২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে কাতারের আমীরের বৈঠক

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে কাতারের আমীরের বৈঠক

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথে বৈঠক করেছেন কাতারের মহামান্য আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

বৈঠকে মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া কাতার ও জাতিসংঘের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিভিন্ন উপায় নিয়েও উভয়পক্ষ মতবিনিময় করেন।

বৈঠকের প্রধান দিকসমূহ

জাতিসংঘের প্রশংসা: জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগে কাতারের অবিচল সহায়তা এবং বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন ও ত্রাণ সহযোগিতায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

ইউএনজিএ এজেন্ডা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি: বৈঠকে কাতারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জসিম আল থানি এবং আমীরের সাথে থাকা অফিসিয়াল ডেলিগেশনের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও বৈঠকে যোগ দেন।

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের সম্মেলনে যোগ দিলেন কাতারের আমীর

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের সম্মেলনে যোগ দিলেন কাতারের আমীর

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের পার্শ্ববটে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন মহামান্য আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, যুদ্ধোত্তর স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে আলোচনার জন্য বিশ্বনেতাদের এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহবানে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বিন আল-হুসেন, সিরিয়া আরব প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী ফালিহ আল-জাইদি, মিশরের প্রধানমন্ত্রী ড. মোস্তফা মাদবুলি এবং লেবাননের প্রধানমন্ত্রী ড. নাওয়াফ সালাম।

এছাড়া সংযুক্ত আরব উপদ্বীপ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে যোগ দেন আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদ, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি এবং বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিন রশিদ। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের শীর্ষস্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও এই সম্মেলনে অংশ নেন।

বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচি ও কৌশলগত গুরুত্ব:

সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, এর সুদূরপ্রসারী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতির ওপর এর সার্বিক নেতিবাচক চাপ নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।

বিশেষ করে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থায়িত্ব অর্জনের জন্য রাজনৈতিক সংলাপ এবং কূটনীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। একই সাথে যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সংকট উত্তরণে সমন্বিত কৌশল নির্ধারণ নিয়ে বিশ্বনেতারা খোলামেলা মতবিনিময় করেন।

কাতারের পক্ষ থেকে এই বৈঠকে মহামান্য আমীরের সাথে উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জসিম আল থানি এবং আমীরের সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে কাতার দীর্ঘদিন ধরে যে মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে, এই বহুপাক্ষিক বৈঠকে তার জোরালো প্রতিফলন ঘটেছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে কাতারের আমীরের বৈঠক

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে কাতারের আমীরের বৈঠক

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথে বৈঠক করেছেন কাতারের মহামান্য আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

বৈঠকে মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া কাতার ও জাতিসংঘের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিভিন্ন উপায় নিয়েও উভয়পক্ষ মতবিনিময় করেন।

বৈঠকের প্রধান দিকসমূহ

জাতিসংঘের প্রশংসা: জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগে কাতারের অবিচল সহায়তা এবং বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন ও ত্রাণ সহযোগিতায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

ইউএনজিএ এজেন্ডা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি: বৈঠকে কাতারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জসিম আল থানি এবং আমীরের সাথে থাকা অফিসিয়াল ডেলিগেশনের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও বৈঠকে যোগ দেন।

মধ্যপ্রাচ্য এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক বাঁকে: কাতারের আমির

ইসরায়েলের বেআইনি আগ্রাসনে লাগাম টানার জোরালো আহ্বান কাতারের আমিরের।
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক বাঁকে: কাতারের আমির
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি

মধ্যপ্রাচ্য তার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়গুলোর একটি’ পার করছে বলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মন্তব্য করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গাল্‌ফ অঞ্চলের এই পরিস্থিতি ‘কারো কাছেই বিস্ময়ের হওয়া উচিত নয়’, বরং এর প্রভাব পুরো বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি মূলত ইরান যুদ্ধের কথাই ইঙ্গিত করেন, যার জেরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোয় হামলা চালানো হয়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি।

আমির বলেন, ‘বছরের পর বছর সাময়িক সমাধান আর অবাস্তব নীতির মাধ্যমে সংকট ব্যবস্থাপনা পিছিয়ে দেওয়ারই পুঞ্জীভূত ফল এটি।’

তিনি জানান, বিরোধ নিরসনের একমাত্র পথ হিসেবে কাতার বরাবরই সংলাপ ও আলোচনাকে সমর্থন করে এসেছে-আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ন্যায্য সমাধানে পৌঁছানোর লক্ষ্যে। তাঁর ভাষায়, ‘সংকট-পরবর্তী সময়েও এই অবস্থানই আমাদের রয়ে গেছে।’

