২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌম অ্যাপের মাধ্যমে বিশেষ গাড়ির নম্বর প্লেটের নিলাম ঘোষণা করেছে কাতারের ট্রাফিক অধিদপ্তর

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
সৌম অ্যাপের মাধ্যমে বিশেষ গাড়ির নম্বর প্লেটের নিলাম ঘোষণা করেছে কাতারের ট্রাফিক অধিদপ্তর

কাতারে যানবাহনের জন্য নতুন বিশেষ নিবন্ধন নম্বর প্লেট (স্পেশাল কার নম্বর প্লেট) উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জেনারেল ডাইরেক্টরেট অব ট্রাফিকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০:০০ টা থেকে ‘সৌম’ (Sooum) অ্যাপের নির্দিষ্ট সেকশনে এসব নম্বরের জন্য আগ্রহ প্রকাশ বা ‘Express Interest’ অপশনটি চালু হবে।

প্রবাস ও স্থানীয় গাড়িপ্রেমীদের জন্য বিশেষ এই নম্বরগুলো সংগ্রহের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এই পুরো নিলাম প্রক্রিয়ার ধাপগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

নিলাম প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন হবে:

১. আগ্রহ প্রকাশ (Expression of Interest): পছন্দের নম্বরের জন্য অ্যাপের মাধ্যমে আগ্রহ প্রকাশ করতে হবে এবং প্রথম আগ্রহ প্রকাশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট বা জামানত পরিশোধ করতে হবে।

২. অভ্যন্তরীণ নিলাম (Internal Auction): আগ্রহ প্রকাশের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর, যেসব নম্বর নিয়ে একাধিক ব্যক্তি আগ্রহ দেখাবেন, তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টার একটি অভ্যন্তরীণ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

বিশেষ কিছু নিয়ম ও শর্ত:

  • যদি কোনো নির্দিষ্ট নম্বরের জন্য কেবল মাত্র একজন ব্যক্তি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই নির্ধারিত মূল্যেই সেই নম্বরটি তাকে বিক্রি করা হবে।

  • পক্ষান্তরে, যদি একই নম্বরের জন্য একাধিক ব্যক্তি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে সবার মধ্যে একটি অভ্যন্তরীণ অনলাইন নিলাম অনুষ্ঠিত হবে এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকে সেই নম্বরটি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, বিশেষ এই নম্বরগুলো পেতে ইচ্ছুকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ‘Sooum’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

সৌম অ্যাপের মাধ্যমে বিশেষ গাড়ির নম্বর প্লেটের নিলাম ঘোষণা করেছে কাতারের ট্রাফিক অধিদপ্তর

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
সৌম অ্যাপের মাধ্যমে বিশেষ গাড়ির নম্বর প্লেটের নিলাম ঘোষণা করেছে কাতারের ট্রাফিক অধিদপ্তর

কাতারে যানবাহনের জন্য নতুন বিশেষ নিবন্ধন নম্বর প্লেট (স্পেশাল কার নম্বর প্লেট) উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জেনারেল ডাইরেক্টরেট অব ট্রাফিকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০:০০ টা থেকে ‘সৌম’ (Sooum) অ্যাপের নির্দিষ্ট সেকশনে এসব নম্বরের জন্য আগ্রহ প্রকাশ বা ‘Express Interest’ অপশনটি চালু হবে।

প্রবাস ও স্থানীয় গাড়িপ্রেমীদের জন্য বিশেষ এই নম্বরগুলো সংগ্রহের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এই পুরো নিলাম প্রক্রিয়ার ধাপগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

নিলাম প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন হবে:

১. আগ্রহ প্রকাশ (Expression of Interest): পছন্দের নম্বরের জন্য অ্যাপের মাধ্যমে আগ্রহ প্রকাশ করতে হবে এবং প্রথম আগ্রহ প্রকাশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট বা জামানত পরিশোধ করতে হবে।

২. অভ্যন্তরীণ নিলাম (Internal Auction): আগ্রহ প্রকাশের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর, যেসব নম্বর নিয়ে একাধিক ব্যক্তি আগ্রহ দেখাবেন, তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টার একটি অভ্যন্তরীণ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

বিশেষ কিছু নিয়ম ও শর্ত:

  • যদি কোনো নির্দিষ্ট নম্বরের জন্য কেবল মাত্র একজন ব্যক্তি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই নির্ধারিত মূল্যেই সেই নম্বরটি তাকে বিক্রি করা হবে।

  • পক্ষান্তরে, যদি একই নম্বরের জন্য একাধিক ব্যক্তি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে সবার মধ্যে একটি অভ্যন্তরীণ অনলাইন নিলাম অনুষ্ঠিত হবে এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকে সেই নম্বরটি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, বিশেষ এই নম্বরগুলো পেতে ইচ্ছুকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ‘Sooum’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি অনুপ্রবেশের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি অনুপ্রবেশের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার

