৬ অক্টোবর ২০২৬

সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাল কাতার

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাল কাতার

সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে দেশটির ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অব্যাহত অনুপ্রবেশ এবং সামরিক অবকাঠামো ‘সোফা ৫৩‘ এর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কাতার ও জর্ডান।

রোববার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের এ দুই দেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বেগের বিষয়টি জানা গেছে। খবর আলজাজিরার।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কুনেইত্রার গ্রামীণ এলাকায় ইসরায়েলের এই ধরনের সামরিক তৎপরতা সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত, আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এক গুরুতর হুমকি।

অন্য এক বিবৃতিতে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইসরায়েলি পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে জানায়, ‘সোফা ৫৩‘ নিয়ে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের চরম লঙ্ঘন এবং সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।

উল্লেখ্য, সোফা ৫৩ (যাকে স্থানীয়ভাবে ‘দ্য গ্রেট স্টর্ম‘ বা মহাসুউচ্চ ঝড় নামে ডাকা হয়) হলো একটি সামরিক সড়ক, মাটির উঁচু বাঁধ ও পরিখা সম্বলিত নিরাপত্তা বলয়। ১৯৭৪ সালের সামরিক প্রত্যাহার ও যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে থাকা বাফার জোনের অভ্যন্তরে ২০২২ সাল থেকে কুনেইত্রা অঞ্চলের সিরীয় অংশে এটি নির্মাণ করে আসছে ইসরায়েল। অতি সম্প্রতি ওই এলাকায় নতুন করে তারা নির্মাণ ও সামরিক কাজ শুরু করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল আরব বিশ্বের এ দেশ দুটি।

সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাল কাতার

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাল কাতার

সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে দেশটির ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অব্যাহত অনুপ্রবেশ এবং সামরিক অবকাঠামো ‘সোফা ৫৩‘ এর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কাতার ও জর্ডান।

রোববার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের এ দুই দেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বেগের বিষয়টি জানা গেছে। খবর আলজাজিরার।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কুনেইত্রার গ্রামীণ এলাকায় ইসরায়েলের এই ধরনের সামরিক তৎপরতা সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত, আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য এক গুরুতর হুমকি।

অন্য এক বিবৃতিতে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইসরায়েলি পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে জানায়, ‘সোফা ৫৩‘ নিয়ে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের চরম লঙ্ঘন এবং সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।

উল্লেখ্য, সোফা ৫৩ (যাকে স্থানীয়ভাবে ‘দ্য গ্রেট স্টর্ম‘ বা মহাসুউচ্চ ঝড় নামে ডাকা হয়) হলো একটি সামরিক সড়ক, মাটির উঁচু বাঁধ ও পরিখা সম্বলিত নিরাপত্তা বলয়। ১৯৭৪ সালের সামরিক প্রত্যাহার ও যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে থাকা বাফার জোনের অভ্যন্তরে ২০২২ সাল থেকে কুনেইত্রা অঞ্চলের সিরীয় অংশে এটি নির্মাণ করে আসছে ইসরায়েল। অতি সম্প্রতি ওই এলাকায় নতুন করে তারা নির্মাণ ও সামরিক কাজ শুরু করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল আরব বিশ্বের এ দেশ দুটি।

হামাদ এয়ারপোর্টে বয়স্কদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
হামাদ এয়ারপোর্টে বয়স্কদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবস উপলক্ষে বয়স্কদের ভ্রমণ প্রক্রিয়া, বিভিন্ন সেবা এবং বিমানবন্দরের প্রবেশগম্যতা সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি যৌথ সহযোগী কর্মসূচি চালু করেছে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কাতার ফাউন্ডেশন ফর সোশ্যাল ওয়ার্কের আওতাধীন বয়স্কদের ক্ষমতায়ন ও যত্ন কেন্দ্র ‘ইসান’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রবীণদের ভ্রমণকে আরও স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা।

সামাজিক অংশীদারত্ব জোরদার এবং প্রবীণদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বিমানবন্দরের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ডিজিটাল সমাধান এবং বিভিন্ন সেবামূলক সহায়তা নেওয়ার প্রক্রিয়া সরাসরি জানার সুযোগ পাবেন।

কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • পরিদর্শন ও পরিচিতিমূলক ট্যুর: হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বয়স্কদের জন্য নিয়মিত পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে তাঁদের বিমানবন্দরের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে।

  • সচেতনতামূলক সেশন: প্রবীণরা যাতে আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য যাত্রার বিভিন্ন ধাপ এবং ডিজিটাল সেবা নিয়ে বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হবে।

  • মতামত ও মূল্যায়ন: প্রবীণদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও ফিডব্যাক শোনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা ভবিষ্যতে সেবা আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে।

‘ইসান’ কেন্দ্রের নির্বাহী ব্যবস্থাপক মানাল আল মান্নাই জানান, আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তি দিবসে এই কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকার বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে ওঠে। তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ সচেতনতা এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রবীণদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁদের জীবনযাত্রার মান আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সব যাত্রীর জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, যা ‘ইসান’ কেন্দ্রের প্রবীণদের ক্ষমতায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে কাতারে মার্কিন সিনেটর

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে কাতারে মার্কিন সিনেটর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিন দেখতে মধ্যপ্রাচ্য সফর শুরু করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি। একই সঙ্গে সংঘাত বন্ধে কাজ করা ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাও তার সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।

সফরের শুরুতে কাতারে পৌঁছেছেন মারফি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সফরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও যাবেন। যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মারফি তার সফরের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যের কথা জানিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথমটি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে যুদ্ধের কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা সরেজমিনে দেখা। তার মতে, মার্কিন সিনেট সদস্যদের জন্য সরাসরি এসব ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করা গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। পাশাপাশি সংঘাত বন্ধে চলমান প্রচেষ্টা সম্পর্কেও তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানবেন।

তৃতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের কী ধরনের নীতি গ্রহণ করা উচিত, তা নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মারফি।

তিনি বলেন, যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের দুই দলের সিনেট সদস্যদের মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কাতার ও সৌদি আরবে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কাতার ও সৌদি আরবে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব ও কাতারে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে ফের হামলা চালানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন- এমন বক্তব্যের পরই এই মোতায়েনের খবর সামনে এলো।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, সৌদি আরবে একটি অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি পাঠানো হয়েছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল স্থাপনা সুরক্ষায় এটি মোতায়েন করা হয়েছে। একইভাবে কাতারে একটি প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনার নিরাপত্তায় আরেকটি প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চাহিদা বেশি থাকায় নতুন এই মোতায়েনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বর্তমানে সীমিত সংখ্যক প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি রয়েছে।

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত নিরাপত্তা সহায়তার ওপর নির্ভর করছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়ে।

সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধা এবং ইরাকভিত্তিক শিয়া মিলিশিয়াদের হামলার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে রিয়াদের।

এদিকে ইরানে ফের হামলা চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, তেহরানকে ‘ন্যায্য চুক্তি’ করতে হবে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সামরিক শক্তি পাঠানো হচ্ছে। ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী গত রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো ছেড়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার মেরিন নিয়ে তিনটি উভচর জাহাজের সমন্বয়ে গঠিত ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপও সোমবার যাত্রা করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে এরই মধ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন রয়েছে। থিওডোর রুজভেল্ট পৌঁছালে ওই অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা দাঁড়াবে তিনটিতে- যা ২০২৬ সালের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ।

সূত্র: প্রথম আলো

সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
সীমা অতিক্রম করেছেন বলে নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা কাতারের

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সীমা অতিক্রম করেছেন। কাতার যখন যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করছিল এবং দোহায় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখনই ইসরাইল কাতারে হামলা চালায়।

সম্প্রতি ‘পিয়ার্স মরগ্যান আনসেন্সরড’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি দোহায় হামলার প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন।

কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন মধ্যস্থতা করছিলাম এবং দোহায় ট্রাম্পের প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, তখন ইসরাইল আমাদের ওপর হামলা চালায়। এই হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ । এমন হামলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হতে পারে।

শেখ মোহাম্মদ বলেন, এটি এমন একটি নজির তৈরি করছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারীকে আক্রমণ করা হচ্ছে—যা ইতিহাসের কোনো যুদ্ধেই কখনো ঘটেনি। মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালনরত একটি দেশের ওপর হামলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংঘাত নিরসনের উদ্যোগের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।