৪ নভেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালী শান্ত হতেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা; কুয়েতি বিমান বাহিনীর জন্য মেগা প্যাকেজ

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
হরমুজ প্রণালী শান্ত হতেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা; কুয়েতি বিমান বাহিনীর জন্য মেগা প্যাকেজ
সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমান। সূত্র: লকহিড মার্টিন।
টপ স্টোরিজ

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিমান বাহিনীর KC-130J রিফুয়েলিং বিমান বহরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য কুয়েতের কাছে প্রায় ২৩৫.৯ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি সম্ভাব্য সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে সামুদ্রিক কার্যকলাপ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে ।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অনুসারে, কুয়েত একটি পাঁচ বছর মেয়াদী সহায়তা প্যাকেজের জন্য অনুরোধ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে কেসি-১৩০জে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, খুচরা যন্ত্রাংশ, গ্রাউন্ড সাপোর্ট সরঞ্জাম, প্রযুক্তিগত নথিপত্র এবং প্রযুক্তিগত, সরবরাহ ও কর্মী প্রশিক্ষণ পরিষেবা। এই প্যাকেজে কেসি-১৩০জে বহরের দীর্ঘমেয়াদী পরিচালন ক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্য মেরামত পরিষেবা, সফটওয়্যার সহায়তা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ওয়াশিংটন জানিয়েছে যে, এই চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অ-ন্যাটো মিত্র কুয়েতের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে। মার্কিন মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই সহায়তা প্যাকেজটি কুয়েতি বিমান বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি উন্নত করবে, মার্কিন বাহিনীর সাথে সমন্বয় বাড়াবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে।

বর্তমানে কুয়েত বিমান বাহিনী সামরিক পরিবহন, আকাশে জ্বালানি সরবরাহ এবং রসদ সরবরাহ মিশনের জন্য কেসি-১৩০জে বিমান ব্যবহার করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, এই নতুন সহায়তা প্যাকেজটি এই ধরনের বিমানের পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামত বজায় রাখতে সাহায্য করবে। একই সাথে এটি মার্কিন নৌবাহিনীর পরিবহন ও জ্বালানি সরবরাহ বিমান কর্মসূচি দপ্তরকে কুয়েতের প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকরভাবে কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম করবে।

ওয়াশিংটন আরও নিশ্চিত করেছে যে, কুয়েতের এই সরঞ্জাম ও পরিষেবাগুলো গ্রহণ এবং নিজেদের সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার সক্ষমতা রয়েছে। একই সাথে তারা এও জোর দিয়েছে যে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আনবে না বা মার্কিন সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতিকে প্রভাবিত করবে না।

নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করায় কুয়েতে ৮৮৪৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করায় কুয়েতে ৮৮৪৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ
টপ স্টোরিজ

কর্মীদের নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করাসহ বিভিন্ন আর্থিক জটিলতায় জড়িত থাকার দায়ে পাঁচ বা ততোধিক শ্রমিক রয়েছে—এমন ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইল আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করেছে কুয়েতের পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার (প্যাম)।

একই ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত থাকা ৩৯ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠান সরকারি নীতিমালা মেনে সময়মতো বেতন পরিশোধ করায় সেগুলোকে নিয়মনিষ্ঠ বা কমপ্লায়েন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা যায়, প্যামের ডিজিটাল মজুরি পর্যবেক্ষণ বা ওয়েজ-পেমেন্ট মনিটরিং সিস্টেমে বর্তমানে সর্বমোট নিবন্ধিত ফাইলের সংখ্যা ১ লাখ ২৫২টি। এর মধ্যে পাঁচজনের কম কর্মী রয়েছে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসা বা নিয়োগকর্তাদের ফাইলের সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৪৪টি।

অন্যদিকে পাঁচ বা তার বেশি কর্মী রয়েছে এমন মাঝারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের মোট ফাইল সংখ্যা ৪৮ হাজার ৪০৮টি; যার মধ্যে থেকেই ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইলে বেতন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে কর্মীদের বেতন থেকে অর্থ কাটার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে সর্বোচ্চ ১৩টি সুনির্দিষ্ট ও বৈধ কারণ নির্ধারণ করে দিয়েছে প্যাম।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশে বা বিদেশে কাটানো অবৈতনিক ছুটি (আনপেইড লিভ), সন্তান প্রতিপালনের ছুটি (চাইল্ডকেয়ার লিভ), অসুস্থতাজনিত ছুটি (সিক লিভ), আংশিক বেতনভুক্ত ছুটি, সাময়িক বরখাস্ত বা সাসপেনশন, কর্মক্ষেত্র থেকে অনুমতি ছাড়া প্রস্থান, কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং নোটিশ ছাড়া অনুপস্থিতিসহ কর্মীদের পেশাগত মর্যাদাসংক্রান্ত অন্যান্য বৈধ কারণ।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মীর বেতন থেকে অর্থ কর্তন করতে হলে সেই পদক্ষেপের আইনগত যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ও বৈধ নথিপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ ছাড়া কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়ে প্যাম স্পষ্ট করেছে, কোনো অবস্থাতেই এক মাসে কোনো কর্মীর মূল বেতনের ২৫ শতাংশের বেশি অর্থ কাটা যাবে না। এই সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কর্তনের ক্ষেত্রেও কর্তনের বৈধতা নিশ্চিতকারী সুনির্দিষ্ট নথিপত্র সংযুক্ত করা আবশ্যক।