অবরুদ্ধ জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতিস্থাপনকারীদের ধারাবাহিক অনুপ্রবেশের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কাতার। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই কঠোর অবস্থান জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর ছত্রচ্ছায়ায় আল-আকসা মসজিদে এই ধরনের অব্যাহত অনুপ্রবেশ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের এক নগ্ন লঙ্ঘন। একই সাথে এটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে এক অগ্রহণযোগ্য আঘাত ও উসকানি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পবিত্র আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের জন্য একান্ত ইবাদতের স্থান। জেরুজালেম ও এর পবিত্র স্থানগুলোর বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদা পরিবর্তন করার লক্ষ্যে নেওয়া যেকোনো একপক্ষীয় ও অবৈধ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ বাতিল বলে গণ্য হবে।

সহিংসতা বৃদ্ধির আশঙ্কা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে যে, এই ধরনের লঙ্ঘন ও বারবার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অঞ্চলে নতুন করে সহিংসতা ও সংঘাতের চক্রকে উসকে দেবে এবং চলমান শান্তি ও স্থিতিশীলতার সুযোগগুলোকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে। ফিলিস্তিন জনগণের ওপর চলমান নির্যাতন ও তাদের পবিত্র ভূমির অবমাননা বন্ধ করতে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের বৈধ রেজুলেশন মেনে চলতে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবিলম্বে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দোহা।

ফিলিস্তিনের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের পক্ষে অবিচল অবস্থান

ফিলিস্তিনি ভাইবোনদের দৃঢ়তা এবং তাদের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতি কাতার তার ঐতিহাসিক ও অবিচল সমর্থনের বিষয়টি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনবাসীর এই ন্যায্য লড়াইয়ে কাতার সবসময় পাশে থাকবে।

নির্মাণ চুক্তিভঙ্গের দায়ে এক কোম্পানিকে ১২ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
নির্মাণ চুক্তিভঙ্গের দায়ে এক কোম্পানিকে ১২ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল পরিশোধের নির্দেশ আদালতের

নির্মাণ প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রাখা এবং চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে এক কোম্পানি ও দুই ব্যক্তির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন কাতারের আদালত। আল শার্ক পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাসেশন কোর্ট ওই আবেদন গ্রহণ না করে পূর্বের রায় বহাল রেখেছেন।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অপর এক বাণিজ্যিক কোম্পানিকে অগ্রিম পরিশোধিত ১ মিলিয়ন ১ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ অতিরিক্ত ১ লাখ রিয়াল—সর্বমোট ১২ লাখ ২৩ হাজার কাতারি রিয়াল ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ৫৫ লাখ (৫.৫ মিলিয়ন) রিয়াল ব্যয়ে একটি গুদাম, শ্রমিক আবাসন, সীমানাপ্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল।

চুক্তি অনুযায়ী বাদী কোম্পানি তাদের সমস্ত আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করে এবং কাজের পর্যায়গুলোর কথা বিবেচনা না করে চুক্তির নির্ধারিত কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করে। কিন্তু চুক্তিভুক্ত দ্বিতীয় কোম্পানিটি তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় এবং মাঝপথে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

এরপর ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিটি চুক্তি বাতিল ও অসম্পূর্ণ কাজের মূল্য বাবদ ১৯ লাখ ৬৯ হাজার রিয়াল (একজন প্রকৌশলী বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন অনুযায়ী) এবং ত্রুটিপূর্ণ কাজের ক্ষতিপূরণ চেয়ে ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ট্রেড কোর্টে মামলা দায়ের করে।

আদালত পর্যালোচনা করে দেখতে পান যে, বাদীপক্ষ সব শর্ত পূরণ করলেও অভিযুক্ত কোম্পানি নির্ধারিত সময়সীমা ও চুক্তির মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, যা সরাসরি চুক্তিভঙ্গের সামিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম ইন্সট্যান্স আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিকে ১ লাখ ২৩ হাজার রিয়াল এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লাখ রিয়াল পরিশোধের রায় দেন। পরবর্তীতে আপিল আদালতে ওই রায় বহাল থাকায় সর্বশেষ ক্যাসেশন কোর্টও আবেদন খারিজ করে রায় চূড়ান্ত করেন।

বাংলাদেশ-পাকিস্তানে এলএনজি সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছে কাতার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
বাংলাদেশ-পাকিস্তানে এলএনজি সরবরাহ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছে কাতার

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এলএনজি সরবরাহে ‘ফোর্স ম্যাজুর’-এর মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়েছে কাতার। এ কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সরবরাহ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা ব্লুমবার্গকে তথ্যটি জানিয়েছেন।

ফরাসি শব্দ ‘ফোর্স ম্যাজুর’ বলতে কোনো চুক্তির অপ্রত্যাশিত বা নিয়ন্ত্রণের বাইরের ঘটনাকে বোঝায়। এমন ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ করতে না পারা পক্ষকে দায়ী করা যায় না। কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে জানিয়েছে যে, এলএনজি সরবরাহ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

