১৭ জুন ২০২৬

আর্জেন্টিনার সেই ‘লাকি’ রেফারি থাকছেন আলজেরিয়া ম্যাচে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
আর্জেন্টিনার সেই ‘লাকি’ রেফারি থাকছেন আলজেরিয়া ম্যাচে

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া। বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ ঘিরে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা, অন্যদিকে চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুত আলজেরিয়াও।

এ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন পোল্যান্ডের অভিজ্ঞ রেফারি সিজিমন মার্সিনিয়াক। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরিচিত এই রেফারি এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপের স্মরণীয় ফাইনালেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের রুদ্ধশ্বাস লড়াই, লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং নাটকীয় টাইব্রেকার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার ম্যাচে বাঁশি বাজাতে যাচ্ছেন মার্সিনিয়াক। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি রেফারিং নিয়েও বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।

এটি আর্জেন্টিনার সঙ্গে মার্সিনিয়াকের তৃতীয় সাক্ষাৎ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তার পরিচালনায় আর্জেন্টিনা আগের দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছিল।

পোল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ রেফারি একসময় স্থানীয় লিগে খেলোয়াড় হিসেবে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে রেফারিং শুরু করেন এবং দ্রুতই ইউরোপিয়ান ফুটবলের এলিট পর্যায়ে জায়গা করে নেন।

তার ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ও ২০২৩ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল পরিচালনা। এছাড়া তিনি টানা দুই বছর ‘বিশ্বসেরা রেফারি’ হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন।

২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে তিনটি গোলই এসেছিল পেনাল্টি থেকে। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের দ্বৈরথে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।

ওই আসরেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাউন্ড অব ১৬ ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন মার্সিনিয়াক, যেখানে আর্জেন্টিনা জয় পেয়েছিল ২-১ ব্যবধানে। ফলে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচে আবারও তার উপস্থিতি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে আলাদা এক আশাবাদ তৈরি করেছে।

আর্জেন্টিনার সেই ‘লাকি’ রেফারি থাকছেন আলজেরিয়া ম্যাচে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
আর্জেন্টিনার সেই ‘লাকি’ রেফারি থাকছেন আলজেরিয়া ম্যাচে

চলমান ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া। বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ ঘিরে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা, অন্যদিকে চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুত আলজেরিয়াও।

এ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন পোল্যান্ডের অভিজ্ঞ রেফারি সিজিমন মার্সিনিয়াক। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরিচিত এই রেফারি এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপের স্মরণীয় ফাইনালেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের রুদ্ধশ্বাস লড়াই, লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং নাটকীয় টাইব্রেকার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাইনাল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার ম্যাচে বাঁশি বাজাতে যাচ্ছেন মার্সিনিয়াক। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি রেফারিং নিয়েও বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।

এটি আর্জেন্টিনার সঙ্গে মার্সিনিয়াকের তৃতীয় সাক্ষাৎ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তার পরিচালনায় আর্জেন্টিনা আগের দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছিল।

পোল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ রেফারি একসময় স্থানীয় লিগে খেলোয়াড় হিসেবে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে রেফারিং শুরু করেন এবং দ্রুতই ইউরোপিয়ান ফুটবলের এলিট পর্যায়ে জায়গা করে নেন।

তার ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ও ২০২৩ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল পরিচালনা। এছাড়া তিনি টানা দুই বছর ‘বিশ্বসেরা রেফারি’ হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন।

২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে তিনটি গোলই এসেছিল পেনাল্টি থেকে। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের দ্বৈরথে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।

ওই আসরেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাউন্ড অব ১৬ ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন মার্সিনিয়াক, যেখানে আর্জেন্টিনা জয় পেয়েছিল ২-১ ব্যবধানে। ফলে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচে আবারও তার উপস্থিতি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে আলাদা এক আশাবাদ তৈরি করেছে।