আঞ্চলিক ‘যৌথ নিরাপত্তা’ ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এমন একটি কাঠামো দরকার যা রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানাবে, বিরোধ নিরসনে শান্তিপূর্ণ পথকে উৎসাহিত করবে এবং কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করবে। তাঁর কথায়, ‘এমন ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতেই যুদ্ধ বেধে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটি পক্ষের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠেছে তার প্রতিবেশীদের এমন এক যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাওয়া, যা আদতে তাদের নিজেদের যুদ্ধই নয়-উত্তেজনা এড়াতে তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সম্পদকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে। এমনকি বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জ্বালানি বাণিজ্য যে আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে পরিচালিত হয়, তা বন্ধ করে দেওয়াও সম্ভব হয়ে উঠেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রাণরেখাগুলোকে চাপ ও দর-কষাকষির হাতিয়ারে পরিণত করাও সম্ভব হয়েছে, যার মাশুল দিচ্ছে প্রতিটি মহাদেশের মানুষ-যদিও এই সংঘাতের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই।’

তিনি যোগ করেন, ‘এই সংকট খাদ্য ও ওষুধের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং এমন সব মানুষের জীবিকাকে প্রভাবিত করছে, যাদের এর সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতাই নেই।’

তবু কূটনৈতিক পথেই গাল্‌ফ সংকট সমাধানযোগ্য বলে দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন আমির। তাঁর ভাষায়, হরমুজ প্রণালি পুনরায় নৌচলাচলের জন্য খুলে দিয়ে এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে যুদ্ধ এড়ানো এবং ইরানসহ পুরো অঞ্চলের জন্য টেকসই স্থিতিশীলতার পথ তৈরি করা সম্ভব। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক সমাধানের এই সুযোগ, যা আমাদের বিশ্বাসে সম্ভব ও বাস্তবসম্মত, তা হাতছাড়া করা চলবে না।’

গাজা এখনো ‘বিশ্ব বিবেকের কলঙ্ক’

গাল্‌ফের ঘটনাপ্রবাহে বিশ্বের নজর সরে গেলেও গাজার পরিস্থিতি একইরকম গুরুত্বপূর্ণ থেকে গেছে বলে মন্তব্য করেন শেখ তামিম। তাঁর ভাষায়, ‘ফিলিস্তিন যতদিন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি অন্ধ বিন্দু হয়ে থাকবে, ততদিন ন্যায়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার কোনো কথাই বলা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘গাজায় যা ঘটেছে তা সব অর্থেই গণহত্যা, এবং গোটা মানবজাতির বিবেকের এক কলঙ্ক।’ আমিরের মতে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিস্মিত হবে বিপর্যয়ের ব্যাপকতা আর তা থামাতে আন্তর্জাতিক সাড়ার মধ্যকার বিশাল ব্যবধান দেখে-অথচ এই বিপর্যয় থেমে নেই, বরং ইসরায়েলি নেতারা এখন প্রকাশ্যেই বলছেন, জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করাই-যাকে তারা ‘অভিবাসন’ নাম দিচ্ছে-সবচেয়ে উপযুক্ত সমাধান।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের প্রতি ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করে আমির বলেন, ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে যে ব্যাপক ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন আত্মসমালোচনা করার বদলে তারা চারদিকে যথেচ্ছভাবে অভিযোগের তীর ছোড়ে-কখনো ইহুদি-বিদ্বেষের অভিযোগ তুলে, কখনো ষড়যন্ত্র তত্ত্বের আশ্রয় নিয়ে, অন্য শক্তি ও রাষ্ট্রগুলোকে তাদের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরির জন্য দায়ী করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেন কোনো যোগাযোগমাধ্যমই নেই-যেন ইসরায়েলি সৈন্যরা শব্দ ও দৃশ্যের মাধ্যমে নিজেদের অপরাধের গর্ব করেনি-যেন গাজায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছবি বিশ্বজুড়ে তরুণ প্রজন্মের একটি গোটা পর্ব ধরে, পূর্ব থেকে পশ্চিম, ছড়িয়ে পড়েনি।’

শান্তি প্রতিশ্রুতি পূর্ণাঙ্গভাবে পালনে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি-যার মধ্যে রয়েছে ‘অভিযান সম্পূর্ণ বন্ধ করা, গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার, অবরোধ তুলে নেওয়া এবং শর্তহীনভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা উচ্ছেদকেই সমাধান বলে মনে করে, তারা জনগোষ্ঠীর জীবন সহজ করতে পারে এমন যেকোনো উদ্যোগে বাধা দেবে।’