হরমুজ প্রণালিতে কুয়েতি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে কুয়েতি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা
টপ স্টোরিজ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়েছে একটি কুয়েতি পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকার। ‘এমটি আল দাসমা’ নামের ট্যাংকারটিতে ২১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন।

এই ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং জাহাজে থাকা সব নাবিকই নিরাপদে আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল।

হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় বুধবার (২১ অক্টোবর) ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল’ আঘাত হানে ট্যাংকারটিতে। ওমানের বুখা থেকে প্রায় ১১ সামুদ্রিক মাইল পশ্চিমে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ট্র্যাক করে যুক্তরাজ্যের সামরিক নজরদারি সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।

কুয়েতি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস কুয়েত’-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামলার পরপরই ট্যাংকারটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে জাহাজের ক্রুরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ঘটনার পর থেকে জাহাজটি ওই স্থানেই অবস্থান করছে এবং ক্রুদের সবাই নিরাপদে রয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ভারতের নৌমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জানান, ‘২১ অক্টোবর ২১ জন ভারতীয় নাবিককে বহনকারী কুয়েতি পতাকাবাহী তেল ট্যাংকার এমটি আল দাসমা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল দ্বারা আক্রান্ত হয়। আমাদের ২১ জন ভারতীয় ক্রু সদস্যসহ জাহাজে থাকা অন্য সব ক্রুই সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন।’

সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলা আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

কুয়েতে সড়কে ময়লা ফেলায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি ট্রাকচালক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
কুয়েতে সড়কে ময়লা ফেলায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি ট্রাকচালক গ্রেপ্তার
টপ স্টোরিজ

কুয়েতের জাবরিয়া এলাকায় সড়ক নোংরা করার দায়ে এক প্রবাসী বাংলাদেশি ট্রাকচালককে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েত পুলিশ।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাধারণ ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার চালককে দেশে ফেরত পাঠানোর আগ পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে। তার গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার বাংলাদেশি চালকের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি কুয়েত পুলিশ।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বিভাগের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ শাখা একটি অভিযোগ পাওয়ার পর ওই চালককে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত অনুযায়ী, চালক এমন একটি লাইসেন্স নিয়ে ট্রাক চালাচ্ছিল যেটি তাকে চালানোর অনুমতি দেয়নি।

তাকে দুটি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে—সড়কে আবর্জনা ফেলা এবং এমন লাইসেন্স নিয়ে ট্রাক চালানো যেটি ট্রাক চালানোর অনুমতি দেয় না। তাকে ট্রাফিক আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে এবং নির্বাসন কার্যক্রমের আগে হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী তার গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

বিভাগটি বলেছে, তারা এ ধরনের আচরণ বরদাস্ত করবে না এবং সড়ক নিরাপত্তা ও দেশের সড়কের সৌন্দর্য রক্ষায় আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।

ইরানের হামলায় কুয়েতের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে যায় ৭ হাজার মার্কিন সেনা: সিবিএস নিউজ

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ০৯, ২০২৬
ইরানের হামলায় কুয়েতের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে যায় ৭ হাজার মার্কিন সেনা: সিবিএস নিউজ
ছবি: এআই
টপ স্টোরিজ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের শুরুর দিনগুলোতে ইরানের ‘ভয়াবহ’ প্রতিশোধমূলক হামলার মুখে কুয়েতের একটি প্রধান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল মার্কিন বাহিনী।

সম্প্রতি প্রেস টিভির বরাতে সিবিএস নিউজ-এর একটি প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নতুন প্রাপ্ত ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতির বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানায়, পেন্টাগনের ‘গেট অফ দ্য এক্স’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যুদ্ধের আগেই ওই ঘাঁটিতে অবস্থানরত প্রায় ৭ হাজার সেনার বেশিরভাগকেই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা অব্যাহত থাকলে ব্যাপক হতাহতের ঘটনায় অপ্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও এবং পয়েন্ট ফাইভ-জিরো ক্যালিবারের গোলাবারুদের তীব্র সংকট থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১০০ জন সেনা সেখানে রয়ে গিয়েছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্র জানিয়েছে, তারা আমাদের ওপর অত্যন্ত মারাত্মকভাবে হামলা চালিয়েছিল। এটি ছিল ভয়াবহ। সেখানে অনেক সাহসী সেনা লড়াই করার জন্য রয়ে গিয়েছিলেন—আর দেশের বাড়িতে থাকা মানুষগুলো জানেই না আসলে কী ঘটেছিল। শেষ পর্যন্ত আমাদের ঘাঁটিটি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে।