আরও দুজন ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের অন্তত একজন ক্রেতাকে সরবরাহ স্থগিতের কথা জানানো হয়েছে। ইতালির এডিসন এসপিএ জানিয়েছে, তাদের এলএনজি সরবরাহ ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধ করলেও কাতারএনার্জি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দেয়নি। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কাতারএনার্জি প্রায় প্রতি মাসেই ‘ফোর্স ম্যাজুর’ পরিস্থিতি ও সরবরাহ স্থগিতের বিষয়ে ক্রেতাদের জানিয়ে আসছে।

চলতি মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়েছে কাতার। কিন্তু এটি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক কম। সম্প্রতি ইরান জানিয়েছে, প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে তারা কোনো ছাড় দেবে না। অন্যদিকে দেশটির সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানো নিয়ে পরস্পরবিরোধী ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজির দাম ২০২২ সালের শেষ দিকের পর প্রায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত হলো ১ কোটির বেশি খাবারের প্যাকেট

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত হলো ১ কোটির বেশি খাবারের প্যাকেট

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আয়োজিত এক বিশাল মানবিক সমাবেশে গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ১ কোটি বা ১০ মিলিয়নের বেশি খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করা হয়েছে। মরহুম শেখ আহমেদ বিন রশিদের উদারতা ও দাতব্য কাজের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস’ এবং ‘অপারেশন গ্যালেন্ট নাইট ৩’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘আহমেদ বিন রশিদ হিউম্যানিটারিয়ান ব্রিজ’ শীর্ষক এই ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

গাজার অসহায় পরিবার ও শিশুদের মাঝে বিতরণের জন্য খাদ্য সহায়তা প্যাকেট তৈরির এই মহতী উদ্যোগে শত শত স্বেচ্ছাসেবী, সাধারণ মানুষ এবং মরহুম শেখ আহমেদ বিন রশিদের শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন।

ন্যাশনাল নিউজের বরাতে জানা যায়, দুবাই সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রেসিডেন্ট এবং এমিরেটস এয়ারলাইন অ্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী শেখ আহমেদ বিন সাঈদসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ আহমেদ বিন সাঈদ বলেন, সারাজীবন মরহুম শেখ আহমেদ বিন রশিদ দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি উদারতা, বিনয় এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক হয়ে বেঁচে ছিলেন।

এমবিআরজিআই-এর মহাসচিব মোহাম্মদ আল গারগাবি বলেন, এই আয়োজন সংযুক্ত আরব আমিরাতের চিরন্তন মূল্যবোধেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি উল্লেখ করেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় সূচনার শুরু থেকেই শেখ আহমেদ বিন রশিদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তার অসামান্য অবদান ও সামাজিক প্রভাব সর্বজনস্বীকৃত।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার গাজার ১০ লাখ মানুষের জন্য শীতবস্ত্র সরবরাহের একটি বড় উদ্যোগ শুরু করে আমিরাত। আসন্ন হাড়কাঁপানো শীত ও তাপমাত্রা হ্রাসের মুখোমুখি হওয়া ফিলিস্তিনিদের উষ্ণতা দিতে এই উদ্যোগ জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যে ‘জায়েদ চ্যারিটেবল অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন’ ৫০ হাজার জ্যাকেট, মৌসুমী প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কম্বলসহ ৫ হাজার উইন্টার কিট বিমানযোগে গাজায় পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদের নির্দেশনায় শুরু হওয়া ‘অপারেশন গ্যালেন্ট নাইট ৩’-এর আওতায় গাজায় এ পর্যন্ত ৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি (১৪.৬ বিলিয়ন দিরহাম) সহায়তা পাঠানো হয়েছে, যা গাজায় প্রেরিত মোট বৈশ্বিক মানবিক সহায়তার ৪৬ শতাংশ। এখন পর্যন্ত ৭৯৬টি বিমান, ২৫টি কার্গো জাহাজ এবং ১৪ হাজার ৩টি ট্রাকের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী সেখানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির অংশীদারিত্বে গাজার ১০ লাখ মানুষের জন্য ১ কোটি ১৭ লাখ ডলারের প্রত্যক্ষ খাদ্য সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল এমবিআরজিআই। এই ফাউন্ডেশনটি কেবল ২০২৫ সালেই বিশ্বের ১২২টি দেশের প্রায় ১৬.৫ কোটি মানুষের কল্যাণে ২.৩ বিলিয়ন দিরহামের বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

পাশাপাশি গাজার স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করতে এবং শিশুসহ অন্যান্য রোগীদের জন্য জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের জন্য ৩ কোটি ৭০ লাখ দিরহাম অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে এই সংস্থাটি।