২০ অক্টোবর ২০২৬

২০০ টাকায় রাতযাপন, তবুও প্রবাসীরা যান না ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
২০০ টাকায় রাতযাপন, তবুও প্রবাসীরা যান না ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে

বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন হাজারো প্রবাসী ঢাকায় আসেন। আবার মধ্যরাতে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেও অনেকে ঢাকায় অবস্থান করেন। কম খরচে নিরাপদ আবাসনের অভাবে তাদের কেউ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশের ব্যয়বহুল হোটেলে ওঠেন, আবার অনেকে বিমানবন্দরের টার্মিনালেই রাত কাটান।

অথচ এসব প্রবাসী কর্মীর জন্য মাত্র ২০০ টাকায় থাকা ও বিমানবন্দরে বিনা খরচে যাতায়াতের সুবিধা দিচ্ছে ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। কিন্তু উদ্বোধনের পাঁচ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রচারণার অভাবে ফাঁকা পড়ে আছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সেন্টারটি।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দূরে খিলক্ষেত থানাধীন বরুয়া এলাকার লঞ্জনীপাড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার। ২০২২ সালের ১৮ মার্চ সেন্টারটির উদ্বোধন করা হয়।

বিমানবন্দর থেকে সেন্টারে যাতায়াতে স্বাভাবিক সময়ে সড়কপথে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে। বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত কর্মীদের অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করতেই এটি নির্মাণ করা হয়। এখানে ৪০ জন পুরুষ ও ১০ জন নারীসহ মোট ৫০ জন একসঙ্গে অবস্থান করার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন

তহবিল পেলে বিনা খরচে সব প্রবাসীর লাশ দেশে আনা হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

বিমানবন্দর থেকে এ সেন্টারে যাতায়াতের রাস্তায় ড্রেন ও নালা নির্মাণে প্রায় দুই বছর ধরে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ কারণে সেন্টারে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রাস্তার এ অবস্থার কারণে সেন্টারে প্রবাসীদের ফ্রিতে যাতায়াতের জন্য যে বাসটি রয়েছে, সেটিও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।—মো. সাইদুর রহমান

কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনের পর থেকে অধিকাংশ সময় সেন্টারের ৯৯ শতাংশ শয্যাই ফাঁকা থাকে। সবশেষ গত জুনে ৮৪, জুলাইয়ে ৮০ জন প্রবাসী সেখানে অবস্থান করেন। অথচ প্রতিদিন যেখানে কয়েক হাজার বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত কর্মী ঢাকায় অবস্থান করছেন, সেখানে এ সংখ্যা ‘অত্যন্ত কম’ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রবাসীদের অভিযোগ, সেন্টারটি সম্পর্কে অধিকাংশ প্রবাসীই জানেন না। ফলে তারা বিমানবন্দরের আশপাশের হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে থাকছেন অথবা টার্মিনালে বসেই দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন। সেন্টারটির সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর দাবি তাদের।

আরও পড়ুন

মৃত ভেবেছিল পরিবার, ২৫ বছরের প্রবাস ট্র্যাজেডির অবসান!

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের কর্মকর্তাদের দাবি, সেন্টারটি উদ্বোধনের পর থেকে তারা নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু সে অনুযায়ী সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আশার দিক হচ্ছে, আগের তুলনায় সেন্টারে প্রবাসীর যাতায়াত বাড়ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, সেন্টারটি নিরিবিলি পরিবেশে নির্মিত। আবাসনের কক্ষগুলো পরিচ্ছন্ন, প্রতিটি কক্ষে তিন থেকে চারটি শয্যা রয়েছে। রয়েছে নিরাপদ লাগেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, ইন্টারনেট, টেলিফোন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, প্রাথমিক চিকিৎসা, কাউন্সেলিং, নারী-পুরুষের জন্য পৃথক নামাজের স্থান। এছাড়া বিদেশগামী কর্মীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও পুনর্বাসন-সংক্রান্ত তথ্যও দেওয়া হয় এখানে।

