২ অক্টোবর ২০২৬

সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সীমা অতিক্রম করেছেন। কাতার যখন যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করছিল এবং দোহায় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখনই ইসরাইল কাতারে হামলা চালায়।

সম্প্রতি ‘পিয়ার্স মরগ্যান আনসেন্সরড’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি দোহায় হামলার প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন।

কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন মধ্যস্থতা করছিলাম এবং দোহায় ট্রাম্পের প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, তখন ইসরাইল আমাদের ওপর হামলা চালায়। এই হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ । এমন হামলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হতে পারে।

শেখ মোহাম্মদ বলেন, এটি এমন একটি নজির তৈরি করছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারীকে আক্রমণ করা হচ্ছে—যা ইতিহাসের কোনো যুদ্ধেই কখনো ঘটেনি। মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালনরত একটি দেশের ওপর হামলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংঘাত নিরসনের উদ্যোগের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সীমা অতিক্রম করেছেন। কাতার যখন যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করছিল এবং দোহায় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখনই ইসরাইল কাতারে হামলা চালায়।

সম্প্রতি ‘পিয়ার্স মরগ্যান আনসেন্সরড’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি দোহায় হামলার প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন।

কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন মধ্যস্থতা করছিলাম এবং দোহায় ট্রাম্পের প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, তখন ইসরাইল আমাদের ওপর হামলা চালায়। এই হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ । এমন হামলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হতে পারে।

শেখ মোহাম্মদ বলেন, এটি এমন একটি নজির তৈরি করছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারীকে আক্রমণ করা হচ্ছে—যা ইতিহাসের কোনো যুদ্ধেই কখনো ঘটেনি। মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালনরত একটি দেশের ওপর হামলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংঘাত নিরসনের উদ্যোগের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

কাতারে আগ্নেয়াস্ত্র ধার বা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কাতারে  আগ্নেয়াস্ত্র ধার বা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বা বহনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত নাগরিকদের উদ্দেশে একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই নির্দেশনায় লাইসেন্সধারীদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন কোনো অবস্থাতেই—সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা যতই হোক না কেন—তাদের অস্ত্র অন্য কারো কাছে ধার বা হস্তান্তর না করেন কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে তা নিজের কাছে রাখার অনুমতি না দেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অস্ত্রের লাইসেন্সটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং আইনগতভাবে তা কেবল নির্দিষ্ট লাইসেন্সধারীর জন্যই সীমাবদ্ধ।

আইনগত লঙ্ঘন ও শাস্তির বিধান:

  • আইনের ধারা: সংশোধিত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত ১৯৯৯ সালের ১৪ নম্বর আইন অনুযায়ী লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র অন্য কাউকে হস্তান্তর বা ধার দেওয়া কিংবা কোনো লাইসেন্সহীন ব্যক্তির কাছে তা গচ্ছিত রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং স্পষ্ট লঙ্ঘন।

  • কঠোর শাস্তি: এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে লাইসেন্সধারী এবং অস্ত্রগ্রহণকারী—উভয় পক্ষকেই গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের (Criminal Liability) মুখোমুখি হতে হবে। এর পরিণতি হিসেবে জেল জরিমানা থেকে শুরু করে লাইসেন্স বাতিল এবং অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করার মতো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা: দোষী সাব্যস্ত লাইসেন্সধারীকে ভবিষ্যতে আর কখনোই কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশের প্রচলিত আইন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৌদি যুবরাজ ও নেদারল্যান্ডসের রাজার সাথে কাতারের আমিরের পৃথক ফোনালাপ

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
সৌদি যুবরাজ ও নেদারল্যান্ডসের রাজার সাথে কাতারের আমিরের পৃথক ফোনালাপ

কাতারের আমির মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি মঙ্গলবার সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ এবং নেদারল্যান্ডসের রাজা উইলেম-আলেকজান্ডারের সাথে পৃথক টেলিফোন ফোনালাপ করেছেন। এসব ফোনালাপে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সৌদি যুবরাজের সাথে ফোনালাপ:

সৌদি যুবরাজের সাথে ফোনালাপে কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করা হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।

নেদারল্যান্ডসের রাজার সাথে আলোচনা:

নেদারল্যান্ডসের রাজার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ফোনালাপে কাতার ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বিভিন্নখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে কথা হয়। এ সময় আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামুদ্রিক নৌপথের নিরাপত্তা রক্ষা এবং চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর কাতার: ড. মাজেদ আল আনসারি

