ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পূর্নবাসন কেন্দ্র প্রয়াসে মোঃ ফোরকান (২৯) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে উঠেছে। এখানে ভর্তি করার মাত্র ৫ দিনের মাথায় ওই যুবক লাশ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। তবে পরিবারের অভিযোগ ফোরকানকে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পূর্নবাসন কেন্দ্রের লোকজন মারধোর করে হত্যা করেছে।
গত মঙ্গলবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন “প্রয়াস” মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পূর্নবাসন কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। মৃত মোঃ ফোরকান মিয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের কুড়িঘর গ্রামের মোঃ রশিদ মিয়ার ছেলে। বুধবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ফোরকানের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
মৃত ফোরকান মিয়ার বড় ভাই মোঃ ইমন মিয়া জানান, তার ভাই ফোরকান মিয়া কাতার প্রবাসী। কয়েক মাস আগে প্রবাস থেকে দেশে আসেন। আসার কিছুদিন পর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।
গত শুক্রবার (১৪ আগষ্ট) ৭০ হাজার টাকা চুক্তিতে তিন মাসের জন্য ফোরকান মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন “প্রয়াস” নামে একটি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পূর্নবাসন কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।
ভর্তি করার সময় তাদেরকে ২০ হাজার টাকা দেয়া হয়। বাকী টাকা পর্যায়ক্রমে দেয়ার কথা ছিলো। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার সময় প্রয়াস থেকে ফোনে জানানো হয় ফোরকান অসুস্থ। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ফোন পেয়ে আমরা দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে ফোরকানকে পাওয়া যায়নি। পরে সেখান থেকে প্রয়াস মাদক চিকিৎসা ও পুর্নবাসন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে একটি লাশবাহী গাড়িতে আমার ভাইয়ের লাশ।
অফিসে বাহির থেকে তালা দিয়ে পুর্নবাসন কেন্দ্রের সবাই চলে গেছে। পরে ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশের সহায়তায় লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। তিনি বলেন, আমার ভাইকে কোন চিকিৎসা না দিয়ে পুর্নবাসন কেন্দ্রের লোকজন তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা শুনেছি এর আগেও এখানে নাকি এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।
প্রয়াস মাদক চিকিৎসা ও পুর্নবাসন কেন্দ্রের পরিচালক মোঃ রুবেল জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফোরকান বাথরুমে পড়ে গিয়ে আহত হয়। আমরা তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ নাজমুল হক রনি জানান, ফোরকানকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলামের সাথে কথা বলার জন্য কয়েকদফা ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
খাবারে খাসি না পেয়ে চলে যাওয়া সেই ভাইরাল প্রবাসীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১টার দিকে প্রবাসী জুনায়েদ মিয়া নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ সম্পন্ন হলো। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবার কাছে দোয়া ও শান্তিময়, সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করছি।’
এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে খদরে (বড় থালায় বিশেষ আয়োজন) খাসি না পাওয়ায় বিয়ে না করেই চলে গেছেন জাপান প্রবাসী বর জুনায়েদ মিয়া। উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
বর জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে বর জুনায়েদ কনের বাড়িতে পৌঁছালে ফুল দিয়ে তাকে বরণ করা হয়। এ সময় ফুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে। পরে ফুল ও গেটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
একপর্যায়ে আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য খদরে খাবার দেওয়া হয়। এ সময় খদরে খাসি না থাকায় জুনায়েদ আপত্তি জানান। তিনি খাসি ছাড়া খাবেন না এবং খাসি না দিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানান।
এ সময় কনে পক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ উপস্থিত অনেকেই তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে তিনি সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই একা কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান জুনায়েদ।
অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে খাদ্যসংকট ও নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১১ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী। লাশগুলোতে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় সেগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। জীবিত উদ্ধার হয়েছেন আরও ১৮ বাংলাদেশি। তাদের মিসরের মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি এবং সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছে মিসরের বাংলাদেশ দূতাবাস। জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। নৌকাটিতে থাকা ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পরই ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকায় থাকা খাবার ও পানির মজুত সাগরে ভেসে যায়। এরপর খাবার ও পানি ছাড়াই নৌকাটি নিয়ে বিপজ্জনক যাত্রা অব্যাহত রাখেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর হঠাৎ নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এতে নৌকাটি সাগরে ভাসতে থাকে।