তিনি যোগ করেন, ‘চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য চাপ দেওয়ার সরাসরি দায়িত্ব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরই, এবং নিশ্চিত করতে হবে যে এই বাস্তবায়ন এমন একটি পক্ষের হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না, যারা সুযোগ পেলেই দায়মুক্তি নিয়ে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করতে অভ্যস্ত।’

পশ্চিম তীরে চলমান নিপীড়ন, বর্ণবৈষম্য ও বসতি-সন্ত্রাসের পাশাপাশি ইসলামি ও খ্রিস্টীয় পবিত্র স্থান-বিশেষ করে পবিত্র আল-আকসা মসজিদের-অবমাননার কথাও তুলে ধরেন আমির। পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অবিচ্ছেদ্য অধিকার থেকে ফিলিস্তিনিদের বঞ্চিত রাখাকে তিনি অভিহিত করেন ‘একটি খোলা ক্ষত’ হিসেবে।

সিরিয়া-লেবাননেও ইসরায়েলি আগ্রাসন

সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে শেখ তামিম বলেন, ‘দম্ভ ও অহংকারে ভরা ইসরায়েলি আগ্রাসন প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে, যা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে।’

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল সিরিয়ার বিরুদ্ধে তার প্রকাশ্য আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে এবং আরও সিরীয় ভূখণ্ড দখল করে ১৯৬৭ সাল থেকে দখলকৃত গোলান মালভূমির সঙ্গে যুক্ত করছে।’

লেবানন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেন অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর ওপর তাদের অভিভাবকত্ব রয়েছে-এমন ভঙ্গিতেই ইসরায়েল প্রকাশ্যে ঘোষণা করছে যে লেবাননের সঙ্গে হওয়া বোঝাপড়ায় তারা আবদ্ধ নয়। তারা লেবাননের ভূখণ্ড দখল অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিচ্ছে এবং সেখানে পুলিশি ভূমিকা নিতে চাইছে।’ দক্ষিণ লেবাননের একের পর এক গ্রাম প্রকাশ্য দিবালোকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে তিনি ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের পুরনো ইতিহাসের প্রতিধ্বনি বলে আখ্যা দেন।

এই প্রসঙ্গের সমাপ্তি টেনে আমির বলেন, ‘ইসরায়েলের সৃষ্ট ক্ষতির অবসান ঘটানো এবং তার বেআইনি আচরণে লাগাম টানাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মূল্যবোধ ও আইনের শাসন রক্ষায় আন্তরিকতার আসল পরীক্ষা।’

তিনি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার একাধিক দেশে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার আহ্বান জানান। পুনর্গঠন ও পুনর্মিলনের পথে সিরিয়া ও লিবিয়ার জনগণের পাশে কাতার আছে বলে জানান তিনি, পাশাপাশি সুদানে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের’ ডাক দেন। সোমালিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি কাতারের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি ইয়েমেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানেরও আহ্বান জানান তিনি।

ভাষণের শেষে শেখ তামিম বলেন, ‘আমাদের মূল্যবোধ নিছক স্লোগান নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে এই বিশ্বাস যে, একটি জাতির মর্যাদার সঙ্গে আপস করা যায় না, এবং প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তা একই মুদ্রার দুই পিঠ।’

ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী!

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী!

ইরানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধকে এ অঞ্চলের জন্য একটি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে দেখা উচিত।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের ফাঁকে অনুষ্ঠিত কাতার ইকোনমিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় আল-থানি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এই যুদ্ধ সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা হয়ে থাকবে। এখনই আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামো গড়ে তোলার সময়।’

আল-থানি আরো বলেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংকট নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রচলিত ধারণাগুলোকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। একই সঙ্গে এর প্রভাব শুধু এ অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।

তিনি বলেন, ‘ইরান আমাদের প্রতিবেশী। উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইরানকে একত্র করে এমন একটি নিরাপত্তা কাঠামো ছাড়া আমাদের বুঝতে হবে যে, এ অঞ্চল আগের মতো চলতে পারবে না। এমন একটি কাঠামো প্রয়োজন, যেখানে কেউই অন্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।’ সরকারিনীতি পড়ুন

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি অঞ্চল হিসেবে আমাদের দায়িত্বশীলভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে, ইরানের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং ইরানেরও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে।’

তিনি জানান, কাতার ও তার আঞ্চলিক অংশীদারেরা এ ধরনের একটি নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। সাম্প্রতিক সংঘাত আঞ্চলিক সহযোগিতা আরো বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আল-থানি বলেন, ‘আমরা এ লক্ষ্যেই কাজ করছি। আমাদের আঞ্চলিক অংশীদাররাও এতে বিশ্বাস করে। আমরা আশা করছি, এই যুদ্ধ সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা হবে এবং এখনই তা বাস্তবায়নের সময়।’

তিনি আরো বলেন, উত্তেজনা কমানো ও কূটনৈতিক সমঝোতা এগিয়ে নিতে কাতার তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি যোগাযোগের চ্যানেলগুলো খোলা রাখা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করাও অব্যাহত থাকবে।

জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও যুদ্ধ এড়ানোর বার্তা কাতারের আমিরের!