দুঃসংবাদ পিছু ছাড়ছে না ব্রাজিলের! পুরো গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে গেলেন নেইমার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
দুঃসংবাদ পিছু ছাড়ছে না ব্রাজিলের! পুরো গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে গেলেন নেইমার

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জন্য দুঃসংবাদ যেন পিছুই ছাড়ছে না। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর এবার চোটগ্রস্ত তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারকে নিয়ে আরও হতাশাজনক খবর পেল সেলেসাও শিবির। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচেও মাঠে নামতে পারবেন না ব্রাজিলের এই সুপারস্টার।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী নেইমার এখনো পুরোপুরি অনুশীলনে ফিরতে পারেননি। গত ১৭ মে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলতে গিয়ে কাফ মাংসপেশিতে গ্রেড-২ ইনজুরিতে পড়েন তিনি। সেই চোট থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।

বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ব্রাজিল দলে জায়গা পেলেও এখন পর্যন্ত মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি বেঞ্চে থাকলেও ম্যাচে খেলতে পারেননি। সোমবারও দলের অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।

ব্রাজিল দলের মেডিকেল বিভাগ নেইমারের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার মূল্যায়নে নতুন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ দুটি তিনি মিস করবেন। দলের চিকিৎসকরা তাকে নকআউট পর্বের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা করছেন।

বিষয়টি নিয়ে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেছেন, ‘নেইমার দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। আমরা চাই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে দলে ফিরুক। তার অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব তরুণদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

বিশ্বকাপের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, সেটিই এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। ফলে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

নেইমারের অনুপস্থিতি ব্রাজিলের আক্রমণভাগে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে সমর্থকদের আশা, গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউট রাউন্ডে দলের সবচেয়ে বড় তারকা ফিরে এসে আবারও নেতৃত্ব দেবেন শিরোপা জয়ের অভিযানে।

ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্যে বিশ্বকাপে নামছে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্যে বিশ্বকাপে নামছে আর্জেন্টিনা

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠে নামছে নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের পর এবার টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতে বিরল এক কীর্তি গড়তে চায় লিওনেল স্কালোনির দল।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র দুটি দেশ শিরোপা ধরে রাখতে পেরেছে। ১৯৩৮ সালের ইতালির পর সর্বশেষ ১৯৬২ সালে ব্রাজিল এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিল। এরপর আর কোনো দল টানা দুই আসরে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। তাই এবারের আসরে আর্জেন্টিনার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই দীর্ঘ ৬৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানো।

দলের মূল শক্তি হিসেবে থাকছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ৩৮ বছর বয়সী এই মহাতারকার জন্য এটি হতে পারে ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করলেও এবার আরেকটি শিরোপা জিতে বিদায় নেওয়ার লক্ষ্য তার।

স্কালোনির দলেও বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজদের নিয়ে গড়া দলটি এখনো বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী স্কোয়াড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ২০২৪ কোপা আমেরিকার শিরোপাও জিতেছে আর্জেন্টিনা। ফলে আত্মবিশ্বাসের দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

তবে সমালোচকরাও একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে বেশি। ফলে নকআউট পর্বে ফ্রান্স, ব্রাজিল বা স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হলে তারা কতটা প্রস্তুত থাকবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

এদিকে বিশ্বকাপের পাশাপাশি দলটির কয়েকজন তারকাকে ঘিরে দলবদলের গুঞ্জনও চলছে। হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

সব মিলিয়ে শিরোপা ধরে রাখা, মেসির বিদায়ী বিশ্বকাপ এবং নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন—এই তিন লক্ষ্য নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযানে নামছে আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ জি’র ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে দারুণ এক উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় ইরান ও নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ গোলে ড্র হয়ে, যেখানে দুইবার পিছিয়ে পড়েও অসাধারণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইরান। এর ফলে গ্রুপ 'জি'-এর দুইটি ম্যাচই ড্র হলো, এতে এই গ্রুপের চার দলই সমান ১ পয়েন্ট করে পেয়েছে।

