১৯ আগস্ট ২০২৬

ইসলাম গ্রহণ করেছেন ফুটবল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস?

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
ইসলাম গ্রহণ করেছেন ফুটবল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস?

মরোক্কান তরুণীকে বিয়ের খবরের পর এবার নতুন আলোচনায় ফুটবল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস। ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে খবর ছড়িয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন জোরদার হলেও কার্লোসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি। গোল ডটকম।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম হাবেরলারসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় চার সপ্তাহ আগে ব্রাজিলের প্রখ্যাত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব শেখ জিহাদ হামাদার সান্নিধ্যে এসে কালেমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ৫৩ বছর বয়সী এই তারকা।

ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় আসে তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) সংসদ সদস্য আলিসাহিনের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের পর। ব্রাজিলের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক্সে একটি বার্তা দেন তিনি।

সাউ পাওলোভিত্তিক সংগঠন 'ব্রাজিলিয়ান চ্যারিটেবল ইউনিয়ন অব মুসলিম ইউথের' প্রতিনিধি শেখ জিহাদ হামাদার উদ্ধৃতি দিয়ে আলিসাহিন জানান, কার্লোস দীর্ঘদিন ধরে শেখ হামাদার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। চার সপ্তাহ আগে তিনি শেখ হামাদার সঙ্গে দেখা করেন এবং শাহাদাহ পাঠ করেন। পোস্টে আলিসাহিন ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তিকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের সুখ-শান্তি কামনা করেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের এই সংবাদের ঠিক আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্লোসের বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ফিফা নিবন্ধিত খেলোয়াড় এজেন্ট ও মরোক্কান বংশোদ্ভূত স্প্যানিশ তরুণী সোহাইলা এল তাহিরির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁদের এই বিয়ে সম্প্রতি ঘটেনি, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই বিয়ের বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে এবং ২৫ জুলাই পারিবারিকভাবে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনার কাজের সূত্রে পরিচয়ের পর এই সম্পর্কের সূচনা বলে জানা গেছে।

রিয়াল মাদ্রিদ ও ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে ফুটবলের বর্ণিল ক্যারিয়ার গড়া এই তারকা ক্যারিয়ারের শেষভাগে তুরস্কের ক্লাব ফেনেরবাচেতেও খেলেছেন। তাই তুর্কি সংবাদমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে এই খবর ব্যাপকভাবে চাউর হয়েছে।

তুর্কি সাংসদ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সুনির্দিষ্ট দাবি সত্ত্বেও রবার্তো কার্লোস নিজে বা তাঁর প্রতিনিধি দল এখনও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ভক্ত ও ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষা করছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ডিফেন্ডারের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া বা ঘোষণার জন্য।

বার্সেলোনায় যোগ দিচ্ছেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রি

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬
বার্সেলোনায় যোগ দিচ্ছেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রি

স্পেনের তারকা মিডফিল্ডার রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর বিষয়ে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে বার্সেলোনা। দীর্ঘদিন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার পর এবার নিজের দেশ স্পেনে ফিরতে যাচ্ছেন তিনি।

এবারের বিশ্বকাপে রদ্রির নেতৃত্বেই শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে স্পেন। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে দলকে শিরোপা এনে দেয়ার ফলস্বরূপ টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। বিশ্বকাপের পর্দা নামার পর থেকেই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে যায়। রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা—দুই স্প্যানিশ জায়ান্টই তাকে পেতে জোর প্রচেষ্টা চালায়।

প্রাথমিকভাবে রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর দৌড়ে রিয়াল মাদ্রিদই এগিয়ে ছিল। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পরিস্থিতি মোড় নেয় বার্সেলোনার দিকে। ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানো জানিয়েছেন, রদ্রির বার্সেলোনায় যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রোমানো লিখেছেন, ‘রদ্রি এখন বার্সেলোনায়। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের বার্সেলোনায় যাওয়ার বিষয়ে দুই ক্লাব সমঝোতায় পৌঁছেছে।’

