৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে জাপানের বিশ্বখ্যাত অটোমোবাইল কোম্পানি টয়োটা। ২০২৭ সালে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (এইচইভি) কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ পরিকল্পনার কথা জানায় টয়োটা তুশো কর্পোরেশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

টয়োটা তুশো কর্পোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ করে।

বৈঠকে বাংলাদেশে টয়োটার কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরেন তারা।

প্রতিনিধিদলটি জানায়, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশের জন্য’ –এই উন্নয়ন দর্শনকে সামনে রেখে দেশে টয়োটার কারখানা স্থাপন করা হবে।

এর মাধ্যমে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি শিল্পায়নের প্রসার, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও এটি বড় ভূমিকা রাখবে।

টয়োটার বিনিয়োগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের এ আগ্রহকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৈঠকে বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসব খাতে টয়োটা তুশো করপোরেশন বিনিয়োগে আগ্রহী হলে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও সহায়তা দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় টয়োটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সব বিভাগীয় পর্যায়ে তাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সব অঞ্চলে টয়োটার সেবা ও কার্যক্রম আরও সহজলভ্য হবে।

এছাড়া, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নেও অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে তরুণদের কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করে ভবিষ্যৎ শিল্পের উপযোগী দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে টয়োটা কাজ করবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, টয়োটা তুশো কর্পোরেশনের মোবিলিটি ডিভিশনের সিইও শিগেরু হারাদা, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট প্রেমমিত সিংসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে জাপানের বিশ্বখ্যাত অটোমোবাইল কোম্পানি টয়োটা। ২০২৭ সালে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (এইচইভি) কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ পরিকল্পনার কথা জানায় টয়োটা তুশো কর্পোরেশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

টয়োটা তুশো কর্পোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ করে।

বৈঠকে বাংলাদেশে টয়োটার কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরেন তারা।

প্রতিনিধিদলটি জানায়, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশের জন্য’ –এই উন্নয়ন দর্শনকে সামনে রেখে দেশে টয়োটার কারখানা স্থাপন করা হবে।

এর মাধ্যমে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি শিল্পায়নের প্রসার, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও এটি বড় ভূমিকা রাখবে।

টয়োটার বিনিয়োগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের এ আগ্রহকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৈঠকে বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসব খাতে টয়োটা তুশো করপোরেশন বিনিয়োগে আগ্রহী হলে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও সহায়তা দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় টয়োটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সব বিভাগীয় পর্যায়ে তাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সব অঞ্চলে টয়োটার সেবা ও কার্যক্রম আরও সহজলভ্য হবে।

এছাড়া, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নেও অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে তরুণদের কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করে ভবিষ্যৎ শিল্পের উপযোগী দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে টয়োটা কাজ করবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, টয়োটা তুশো কর্পোরেশনের মোবিলিটি ডিভিশনের সিইও শিগেরু হারাদা, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট প্রেমমিত সিংসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

অক্টোবরের প্রথম ৩ দিনেই দেশে এল ২৫৩৩ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
অক্টোবরের প্রথম ৩ দিনেই দেশে এল ২৫৩৩ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

চলতি বছরের অক্টোবর মাসের শুরুতেই দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ব্যাপক উল্লম্ফন দেখা গেছে। মাসের প্রথম তিন দিনেই দেশে ২০ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

দেশীয় মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৩৩ কোটি ৮০ হাজার টাকা। রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমের কাছে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার অক্টোবরের শুরুতে প্রবাসী আয় বহুগুণ বেড়েছে।

গত বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় চার গুণ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

শুধু অক্টোবরের শুরুতেই নয়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ে একটি টেকসই ও ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামগ্রিক চিত্র অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৮৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৭৬৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের এই নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দেশে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির হার ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণেই বৈধ পথে ডলার আসার এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

শাহজালালে ৪.৫ কেজি স্বর্ণসহ মালয়েশিয়ান নাগরিক আটক

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
শাহজালালে ৪.৫ কেজি স্বর্ণসহ মালয়েশিয়ান নাগরিক আটক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে আসা এক মালয়েশিয়ান নাগরিকের কাছ থেকে ৪ দশমিক ৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে আজ মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকাগামী এমএইচ-০১৯৬ ফ্লাইটে আসা যাত্রী মি. ইয়াং ডন সিউ (৪৩)-কে নজরদারিতে রাখা হয়।

ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর বিমান থেকে নামার পর থেকেই ওই যাত্রীকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে যাত্রীরা বেল্ট থেকে ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল-১ অতিক্রম করার সময় তাকে আলাদা করে তল্লাশি করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশির সময় রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে তার শরীর থেকে স্বর্ণবারগুলো উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস জানায়, প্রতিটি এক কেজি ওজনের চারটি এবং ১০০ গ্রাম ওজনের পাঁচটি- মোট নয়টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়েছে। স্বর্ণবারগুলো ২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধতার। অভিনব কায়দায় কালো কাপড়ের একটি বেল্টে মুড়িয়ে শার্টের নিচে লুকিয়ে এগুলো বহন করছিলেন ওই যাত্রী।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ওই যাত্রী কোনো ব্যাগেজ ঘোষণা দেননি এবং উদ্ধার করা স্বর্ণের বিষয়ে ‘কাস্টমস আইন ২০২৩’ ও ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ কন্ট্রোল অ্যাক্ট, ১৯৪৭’ অনুযায়ী কোনো নথি বা দলিল দেখাতে পারেননি।

আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের লক্ষ্যে ‘কাস্টমস আইন ২০২৩’-এর ১৯১ ধারা অনুযায়ী স্বর্ণগুলো সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

অবৈধ স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধ ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় কাস্টমস হাউস, ঢাকা ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সৌদি আরবের মদিনায় হুথি ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
সৌদি আরবের মদিনায় হুথি ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হুথি ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

মহানবী (সা.)-এর পবিত্র মসজিদকে সেবা প্রদানকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বেসামরিক অবকাঠামোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ইসলাম ধর্মের পবিত্রতার ওপর একটি অগ্রহণযোগ্য আঘাত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পূর্ণ সংহতি রয়েছে।

আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে—এমন যে কোনো ধরনের আগ্রাসন বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় এলো ২৭৬ কোটি ডলার

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ০২, ২০২৬
সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় এলো ২৭৬ কোটি ডলার

টানা ৪ মাস ধরে মাসওয়ারি প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে আছে। এর আগে সর্বশেষ মে মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে। গত আগস্ট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বরে আয় কমে গেছে। আগস্ট মাসে আয় এসেছিল ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।

তবে গত বছরের একই সময়ের (সেপ্টেম্বর) চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। পরবর্তী মাস আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলারে। তবে সেপ্টেম্বর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা ও ডলারের আনুষ্ঠানিক দর স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসী আয়ের ধারা ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে কিছুটা কমলেও সামগ্রিকভাবে প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ দেশের বৈচিত্র্যময় বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল ও রিজার্ভ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখছে।

এদিকে সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। ওই অর্থবছরে ১২ মাসের মধ্যে ৬ মাসেই ৩০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল।

দুই বছর আগে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে হঠাৎ করে প্রবাসী আয়ে বড় উল্লম্ফন দেখা যায়। তাতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ২৭ শতাংশ। ওই অর্থবছরে প্রথমবারের মতো প্রবাসী আয় ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতায় গত অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড হয়েছে।

চলমান সংকটের মধ্যেও অর্থনীতির মূল চাকা সচল রাখতে এই শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ বড় ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা। এতে দেশের ডলারের বাজারে স্বস্তি বজায় রয়েছে।