জানতে চাইলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) মো. সাইদুর রহমান বলেন, প্রবাসী কর্মীদের জন্যই এ সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে খুবই কম খরচে তারা থাকতে পারবেন। কিন্তু প্রত্যাশার তুলনায় প্রবাসীরা কম আসছেন। এজন্য বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবাসী লাউঞ্জে নিয়মিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিমানবন্দর থেকে এ সেন্টারে যাতায়াতের রাস্তায় ড্রেন ও নালা নির্মাণে প্রায় দুই বছর ধরে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ কারণে সেন্টারে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রাস্তার এ অবস্থার কারণে সেন্টারে প্রবাসীদের ফ্রিতে যাতায়াতের জন্য যে বাসটি রয়েছে, সেটিও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

দূরত্ব বড় বাধা

ওয়েজ আর্নার্স বোড সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খিলক্ষেতের বরুয়ার লঞ্জনীপাড়ার দূরত্ব প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার। এ কারণে অনেক প্রবাসী সেখানে যেতে চান না।

তবে প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোর একটি হলো বিনামূল্যে যাতায়াত। কিন্তু সেন্টারের সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি চলায় দেড় বছর ধরে সে সেবাও পাচ্ছেন না প্রবাসীরা। ফলে বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত যাত্রীরা বিনা খরচে বিমানবন্দর থেকে সেন্টারে এবং সেন্টার থেকে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারছেন না।

অনেক সময় সড়কে যানজটসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকায় আসতে দেরি হয়। এতে ফ্লাইট মিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আগেভাগেই বিমানবন্দরে চলে এসেছি। কিন্তু এখানে এসেও বিপদে পড়লাম। এখানে তো ঠিকমতো বসারও ব্যবস্থা নেই।—তোফাজ্জল হোসেন

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০০ টাকা ফি দিয়ে সরাসরি অথবা অনলাইনে সিট বুকিং করা যায়। প্রতি রাতের ভাড়া ২০০ টাকা এবং একজন কর্মী সর্বোচ্চ দুই রাত অবস্থান করতে পারেন। বুকিংয়ের সময় পাসপোর্ট ও ফ্লাইটের টিকিটের কপি জমা দিতে হয়।

আরও পড়ুন

বিদায়ী আগস্ট মাসে ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকার রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ঢাকার সড়কে তীব্র যানজট, ফ্লাইটের কয়েক ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর চাপ এবং উচ্চমূল্যের হোটেল ভাড়া—এসব বিবেচনায় ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারটি প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি উদ্যোগ। কিন্তু যথাযথ প্রচারণার অভাবে এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অধিকাংশ প্রবাসী।

গত ২৮ আগস্ট ভোর ৪টার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৌদি আরব যান চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন। ফ্লাইটের নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগেই তিনি বিমানবন্দরে চলে আসেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগে তাকে বিমানবন্দরে ঢুকতে দেননি নিরাপত্তাকর্মীরা। পরে বহির্গমন টার্মিনালের ক্যানপি-২ এর সামনে হাঁটাচলার পথে লাগেজ রেখে বাকি সময় পার করতে হয় তাকে।

আরও পড়ুন

কাতারে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

আলাপকালে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অনেক সময় সড়কে যানজটসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকায় আসতে দেরি হয়। এতে ফ্লাইট মিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আগেভাগেই বিমানবন্দরে চলে এসেছি। কিন্তু এখানে এসেও বিপদে পড়লাম। এখানে তো ঠিকমতো বসারও ব্যবস্থা নেই।

ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার সম্পর্কে জানেন কি না, এমন প্রশ্নে এই প্রবাসী বলেন, এটা কী? কখনো নাম শুনিনি। তবে শুনেছি, ঢাকায় কোথায় যেন প্রবাসীদের থাকার জন্য সরকার ব্যবস্থা রাখছে। কিন্তু সেটা কোথায়, কীভাবে যেতে হয়, তা তো জানি না।

ফেসবুকের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে ওয়েজ আর্নাস সেন্টারে যান রাজশাহীর পবা উপজেলার মোজাম্মেল হক। তিনি ৯ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকেন। গত ১৯ আগস্ট মধ্যরাতে তার ফ্লাইট ছিল।

আরও পড়ুন

দালালের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় নির্যাতন ও কারাবাস শেষে দেশে ফিরলেন ১৭৪ প্রবাসী


সেন্টারের পরিবেশ ভালো। কিন্তু সেন্টারটির কথা অনেক প্রবাসী জানেন না। আবার বিমানবন্দর থেকে সেন্টারের দূরত্ব বেশি হওয়ায় অনেক প্রবাসী সেখানে যেতে চান না।—মোজাম্মেল হক

