২১ আগস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে ব্ল্যাকমেইল বন্ধের আহ্বান কাতারের

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে ব্ল্যাকমেইল বন্ধের আহ্বান কাতারের

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল অবশ্যই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে, যেখানে সংঘাতের কোনো পক্ষই অন্য পক্ষকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করবে না।

বৃহস্পতিবার মিশরের আল-আলামিনে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের শেখ মোহাম্মদ বলেন, ‘এই যুদ্ধের পরিণতি শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও গুরুতর ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাক। এ ব্যাপারে যে-কোনো ধরনের হুমকি ও বাধার আমরা নিন্দা জানাই।’

এদিকে, ওমান বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রয়োজন এবং দেশটি আরও উত্তেজনা বৃদ্ধি বা সংঘাত প্রত্যাখ্যান করেছে। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জাপানি প্রতিপক্ষকে এ কথা জানান।

ইরান বলেছে, প্রণালীটির মধ্য দিয়ে নতুন নৌপথ তৈরির বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

বুধবার (১৯ আগস্ট) দোহায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আশ্বাস দেন।

বর্তমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দোহায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আশ্বাস দেন। এ সময় শেখ মোহাম্মদ বাংলাদেশকে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান কাতারের নেতৃত্বের কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কাতারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাতারের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, এ ভূমিকা বৃহত্তর অঞ্চলসহ এর বাইরেও গুরুত্বপূর্ণ।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান শেখ মোহাম্মদ। একই সঙ্গে তার দায়িত্ব সফলভাবে পালনে কাতারের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

ড. খলিলুর রহমান কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখির সঙ্গে বৈঠক করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হরমুজ প্রণালিতে ব্ল্যাকমেইল বন্ধের আহ্বান কাতারের

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে ব্ল্যাকমেইল বন্ধের আহ্বান কাতারের

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল অবশ্যই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে, যেখানে সংঘাতের কোনো পক্ষই অন্য পক্ষকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করবে না।

বৃহস্পতিবার মিশরের আল-আলামিনে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের শেখ মোহাম্মদ বলেন, ‘এই যুদ্ধের পরিণতি শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও গুরুতর ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাক। এ ব্যাপারে যে-কোনো ধরনের হুমকি ও বাধার আমরা নিন্দা জানাই।’

এদিকে, ওমান বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রয়োজন এবং দেশটি আরও উত্তেজনা বৃদ্ধি বা সংঘাত প্রত্যাখ্যান করেছে। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জাপানি প্রতিপক্ষকে এ কথা জানান।

ইরান বলেছে, প্রণালীটির মধ্য দিয়ে নতুন নৌপথ তৈরির বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

গাজায় ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা তুরস্ক, মিসর ও কাতারের

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
গাজায় ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা তুরস্ক, মিসর ও কাতারের

গাজায় সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক, মিসর ও কাতার। বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তিন দেশ বলেছে, ইসরাইলকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে তার বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হবে এবং উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে হবে।

মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো জোর দিয়ে বলছে যে, ইসরাইলি হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যখন গাজা সংঘাতের অবসানে ‘সমন্বিত পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে জোরালো প্রচেষ্টা চলছে।

তারা আরো জানায়, ‘বোর্ড অব পিস’ ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকসহ আলোচনার প্রক্রিয়ায় গঠনমূলক অগ্রগতি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি হামলা সেই প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা এবং সংঘাতের আরো বিস্তার ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বোর্ড অব পিসকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক, মিসর ও কাতার।

কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ ও সুরক্ষায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
কাতারে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের শ্রমবাজারের পরিধি বৃদ্ধি, কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশটির সরকারের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯ আগস্ট বুধবার দোহায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সাইদ বিন সামিখ আল মারির সাথে তাঁর কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কাতারে বাংলাদেশি দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং প্রবাসীদের স্বার্থ সুরক্ষা।

বৈঠককালে কাতারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন কাতারি শ্রমমন্ত্রী ড. আল মারি। তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কাতারের নির্মাণ, সেবা ও অন্যান্য পেশাগত খাতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশটিতে নিয়োজিত প্রবাসীদের দক্ষতা ও শৃঙ্খলাবোধের কারণে কাতারি নিয়োগকর্তাদের কাছে তাঁদের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান কাতার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সর্বদা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা, বেতন-ভাতা নিয়মিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাতার শ্রম মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন। পাশাপাশি নতুন পেশায়, বিশেষ করে আইটি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রকৌশল খাতে আরও বেশি বাংলাদেশী পেশাজীবীদের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