এদিন লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগেই ফুটবলের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল রাজনীতি। শুরু হয় প্রতিবাদও। অন্যদিকে গ্যালারিতে উড়ছিল নানা পতাকা, জাতীয় সংগীতে শোনা গেছে দুয়ো ও সমর্থনের মিশ্র সুর। সেই উত্তপ্ত আবহের মধ্যেই মাঠে রোমাঞ্চ ছড়াল ইরান ও নিউজিল্যান্ড। দুইবার পিছিয়ে পড়েও হার মানেনি ইরান। এলিজাহ জাস্টের জোড়া গোলে দুবার এগিয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড।

কিন্তু রামিন রেজাইয়ান ও মোহাম্মদ মোহেব্বির গোলে দুবারই ম্যাচে ফিরে আসে ইরান। শেষ পর্যন্ত গ্রুপ ‘জি’র ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলে।

ম্যাচের আগে থেকেই নজর ছিল গ্যালারিতে। ইরানি সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় তিন ধরনের পতাকা, ইরানের বর্তমান সরকারি পতাকা, প্রাক-বিপ্লবী ‘সান অ্যান্ড লায়ন’ পতাকা এবং প্রতীকবিহীন সবুজ-সাদা-লাল পতাকা। ফিলিস্তিনি পতাকাও দেখা গেছে গ্যালারির এক পাশে।

ইরানের জাতীয় সংগীত বাজতেই স্টেডিয়ামের এক অংশ থেকে দুয়ো ভেসে আসে। আবার অনেকেই খেলোয়াড়দের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। মাঠের বাইরে প্রতিবাদ থাকলেও মাঠে ইরান শুরু করে দারুণ উদ্দীপনায়। কিক-অফের পরপরই উচ্চ প্রেসে নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে তারা।

কিন্তু খেলার ধারার বিপরীতে ৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। নিজেদের অর্ধ থেকে আসা লম্বা বল ধরে রাখেন ক্রিস উড। এরপর ডান পাশে থাকা এলিজাহ জাস্টকে পাস দেন তিনি। জায়গা বের করে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান জাস্ট। শুরুতে ভালো খেলেও পিছিয়ে পড়ে ইরান।

গোলের পরও ম্যাচের গতি কমেনি অবশ্য। ১২ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শট নেন সারপ্রিত সিং, তবে সেটি লক্ষ্যে ছিল না। ১৫ মিনিটে নিউজিল্যান্ড কর্নার পায়। ছোট পাস থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে উড দ্রুত ঘুরে শট নেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু ইরানের রক্ষণ সেটি আটকে দেয়।

১৭ মিনিটের পর থেকে ম্যাচ আরও খোলা হয়ে ওঠে। দুই দলই দ্রুত আক্রমণে উঠছিল। ১৯ মিনিটে দূর থেকে শট নেন সারপ্রিত সিং, তবে বেইরানভান্দ সহজেই বল ধরেন। ২৩ মিনিটে ইরান পায় বড় সুযোগ। মাঝপথ দিয়ে উঠে দূরপাল্লার শট নেন তারেমি। ক্রোকম্বকে হারালেও বল ডান পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

২৫ মিনিটে প্রথম কুলিং ব্রেক হয়। বিরতির পরও ইরানের চাপ চলতে থাকে। ২৯ মিনিটে তারেমির চাপের মুখে ক্রোকম্ব বল থেকে দূরে সরে যান। সুযোগ দেখে সামান ঘোদ্দোস দূর থেকে ভলিতে গোলের চেষ্টা করেন, কিন্তু শট ঠিকমতো জমেনি।

অবশেষে ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরে ইরান। একের পর এক আক্রমণে নিউজিল্যান্ড রক্ষণকে চাপে রাখছিল তারা। ঘোদ্দোস সামনে পাস দেওয়ার চেষ্টা করেন, মোগানলু পড়ে যান। কাছেই থাকা রেজাইয়ান দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় ডান পায়ে বল জালে পাঠান। ক্রোকম্বকে ফাঁকি দিয়ে বল যায় নিচের বাঁ কোণে। স্কোরলাইন হয় ১-১।

