২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নির্মাণ চুক্তিভঙ্গের দায়ে এক কোম্পানিকে ১২ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
নির্মাণ চুক্তিভঙ্গের দায়ে এক কোম্পানিকে ১২ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

নির্মাণ প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রাখা এবং চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে এক কোম্পানি ও দুই ব্যক্তির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন কাতারের আদালত। আল শার্ক পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাসেশন কোর্ট ওই আবেদন গ্রহণ না করে পূর্বের রায় বহাল রেখেছেন।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অপর এক বাণিজ্যিক কোম্পানিকে অগ্রিম পরিশোধিত ১ মিলিয়ন ১ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ অতিরিক্ত ১ লাখ রিয়াল—সর্বমোট ১২ লাখ ২৩ হাজার কাতারি রিয়াল ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ৫৫ লাখ (৫.৫ মিলিয়ন) রিয়াল ব্যয়ে একটি গুদাম, শ্রমিক আবাসন, সীমানাপ্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল।

চুক্তি অনুযায়ী বাদী কোম্পানি তাদের সমস্ত আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করে এবং কাজের পর্যায়গুলোর কথা বিবেচনা না করে চুক্তির নির্ধারিত কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করে। কিন্তু চুক্তিভুক্ত দ্বিতীয় কোম্পানিটি তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় এবং মাঝপথে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

এরপর ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিটি চুক্তি বাতিল ও অসম্পূর্ণ কাজের মূল্য বাবদ ১৯ লাখ ৬৯ হাজার রিয়াল (একজন প্রকৌশলী বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন অনুযায়ী) এবং ত্রুটিপূর্ণ কাজের ক্ষতিপূরণ চেয়ে ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ট্রেড কোর্টে মামলা দায়ের করে।

আদালত পর্যালোচনা করে দেখতে পান যে, বাদীপক্ষ সব শর্ত পূরণ করলেও অভিযুক্ত কোম্পানি নির্ধারিত সময়সীমা ও চুক্তির মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, যা সরাসরি চুক্তিভঙ্গের সামিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম ইন্সট্যান্স আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিকে ১ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লাখ রিয়াল পরিশোধের রায় দেন। পরবর্তীতে আপিল আদালতে ওই রায় বহাল থাকায় সর্বশেষ ক্যাসেশন কোর্টও আবেদন খারিজ করে রায় চূড়ান্ত করেন।

নির্মাণ চুক্তিভঙ্গের দায়ে এক কোম্পানিকে ১২ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
নির্মাণ চুক্তিভঙ্গের দায়ে এক কোম্পানিকে ১২ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

নির্মাণ প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রাখা এবং চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে এক কোম্পানি ও দুই ব্যক্তির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন কাতারের আদালত। আল শার্ক পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাসেশন কোর্ট ওই আবেদন গ্রহণ না করে পূর্বের রায় বহাল রেখেছেন।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অপর এক বাণিজ্যিক কোম্পানিকে অগ্রিম পরিশোধিত ১ মিলিয়ন ১ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ অতিরিক্ত ১ লাখ রিয়াল—সর্বমোট ১২ লাখ ২৩ হাজার কাতারি রিয়াল ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ৫৫ লাখ (৫.৫ মিলিয়ন) রিয়াল ব্যয়ে একটি গুদাম, শ্রমিক আবাসন, সীমানাপ্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল।

চুক্তি অনুযায়ী বাদী কোম্পানি তাদের সমস্ত আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করে এবং কাজের পর্যায়গুলোর কথা বিবেচনা না করে চুক্তির নির্ধারিত কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করে। কিন্তু চুক্তিভুক্ত দ্বিতীয় কোম্পানিটি তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় এবং মাঝপথে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

এরপর ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিটি চুক্তি বাতিল ও অসম্পূর্ণ কাজের মূল্য বাবদ ১৯ লাখ ৬৯ হাজার রিয়াল (একজন প্রকৌশলী বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন অনুযায়ী) এবং ত্রুটিপূর্ণ কাজের ক্ষতিপূরণ চেয়ে ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ট্রেড কোর্টে মামলা দায়ের করে।

আদালত পর্যালোচনা করে দেখতে পান যে, বাদীপক্ষ সব শর্ত পূরণ করলেও অভিযুক্ত কোম্পানি নির্ধারিত সময়সীমা ও চুক্তির মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, যা সরাসরি চুক্তিভঙ্গের সামিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম ইন্সট্যান্স আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিকে ১ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লাখ রিয়াল পরিশোধের রায় দেন। পরবর্তীতে আপিল আদালতে ওই রায় বহাল থাকায় সর্বশেষ ক্যাসেশন কোর্টও আবেদন খারিজ করে রায় চূড়ান্ত করেন।

