আট আরব দেশে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ

Loading...

আট আরব দেশে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের জেরে ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আটটি আরব দেশে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লেবানন ও জর্ডানে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটি। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিককে অবিলম্বে সেসব দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন

Loading...

গতকাল সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে হামলার পর এ সিদ্ধান্ত এসেছে। ইরান সৌদি আরবে আবারো হামলা চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে গতকালও ইসরায়েল এবং আরব উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ওমানে দুকম বন্দরে দুটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া হামলা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ তেল টার্মিনালেও। এদিকে ইরানে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭-এ দাঁড়িয়েছে। গত চারদিন ধরে দেশটিতে চলা দফায় দফায় হামলায় আহত হয়েছেন আরো হাজার হাজার মানুষ। এছাড়া লেবাননে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। আর অভিযানে এখন পর্যন্ত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

গতকাল রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলার কথা জানায় সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ‘হামলায় সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও ভবনের সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে মার্কিন দূতাবাস নাগরিকদের ঘরে অবস্থান ও কূটনৈতিক স্থাপনার আশপাশ এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়ে দূতাবাস বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। একই দিনে সৌদি আরবে কানাডার দূতাবাসও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে জনসাধারণের জন্য কার্যক্রম স্থগিত করে এবং ৬ মার্চ পর্যন্ত সব সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করে।’

কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানায়। নিয়মিত ও জরুরি কনস্যুলার সেবা স্থগিত করা হয়েছে এবং কর্মীদের নিরাপদ স্থানে অবস্থানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জর্ডানের আম্মানে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে মার্কিন দূতাবাস সোমবার সন্ধ্যায় সব কর্মী সরিয়ে নেয়। বাহরাইনে মার্কিন দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে রাজধানী মানামায় হোটেলগুলোর ওপর সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা জারি করেছে।

এছাড়া লেবাননের বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওমানে মার্কিন দূতাবাস কর্মী ও নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবুধাবিতে ইসরায়েলি দূতাবাস ভবন ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে। এক ইসরায়েলি নারী ও তার সন্তান ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যদিও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

Loading...

এদিকে জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলি বাহরাইনি বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরক্ষা অভিযান ততক্ষণ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না এ আগ্রাসন বন্ধ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, যদি প্রতিবেশী কোনো দেশের কোনো ঘাঁটি অন্য দেশে হামলা ও আগ্রাসন চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়, তবে সেই ঘাঁটি আমাদের জন্য একটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবে।

অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়া সত্ত্বেও ইরান সরকার সচল রয়েছে। দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম অব্যাহত আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘‌বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষ প্রাদেশিক নেতৃত্বের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখছে। আমরা গভর্নরদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছি। পরিস্থিতি জরুরি, কিন্তু দেশ থমকে যায়নি। নিয়মিত কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবেই চলছে।’

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

এদিকে গতকাল ইরানের কোম শহরে অবস্থিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। পরিষদটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত। তেহরানের রেভল্যুশন স্কয়ারের (বিপ্লব চত্বর) নিকটবর্তী এলাকাগুলোতেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ইরানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী।

ইসরায়েল সামরিক বাহিনী বা আইডিএফ টেলিগ্রামে দেয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে অসংখ্য গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে। বার্তায় আরো বলা হয়েছে, ইরানের একটি সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির শাসন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতেও হামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানি মিসাইল হামলার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী বাহিনী এবং অসংখ্য জরুরি সেবা দল বর্তমানে সেখানে কাজ করছে।

Loading...

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে যোগ না দেয়ার বিষয়ে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা ধ্বংস করার জন্য জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্স ‘প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ নিতে পারে বলে জানানোর পর তেহরান ওই হুঁশিয়ারি দেয়।

গতকাল তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এটি যুদ্ধের শামিল হবে। ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপকে হামলাকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই দেখা হবে।

Loading...

এদিকে গতকাল যুদ্ধের চতুর্থ দিনে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা আরো তীব্র হবে। যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইরানের এ বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য আরো অধিক ‘জাহান্নামের দরজা’ উন্মুক্ত হবে।

অন্যদিকে ইরানকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে তিনি লেবানিজ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে আরো কঠোরভাবে আঘাত করার অঙ্গীকার করেছেন। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

এছাড়া লেবাননের অতিরিক্ত কৌশলগত এলাকা দখল ও স্থলভাগে অগ্রসর হওয়ার জন্য ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফকে অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের দেয়া একটি বিবৃতি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কাৎজ বলেছেন, তিনি ও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের ওপর গুলিবর্ষণ রোধ করার জন্য, লেবাননের অতিরিক্ত কৌশলগত এলাকা দখল ও অগ্রসর হওয়ার জন্য আইডিএফকে অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আইডিএফ লেবাননে হেজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী সংগঠনটি ইসরায়েলের আক্রমণের জন্য চরম মূল্য দিচ্ছে এবং দিতে থাকবে।

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭-এ দাঁড়িয়েছে। গত চারদিন ধরে দেশটিতে চলা হামলায় আহত হয়েছেন আরো হাজার হাজার মানুষ। গতকাল ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরো কয়েক হাজার মানুষ। এছাড়া লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সোম ও মঙ্গলবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত এবং ২৪৬ জন আহত হয়েছেন। তিনি জানান, গত সোমবার মন্ত্রণালয় থেকে যে ৫২ জনের মৃত্যুর খবর দেয়া হয়েছিল, সেটি ভুল ছিল।

ইরানের ভেতরে চলমান অভিযানে অন্তত ছয় মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি স্থাপনা থেকে নিখোঁজ দুই সেনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিহতের মোট সংখ্যা ছয়ে দাঁড়িয়েছে।

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের শুরু করা যুদ্ধে সমর্থন দিতে অস্বীকার করায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন যে এ সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘বিশেষ সম্পর্ক’ এখন চরম চাপের মুখে পড়েছে। স্টারমারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি মোটেও সহায়তাকারী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি। আমি কখনো ভাবিনি যে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এমন কিছু দেখব।’

যদিও ইরানের হামলার আশঙ্কায় সাইপ্রাসে কাউন্টার-ড্রোন সক্ষমতা সম্পন্ন হেলিকপ্টার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এছাড়া অঞ্চলটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ড্রাগনও মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন। স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া একটি পোস্টে বলেন, ‘সাইপ্রাস এবং সেখানে অবস্থিত ব্রিটিশ সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাজ্য সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর

Loading...

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের ওপর হুমকির মুখে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম টানা তিনদিন ধরে বাড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৭০ ডলার বা ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৭৯ ডলার ৪৪ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। সোমবার এ দাম আরো বেড়ে ৮২ ডলার ৩৭ সেন্টে পৌঁছেছিল, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ। দিন শেষে এটি ৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি দামে স্থির হয়।

Loading...

একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ ডলার ১৭ সেন্ট বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭২ ডলার ৪০ সেন্টে পৌঁছেছে। আগের সেশনে এ তেলের দাম ২০২৫ সালের জুনের পর থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠলেও শেষ পর্যন্ত ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধিতে থিতু হয়। এ সংঘাতের ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কাই মূলত বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ইরানের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রবণতা তেলের দাম আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের মতে, সংঘাত যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, জ্বালানি বাজারে ঝুঁকি এবং দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা ততই প্রবল হবে।

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে

Loading...

আরো পড়ুন

Loading...

Loading