১৬ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাসী কার্ডধারীরা পাবেন ৩% রেমিট্যান্স প্রণোদনা: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রবাসী কার্ডধারীরা পাবেন ৩% রেমিট্যান্স প্রণোদনা: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রবাসী কার্ডের আওতায় কী কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ১১টি খাত চিহ্নিত করেছে।

শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলনবিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

প্রবাসী কার্ড প্রস্তুত ও বিতরণ সম্পন্ন হলে কার্ডধারীরা প্রবাসী আয়ে বা রেমিট্যান্সে ৩ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'প্রবাসী কার্ড চূড়ান্ত করে বিতরণ করা হলে কর্মীরা ৩ শতাংশ প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য হবেন।'

রাজধানীর একটি হোটেলে শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলনবিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমানে বৈধ মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা সরকারের কাছ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পান।

প্রবাসী কার্ডের আওতায় কী কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ১১টি খাত চিহ্নিত করেছে।

তিনি আরও জানান, চারটি দেশে বর্তমানে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে।

এদিকে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর জন্য নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকে টাকা দেওয়ার পরও কর্মীদের অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কিছু কর্মী বিদেশে গিয়ে কাজ পান না। তাদের দেশে ফিরে আসতে হয় এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও জীবিকা চালানোর জন্য টাকা পাঠাতে হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমরা নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য একটি শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছি।'

তিনি আরও বলেন, এ ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে সর্বোচ্চ ৫০০টি নিয়োগকারী সংস্থা টিকে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, 'নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে না পারলে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অভিবাসনপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা কঠিন হবে।'

নুর আরও জানান, বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর পাঠ্যক্রম সংশোধনের কাজ করছে সরকার।

প্রবাসী কার্ডধারীরা পাবেন ৩% রেমিট্যান্স প্রণোদনা: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রবাসী কার্ডধারীরা পাবেন ৩% রেমিট্যান্স প্রণোদনা: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রবাসী কার্ডের আওতায় কী কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ১১টি খাত চিহ্নিত করেছে।

শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলনবিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

প্রবাসী কার্ড প্রস্তুত ও বিতরণ সম্পন্ন হলে কার্ডধারীরা প্রবাসী আয়ে বা রেমিট্যান্সে ৩ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'প্রবাসী কার্ড চূড়ান্ত করে বিতরণ করা হলে কর্মীরা ৩ শতাংশ প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য হবেন।'

রাজধানীর একটি হোটেলে শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলনবিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমানে বৈধ মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা সরকারের কাছ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পান।

প্রবাসী কার্ডের আওতায় কী কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ১১টি খাত চিহ্নিত করেছে।

তিনি আরও জানান, চারটি দেশে বর্তমানে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে।

এদিকে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর জন্য নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকে টাকা দেওয়ার পরও কর্মীদের অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কিছু কর্মী বিদেশে গিয়ে কাজ পান না। তাদের দেশে ফিরে আসতে হয় এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও জীবিকা চালানোর জন্য টাকা পাঠাতে হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমরা নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য একটি শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছি।'

তিনি আরও বলেন, এ ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে সর্বোচ্চ ৫০০টি নিয়োগকারী সংস্থা টিকে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, 'নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে না পারলে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অভিবাসনপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা কঠিন হবে।'

নুর আরও জানান, বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর পাঠ্যক্রম সংশোধনের কাজ করছে সরকার।

মক্কায় মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
মক্কায় মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির সরকার। গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কা অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এই দণ্ড কার্যকর করা হয়।

সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম 'আজেল নিউজ'-এর প্রতিবেদন ও দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক বিবৃতির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নাগরিক হলেন—নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির এবং সিতি আক্তার।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, মক্কার একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজের দায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের হাতেনাতে আটক করে।

পরবর্তীতে নিবিড় তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা পেয়ে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অপরাধের চরম গুরুতরতা এবং পবিত্র স্থানের মর্যাদা মারাত্মকভাবে লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিচারিক সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

উচ্চতর আদালত রায়ের আইনি বৈধতা বহাল রাখার পর রাজকীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়। হিজরি ১৪৪৮ সালের ৩ জমাদিউল আউয়াল (১৪ অক্টোবর ২০২৬) বুধবার মক্কা অঞ্চলে এই সাজা কার্যকর করা হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামী শরিয়াহ আইন কার্যকর করতে সরকার পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যেকোনো উপাসনালয়ের পবিত্রতা লঙ্ঘন বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, এই ধরনের গুরুতর অপরাধে জড়িত হলে আইনের কঠোরতম সাজা ভোগ করতে হবে।

হুতি হামলায় বিপাকে সৌদি আরবে যাওয়া ওমরাহযাত্রীরা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
হুতি হামলায় বিপাকে সৌদি আরবে যাওয়া ওমরাহযাত্রীরা

সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে যাওয়া মুসলিমদের কেউ কেউ হুতি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে পড়েছেন। নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে অনেকে ভ্রমণ পরিকল্পনাও পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

