প্রবাসী কার্ডের আওতায় কী কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ১১টি খাত চিহ্নিত করেছে।
শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলনবিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
প্রবাসী কার্ড প্রস্তুত ও বিতরণ সম্পন্ন হলে কার্ডধারীরা প্রবাসী আয়ে বা রেমিট্যান্সে ৩ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'প্রবাসী কার্ড চূড়ান্ত করে বিতরণ করা হলে কর্মীরা ৩ শতাংশ প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য হবেন।'
রাজধানীর একটি হোটেলে শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলনবিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।
বর্তমানে বৈধ মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা সরকারের কাছ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পান।
প্রবাসী কার্ডের আওতায় কী কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ১১টি খাত চিহ্নিত করেছে।
তিনি আরও জানান, চারটি দেশে বর্তমানে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে।
এদিকে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর জন্য নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকে টাকা দেওয়ার পরও কর্মীদের অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কিছু কর্মী বিদেশে গিয়ে কাজ পান না। তাদের দেশে ফিরে আসতে হয় এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও জীবিকা চালানোর জন্য টাকা পাঠাতে হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমরা নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য একটি শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছি।'
তিনি আরও বলেন, এ ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে সর্বোচ্চ ৫০০টি নিয়োগকারী সংস্থা টিকে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, 'নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে না পারলে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অভিবাসনপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা কঠিন হবে।'
নুর আরও জানান, বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর পাঠ্যক্রম সংশোধনের কাজ করছে সরকার।