বৈঠকে উভয় মন্ত্রীই শ্রম ও জনশক্তি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হন। একই সাথে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কাতারের অভিযোগ উড়িয়ে এএফসি সভাপতির কঠোর হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
কাতারের অভিযোগ উড়িয়ে এএফসি সভাপতির কঠোর হুঁশিয়ারি

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইস্যুতে এশিয়ান ফুটবলে বাড়ছে বিভাজন। কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কিউএফএ) অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে পাল্টা চিঠি দিয়েছেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা।

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ইউয়েফা ও কনকাকাফের সঙ্গে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) অবস্থান নেওয়া নিয়ে গত সপ্তাহে তীব্র আপত্তি জানায় কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কিউএফএ)। কিউএফএ সভাপতি হামাদ বিন খলিফা আল-থানি এএফসি সভাপতিকে লেখা এক চিঠিতে অভিযোগ করেন, শেখ সালমান নিজের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। থানি আরও অভিযোগ করেন, তিনটি কনফেডারেশনের সঙ্গে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার আগে এএফসি তার সঙ্গে কিংবা কিউএফের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি।

কাতারের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা চিঠিতে কঠোর জবাব দিয়েছেন শেখ সালমান। এএফসি সভাপতি বলেন, ‘এশিয়ান ফুটবলের মৌলিক গুরুত্বের কোনো বিষয়ে এএফসি ও এশিয়ান ফুটবলের অবস্থান রক্ষায় সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা এবং দায়িত্ব—দুটিই আমার রয়েছে।’

শেখ সালমান আরও বলেন, এএফসির গঠনতন্ত্র তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে এবং সংগঠনের সভাপতি হিসেবে এশীয় ফুটবলের স্বার্থ ও মূল্যবোধ রক্ষা করা তার দায়িত্ব। ‘যে পরিস্থিতির কারণে ওই যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে এএফসির নীরব থাকা সেই দায়িত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হতো।’

গত সপ্তাহের চিঠিতে আল-থানি জানতে চেয়েছিলেন, এএফসি কী ভিত্তিতে তার ৪৭টি সদস্য দেশের হয়ে কথা বলার অধিকার নিজেদের বলে মনে করেছে। এর জবাবে শেখ সালমান উল্লেখ করেন, এর আগেও তিনি এবং এএফসির অন্য সভাপতিরা এশীয় ফুটবলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য কাতারের প্রতি এএফসির সমর্থনের কথা তুলে ধরেন, যখন বিশ্বজুড়ে কাতারকে নিয়ে ব্যাপক চাপ ও সমালোচনা চলছিল।

শেখ সালমান বলেন, ‘সেই সময় প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া কিউএফএর তাৎক্ষণিক স্বার্থের অনুকূলে থাকায় তারা কোনো প্রক্রিয়াগত আপত্তি তুলেছিল বলে আমার মনে পড়ে না।’

তিনি আরও বলেন, অতীতের এসব ঘটনায় কিউএফএ একই ধরনের প্রক্রিয়া মেনে নিয়েছিল এবং তা থেকে সুবিধাও পেয়েছিল। তাই এবার তাদের হঠাৎ ও বেছে বেছে তোলা আপত্তির সঙ্গে আগের অবস্থানের মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন।

কাতার ও এএফসির এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের শুরু ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিতর্কিত বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা উপস্থাপনের পর। গত মাসের শেষদিকে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) গঠনের একটি প্রস্তাব দেন ফিফা সভাপতি। প্রস্তাবটির সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ ছিল এফএফইর প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা। তীব্র সমালোচনার মুখে এই পরিকল্পনা বাতিল করে ক্ষমা চান ইনফান্তিনো।

গত সপ্তাহে ইউয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়। তিন কনফেডারেশন দাবি করেছিল, ফিফার বাণিজ্যিক ও পরিচালন কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে তাদের সঙ্গে যথাযথভাবে আলোচনা করা হয়নি।

ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে একটি বিবৃতি দেয় কাতার, লেবানন, মরক্কো, সুদান, মিশর এবং মৌরিতানিয়ার জাতীয় ফেডারেশন। এরপর এএফসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে চিঠি দেয় কাতার।