২৩ আগস্ট ২০২৬

১ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যাচ্ছে কুয়েতের ভিসা নিয়ম!

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
১ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যাচ্ছে কুয়েতের ভিসা নিয়ম!
টপ স্টোরিজ

কুয়েতে ভিজিট ভিসা ও প্রবাসীদের ছুটির অনুমতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের বিশেষ সুবিধা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হচ্ছে। এরপর থেকে ভিসা ও ছুটির ক্ষেত্রে স্বাভাবিক আইনি নিয়ম কার্যকর হবে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর থেকে কুয়েতে অবস্থানরত বিভিন্ন শ্রেণির ভিজিট ভিসার মেয়াদ আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ানো হবে না। একইভাবে কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের ছুটির অনুমতিপত্রের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে দেয়া অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা শেষ হবে।

চলতি বছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে কুয়েতসহ অঞ্চলে বিমান চলাচল ও আন্তর্জাতিক যাতায়াতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এতে অনেক যাত্রী নির্ধারিত সময়ে কুয়েত ত্যাগ করতে পারেননি। একইভাবে কুয়েতের বাইরে থাকা অনেক প্রবাসীও সময়মতো দেশটিতে ফিরতে পারেননি।

এ পরিস্থিতিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভিসা বা আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি কমাতে কুয়েত সরকার সাময়িকভাবে স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যবস্থা চালু করে। এর আওতায় নির্দিষ্ট সময়ের পর মেয়াদ শেষ হওয়া ভিজিট ভিসা এবং কুয়েতের বাইরে থাকা কিছু প্রবাসীর ছুটির অনুমতিপত্রের মেয়াদ অতিরিক্ত সময়ের জন্য বাড়ানো হয়।

তবে এটি কোনো স্থায়ী ভিসা আইন ছিল না। বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেয়া একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবেই এটি চালু করা হয়েছিল।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের মতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে না। ভিসাধারীকে ভিসায় উল্লেখিত বৈধতার শেষ তারিখ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একইভাবে কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের ছুটির অনুমতিপত্রের নির্ধারিত মেয়াদই কার্যকর হবে। বিশেষ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত সময় নিয়ে কুয়েতে ফেরার সুযোগ থাকবে না।

কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের নিজেদের ছুটির অনুমতিপত্রের বৈধতা আগে থেকেই যাচাই করতে হবে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাহেল অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া আবাসন অনুমতিপত্রের অবস্থাসংক্রান্ত সনদকে ছুটির অনুমতিপত্রের মেয়াদ যাচাইয়ের সরকারি রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

তাই পুরোনো কাগজপত্র, আগের বার্তা বা নিয়োগকর্তার মৌখিক তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সাহেল অ্যাপের মাধ্যমে বর্তমান বৈধতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ছুটির অনুমতিপত্রের বৈধ সময় শেষ হওয়ার পরও কোনো প্রবাসী কুয়েতে ফিরে না এলে তার আবাসন-সংক্রান্ত অবস্থায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। একইভাবে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভিজিট ভিসায় কুয়েতে অবস্থান করলে তা আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এ ধরনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আবাসন আইনের আওতায় জরিমানা বা অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। তবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কোনো নির্দিষ্ট জরিমানার হার চালু হচ্ছে-এমন ঘোষণা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো নির্দিষ্ট জরিমানার অঙ্ককে তাই সরকারি ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ব্যক্তির ভিসা বা আবাসনের ধরন এবং কী ধরনের নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে, তার ওপর সম্ভাব্য জরিমানা বা আইনগত ব্যবস্থা নির্ভর করবে।

কুয়েতে ১৬ বিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক বিদেশী বিনিয়োগ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
কুয়েতে ১৬ বিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক বিদেশী বিনিয়োগ
টপ স্টোরিজ

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো অস্থির। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতেও।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই কুয়েত ১ হাজার ৬০০ কোটি বা ১৬ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় বিদেশী বিনিয়োগ চুক্তি করেছে। দেশটির জাতীয় তেল পাইপলাইন নেটওয়ার্কে অংশীদার হয়েছে বিশ্বের তিন শীর্ষ বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকস্টোন, কেকেআর ও ব্রুকফিল্ড। এটি কুয়েতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদেশী বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর এফটি।

চুক্তি অনুযায়ী, ব্ল্যাকস্টোন, কেকেআর ও ব্রুকফিল্ড যৌথভাবে একটি নতুন যৌথ উদ্যোগে (জয়েন্ট ভেঞ্চার) ৪৯ শতাংশ মালিকানা নেবে। যৌথ উদ্যোগটি কুয়েতের ৩২০ কিলোমিটার দীর্ঘ জাতীয় তেল পাইপলাইন নেটওয়ার্ক দীর্ঘমেয়াদি ইজারায় পরিচালনা করবে। তবে পাইপলাইন ব্যবহারের অধিকার কুয়েতের জাতীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানির কাছেই থাকবে।

