১৯৮৩ সালের পর স্বর্ণের দামে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন
Loading...

১৯৮৩ সালের পর স্বর্ণের দামে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি যখন টালমাটাল, তখন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের বাজারদরে বড় পতন হয়েছে।
গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১১ শতাংশ কমেছে। ১৯৮৩ সালের পর এটিই মূল্যবান ধাতুটির দামে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
সিএনএন ও বাজার বিশ্লেষক সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে স্বর্ণের দাম ১৪ শতাংশের বেশি কমেছে। সাধারণত অনিশ্চয়তা বা মূল্যস্ফীতি বাড়লে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ কিনে রাখেন। তবে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন সুদহার কমানোর বদলে তা স্থিতিশীল রাখার কথা ভাবছে। সুদহার না কমলে বন্ডের মতো লাভজনক খাতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ে। এতে স্বর্ণের চাহিদা কমে গিয়ে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
Loading...
সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) এ বছর আর সুদহার না-ও কমাতে পারে। ফেড এরই মধ্যে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সুদহার অপরিবর্তিত রেখেছে। সাধারণত সুদহার স্থিতিশীল থাকলে বন্ডের মতো খাত থেকে বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিত মুনাফা পান। এতে স্বর্ণের চেয়ে বন্ডের আকর্ষণ বেড়ে যায় এবং বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ বিক্রি করে বন্ডের দিকে ঝুঁকছেন।
ফান্ডস্ট্র্যাটের অর্থনৈতিক কৌশলবিদ হার্দিকা সিং বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ার পেছনে বন্ডের বাড়তি মুনাফার বড় ভূমিকা রয়েছে।’
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
স্বর্ণের দরপতনের আরেকটি কারণ হলো ডলারের শক্তিশালী বিনিময় হার। যুদ্ধ শুরুর পর ডলার সূচক প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ডলারে নির্ধারিত হয়। ফলে ডলারের দাম বাড়লে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ কেনা আগের চেয়ে ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম ৬৪ শতাংশ বেড়েছিল, যা ১৯৭৯ সালের পর সর্বোচ্চ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ডাচ্ ব্যাংক আইএনজির মতে, দাম বাড়ার সেই প্রবণতা এখন কমে এসেছে। তাই অনেক বিনিয়োগকারী লাভ তুলে নিতে বা পোর্টফোলিও নতুন করে সাজাতে স্বর্ণ বিক্রি করে দিচ্ছেন।
Loading...
এত বড় পতনের পরও অনেক বিশ্লেষক এখনো আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ওয়াল স্ট্রিট বিশ্লেষক এড ইয়ার্ডেনি বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিলেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি বজায় থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৫ হাজার ডলারে আনা হতে পারে।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধসে পড়েছে ইসরায়েলের ভবন, আহত শতাধিক
- কাতারের জলসীমায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, উদ্ধার অভিযান চলছে
- কাতারের পর এবার ইরানি দূতাবাস কর্মীদের বহিষ্কার করল সৌদি আরব
- ১৯৮৩ সালের পর স্বর্ণের দামে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়ার ১০৭ বিলিয়ন ডলারের এলএনজি প্রকল্প
Loading...






