৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পাওয়া যাবে হজ ভিসা
Loading...

৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পাওয়া যাবে হজ ভিসা
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভিসা দেওয়া শুরু করবে তারা। হজ সম্পর্কিত দপ্তরগুলোর জন্য ঘোষিত একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত হাজিদের আগমনের কয়েক মাস আগেই সেবার মান নিশ্চিত করতে এবং যাবতীয় প্রস্তুতি গুছিয়ে আনতেই সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে।
গাল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল মূলত ২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে। সে সময় বিশ্বজুড়ে থাকা হজ দপ্তরগুলোকে প্রাথমিক পরিকল্পনা সংক্রান্ত নথি সরবরাহ করা হয়েছিল।
এরপর সফর মাসের শুরুতে মক্কা ও মদিনা ভ্রমণ সহজ করতে ভিসা, হোটেল বুকিং, যাতায়াত এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান করতে সমন্বিত ডিজিটাল প্লাটফর্ম ‘নুসুক মাসার’ এর মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোতে অবস্থিত ক্যাম্পগুলোর বিস্তারিত তথ্য ওই দপ্তরগুলোকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আবাসন ও আনুষঙ্গিক সেবার জন্য প্রাথমিক চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল হিজরি ১ রবিউল আউয়াল থেকে। এছাড়া ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর অংশগ্রহণকারী দেশগুলোতে হজযাত্রী নিবন্ধন এবং চূড়ান্ত তথ্য সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর অংশগ্রহণকারী দেশগুলোতে হজযাত্রী নিবন্ধন এবং চূড়ান্ত তথ্য সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
জানুয়ারির মধ্যেই মক্কা ও মদিনায় আবাসন চুক্তি এবং পবিত্র স্থানগুলোতে পরিবহন ও অন্যান্য সেবার কাজ শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা দেওয়া শুরু হবে। মার্চ মাসের মধ্যে ভিসা দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে হাজিদের আগমনের তথ্য জমা দিতে হবে।
মন্ত্রণালয়টি বলছে, ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল (১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি) থেকে প্রথম দফার হজযাত্রীরা সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করবেন। এর মাধ্যমে হজের চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে।
Loading...
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবারের হজের জন্য ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে সাত লাখ হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এদের মধ্যে ৩০ হাজার হাজি সরাসরি নিজ দেশ থেকে প্যাকেজ বুকিং দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক হাজিদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রায় ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া ৭৩টি দেশের হজ দপ্তর ইতিমধ্যে তাদের প্রাথমিক চুক্তির কাজ শেষ করেছে।
Loading...
আর্থিক লেনদেন ও চুক্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে এবার ‘নুসুক মাসার’ এবং ইলেকট্রনিক ওয়ালেটের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে বুকিং নিয়ে যে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
হজ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সেবা প্রদানকারীদের এই সময়সূচি কঠোরভাবে পালনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রণালয় বলেছে, হাজিদের নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে হজ পালন নিশ্চিত করতেই এই আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
- রেকর্ড ৩ বিলিয়ন ডলার লোকসানের মুখে এয়ার ইন্ডিয়া
- ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতির সাথে কাতারের আমিরের বৈঠক
- সুদানে মানবিক বিপর্যয়: ১০ লাখ মানুষের পাশে কাতার চ্যারিটি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে কাতারের আমিরের জরুরি ফোনালাপ
- কাতারে লিমুজিন ও রাইড-হেইলিং সেবায় কড়াকড়ি: অভিযানে ৩২টি আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত
Loading...