গত শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি টার্মিনালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন নিহত ও ৩০০ জন আহত হন। হামলার সময় সেখানে মক্কাগামী সাদা পোশাক পরা বহু মুসল্লি ছিলেন। সৌদি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের এক ইমামও রয়েছেন, যিনি কয়েক ডজন ওমরাহযাত্রীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। হামলায় আরও কয়েকজন আহত হন।

হুতিরা জানিয়েছে, তারা মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করবে না। তবে সৌদি আরবের অন্যান্য বিমানবন্দরে হামলা চালাচ্ছে তারা। সৌদি বাহিনীর হামলার জবাবে এসব আক্রমণ চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

হামলার ঘটনায় সৌদি আরবে থাকা মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। মক্কায় অবস্থানরত জর্ডানের নাগরিক ফাদি আনোয়ার বলেন, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে নিয়মিত সতর্কবার্তা আসছে। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

সৌদি কর্মকর্তারা দেশটিকে নিরাপদ বলে আশ্বস্ত করলেও পশ্চিমা কয়েকটি সরকার অধিকাংশ সৌদি বিমানবন্দর ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে। হামলার কারণে দেশটিতে অনেক ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। রিয়াদে স্কুলের পাঠদান অনলাইনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।

পরিস্থিতির কারণে ওমরাহযাত্রী, ব্যবসায়ী, পর্যটক ও বিদেশি কর্মীদের ভ্রমণেও বিঘ্ন ঘটছে। কেউ কেউ রিয়াদ থেকে ফ্লাইটের বদলে সড়কপথে কাতার, বাহরাইন বা দুবাই যাওয়ার চেষ্টা করছেন। দোহা ও দুবাইগামী সড়ক পরিবহনের ভাড়া দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি।

সুদানের নাগরিক আল আমিন হাসান মোহাম্মদ জানান, রিয়াদে হামলার সময় তিনি সৌদি আরবে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। হামলার পর তিনি ও প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বের হয়ে উদ্বেগের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন। তার কয়েকজন পরিচিত রিয়াদ হয়ে যাত্রার পরিকল্পনা বাতিল করে জেদ্দা থেকে নৌপথে সুদানে ফিরেছেন।

সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে সংঘাতের বিস্তার ঘটেছে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের প্রভাবেও নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হামলা চালানোর হুমকি দেওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে সরাসরি সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

১৫ হাজার প্রবাসী অনিশ্চয়তায়! সৌদি রুটে বিমান চলাচল নিয়ে নতুন জরুরি বার্তা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
১৫ হাজার প্রবাসী অনিশ্চয়তায়! সৌদি রুটে বিমান চলাচল নিয়ে নতুন জরুরি বার্তা

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০০টি ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।

এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু স্থগিত হয়েছে। এসব ফ্লাইট ঢাকা না ছাড়ায় ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। এর মধ্যে ৪১টি সরাসরি এবং ৫৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর দেশটির বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ফ্লাইট চলাচলে।

বুধবার সন্ধ্যায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৭টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে।

ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, সালাম এয়ারের ৭টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৭টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ২টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট চলাচলে প্রভাব পড়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামগামী সব ফ্লাইট স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা–রিয়াদ–ঢাকা রুটের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে।

‘প্রবাসীদের শ্রম ও ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্ব!’ রাষ্ট্রপতির ঐতিহাসিক বক্তব্য

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
‘প্রবাসীদের শ্রম ও ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্ব!’ রাষ্ট্রপতির ঐতিহাসিক বক্তব্য

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের প্রাণশক্তি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রেমিট্যান্স শুধু লাখো পরিবারের জীবন পরিবর্তন করছে না, দেশের অর্থনীতিতেও শক্তি জোগাচ্ছে। প্রবাসীদের শ্রম, ঘাম, ত্যাগ ও অর্জনকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

অভিবাসন ব্যয় কমানো, প্রতারণা ও দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোকে শ্রমিকবান্ধব ও তৎপর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীতে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) ৩০ বছর পূর্তি ও ‘সোনার মানুষ সম্মিলন ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অভিবাসন খাতে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন সম্মাননা দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা ছিল অভূতপূর্ব।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তাদের ভূমিকা প্রমাণ করে, প্রবাসীরা দেশের অর্থনৈতিক ও জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া এবং অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমবাজারে বৈচিত্র্য আনতে ইউরোপ ও এশিয়ার অন্যান্য দেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় মধ্যপ্রাচ্যে খাদ্দামা হিসেবে নারী কর্মী পাঠানোর ভুল নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

অভিবাসন ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর করতে সুদূরপ্রসারী ও সমন্বিত জাতীয় কৌশল গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন জরুরি।

অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সি ও কিছু ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগের বিষয়ে সরকার অবগত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সম্মিলিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বিদেশে যেতে জমিজমা বিক্রি করেও চাকরির নিশ্চয়তা না পাওয়ার দুর্ভোগ কমাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নারী কর্মীদের জন্য হোস্টেল, আবাসন ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যয় বহন এবং কর্মীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।