায়।

সম্প্রতি ‘পিয়ার্স মরগ্যান আনসেন্সরড’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি দোহায় হামলার প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন।

কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন মধ্যস্থতা করছিলাম এবং দোহায় ট্রাম্পের প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, তখন ইসরাইল আমাদের ওপর হামলা চালায়। এই হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ । এমন হামলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হতে পারে।

শেখ মোহাম্মদ বলেন, এটি এমন একটি নজির তৈরি করছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারীকে আক্রমণ করা হচ্ছে—যা ইতিহাসের কোনো যুদ্ধেই কখনো ঘটেনি। মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালনরত একটি দেশের ওপর হামলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংঘাত নিরসনের উদ্যোগের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

কাতারে আগ্নেয়াস্ত্র ধার বা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কাতারে  আগ্নেয়াস্ত্র ধার বা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বা বহনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত নাগরিকদের উদ্দেশে একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই নির্দেশনায় লাইসেন্সধারীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন কোনো অবস্থাতেই—সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা যতই হোক না কেন—তাদের অস্ত্র অন্য কারো কাছে ধার বা হস্তান্তর না করেন কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে তা নিজের কাছে রাখার অনুমতি না দেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অস্ত্রের লাইসেন্সটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং আইনগতভাবে তা কেবল নির্দিষ্ট লাইসেন্সধারীর জন্যই সীমাবদ্ধ।

আইনগত লঙ্ঘন ও শাস্তির বিধান:

  • আইনের ধারা: সংশোধিত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত ১৯৯৯ সালের ১৪ নম্বর আইন অনুযায়ী লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র অন্য কাউকে হস্তান্তর বা ধার দেওয়া কিংবা কোনো লাইসেন্সহীন ব্যক্তির কাছে তা গচ্ছিত রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং স্পষ্ট লঙ্ঘন।

  • কঠোর শাস্তি: এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে লাইসেন্সধারী এবং অস্ত্রগ্রহণকারী—উভয় পক্ষকেই গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের (Criminal Liability) মুখোমুখি হতে হবে। এর পরিণতি হিসেবে জেল জরিমানা থেকে শুরু করে লাইসেন্স বাতিল এবং অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করার মতো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা: দোষী সাব্যস্ত লাইসেন্সধারীকে ভবিষ্যতে আর কখনোই কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশের প্রচলিত আইন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ ও নেদারল্যান্ডসের রাজার সাথে কাতারের আমিরের পৃথক ফোনালাপ

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
সৌদি যুবরাজ ও নেদারল্যান্ডসের রাজার সাথে কাতারের আমিরের পৃথক ফোনালাপ

কাতারের আমির মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি মঙ্গলবার সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ এবং নেদারল্যান্ডসের রাজা উইলেম-আলেকজান্ডারের সাথে পৃথক টেলিফোন ফোনালাপ করেছেন। এসব ফোনালাপে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সৌদি যুবরাজের সাথে ফোনালাপ:

সৌদি যুবরাজের সাথে ফোনালাপে কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করা হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।

নেদারল্যান্ডসের রাজার সাথে আলোচনা:

নেদারল্যান্ডসের রাজার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ফোনালাপে কাতার ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বিভিন্নখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে কথা হয়। এ সময় আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামুদ্রিক নৌপথের নিরাপত্তা রক্ষা এবং চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।