২২ অক্টোবর ২০২৬

এক মাসে ২ কোটি ১৬ লাখ মুসল্লি! মদিনায় মসজিদে নববীতে রেকর্ড

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
এক মাসে ২ কোটি ১৬ লাখ মুসল্লি! মদিনায় মসজিদে নববীতে রেকর্ড
টপ স্টোরিজ

সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত পবিত্র মসজিদে নববীতে গত সেপ্টেম্বরে মাত্র ৩০ দিনে ২ কোটি ১৬ লাখ ১৫ হাজার ৯৭৭ জন মুসল্লি ও দর্শনার্থী এসেছেন।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের সেবা ও তত্ত্বাবধানবিষয়ক জেনারেল অথরিটি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর সৌদি গেজেটের।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ১৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭৯১ জন দর্শনার্থী রওজা শরিফে নামাজ আদায় করেছেন।

এ ছাড়া ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৩০ জন দর্শনার্থী পথনির্দেশনা সেবা এবং ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮৬ জন অতিথি সেবাকেন্দ্রের সেবা নিয়েছেন।

দর্শনার্থীদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সময়ে ৮১ হাজার ২৪৩ জন মসজিদে নববীর গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেছেন।

অন্যদিকে, মসজিদটির বিভিন্ন প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৬৭ জন অতিথি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব পরিসংখ্যান মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের উন্নত সেবা দেওয়ার চলমান প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

এর মাধ্যমে তাঁদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি মসজিদে নববীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নামাজ আদায়ের সুযোগ আরও সহজ করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অর্জন করল কাতার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬
আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অর্জন করল কাতার
টপ স্টোরিজ

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত ‘ষষ্ঠ মোহাম্মদ আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও তাফসীর প্রতিযোগিতার ২০তম আসরে কাতার তৃতীয় (৩য়) স্থান অর্জন করেছে।

রাবাতের 'মোহাম্মদ ষষ্ঠ ইনস্টিটিউট ফর দ্য ট্রেনিং অব ইমামস মরশিদিন অ্যান্ড মরশিদাত'-এ আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান কুরআন হাফেজ ও কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগীর পরিচিতি ও সাফল্য
প্রতিযোগিতায় কাতারের প্রতিনিধিত্ব করেন বিশিষ্ট হাফেজ ইউসুফ আহমেদ আশীর। তিনি পূর্ণাঙ্গ পবিত্র কুরআন হিফজ, সুন্দর তিলাওয়াত এবং কুরআন তাফসীর (ব্যাখ্যা) বিভাগে অংশগ্রহণ করে বিশ্বমঞ্চে এই সফলতা অর্জন করেন।

কাতার আওকাফ মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া
কাতারের ধর্মবিষয়ক ও ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরেছে:

আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা ও ফোরামগুলোতে কাতারের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং প্রতিভাবান হাফেজদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করার ধারাবাহিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন এটি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাতারি প্রতিযোগীদের এই ধরণের সফলতা আওকাফ মন্ত্রণালয় পরিচালিত কুরআন শিক্ষা ও হিফজ কর্মসূচিগুলোর উচ্চমানের প্রমাণ দেয়।

এই ধরনের উদ্যোগ পবিত্র কুরআনের খেদমত এবং এর সাম্য, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে কাতারের ভূমিকা আরও জোরদার করে।