বাংলাদেশ-পাকিস্তানে এলএনজি সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছে কাতার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
বাংলাদেশ-পাকিস্তানে এলএনজি সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছে কাতার

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এলএনজি সরবরাহে ‘ফোর্স ম্যাজুর’-এর মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়েছে কাতার। এ কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সরবরাহ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা ব্লুমবার্গকে তথ্যটি জানিয়েছেন।

ফরাসি শব্দ ‘ফোর্স ম্যাজুর’ বলতে কোনো চুক্তির অপ্রত্যাশিত বা নিয়ন্ত্রণের বাইরের ঘটনাকে বোঝায়। এমন ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ করতে না পারা পক্ষকে দায়ী করা যায় না। কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে জানিয়েছে যে, এলএনজি সরবরাহ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

আরও দুজন ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের অন্তত একজন ক্রেতাকে সরবরাহ স্থগিতের কথা জানানো হয়েছে। ইতালির এডিসন এসপিএ জানিয়েছে, তাদের এলএনজি সরবরাহ ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধ করলেও কাতারএনার্জি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দেয়নি। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কাতারএনার্জি প্রায় প্রতি মাসেই ‘ফোর্স ম্যাজুর’ পরিস্থিতি ও সরবরাহ স্থগিতের বিষয়ে ক্রেতাদের জানিয়ে আসছে।

চলতি মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়েছে কাতার। কিন্তু এটি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক কম। সম্প্রতি ইরান জানিয়েছে, প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে তারা কোনো ছাড় দেবে না। অন্যদিকে দেশটির সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানো নিয়ে পরস্পরবিরোধী ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজির দাম ২০২২ সালের শেষ দিকের পর প্রায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত হলো ১ কোটির বেশি খাবারের প্যাকেট

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত হলো ১ কোটির বেশি খাবারের প্যাকেট

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আয়োজিত এক বিশাল মানবিক সমাবেশে গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ১ কোটি বা ১০ মিলিয়নের বেশি খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করা হয়েছে। মরহুম শেখ আহমেদ বিন রশিদের উদারতা ও দাতব্য কাজের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস’ এবং ‘অপারেশন গ্যালেন্ট নাইট ৩’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘আহমেদ বিন রশিদ হিউম্যানিটারিয়ান ব্রিজ’ শীর্ষক এই ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

গাজার অসহায় পরিবার ও শিশুদের মাঝে বিতরণের জন্য খাদ্য সহায়তা প্যাকেট তৈরির এই মহতী উদ্যোগে শত শত স্বেচ্ছাসেবী, সাধারণ মানুষ এবং মরহুম শেখ আহমেদ বিন রশিদের শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন।

ন্যাশনাল নিউজের বরাতে জানা যায়, দুবাই সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রেসিডেন্ট এবং এমিরেটস এয়ারলাইন অ্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী শেখ আহমেদ বিন সাঈদসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ আহমেদ বিন সাঈদ বলেন, সারাজীবন মরহুম শেখ আহমেদ বিন রশিদ দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি উদারতা, বিনয় এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক হয়ে বেঁচে ছিলেন।

এমবিআরজিআই-এর মহাসচিব মোহাম্মদ আল গারগাবি বলেন, এই আয়োজন সংযুক্ত আরব আমিরাতের চিরন্তন মূল্যবোধেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি উল্লেখ করেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় সূচনার শুরু থেকেই শেখ আহমেদ বিন রশিদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তার অসামান্য অবদান ও সামাজিক প্রভাব সর্বজনস্বীকৃত।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার গাজার ১০ লাখ মানুষের জন্য শীতবস্ত্র সরবরাহের একটি বড় উদ্যোগ শুরু করে আমিরাত। আসন্ন হাড়কাঁপানো শীত ও তাপমাত্রা হ্রাসের মুখোমুখি হওয়া ফিলিস্তিনিদের উষ্ণতা দিতে এই উদ্যোগ জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যে ‘জায়েদ চ্যারিটেবল অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন’ ৫০ হাজার জ্যাকেট, মৌসুমী প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কম্বলসহ ৫ হাজার উইন্টার কিট বিমানযোগে গাজায় পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদের নির্দেশনায় শুরু হওয়া ‘অপারেশন গ্যালেন্ট নাইট ৩’-এর আওতায় গাজায় এ পর্যন্ত ৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি (১৪.৬ বিলিয়ন দিরহাম) সহায়তা পাঠানো হয়েছে, যা গাজায় প্রেরিত মোট বৈশ্বিক মানবিক সহায়তার ৪৬ শতাংশ। এখন পর্যন্ত ৭৯৬টি বিমান, ২৫টি কার্গো জাহাজ এবং ১৪ হাজার ৩টি ট্রাকের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী সেখানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির অংশীদারিত্বে গাজার ১০ লাখ মানুষের জন্য ১ কোটি ১৭ লাখ ডলারের প্রত্যক্ষ খাদ্য সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল এমবিআরজিআই। এই ফাউন্ডেশনটি কেবল ২০২৫ সালেই বিশ্বের ১২২টি দেশের প্রায় ১৬.৫ কোটি মানুষের কল্যাণে ২.৩ বিলিয়ন দিরহামের বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