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও যুদ্ধ এড়ানোর বার্তা কাতারের আমিরের!
জাতিসংঘের সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে গতকাল মঙ্গলবার ভাষণ দিচ্ছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়গুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব পুরো বিশ্বেই পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেও কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ রয়েছে। কূটনৈতিক উপায়ে উপসাগরীয় সংকট সমাধান করা সম্ভব এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল পুনরায় চালু করে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করা উচিত।

ইরানসহ পুরো অঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এসব মন্তব্য করেন ।

ইরান ঘিরে চলমান যুদ্ধ, প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কাতারের আমির বলেন, বছরের পর বছর সংকট ব্যবস্থাপনা পিছিয়ে দেওয়া এবং অস্থায়ী ও অবাস্তব নীতির কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিরোধ নিষ্পত্তির পথ হওয়া উচিত সংলাপ ও আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকারের প্রতি সম্মান।

শেখ তামিম মধ্যপ্রাচ্যে একটি আঞ্চলিক ‘সম্মিলিত নিরাপত্তা’ ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তার মতে, এ ধরনের ব্যবস্থায় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান থাকতে হবে। বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিও এর অংশ হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকলে একটি পক্ষ তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে, যে যুদ্ধ তাদের নিজেদের নয়। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনায় হামলা হতে পারে এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব তুলে ধরে কাতারের আমির বলেন, বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জ্বালানি বাণিজ্য যে আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে পরিচালিত হয়, সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ পথগুলো চাপ ও দর-কষাকষির হাতিয়ার হয়ে উঠলে এর মূল্য দিতে হয় বিশ্বের সাধারণ মানুষকে। এর প্রভাব খাদ্য ও ওষুধের দাম এবং মানুষের জীবিকার ওপরও পড়ে।

গাজা পরিস্থিতিকেও তার বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব দেন কাতারের আমির। তিনি বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্নকে উপেক্ষা করে ন্যায়সংগত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা যায় না। গাজায় যা ঘটেছে, তাকে তিনি ‘সব অর্থেই গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, এই বিপর্যয় ঠেকাতে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার মাত্রা ও বিপর্যয়ের ব্যাপকতার মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে।

শেখ তামিম অভিযোগ করেন, গাজার জনগণকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়াকে সমাধান হিসেবে দেখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি ইসরাইলের প্রতি গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করা, সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার, অবরোধ প্রত্যাহার এবং শর্তহীনভাবে মানবিক সহায়তা প্রবেশের আহ্বান জানান।

পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার বক্তব্যে ইসরায়েলি দখলদারত্ব, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণের অভিযোগ উঠে আসে। তিনি পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে ফিলিস্তিনি জনগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। আল-আকসা মসজিদসহ ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা রক্ষার কথাও বলেন তিনি।

সিরিয়া ও লেবাননে ইসরাইলের কর্মকাণ্ড নিয়েও মন্তব্য করেন কাতারের আমির। তার অভিযোগ, ইসরাইল প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে। সিরিয়ায় ইসরাইলি হামলা এবং ১৯৬৭ সাল থেকে গোলান মালভূমির নিয়ন্ত্রণে থাকার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন। লেবাননের ক্ষেত্রেও ইসরাইলি সেনাদের উপস্থিতি ও দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলো ধ্বংসের অভিযোগ তোলেন তিনি।

আঞ্চলিক অন্যান্য সংকটের প্রসঙ্গে শেখ তামিম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবসানের আহ্বান জানান। সিরিয়া ও লিবিয়ার পুনর্গঠন ও জাতীয় পুনর্মিলনের প্রচেষ্টায় কাতারের সমর্থনের কথাও তিনি জানান।

সুদানে টেকসই শান্তির জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের আহ্বান জানিয়ে তিনি সোমালিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি কাতারের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। ইয়েমেন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেও অবস্থান জানান তিনি।

ভাষণের শেষ দিকে শেখ তামিম বলেন, কাতারের মূল্যবোধ শুধু উচ্চারিত স্লোগান নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে জাতির মর্যাদা কোনোভাবেই আপস না করার বিশ্বাস। তার ভাষায়, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।