মোজাম্মেল হক বলেন, ফ্লাইটের একদিন আগেই ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে চলে এসেছি। দুই বছর আগে ছুটিতে যখন দেশে আসি, ফেরার সময়ও ওই সেন্টারে একদিন অবস্থান করেছিলাম।

তিনি বলেন, সেন্টারের পরিবেশ ভালো। কিন্তু সেন্টারটির কথা অনেক প্রবাসী জানেন না। আবার বিমানবন্দর থেকে সেন্টারের দূরত্ব বেশি হওয়ায় অনেক প্রবাসী সেখানে যেতে চান না। এ সেন্টারটি বিমানবন্দর সংলগ্ন কোথাও স্থাপন করা দরকার ছিল। তাহলে শতভাগ সেবা নেওয়ার সুযোগ পেতেন প্রবাসীরা।

‘এরমধ্যে বিমানবন্দর সংলগ্ন হাজি ক্যাম্প এলাকা থেকে খিলক্ষেতের বরুয়ার লঞ্জনীপাড়া পর্যন্ত সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ কারণে ঠিকমতো অটোরিকশা দিয়েও যাতায়াত করা যায় না’—যোগ করেন এ প্রবাসী।

খিলক্ষেতের বরুয়ার লঞ্জনীপাড়া সাবেক দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ছিল। বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ওয়ার্ড ও সীমানা বিন্যাসের পর এই এলাকাটি ডিএনসিসির ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের (অঞ্চল-৭) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

২০২২ সালে এমন নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডে (ওয়ার্ড নং ৩৭ থেকে ৫৪) জনদুর্ভোগ লাঘব ও টেকসই উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়ক অবকাঠামো এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। ওই কাজের মধ্যে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারের সামনের রাস্তাটিও রয়েছে।

আরও পড়ুন

কাতারে না জানিয়ে কারো ছবি বা ভিডিও ধারণ করলেই জেল-জরিমানা

সবুজে সেজে উঠছে কাতার: সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণে নতুন মাইলফলক

পাবলিক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া ট্যাক্সি, লিমুজিন ও বাস চালানো নিষিদ্ধ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মায়ের স্মরণে কাতারের আল খোরে চালু হলো মহিলাদের জন্য ফ্রি কোরআন হিফজ কেন্দ্র

বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে ১৫০টি নতুন ট্রলি উপহার!

প্রকাশ: মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২৬
বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে ১৫০টি নতুন ট্রলি উপহার!

প্রবাসী কর্মীদের লাগেজ পরিবহন সহজ করতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৫০টি ট্রলি হস্তান্তর করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সুবিধার্থে মোট ২০০টি ট্রলি সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ট্রলি হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী জানান, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উদ্যোগে চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগে ২৫টি করে ট্রলি সরবরাহ করা হয়েছে।

জাপানে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত ‘টেকনিক্যাল ইন্টার্নশিপ’ পদ্ধতির পরিবর্তে নতুন ‘এমপ্লয়মেন্ট ফর স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানের স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। পাশাপাশি নারী-পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে নারী কর্মীদের প্রতি বৈষম্য রোধের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবে বোমা হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির বিষয়ে মন্ত্রী জানান, তাঁদের একজন অভিবাসী শ্রমিক এবং অন্যজন ওমরাহ যাত্রী। একজনের বাড়ি বগুড়ায়, অন্যজনের কুমিল্লায়।

আকাশপথের যোগাযোগ ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাঁদের মরদেহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সঠিক তথ্য জানতে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি: আবেদন শুরু হচ্ছে

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি: আবেদন শুরু হচ্ছে

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এই আবেদন করা যাবে। গত ৮ অক্টোবর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রবাসী কর্মীদের সন্তানদের শিক্ষাজীবনে সহায়তা এবং মেধার বিকাশে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সরাসরি মন্ত্রীর ই-মেইলে অভিযোগ জানানোর আহ্বান

জানা যায়, শিক্ষাবৃত্তির জন্য আগ্রহী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ সহায়ক হতে পারে।