‘ইরানি এফ-৫ পাইলটদের হেলমেট পর্যন্ত দেখতে পেয়েছিলাম’

এদিকে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার প্রত্যক্ষদর্শী তিন মার্কিন সেনা সদস্য জানিয়েছেন, ক্যাম্প বিউরিংয়ের ওপর পরিচালিত অভিযানে ইরানের এফ-৫ যুদ্ধবিমানগুলো অংশ নিয়েছিল।

তারা আরও বলেন, তারা (এফ-৫ জেটগুলো) আমাদের এত কাছ দিয়ে উড়ে গিয়েছিল যে আমি তাদের পাইলটদের হেলমেট পর্যন্ত দেখতে পেয়েছিলাম। তারা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং তারপর দ্রুত চলে যায়।


অন্যদিকে, কুয়েতের অন্য একটি পোস্ট থেকে লজিস্টিকস অপারেশন পরিচালনা করা মার্কিন আর্মির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ক্যালিবারের গোলাবারুদ ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারির প্রাপ্যতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেনারা তাদের জিনিসপত্র গুছিয়ে, যতোটা সম্ভব সরঞ্জাম গাড়িতে তুলে রাতের আঁধারে কুয়েতের মরুভূমির গভীরে চলে যান এবং অগ্রবর্তী অপারেটিং বেসগুলোতে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে অবগত মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্প বিউরিং বা অগ্রবর্তী বেসগুলোতে কেউ নিহত না হলেও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে মরুভূমির বালুঝড়ের সময় বজ্রপাতে আহত দুই সেনাও রয়েছেন।

একটি সূত্র জানায়, ক্যাম্প বিউরিং ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত করা উচিত। কেন আমাদের সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে এল না?

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছিল। এর ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল ইরানের প্রতিরোধ, সফল প্রতিশোধমূলক অভিযান এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর শক্ত নিয়ন্ত্রণের মুখে শত্রুপক্ষ যুদ্ধবিরতি মানতে বাধ্য হয়।

পরবর্তীতে গত জুনের ১৭ তারিখে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সাথে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করে জুলাই মাসে ইরানের ওপর দফায় দফায় মারাত্মক বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ধ্বংসাত্মক হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালীকে সব ধরনের চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।

কুয়েতে শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ, হামলা চালাল ইরান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
কুয়েতে শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ, হামলা চালাল ইরান
টপ স্টোরিজ

কুয়েতের সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা শত্রুতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করছে। এর একদিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া শত্রুতা ‘খুব বেশি দিন’ স্থায়ী হবে না।

কুয়েতের কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, দেশটিতে শোনা যেকোনো বিস্ফোরণের শব্দ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুতামূলক লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করার কারণে হচ্ছে।

এর আগে বুধবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, আমি মনে করি না এটি (যুদ্ধ) আর খুব বেশি সময় চলবে... আমি জানি না তারা (ইরান) আর কতটা সহ্য করতে পারবে। তিনি মঙ্গলবার ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলাকে ‘খুবই ব্যাপক’ হিসেবেও বর্ণনা করেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘যেকোনো সময়’ আরও সামরিক অভিযান চালানোর জন্য প্রস্তুত।

মঙ্গলবারের হামলার পর ইরান পাল্টা হামলা চালায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্র জর্ডান ও বাহরাইনকে লক্ষ্যবস্তু করে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীরা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের যুদ্ধ যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরান সংঘাতকে তুলনামূলকভাবে ‘নীরব’ রাখার চেষ্টা করছেন।

আলোচনাগুলোর বিষয়ে অবগত চারজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে রয়টার্স বলেছে, এর উদ্দেশ্য হলো এই সংঘাতের কারণে রিপাবলিকানদের ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা। কারণ এই যুদ্ধ আমেরিকানদের মধ্যে ক্রমেই অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন

কাতারে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

কাতারে না জানিয়ে কারো ছবি বা ভিডিও ধারণ করলেই জেল-জরিমানা

সবুজে সেজে উঠছে কাতার: সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণে নতুন মাইলফলক

পাবলিক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া ট্যাক্সি, লিমুজিন ও বাস চালানো নিষিদ্ধ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মায়ের স্মরণে কাতারের আল খোরে চালু হলো মহিলাদের জন্য ফ্রি কোরআন হিফজ কেন্দ্র