খাবার ও পানির সংকটে তাদের চোখের সামনেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। লাশগুলোতে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় সেগুলো সাগরে ফেলে দিতে বাধ্য হন তারা। এভাবে টানা ৯ দিন ভূমধ্যসাগরে ভেসে থাকার পর বাতাসের স্রোতে নৌকাটি মিসরের মারসা মাতরুহ উপকূলের কাছে পৌঁছায়।
পরে মিসরের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৮ জনকে মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানার পাথারিয়া গ্রামের আবদুল হেকিমের ছেলে আবদুল করিম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর আমাদের নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আর সামনে এগোতে পারিনি। এ সময় আমাদের উদ্ধার করতে দালালের লোকজন কিংবা অন্য কোনো সংস্থা এগিয়ে আসেনি।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে খাবার বা পানি কিছুই ছিল না। খাবার ও পানির অভাবে চোখের সামনেই ৯ জন বাংলাদেশি মারা গেছে। তাদের লাশ সাগরে ফেলে দিতে হয়েছে। পরে আরও দুজন মারা যান। দীর্ঘ সময় লবণাক্ত পানিতে থাকার কারণে আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচন ধরেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
আমরা এখন মারসা মাতরুহ হাসপাতালে ভর্তি। এখানকার চিকিৎসকরা আমাদের চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং ভালো খাবারেরও ব্যবস্থা করছেন। আমাদের বাঁচান। আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই। তবে আবদুল করিমের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানে না তার পরিবার। যোগাযোগ করা হলে তার মা আকলিমা বেগম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সাগরপথে গ্রিস যাওয়ার ব্যাপারে ছেলে আমাদের কিছু বলেনি।
আবদুল করিমের মামা ও পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রাজ্জাক জানান, বিষয়টি এই মাত্র আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমার ভাগনে সৌদি আরবে থাকত। সে যে সাগরপথে গ্রিসে যেতে চেয়েছে এ ব্যাপারে আমরা কিছুই জানি না।
মিসরের স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তারা মোট ৩০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এর মধ্যে ১৮ জনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাদের নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জাতীয়তা সম্পর্কে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।
মিসরের বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শরিফ এবং স্থানীয় পুলিশ স্টেশনের বাদরান নামের এক কর্মকর্তার সঙ্গে দূতাবাসের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি এবং সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। আহত বাংলাদেশি নাগরিকরা সুস্থ হয়ে উঠলে মিসরের সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আটক বাংলাদেশিদের ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
নিজেকে ইমাম মেহেদী দাবিকারী সৌদি প্রবাসী মুস্তাক মো. আরমান খানের সহযোগী সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইনভেস্টিগেশন বিভাগের একটি দল।
বুধবার সকালে সিটিটিসির উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, গোয়েন্দ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিটিটিসি কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশি নাগরিক মুস্তাক মো. আরমান খান বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্লাটফর্মে নিজেকে ইমাম মেহেদী দাবি করে আসছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি মুস্তাকের অনুসারী এবং তার হয়ে অনলাইনে তৎপরতা চালাতেন।
সিরাজুল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চার্টার্ড অ্যাকাউটেন্ট হিসেবে কাজ করতেন এবং সপরিবারে দক্ষিণ বাড্ডা এলাকায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে আগেই রমনা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ছিল। সেই মামলা তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মুস্তাক মো. আরমানের বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে জিহাদে অংশ নিতে সৌদি আরব যাওয়ার সময় এ পর্যন্ত ১৯ জন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন।
নরসিংদী রেলস্টেশনের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ঢাকাগামী গোধূলি এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় শাহ আলম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত আটটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কীর্তিনিবাসদী গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি শহরের পশ্চিম ব্রাহ্মন্দী এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহ আলম কর্মজীবনের প্রায় ২২ বছর প্রবাসে কাটিয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি দুবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি সাধারণত কেবল নামাজ পড়ার জন্যই বাসা থেকে বের হতেন। শুক্রবারেও আছরের নামাজের আগে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাতে তার মৃত্যুর খবর আসে।
নিহতের বড় ছেলে তানজিমুল তৌহিদ লিমন আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে আমাদের বড় করেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে শুধু নামাজ পড়তেই বাইরে যেতেন। এভাবে বাবাকে হারাতে হবে তা কখনো ভাবিনি।’
নিহতের বন্ধু চিকিৎসক কামাল উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন তারা রেলস্টেশন মসজিদে একসঙ্গে নামাজ পড়তেন। তবে শুক্রবার দেখা হয়নি। এশার নামাজ পড়তে এসে তিনি শাহ আলমের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) দীলিপ চন্দ্র সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে আনা হয়। পরে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।