ইরানের সমতার পর গ্যালারির এক অংশ থেকে দুয়ো শোনা যায়। তবে একই সঙ্গে ইরানি সমর্থকদের উল্লাসও বাড়তে থাকে। শেষ ১০ মিনিটে তাদের সমর্থন আরও জোরালো হয়।

৩৮ মিনিটে নিউজিল্যান্ড খেলার গতি কিছুটা কমিয়ে পেছন থেকে ধৈর্য ধরে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করে। ৪৪ মিনিটে ইরানি রক্ষণ কাকাচেকে ফাউল করলে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিক পায় নিউজিল্যান্ড। ৪৫ মিনিটে উডের নিচু শট সরাসরি বেইরানভান্দের হাতে যায়।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আরও কয়েকটি ঘটনা ঘটে। ৪৫+১ মিনিটে দূর থেকে শট নেন ম্যাককোয়াট, তবে সেটি ছিল দুর্বল। ৪৫+৩ মিনিটে লং থ্রো থেকে পেছন ঘুরে ফ্লিক করার চেষ্টা করেন মোগানলু, বল জালের ওপর দিয়ে যায়। ৪৫+৫ মিনিটে প্রায় এগিয়ে গিয়েছিল ইরান। প্রায় ৪০ মিটার দূর থেকে নেওয়া ফ্রি-কিকে হেড করেন নেমাতি। বল জালে গেলেও অফসাইডের পতাকায় থেমে যায় ইরানের উদযাপন।

প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ সমতায়। শুরুতে ইরানের উচ্চ প্রেস, নিউজিল্যান্ডের পাল্টা আঘাত এবং পরে রেজাইয়ানের গোলে ম্যাচ তখনই জমে ওঠে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে। ৪৬ মিনিটে তারেমির দিকে পাঠানো লম্বা বল দারুণভাবে ক্লিয়ার করেন ফিন সারম্যান। ৪৭ মিনিটে দূর থেকে শট নেন উড, তবে বল পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ৪৯ মিনিটে রেজাইয়ানের কর্নার হেড করে ফেরান সারম্যান। ফিরতি আক্রমণে ঘায়েদির শটও আটকে যায়।

৫১ মিনিটে ডান দিক থেকে বাঁ পায়ের কার্লিং শট নেন মোগানলু, কিন্তু বল দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ৫৩ মিনিটে প্রথম পরিবর্তন আনে ইরান। মোগানলুর জায়গায় নামেন আলি আলিপুর।

এর এক মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ৫৪ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উডের পাস ধরে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকেন জাস্ট। সামনে এগিয়ে আসা বেইরানভান্দের ওপর দিয়ে তুলে দেন বল। সেটি জালে জড়ালে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল পান জাস্ট, আর নিউজিল্যান্ড এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে।

গোলের পর কিছুটা ধাক্কা খেলেও দ্রুত আক্রমণে ফেরে ইরান। ৫৭ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ক্রস পেয়ে হেড নেন তারেমি। ক্রোকম্ব এগিয়ে এসে প্রথম হেড ঠেকান। বল কাছেই থাকা মোহেব্বির দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু আবারও ঝাঁপিয়ে বিপদ দূর করেন নিউজিল্যান্ড গোলরক্ষক। পরে অফসাইডের বাঁশি বাজে।

৬০ মিনিটের পর ম্যাচ আরও উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিউজিল্যান্ড তখন বল ছাড়া অপেক্ষা করে দ্রুত আক্রমণে যাওয়ার কৌশল নেয়। ইরান বারবার চাপ বাড়াতে থাকে। ৬৪ মিনিটে সেই চাপের ফল পায় তারা। ডান দিক থেকে রেজাইয়ানের ক্রসে দারুণ হেড করেন মোহেব্বি। বল যায় গোলের নিচের বাঁ কোণে। স্কোরলাইন ২-২।