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর কাতার: ড. মাজেদ আল আনসারি

সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরিতে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে কাতার। একই সাথে আঞ্চলিক অবকাঠামো রক্ষায় সকল পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে কাতার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাজেদ বিন মোহাম্মদ আল আনসারি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনের মূল বিষয়সমূহ:

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মধ্যস্থতা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (UNGA) ফাঁকে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন যোগাযোগ ও বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ড. আল আনসারি জানান, দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব কমাতে এবং একটি সাধারণ ভিত্তি তৈরি করতে কাতারের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকেও কাতার সমর্থন করে আসছে।

  • আঞ্চলিক অবকাঠামো সুরক্ষা: আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে জ্বালানি স্থাপনা, নৌযান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। তিনি বলেন, আঞ্চলিক জনগণ এই সংঘাতের কোনো অংশীদার হতে চায় না এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এমন কর্মকাণ্ড বরদাশত করা যায় না।

  • পারস্পরিক সহাবস্থান ও নিরাপত্তা: ইরান ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC)ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে তিনি জানান, আঞ্চলিক দেশগুলো সংঘাত চায় না এবং শান্তি ও সংলাপের মাধ্যমেই সংকট সমাধানের পক্ষে। কাতারের ওপর হামলা সত্ত্বেও শান্তি ও কূটনীতির পথ থেকে দোহা সরে আসেনি।

  • গাজা ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি: গাজায় যুদ্ধবিরতি ও দ্বিতীয় ধাপে উত্তরণের প্রচেষ্টায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার বারবার বাধা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেন ড. আল আনসারি। এছাড়া পশ্চিম তীরের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও বসতি স্থাপনবিরোধী কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষেধাজ্ঞাকে কাতার সাধুবাদ জানিয়েছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহাবস্থান, আক্রমণ থেকে বিরত থাকা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোগত রূপরেখা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছে কাতার।

কাতার চ্যারিটি ও রফিকের ‘শেয়ার দ্য রিওয়ার্ড’ ক্যাম্পেইন চালু

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কাতার চ্যারিটি ও রফিকের ‘শেয়ার দ্য রিওয়ার্ড’ ক্যাম্পেইন চালু

কাতারের স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে ডিজিটাল মাধ্যমে অনুদান পৌঁছে দিতে নতুন একটি অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রিয় ডেলিভারি অ্যাপ রফিক এবং কাতার চ্যারিটি (QC)-এর ‘আকরাবুন সেন্টার’। এর অংশ হিসেবে ‘শেয়ার দ্য রিওয়ার্ড’ নামের একটি ডিজিটাল গিভিং বা দানশীলতা উদ্যোগ চালুর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে দাতা বা সাধারণ মানুষ রফিক অ্যাপ ব্যবহার করে সরাসরি নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাতে সহায়তা প্রদান করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে খাবার, খাদ্যপণ্য, স্কুলসামগ্রী, পোশাক এবং চিকিৎসাসেবা সহায়তা।

উদ্যোগটির মূল বৈশিষ্ট্য ও কার্যপদ্ধতি:

  • ডিজিটাল মাধ্যম: রফিক অ্যাপের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই তাদের পছন্দ অনুযায়ী অনুদান প্রদান করতে পারবেন।

  • সঠিক মূল্যায়ন ও যাচাই: কাতার চ্যারিটির আকরাবুন সেন্টার কেস স্টাডি বা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করবে এবং তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক চাহিদাগুলো নির্ধারণ করবে।

  • সহযোগিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা: আকরাবুন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ফয়সাল রশিদ আল-ফুহাইদা জানান, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এটি সমাজের মানুষের মধ্যে সংহতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অনুভূতি আরও বাড়িয়ে তুলবে।

রফিকের সিইও আব্দুল্লাহ থামের আল-হুমাইদি বলেন, প্রযুক্তি কেবল সেবা প্রদানের মাধ্যম নয়, বরং সমাজের কল্যাণেও এর কার্যকর ব্যবহার থাকা উচিত। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রফিক ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই এবং সসম্মানে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে পারবেন।

কাতার চ্যারিটি এবং রফিকের এই যৌথ প্রয়াস দেশের বেসরকারি খাত ও দাতব্য সংস্থার মধ্যকার অংশীদারিত্বের একটি সফল মডেল হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।