বিশেষ করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা অর্জনের পথে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা কমাতে শিক্ষাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিদেশে গিয়ে নরকযন্ত্রণা, দেশে ফিরে সামাজিক কটূক্তি! বিদেশফেরত নারী শ্রমিকদের মানবেতর জীবন

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্যতা, আবেদনপদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদনের শেষ তারিখ এবং শিক্ষাবৃত্তি পাওয়ার শর্তাবলি উল্লেখ রয়েছে।

আবেদন করার আগে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞপ্তিটি ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে আগ্রহীদের নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করে সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

আবেদনে কোনো ভুল বা প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি থাকলে তা বিবেচনায় সমস্যা হতে পারে।

দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব করল বাংলাদেশ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব করল বাংলাদেশ

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁকে তলব করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ করার ঘটনা ও এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি জানান, ওই দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বাংলাদেশ সরকারকে কিছু জানানো হয়নি। তবে চিঠির মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এ সময় সৌদি আরবে ঘটা এই ঘটনাকে ‘আমাদের জন্য একটি বড় শিক্ষা’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বেলজিয়ামে বিক্ষোভে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তার ১৯৫

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশ মিশনের শ্রম উইং থেকে পাঠানো বার্তা অনুযায়ী, মক্কা নগরীর একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক বা ‘ব্যভিচার’ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন ওই দুই প্রবাসী—যা সৌদি আইনে অত্যন্ত গর্হিত ও গুরুতর অপরাধ।

সেই দেশের আইন অনুযায়ী আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকার এখনো কোনো নথিপত্র না পাওয়ায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে। সৌদি আরবের তরফ থেকে জবাব এলে নিহতদের মরদেহ ফেরত আনা সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

কিং খালিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসীর মৃত্যু: দেশে শোকের ছায়া

উল্লেখ্য, গত বুধবার সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘সৌদি প্রেস এজেন্সি’ (এসপিএ) দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবরটি নিশ্চিত করে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই প্রবাসী হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার।

আকাশে খুলে গেল দরজা: ঢাকায় জরুরি অবতরণ করল ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
আকাশে খুলে গেল দরজা: ঢাকায় জরুরি অবতরণ করল ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ায় ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতাগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। রোববার, ১৮ অক্টোবর দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে উড়োজাহাজে থাকা অসুস্থ এক ভারতীয় নারীকে দ্রুত কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। পথে মাঝ আকাশে উড়োজাহাজটির দরজা খুলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পাইলট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। অবতরণের পর উড়োজাহাজে থাকা অসুস্থ নারীকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাশতায় নিয়মিত পাউরুটি খেলে কী হয়

যাত্রীতালিকা অনুযায়ী, ওই নারীর নাম অঞ্জনা ভৌমিক। তিনি ভারতের নাগরিক। তাঁর সঙ্গে উড়োজাহাজে ছিলেন চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, প্যারামেডিক আজিম খান এবং দুই সঙ্গী সান্তা ভৌমিক ও দীপ জ্যোতি মিশ্র। যাত্রীতালিকায় তাঁদের সবার জাতীয়তা ভারতীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উড়োজাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এসকেবি ইনফ্রাকন প্রাইভেট লিমিটেড। এর মডেল সি৯০এ এবং নিবন্ধন নম্বর ভিটি-এইচওয়াইএ। উড়োজাহাজটি ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে এ পরিস্থিতির মুখে পড়ে।

যাত্রীতালিকার তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটির পাইলট ইন কমান্ড ছিলেন ক্যাপ্টেন পুণ্য অনুপ এবং সহকারী পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন তনুজ শর্মা। দুই পাইলটসহ উড়োজাহাজটিতে মোট সাতজন অবস্থান করছিলেন।

ঢাকা এয়ারপোর্টে লাগেজ নামানোর দৃশ্য সরাসরি দেখা যাবে

মাঝ আকাশে উড়োজাহাজের দরজা খুলে যাওয়ার মতো ঘটনা যাত্রী ও ক্রুদের জন্য গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং নিরাপদে উড়োজাহাজ অবতরণ করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ঘটনায় পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় উড়োজাহাজটি ঢাকায় অবতরণ করে এবং অসুস্থ নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