অর্থাৎ অবকাঠামোর মালিকানা ও পরিচালনার কাঠামো অপরিবর্তিত রেখেই বিদেশী পুঁজি নেয়া হচ্ছে।

চুক্তির মাধ্যমে কুয়েত তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার পাবে। সরকার এ অর্থ জ্বালানি খাতে নতুন বিনিয়োগে ব্যবহার করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে। বিশেষ করে ২০৩৫ সালের মধ্যে দৈনিক অপরিশোধিত তেল উৎপাদন সক্ষমতা ৪০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তা অর্জনে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

কুয়েত সরকারের মতে, বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও বিশ্বের অন্যতম বড় তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত দেশটির দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন।

কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (কেপিসি) উপ-চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী শেখ নাওয়াফ সৌদ আল-সাবাহ বলেন, ‘কঠিন আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যেও কুয়েত এখনো বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য।’

ব্ল্যাকস্টোনের প্রধান নির্বাহী স্টিফেন শোয়ার্জম্যান বলেন, ‘বিপুল সম্পদ, শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি ও অর্থনীতিকে বহুমুখী করার প্রচেষ্টার কারণে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাজারে পরিণত হয়েছে।’

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নেই কুয়েত; মার্কিন মিডিয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নেই কুয়েত; মার্কিন মিডিয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান
টপ স্টোরিজ

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে কুয়েত। দেশটির যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত শেখা আল-জাইন আল-সাবাহ দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন।

কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা জানায়, পত্রিকাটির সম্পাদকীয় বোর্ডের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে রাষ্ট্রদূত বলেন, কুয়েত ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি এবং দেশটির ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা জলসীমা কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহার করতে দেয়নি।

এর আগে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে দাবি করে, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইন ইরানের অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ করা হয়।

অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, তাদের হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিভিন্ন শহরে চালানো হামলার প্রতিক্রিয়া। আরব দেশগুলোতে হামলার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, রাডার-ব্যবস্থা ধ্বংস, বিমানে আগুন

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, রাডার-ব্যবস্থা ধ্বংস, বিমানে আগুন
টপ স্টোরিজ

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি আগাম সতর্কীকরণ রাডার-ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

এছাড়া, পৃথক হামলায় একটি বিমান সরঞ্জাম গুদাম ও মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন রাখার একটি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানা হয়েছে, এতে বেশ কয়েকটি বিমানে আগুন লেগে যায়।

এদিকে, পশ্চিমাঞ্চলীয় কারমানশাহ প্রদেশের এসলামাবাদ-ই ঘার্ব এলাকায় একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে ইরান।

মেহর নিউজ জানায়, ড্রোনটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স। সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অধীনে পরিচালিত একটি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়।

বিদ্যুৎ ও পানি স্থাপনায় হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করল কুয়েত

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬
বিদ্যুৎ ও পানি স্থাপনায় হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করল কুয়েত
টপ স্টোরিজ

বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ (ডিস্যালিনেশন) স্থাপনায় হামলার ঘটনায় ইরানকে সম্পূর্ণ দায়ী করেছে কুয়েত। দেশটি এ হামলার আইনি, নৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত পরিণতির জন্য তেহরানকে দায় বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করেছে।

শাফাক নিউজ জানায়, রোববার এক বিবৃতিতে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে, গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোয় ধারাবাহিক ও ইচ্ছাকৃত হামলা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ হামলা আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ নম্বর প্রস্তাবের লঙ্ঘন।

কুয়েত আরও জানায়, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার ব্যবহার করে দেশের নিরাপত্তা, ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

এর আগে কুয়েতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় জানায়, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে দেশটির একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্র। হামলায় সেখানে আগুন লাগে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের একাধিক ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কুয়েতের সামরিক স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলা, আহত বেশ কয়েকজন সেনা

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬
কুয়েতের সামরিক স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলা, আহত বেশ কয়েকজন সেনা
টপ স্টোরিজ

ইরানের ড্রোন হামলায় শুক্রবার সকালে কুয়েতের কয়েকজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

এক বিবৃতিতে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, ইরানি ড্রোন দেশটির একাধিক সামরিক স্থাপনা ও সেনা ক্যাম্পে হামলা চালালে কুয়েত ল্যান্ড ফোর্সের কয়েকজন সদস্য আহত হন। তবে কতজন আহত হয়েছেন বা কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালেদ দিরজ সাদ আল-শুরাইয়ান এবং ডেপুটি চিফ অব জেনারেল স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল সাবাহ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহ আহত সেনাসদস্যদের হাসপাতালে গিয়ে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

এ সময় চিকিৎসকরা আহতদের অবস্থা ও চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন।

এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে।