২০ অক্টোবর ২০২৬

কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি হামলার নিন্দা জানাল কাতার

প্রকাশ: শনিবার, জুন ০৬, ২০২৬
কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি হামলার নিন্দা জানাল কাতার

কুয়েত ও বাহরাইনে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে কাতার। এসব হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে জানিয়েছে দেশটি।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ধরনের হামলা ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। বিশেষ করে বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ—এই নীতিও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

দোহা আরও জানায়, তারা বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য সব পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানায়।

কাতার কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।

শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলায় কাতারের তীব্র নিন্দা

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলায় কাতারের তীব্র নিন্দা

লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক উত্তেজনা, শান্তিরক্ষী বাহিনীর ওপর হামলা এবং দেশটির ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বিভিন্ন লঙ্ঘনের বিষয়টি বৈরুত সফরে আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল বলে জানিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি।

লেবানন সফরকালে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর বিষয়ে আল থানি বলেন, ইসরায়েলের ক্রমাগত উত্তেজনা সৃষ্টির বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এর পাশাপাশি শান্তিরক্ষী বাহিনীর ওপর হামলা এবং লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের লঙ্ঘন নিয়েও কথা হয়েছে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বৈঠকে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিও আলোচনায় এসেছে।

আল থানি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়নের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্পাদিত সব চুক্তি বাস্তবায়নের ওপরও জোর দেন তিনি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে কাতারের এই অবস্থান সামনে এল। আল থানি বলেন, প্রস্তাবটির পাশাপাশি জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বিতভাবে হওয়া সব চুক্তি কার্যকর করাও গুরুত্বপূর্ণ।

অপরাধ দমনে একজোট কাতার ও মিসর

লেবাননের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মেটাতে হাত বাড়াল কাতার

অপরাধ দমনে একজোট কাতার ও মিসর

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
অপরাধ দমনে একজোট কাতার ও মিসর

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে কাতার ও মিসর। সম্প্রতি মিশরের রাজধানী কায়রোতে দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বৈঠকে কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ খলিফা বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি এবং মিসরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহমুদ তৌফিক নিজ নিজ দেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন।

সেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে অপরাধ দমন এবং নিরাপত্তা ইস্যু যৌথভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে উভয় দেশ একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

সৌদির ওপর হামলায় কাতারের কড়া হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
সৌদির ওপর হামলায় কাতারের কড়া হুঁশিয়ারি

সৌদি আরবের নিরাপত্তা কাতার তথা সমগ্র উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) যৌথ নিরাপত্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত বলে পুনর্ব্যক্ত করেছে কাতারের মন্ত্রিসভা।

একই সাথে সাম্প্রতিক শূরা কাউন্সিলে দেওয়া মহামান্য আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির ভাষণকে সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজের মূল দিকনির্দেশনা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দোহায় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল থানির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার শুরুতেই সম্প্রতি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বারংবার হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

একে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের মারাত্মক লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সাধারণ নাগরিক ও বেসামরিক বিমান চলাচলের ওপর সরাসরি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে কাতার। নিজেদের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সৌদি আরবের গৃহীত যেকোনো পদক্ষেপে কাতারের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের সামাজিক কৌশল (২০২৫-২০৩০)-এর অংশ হিসেবে প্রস্তুতকৃত শিশুদের অধিকারবিষয়ক নতুন খসড়া আইন এবং শিশুদের ডিজিটাল সুরক্ষাসংক্রান্ত খসড়া আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

শিশুদের নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশে বড় হয়ে ওঠা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই খসড়া আইনটি সর্বসাধারণের মতামতের জন্য কাতারের 'আল মিযান' আইনি পোর্টাল ও 'শারিক' প্ল্যাটফর্মে ১০ দিনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।

এছাড়া পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং কাতারএনার্জির যৌথ উদ্যোগে প্রস্তুতকৃত তেজস্ক্রিয় পদার্থের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিষয়ক একটি খসড়া নির্দেশিকাও মন্ত্রিসভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে।

পারমাণবিক বা তেজস্ক্রিয় উপাদানের ব্যবহার, পরিবহন ও সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) মানদণ্ড নিশ্চিত করতে এটি প্রস্তুত করা হয়।

সভা শেষে কাতার-আর্মেনিয়া বিচারিক সহযোগিতা এবং কাতার-বাহরাইন পরিবহন ও লজিস্টিকস সেবাসংক্রান্ত কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারকও অনুমোদন প্রদান করা হয়।

বাকুতে সিকা (CICA) সম্মেলনে কাতারের আমিরের অংশগ্রহণ

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত এশিয়ায় সহযোগিতা ও আস্থার ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সম্মেলনের (CICA) সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন কাতারের আমির মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভের আমন্ত্রণে হায়দার আলিয়েভ সেন্টারে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সম্মেলনে কাতারের আমিরের সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল থানি, আমিরি দিওয়ানের প্রধান আব্দুল্লাহ বিন মোহাম্মদ আল খানিফাইসহ উচ্চপর্যায়ের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল।