সাবেক এই ব্যালন্স ডি’অর জয়ীর দলবদল প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, ‘সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। বার্সেলোনার দেয়া সর্বশেষ প্রস্তাবে সায় দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।’

রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিল বার্সেলোনা। গত কয়েক সপ্তাহে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে তারা একাধিক প্রস্তাব পেশ করে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ট্রান্সফার ফি’র পরিমাণ হচ্ছে প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো (প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা)।

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। মাত্র তিনটি টেস্ট খেলেই অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে জয় তুলে নিয়ে এশিয়ার দ্রুততম দল হিসেবে এই কীর্তি গড়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে পাকিস্তান, যারা সাতটি টেস্ট খেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয় পেয়েছিল। ভারতকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১২টি টেস্ট, আর শ্রীলঙ্কা ১৫টি টেস্ট খেলে এখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয়ের দেখা পায়নি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ৯ উইকেটের এই জয়টি উইকেটের ব্যবধানে তাদের টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে দীর্ঘ ৩১ বছরের অপেক্ষারও অবসান ঘটল। ১৯৯৫ সালের পর এই প্রথম ভারতের বাইরে এশিয়ার অন্য কোনো দলের কাছে নিজেদের মাটিতে টেস্টে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। মাত্র তিনটি টেস্ট খেলেই অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে জয় তুলে নিয়ে এশিয়ার দ্রুততম দল হিসেবে এই কীর্তি গড়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে পাকিস্তান, যারা সাতটি টেস্ট খেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয় পেয়েছিল। ভারতকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১২টি টেস্ট, আর শ্রীলঙ্কা ১৫টি টেস্ট খেলে এখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয়ের দেখা পায়নি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ৯ উইকেটের এই জয়টি উইকেটের ব্যবধানে তাদের টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে দীর্ঘ ৩১ বছরের অপেক্ষারও অবসান ঘটল। ১৯৯৫ সালের পর এই প্রথম ভারতের বাইরে এশিয়ার অন্য কোনো দলের কাছে নিজেদের মাটিতে টেস্টে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানো বাংলাদেশের জন্য সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জের। সেই চ্যালেঞ্জে এবার শুরু থেকেই দারুণ ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের প্রথম ইনিংসেই অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা। এরপর ব্যাট হাতে ৪২৬ রান তুলে স্বাগতিকদের ওপর ২২৮ রানের বড় লিড নেয় বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন তানজিদ হাসান। ১৯৭ বলে ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল আটটি চার ও একটি ছক্কা। নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৮৪ রান। মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ৬৫ রান। মুমিনুল হক করেন ৪৯ এবং মুশফিকুর রহিম করেন ৩৬ রান।

বাংলাদেশের ৪২৬ রানের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ রান করে। ফলে বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে একমাত্র বড় প্রতিরোধ গড়েন ক্যামেরন গ্রিন। ২০১ বলে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা। স্টিভ স্মিথ করেন ৪৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার আর কোনো ব্যাটার বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সবচেয়ে সফল ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৩৩ দশমিক ১ ওভারে ৬৬ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন তিনি। হাসান মাহমুদ নেন তিন উইকেট। তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।

এর আগে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন হাসান মাহমুদ। ১৭ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে ছয় উইকেট নেন তিনি। তাসকিন আহমেদ নেন দুটি উইকেট। এবাদত হোসেনও নেন দুটি উইকেট।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন স্টিভ স্মিথ। জেক ওয়েদারাল্ড করেন ২৩ এবং অ্যালেক্স ক্যারি করেন ১৯ রান। বাংলাদেশের বোলারদের সামনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি।

৪২৬ রানে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ২২৮ রানের লিড পায় সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের এটিই বড় লিড হিসেবে ম্যাচের এই পর্বেই নতুন ইতিহাস তৈরি হয়।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও অস্ট্রেলিয়াকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া লিড কিছুটা বাড়াতে পারলেও শেষ পর্যন্ত ২৮৪ রানেই থামে তাদের ইনিংস।