গোলের পর ইরানি সমর্থকেরা আবারও গর্জে ওঠেন। ৬৫ মিনিটে ঘোদ্দোসের জায়গায় এহসান হাজসাফিকে নামায় ইরান। ৬৯ মিনিটে ক্রোকম্বের চিকিৎসার সময় কুলিং ব্রেক হয়। নিউজিল্যান্ডও তখন পরিবর্তনের প্রস্তুতি নেয়।

শেষ ২০ মিনিটে ম্যাচে শারীরিক লড়াই বাড়তে থাকে। ৭৫ মিনিটের দিকে ইরান আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ছিল, আর নিউজিল্যান্ড তুলনামূলক ধৈর্য ধরে শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল। ৭৮ মিনিটে টিম পেইনের জায়গায় কালান এলিয়টকে নামায় নিউজিল্যান্ড।

৮০ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রসে হেড করেন তারেমি, কিন্তু বল অনেক ওপর দিয়ে যায়। এরপরই তাকে তুলে নিয়ে আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহকে নামায় ইরান।

৮৩ মিনিটে উডের সঙ্গে সংঘর্ষে মুখে আঘাত পান খালিলজাদে। ৮৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন এজাতোলাহি, কিন্তু বল ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে যায়। ৮৭ মিনিটে বাঁ দিক থেকে কার্লিং শট নেন মোহেব্বি, তবে সেটি সরাসরি ক্রোকম্বের হাতে যায়।

৮৯ মিনিটে খারাপ ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখেন হাজসাফি। একই মিনিটে কর্নার পায় ইরান। বাঁ দিক থেকে আসা কর্নারের পর বল বক্সের ডান পাশে পড়ে, কিন্তু শেষ শটটি ঠিকমতো নিতে পারেনি তারা। দ্রুত বল ক্লিয়ার করে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করে নিউজিল্যান্ড।

যোগ করা সময় ছিল পাঁচ মিনিট। ৯০+৩ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ক্রস পেয়ে বল লক্ষ্যে পাঠানোর চেষ্টা করেন উড। তবে তার চেষ্টা সহজেই ধরে ফেলেন বেইরানভান্দ। ৯০+৪ মিনিটে শেষবারের মতো কর্নার পায় ইরান। বাঁ দিক থেকে উড়ে আসা বলে দূরের পোস্টে হেড করেন একজন ইরানি খেলোয়াড়। বল আবার গোলমুখে ফিরছিল, কিন্তু থমাস পেছনের দিকে হেড করে বিপদ সরিয়ে দেন। আর কোনো ইরানি খেলোয়াড় বল ছুঁতে পারেননি।

যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে শেষ বাঁশি বাজে। ২-২ ড্র নিয়েই শেষ হয় ইরান-নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর লড়াই।

উল্লেখ্য, ম্যাচের আগে ফর্মে এগিয়ে ছিল ইরান। শেষ পাঁচ ম্যাচে তাদের ফর্ম ছিল জয়-জয়-জয়-হার-ড্র। মালি, গাম্বিয়া ও কোস্টারিকার বিপক্ষে শেষ তিন প্রীতি ম্যাচ জিতেছিল তারা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ফর্ম ছিল হার-হার-হার-হার-ড্র। ২০২৫ সালের জুনে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়ের পর আর কোনো ম্যাচ জেতেনি তারা।

এবার উরুগুয়েকে রুখে দিলো সৌদি আরব

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
এবার উরুগুয়েকে রুখে দিলো সৌদি আরব

গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েই দিয়েছিল। এবার লাতিন আমেরিকার আরেক পরাশক্তি উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল সৌদি আরব। সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি। তবে উরুগুয়ের মুহুর্মুহু আক্রমণ ঠেকিয়ে হার ঠিকই এড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

মিয়ামি স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের দাপুটে খেলা ম্যাচে ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সৌদি আরব। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে দুই দল।