পাশাপাশি গাজার স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করতে এবং শিশুসহ অন্যান্য রোগীদের জন্য জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের জন্য ৩ কোটি ৭০ লাখ দিরহাম অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে এই সংস্থাটি।

গাজা শান্তি পরিকল্পনার পথে বড় বাধা নেতানিয়াহু: কাতার

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
গাজা শান্তি পরিকল্পনার পথে বড় বাধা নেতানিয়াহু: কাতার

গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দায়ী করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জসিম আল থানি। তাঁর অভিযোগ, গাজা চুক্তির আওতায় ইসরায়েল যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো পূরণ করা হচ্ছে না; বরং নেতানিয়াহু ও তাঁর উগ্র ডানপন্থী সরকারের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজা চুক্তি লঙ্ঘনের বেশ কিছু ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন নেতানিয়াহু।

তবে এসব অভিযোগের মধ্যেও মধ্যস্থতাকারীরা গাজা চুক্তির শর্তগুলো পক্ষগুলোকে মেনে চলাতে এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আলে সানি এর আগেও অভিযোগ করেছিলেন, ইসরায়েল গাজা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না। তাঁর দাবি, একই সময়ে গাজায় প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে এবং উপত্যকায় পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা প্রবেশেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।

কাতার গাজা যুদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট চুক্তিগুলোতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অন্যতম। ফলে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য চলমান শান্তি প্রচেষ্টায় ইসরায়েলের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

হিমায়িত মুরগি ও নির্দিষ্ট কৃষিপণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়াল কাতার

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
হিমায়িত মুরগি ও নির্দিষ্ট কৃষিপণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়াল কাতার

স্থানীয় উৎপাদকদের সুরক্ষা এবং আমদানি নীতিতে সামঞ্জস্য আনতে নির্বাচিত খাদ্য ও কৃষিপণ্যের শুল্ক হার বৃদ্ধি করেছে কাতার। দেশটির আমির মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ২০২৬ সালের ৪৫ নম্বর আমিরি ডিক্রি জারির মাধ্যমে এই নতুন শুল্ক হার অনুমোদন করেছেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত অফিসিয়াল গেজেটের ১৭তম সংখ্যায় ডেক্রিটি প্রকাশ করা হয়।

কাতারের সংবিধান, সংশোধিত কাস্টমস আইন (২০০২ সালের ৪০ নম্বর আইন) এবং শুল্ক অব্যাহতি ও সমন্বিত শুল্ক সংক্রান্ত পূর্ববর্তী ডেক্রিগুলোর পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই নতুন আদেশ জারি করা হয়েছে।

শীতলীকৃত মুরগির শুল্ক বাড়িয়ে ১৮ শতাংশ নির্ধারণ

ডেক্রির প্রথম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু তাজা ও হিমায়িত মুরগির মাংস আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে—আস্ত তাজা বা হিমায়িত মুরগি, হিমায়িত মুরগির বুক, মুরগির উরু, মুরগির ডানা।

নির্দিষ্ট কৃষিপণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক

ডিক্রির দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ফসলের ভরা মৌসুমে নির্দিষ্ট কিছু কৃষিপণ্যের আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পণ্যের ধরন অনুযায়ী এই সময়ের মেয়াদ ভিন্ন হয়ে থাকে:

  • টমেটো: জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল এবং মে মাসে এই ১৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।

  • বেগুন: জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে শুল্ক প্রযোজ্য হবে।

  • করলা বা জুকিনি: জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, অক্টোবর, নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে এই শুল্ক কার্যকর থাকবে।

নতুন শুল্ক কবে থেকে কার্যকর হবে?

ডেক্রির তৃতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে নিজ নিজ এখতিয়ারের মধ্যে এই ডেক্রি বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিসিয়াল গেজেটে প্রকাশের ৬০ দিন পর থেকে এই নতুন শুল্ক নীতি কার্যকর হবে। যেহেতু ডেক্রিটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে, তাই নির্ধারিত ৬০ দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন শুল্কহার কার্যকর হবে।

সমন্বিত কাস্টমস শুল্ক নীতির নিয়মিত হালনাগাদের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য নির্দিষ্ট মৌসুমে দেশীয় কৃষিপণ্যের বাজার সুরক্ষা করা।