সম্মেলনের ফাঁকে আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন কাতারের আমির। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মিরজিইয়োয়েভের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন তিনি, যেখানে বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের অংশীদারিত্ব ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় স্থান পায়।

সিকা (CICA) সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে কাতারের আমির এশিয়ার দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সমন্বয় এবং সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

এশিয়ান মহাদেশের বিশাল সম্ভাবনাকে যথাযথ কাজে লাগিয়ে এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে যৌথ প্রয়াস চালানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। সম্মেলন শেষে কাতারের আমির ও তাঁর প্রতিনিধিদল বাকু ত্যাগ করেন।

ইসরাইলি সংস্থার হামলার শিকার আল-জাজিরা

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ইসরাইলি সংস্থার হামলার শিকার আল-জাজিরা

কাতারের সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত বেশ কিছু ডিভাইসে ক্ষতিকারক স্পাইওয়্যার বসাতে সহায়তা করেছে ইসরাইলের একটি বিজ্ঞাপন প্রযুক্তি সংস্থা ডিসকভার-টেক। কানাডাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিটিজেন ল্যাবের এক অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক গত বৃহস্পতিবার তাদের কর্মীদের ওপর চালানো এই স্পাইওয়্যার হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিজস্ব কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও প্রযুক্তি ব্যবস্থা সুরক্ষায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে আল-জাজিরা। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আল-জাজিরার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি গবেষণা ইউনিট সিটিজেন ল্যাব।

তাদের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে, ক্ষতিকারক সাইবার তৎপরতার জন্য ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক কালো তালিকাভুক্ত ইসরাইলি সাইবার প্রতিষ্ঠান ক্যান্ডিরুর তৈরি স্পাইওয়্যার দিয়েই এসব ডিভাইসে হামলা চালানো হয়।

এতে প্রথমবারের মতো জিরো-ক্লিক টার্গেটেড বিজ্ঞাপন কৌশল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এই কৌশল ব্যবহারের ফলে কোনো ডিভাইসে সংক্রমিত একটি বিজ্ঞাপন দৃশ্যমান হলেই পুরো ডিভাইসটি আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে ওই ডিভাইসের যাবতীয় তথ্য হ্যাকারদের কাছে পৌঁছাতে থাকে।

ক্ষতিকারক এই সফটওয়্যারটি ফাইল, নথি, ব্রাউজারের কুকিজ, বুকমার্ক ও সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডসহ স্পর্শকাতর তথ্য চুরি করতে সক্ষম। এটি কি-বোর্ডের টাইপিং, স্ক্রিনশট, মাইক্রোফোন ও ওয়েবক্যামের রেকর্ড এবং বিভিন্ন পরিচিত যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ইমেইল ও বার্তা সংগ্রহ করতে পারে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজর এড়াতে স্পাইওয়্যারটি চুরি করা তথ্য এনক্রিপ্ট করা চ্যানেলে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময় পরপর হ্যাকারদের কাছে পাঠাত। বিশেষ এই সাইবার টুলটি তৈরি করতে কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনাটি ক্যান্ডিরুর মতো সাইবার প্রতিষ্ঠান ও তাদের গ্রাহকদের অত্যাধুনিক নিরাপত্তা প্রতিরক্ষাকে ফাঁকি দেয়ার সক্ষমতা ও জটিল ঝুঁকিকে সামনে নিয়ে এসেছে।

টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিটিজেন ল্যাব প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ডিসকভার-টেক স্পাইওয়্যারযুক্ত এসব বিজ্ঞাপন কিনেছিল। পরে সেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তারা ব্যবহারকারীদের ডিভাইসকে ক্যান্ডিরুর ম্যালওয়্যারে সংযুক্ত করে।

আক্রান্ত হওয়া লাখ লাখ ডিভাইসের মধ্যে আল-জাজিরার কয়েকজন সাংবাদিকের ফোনও ছিল, যাদের অনেকে স্পর্শকাতর বিষয়ে সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন।

২০২৪ সালে আল-জাজিরার নিজস্ব প্রযুক্তি দল কর্মীদের ডিভাইসে অস্বাভাবিক কিছু আলামত শনাক্ত করে, যা ২০২৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। পরে বিস্তারিত অনুসন্ধানের জন্য সিটিজেন ল্যাবের সহায়তা চায় সংবাদমাধ্যমটি।

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে টরন্টোভিত্তিক দলটি জানায়, ‘হামলার সময় সংগৃহীত নেটওয়ার্ক লগের বিশদ বিশ্লেষণ এটি কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল তার স্পষ্ট সময়রেখা প্রদান করে।’ আল-জাজিরা জানিয়েছে, এই সহযোগিতা হামলাগুলোর সত্যতা যাচাই ও নথিভুক্ত করতে সহায়তা করেছে।

এদিকে নিউ ইয়র্কভিত্তিক বিজ্ঞাপন নিরাপত্তা সংস্থা কনফিয়েন্ট আলাদা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডিসকভার-টেকের প্রদর্শিত কিছু বিজ্ঞাপন মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কেও দেখা গেছে।

এর আগেও ক্যান্ডিরুর তৈরি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অন্তত ১০০ জন সাংবাদিক, ভিন্নমতাবলম্বী ও রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর নজরদারি চালানো হয়েছিল।