ম্যাচে ২৭টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখলেও একটির বেশি গোল আদায় করতে পারেনি উরুগুয়ে। অন্যদিকে ৭ শটের তিনটি লক্ষ্যে রেখে একটি গোল করে সৌদি আরব।

শক্তিমত্তায় এগিয়ে থাকা দলের জন্য হতাশার এক রাতই গেলো! স্পেনকে রুখে গোলশূন্য দিলো কেপ ভার্দে। মিসরের সঙ্গে ড্র করলো বেলজিয়াম। এবার সৌদি আরব ড্র করলো উরুগুয়ের সাথে।

মিয়ামি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে প্রায় সমানে সমান লড়াই হয়েছে। অবশ্য প্রথম ১০ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ ছিল উরুগুয়ের হাতেই। ৩০তম মিনিটে প্রথম বড় সুযোগ পায় উরুগুয়ে। তবে ফেদেরিকো ভিনাসের ডাইভিং হেড দারুণ দক্ষতায় হাত দিয়ে ক্রসবারের ওপরে বের করে দেন সৌদি গোলরক্ষক আল ওয়াইজ।

ম্যাচের ৪১ মিনিটে এগিয়ে যায় সৌদি আরব। কর্নার থেকে চমৎকার বল ভাসিয়ে দেন আল জুয়াইর। বলটি পেছনের পোস্টে থাকা আবদুলহামিদের কাছে পৌঁছায়। সেখান থেকে তিনি শক্তিশালী শট নেন উরুগুয়ের গোলরক্ষক মুসলেরার দিকে। মুসলেরা প্রথম শটটি ঠেকাতে সক্ষম হলেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি।

সুযোগ বুঝে দ্রুত বলের কাছে পৌঁছে যান আল আমরি। রিবাউন্ড থেকে সহজ টোকায় বল জালে পাঠিয়ে সৌদি আরবকে মূল্যবান লিড এনে দেন তিনি। দুর্দান্ত কর্নার রুটিন এবং আল আমরির ক্ষিপ্রতায় গোল করে ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সৌদি আরব।

দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটাই বলতে গেলে খেলেছে উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণ করেই গেছে। তবে সৌদি গোলরক্ষক আর রক্ষণে বারবার আটকে যাচ্ছিল আক্রমণগুলো।

অবশেষে ৮০ মিনিটে এসে ডেডলক ভাঙেন ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। প্রথমে ভিনাসের হেড থেকে আসা বল দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন সৌদি গোলরক্ষক আল-ওয়াইস। তবে বলটি বিপদমুক্ত করতে না পারায় তা গিয়ে পড়ে আরাউহোর সামনে।

সুযোগ হাতছাড়া করেননি এই উইঙ্গার। গোলরক্ষক আল-ওয়াইস তখন অবস্থানের বাইরে থাকায় সহজ একটি টোকায় বল জালে পাঠিয়ে দেন আরাউহো।দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে সৌদি রক্ষণভাগ ভাঙতে সক্ষম হয় উরুগুয়ে।

জয় তুলে নিতে এরপর আরও আক্রমণের চেষ্টা করেছে উরুগুয়ে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আরও একবার নিজের দলকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন সৌদি আরবের গোলরক্ষক আল-ওয়াইস। এবার তিনি গোলবঞ্চিত করেন উরুগুয়ের মিডফিল্ড তারকা ফেদেরিকো ভালভার্দেকে।

শেষ মুহূর্তে প্রায় ম্যাচ জিতিয়েই দিচ্ছিলেন ভালভার্দে। দূর থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শটটি নিচের ডান কোণে ঢুকে যাচ্ছিল বলেই মনে হচ্ছিল।

তবে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ডাইভ দিয়ে বলের নাগাল পান আল-ওয়াইস। এক হাতের স্পর্শে বলটিকে পোস্টের বাইরে ঠেলে দেন তিনি, ফলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় উরুগুয়ে। শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায়ই শেষ হয় ম্যাচ।