১৯ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কাতারের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কাতারের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক

কাতারের অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল কুয়ারির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের নির্বাচিত সভাপতি ড. খলিল রহমান। দোহায় কাতার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি, অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা এবং অর্থায়ন সুবিধাসমূহ সম্প্রসারণের বিষয়ে দুই পক্ষই গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। আগামীতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন সংক্রান্ত নানাবিধ কার্যক্রম ও যৌথ পদক্ষেপের বিষয়েও উভয় নেতা নিজেদের অভিমত প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল রহমান কাতারের অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল কুয়ারিকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ ও সুরক্ষায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
কাতারে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের শ্রমবাজারের পরিধি বৃদ্ধি, কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশটির সরকারের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯ আগস্ট বুধবার দোহায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সাইদ বিন সামিখ আল মারির সাথে তাঁর কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কাতারে বাংলাদেশি দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং প্রবাসীদের স্বার্থ সুরক্ষা।

বৈঠককালে কাতারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন কাতারি শ্রমমন্ত্রী ড. আল মারি। তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কাতারের নির্মাণ, সেবা ও অন্যান্য পেশাগত খাতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশটিতে নিয়োজিত প্রবাসীদের দক্ষতা ও শৃঙ্খলাবোধের কারণে কাতারি নিয়োগকর্তাদের কাছে তাঁদের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান কাতার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সর্বদা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা, বেতন-ভাতা নিয়মিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাতার শ্রম মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন। পাশাপাশি নতুন পেশায়, বিশেষ করে আইটি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রকৌশল খাতে আরও বেশি বাংলাদেশী পেশাজীবীদের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

বৈঠকে উভয় মন্ত্রীই শ্রম ও জনশক্তি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হন। একই সাথে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কাতারের অভিযোগ উড়িয়ে এএফসি সভাপতির কঠোর হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
কাতারের অভিযোগ উড়িয়ে এএফসি সভাপতির কঠোর হুঁশিয়ারি

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইস্যুতে এশিয়ান ফুটবলে বাড়ছে বিভাজন। কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কিউএফএ) অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে পাল্টা চিঠি দিয়েছেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা।

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ইউয়েফা ও কনকাকাফের সঙ্গে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) অবস্থান নেওয়া নিয়ে গত সপ্তাহে তীব্র আপত্তি জানায় কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কিউএফএ)। কিউএফএ সভাপতি হামাদ বিন খলিফা আল-থানি এএফসি সভাপতিকে লেখা এক চিঠিতে অভিযোগ করেন, শেখ সালমান নিজের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। থানি আরও অভিযোগ করেন, তিনটি কনফেডারেশনের সঙ্গে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার আগে এএফসি তার সঙ্গে কিংবা কিউএফের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি।

কাতারের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা চিঠিতে কঠোর জবাব দিয়েছেন শেখ সালমান। এএফসি সভাপতি বলেন, ‘এশিয়ান ফুটবলের মৌলিক গুরুত্বের কোনো বিষয়ে এএফসি ও এশিয়ান ফুটবলের অবস্থান রক্ষায় সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা এবং দায়িত্ব—দুটিই আমার রয়েছে।’

শেখ সালমান আরও বলেন, এএফসির গঠনতন্ত্র তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে এবং সংগঠনের সভাপতি হিসেবে এশীয় ফুটবলের স্বার্থ ও মূল্যবোধ রক্ষা করা তার দায়িত্ব। ‘যে পরিস্থিতির কারণে ওই যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে এএফসির নীরব থাকা সেই দায়িত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হতো।’

গত সপ্তাহের চিঠিতে আল-থানি জানতে চেয়েছিলেন, এএফসি কী ভিত্তিতে তার ৪৭টি সদস্য দেশের হয়ে কথা বলার অধিকার নিজেদের বলে মনে করেছে। এর জবাবে শেখ সালমান উল্লেখ করেন, এর আগেও তিনি এবং এএফসির অন্য সভাপতিরা এশীয় ফুটবলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য কাতারের প্রতি এএফসির সমর্থনের কথা তুলে ধরেন, যখন বিশ্বজুড়ে কাতারকে নিয়ে ব্যাপক চাপ ও সমালোচনা চলছিল।

শেখ সালমান বলেন, ‘সেই সময় প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া কিউএফএর তাৎক্ষণিক স্বার্থের অনুকূলে থাকায় তারা কোনো প্রক্রিয়াগত আপত্তি তুলেছিল বলে আমার মনে পড়ে না।’

তিনি আরও বলেন, অতীতের এসব ঘটনায় কিউএফএ একই ধরনের প্রক্রিয়া মেনে নিয়েছিল এবং তা থেকে সুবিধাও পেয়েছিল। তাই এবার তাদের হঠাৎ ও বেছে বেছে তোলা আপত্তির সঙ্গে আগের অবস্থানের মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন।

কাতার ও এএফসির এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের শুরু ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিতর্কিত বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা উপস্থাপনের পর। গত মাসের শেষদিকে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) গঠনের একটি প্রস্তাব দেন ফিফা সভাপতি। প্রস্তাবটির সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ ছিল এফএফইর প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা। তীব্র সমালোচনার মুখে এই পরিকল্পনা বাতিল করে ক্ষমা চান ইনফান্তিনো।