তবে উড়োজাহাজটির দরজা কী কারণে খুলে গিয়েছিল, সেটি যান্ত্রিক ত্রুটি, দরজার লকিং ব্যবস্থার সমস্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। একইভাবে অঞ্জনা ভৌমিকের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটির পর উড়োজাহাজটির নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ার কারণ নির্ধারণে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের ফলাফল পাওয়া না পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

যাত্রীশূন্য শাহজালাল বিমানবন্দর, বদলে গেছে চেনা চিত্র

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
যাত্রীশূন্য শাহজালাল বিমানবন্দর, বদলে গেছে চেনা চিত্র

সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্বাভাবিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। একসময় যেখানে যাত্রী ও স্বজনদের ভিড়ে টার্মিনাল এলাকা ছিল সরগরম, সেখানে এখন বিরাজ করছে অনেকটা নীরবতা। ফাঁকা আগমনী ও বহির্গমন টার্মিনাল, গাড়িশূন্য পার্কিং এবং যাত্রীদের অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের অনুপস্থিতিতে বিমানবন্দরের চেনা চিত্রই যেন বদলে গেছে।

রবিবার, ১৮ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে বিমানবন্দরে গিয়ে দেখা যায়, আগমনী ও বহির্গমন টার্মিনালের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীদের উপস্থিতি খুবই কম। বিমানবন্দরের সামনের গাড়ি পার্কিং এলাকাও ছিল প্রায় ফাঁকা। আগে যেখানে যাত্রীদের নিতে আসা স্বজনদের ভিড়, গাড়ির চাপ এবং টার্মিনালে প্রবেশের তাড়াহুড়ো দেখা যেত, সেখানে এখন অনেকটাই নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় দেশে প্রবাসীদের আসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে সৌদিগামী অনেক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বহির্গমন টার্মিনালেও যাত্রীর চাপ কমে গেছে।

সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসীদের ফ্লাইট অবতরণের সময় বিমানবন্দরে স্বজনদের ব্যাপক ভিড় তৈরি হয়। একজন প্রবাসীকে নিতে অনেক সময় সাত থেকে আটজন পর্যন্ত স্বজন বিমানবন্দরে আসেন। এতে টার্মিনালের বাইরের অংশ এবং গাড়ি পার্কিং এলাকায় প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়। জায়গার অভাবে অনেককে যেখানে-সেখানে গাড়ি রাখতে হয়। কিন্তু বর্তমানে সেই পরিচিত দৃশ্য অনেকটাই অনুপস্থিত।

দুবাই থেকে আসা ভাইকে নিতে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, আগেও একাধিকবার বিমানবন্দরে এসেছেন, তবে এবারকার মতো এতটা ফাঁকা পরিবেশ আগে দেখেননি।

বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গনে দায়িত্ব পালনকারী এপিবিএনের সদস্য ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, যাত্রী কম থাকায় বিমানবন্দর এখন অনেকটাই ফাঁকা। আগে যাত্রী ও তাঁদের স্বজনদের সামলাতে যে চাপ ছিল, বর্তমানে তা নেই। পরিস্থিতির উন্নতি হলে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে।

বহির্গমন টার্মিনালেও একই চিত্র দেখা গেছে। সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের উপস্থিতি কমেছে। কিছু ওমরাহযাত্রী দেখা গেলেও আগের মতো ভিড় ছিল না। কাতারের দোহাগামী যাত্রী আকবর হোসেন জানান, দুই মাস আগে বিমানবন্দরে এসে যে ভিড় দেখেছিলেন, এবার তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র চোখে পড়েছে।

যাত্রী কমে যাওয়ায় কাস্টমস, ইমিগ্রেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারাও আপাতত কাজের চাপ কম অনুভব করছেন। তবে দীর্ঘদিনের ব্যস্ত পরিবেশে অভ্যস্ত কর্মীদের কাছে এই অস্বাভাবিক নীরবতা কিছুটা অস্বস্তিকর মনে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাবে আট দিনে শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল হয় এবং ১৭ হাজারের বেশি প্রবাসী আটকা পড়েন। একই সঙ্গে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছেন আরও হাজারো প্রবাসী।

স্বামী প্রবাসে, অন্য ব্যক্তির ভাড়া বাসায় মিললো স্ত্রীর মরদেহ

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেফতার

মাঝ আকাশে খুলে গেল দরজা: ঢাকায় জরুরি অবতরণ করল ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স