মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত রোধে কাতার ও মিশরের যৌথ উদ্যোগ
Loading...

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত রোধে কাতার ও মিশরের যৌথ উদ্যোগ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন ও পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি এবং মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলআতির মধ্যে এই বৈঠক হয়। শনিবার কাতারের রাজধানী দোহায় তারা এই বৈঠকে অংশ নেন।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সামরিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর এর বিপজ্জনক প্রভাব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া শান্তিপূর্ণ উপায় ও নতুন করে সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের প্রচেষ্টা নিয়েও দুই পক্ষ কথা বলেছে।
কাতার ও ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসন বন্ধের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন আল থানি। পানি, খাদ্য ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে দায়িত্বহীন হামলার বিষয়ে তিনি সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘এসব হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে।’
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
সংকট মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী সমন্বয় ও যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানান কাতারের এই প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি সংলাপ এবং যুক্তি ও প্রজ্ঞার ভাষায় ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের রাজধানী যাওয়ার পথে দোহায় যাত্রাবিরতিকালে আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আবদেলআতি। এক বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তেজনা কমানো এবং সংঘাতের বিস্তার রোধে পাকিস্তান ও তুরস্কের সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংলাপ শুরুর লক্ষ্যে মিশরের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
রোববার ইসলামাবাদে একটি চারদলীয় মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি সম্পর্কেও আল থানিকে অবহিত করেন আবদেলআতি। ওই অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ চালানোর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ওই হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
এর জবাবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এসব হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। একইসঙ্গে বাধাগ্রস্ত হয়েছে বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচল।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
Loading...