গত সপ্তাহে ইউয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়। তিন কনফেডারেশন দাবি করেছিল, ফিফার বাণিজ্যিক ও পরিচালন কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে তাদের সঙ্গে যথাযথভাবে আলোচনা করা হয়নি।

ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে একটি বিবৃতি দেয় কাতার, লেবানন, মরক্কো, সুদান, মিশর এবং মৌরিতানিয়ার জাতীয় ফেডারেশন। এরপর এএফসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে চিঠি দেয় কাতার।

যাত্রীচাপ মোকাবিলায় হামাদ বিমানবন্দরের ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
যাত্রীচাপ মোকাবিলায় হামাদ বিমানবন্দরের ব্যাপক প্রস্তুতি
গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটানো শেষে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগে হাজার হাজার পরিবার ও শিক্ষার্থী কাতারে ফিরতে শুরু করেছেন। এই যাত্রীচাপ সামলাতে এবং আগমন প্রক্রিয়াকে আরও আনন্দদায়ক, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

বিমান থেকে নেমে বিমানবন্দর পেরিয়ে বাড়ি পৌঁছানো পর্যন্ত যাত্রীদের সুবিধার জন্য একগুচ্ছ তথ্য, পরিষেবা এবং দিকনির্দেশনা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

ছোট শিশুদের নিয়ে ভ্রমণকারী পরিবারগুলোর সুবিধার্থে পুরো টার্মিনাল জুড়ে বিনামূল্যে চাইল্ড স্ট্রোলার ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন কনকোর্সে নির্দিষ্ট স্থানে এসব স্ট্রোলার রাখা আছে, যা যাত্রীরা প্রয়োজন অনুযায়ী অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন।

পাশাপাশি টার্মিনালে চলাচলে যাদের অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন, বিশেষ করে বয়স্ক ও ভারী মালামাল বহনকারী যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে শাটল বাগি সেবা চালু রয়েছে। কনকোর্স ডি (D) এবং ই (E)-এর নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে এই বাগিগুলো পাওয়া যাবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে পথের যেকোনো স্থান থেকেও এতে চড়া যাবে। বাগিগুলো যাত্রীদের সরাসরি ইমিগ্রেশন এস্কেলেটরের কাছে নামিয়ে দেয়।

স্বয়ংক্রিয় ই-গেট এবং ‘স্ক্যান অ্যান্ড গো’ সেবার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুবিধা রয়েছে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে স্ক্যান অ্যান্ড গো সেবা ব্যবহার করতে হলে তাদের ন্যূনতম উচ্চতা ১২০ সেন্টিমিটার হতে হবে।

ইমিগ্রেশন শেষ করে ব্যাগেজ রিক্লেম এলাকায় থাকা স্ক্রিনে নিজ নিজ ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত বেল্ট নম্বর দেখে নিতে হবে। অতিরিক্ত আকারের জিনিসপত্রসহ সব লাগেজ নির্দিষ্ট বেল্টেই পৌঁছাবে।
ভুল লাগেজ নেওয়ার ঝামেলা এড়াতে বেল্ট থেকে লাগেজ নেওয়ার সময় ট্যাগের নাম নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো লাগেজ না পাওয়া গেলে অ্যারাইভাল হলের 'ব্যাগেজ সার্ভিসেস অফিস'-এ যোগাযোগ করা যাবে।

অ্যারাইভাল হলের সামনের প্রধান সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে যানজট না বাড়ানোর অনুরোধ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। যাত্রী নিতে আসা স্বজনদের অ্যারাইভাল হল থেকে হাঁটা দূরত্বের শর্ট-টার্ম কার পার্কে গাড়ি পার্ক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কাতারের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কাতারের অর্থমন্ত্রীর বৈঠক

কাতারের অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল কুয়ারির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের নির্বাচিত সভাপতি ড. খলিল রহমান। দোহায় কাতার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি, অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা এবং অর্থায়ন সুবিধাসমূহ সম্প্রসারণের বিষয়ে দুই পক্ষই গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। আগামীতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন সংক্রান্ত নানাবিধ কার্যক্রম ও যৌথ পদক্ষেপের বিষয়েও উভয় নেতা নিজেদের অভিমত প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল রহমান কাতারের অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল কুয়ারিকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

দোহায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর, কাতারের দুই মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
দোহায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর, কাতারের দুই মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে কাতারের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে দোহা সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল-কাবি ও অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল-কুওয়ারির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদা বৈঠক করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে জ্বালানি ও আর্থিক খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। আলোচনার বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের বিষয়েও একমত হয়েছে দুই পক্ষ।

বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগরে থাকা ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলোর রক্ষণাবেক্ষণজনিত সমস্যা এবং দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে এলএনজি আমদানিতে কাতার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী। বর্তমান সংকটের মধ্যে তাই দেশটির সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জ্বালানি খাতের পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নিতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে।

দেশে জ্বালানির চাহিদা বাড়ার সঙ্গে আমদানি নির্ভরতাও বাড়ছে। এ অবস্থায় নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাতারের মতো বিশ্বের প্রথম সারির জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় ঢাকা।