খামেনির আস্থাভাজন কে এই আলী লারিজানি
Loading...

খামেনির আস্থাভাজন কে এই আলী লারিজানি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির প্রভাব আরও বেড়ে যায়। তবে মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেন, লারিজানি নিহত হয়েছেন।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দেশটির বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুর পর এবার শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিকে হত্যার খবর নিশ্চিত করেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির তুলনায় লারিজানি অনেক বেশি দৃশ্যমান ছিলেন। মোজতবা দায়িত্ব নেওয়ার পর জনসমক্ষে কম দেখা গেলেও, গত সপ্তাহে তেহরানে সরকারপন্থী এক সমাবেশে লারিজানিকে জনতার সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায়; যা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
৬৮ বছর বয়সী লারিজানি আদর্শিক আনুগত্য, কূটনৈতিক দক্ষতা ও বাস্তবধর্মী রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য পরিচিত। যুদ্ধের আগে ইরানের পারমাণবিক নীতি ও কৌশলগত কূটনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
২০২৫ সালে তাকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান করা হয়; যে পদে তিনি প্রায় দুই দশক আগে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
সেখানে তিনি প্রতিরক্ষা কৌশল সমন্বয় ও পারমাণবিক নীতি তদারকি করেন। পাশাপাশি ওমান ও কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো সফর করে কূটনৈতিক তৎপরতাও চালান, যদিও যুদ্ধের কারণে তা থেমে যায়।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রকল্প পরিচালক আলি ভায়েজ তাকে ‘কৌশলী পরিচালনাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ভেতরের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত।

১৯৫৭ সালে ইরাকের নাজাফে জন্ম নেওয়া লারিজানি প্রভাবশালী শিয়া আলেম পরিবার থেকে উঠে আসেন। তার বাবা আয়াতুল্লাহ রুহোল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ্চাত্য দর্শনে পিএইচডি করা লারিজানি ইরান-ইরাক যুদ্ধে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সদস্য ছিলেন। পরে ১৯৯৪ থেকে এক দশক রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবির প্রধান এবং ২০০৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
১৯৯৬ সালে তাকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে খামেনির প্রতিনিধি করা হয়। পরে তিনি সচিব ও প্রধান পারমাণবিক আলোচক হিসেবে ২০০৫-২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক আলোচনা পরিচালনা করেন।
২০০৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাহমুদ আহমাদিনেজাদের কাছে পরাজয়ের পর পারমাণবিক কূটনীতি নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। ২০২১ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
Loading...