জয়ের জন্য ৫৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে বাংলাদেশের শুরুটাও ভালো হয়নি। দলীয় ৪ রানে প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। জশ হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।

তবে এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। দুজন মিলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ১৪ দশমিক ২ ওভারে ৫৭ রান তুলে ৯ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে। মুমিনুল হক অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান হলো। ২৩ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়া সফরে এসে প্রথম টেস্টেই স্বাগতিকদের হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয়টি বিশেষ হয়ে থাকল। ব্যাটে তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি, শান্ত ও মিরাজের কার্যকর ইনিংস, আর বল হাতে হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ডারউইনে নতুন ইতিহাস লিখল বাংলাদেশ।

পশ্চিম এশিয়া বিচ ভলিবলে রৌপ্য জয় করল কাতার

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬
পশ্চিম এশিয়া বিচ ভলিবলে রৌপ্য জয় করল কাতার

লেবাননের বাতরুন শহরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ পশ্চিম এশিয়া বিচ ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে রানার্স-আপ হয়ে রৌপ্য পদক অর্জন করেছে কাতার পুরুষ বিচ ভলিবল দল। প্রতিযোগিতায় কাতার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন উদীয়মান তারকা মোহাম্মদ ইহাব এবং মুসা আল খায়ের।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কাতার জুটি তাদের আধিপত্য বজায় রাখে। তবে রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্বাগতিক দলের কাছে হেরে তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয় রূপার পদক নিয়ে।

কাতার দলের জয়ের পথ ও ম্যাচের ফলাফল

কোয়ার্টার ফাইনাল: কোয়ার্টার ফাইনালে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে কুয়েতকে সরাসরি ২-০ সেটে পরাজিত করে কাতার।

সেমিফাইনাল: সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে স্বাগতিক লেবাননের জুটিকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে কাতার জুটি।

ফাইনাল: শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্বাগতিক লেবাননের জাদ আবি কারাম এবং হাদি শবেইব জুটির মুখোমুখি হয় কাতার। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ফাইনালে ২-১ সেটে জয় পেয়ে স্বর্ণপদক নিশ্চিত করে লেবানন এবং কাতার দল অর্জন করে রৌপ্য পদক।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাতারের সাফল্য

আঞ্চলিক ও মহাদেশীয় স্তরে কাতারি ভলিবলের এই আন্তর্জাতিক অর্জন দেশটির বিচ ভলিবল খাতের ক্রমবর্ধমান সাফল্য ও ধারাবাহিকতার এক অনন্য প্রমাণ। কাতার ভলিবল অ্যাসোসিয়েশনের সুপরিকল্পিত প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত সহায়তার ফলে কাতার দল বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক টুর্নামেন্টগুলোতে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখছে।

মেসির বিরল রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে গিনেস স্বীকৃতি পেলেন হলান্ড

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
মেসির বিরল রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে গিনেস স্বীকৃতি পেলেন হলান্ড

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের ৪টি স্বীকৃতি জিতলেন হলান্ড
রেকর্ডময় এক ক্যারিয়ারে আরও একটি নতুন অর্জন যোগ হলো আর্লিং হলান্ডের। নতুন মৌসুমের অভিযান শুরুর আগে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের অবিশ্বাস্য কিছু গোল করার স্বীকৃতিস্বরূপ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের চারটি সনদ পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার।

প্রিমিয়ার লিগ, ইউয়েফা নেশনস লিগ এবং ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ সব কীর্তি গড়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ৪টি সনদ দেওয়া হয়েছে হলান্ডকে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাদের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানিয়েছে, ‘নতুন মৌসুম শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে একাধিক রেকর্ডের মালিক আর্লিং হলান্ডের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁর অসাধারণ ফুটবল ক্যারিয়ারের এখন পর্যন্ত পাওয়া সেরা কীর্তিগুলোর স্বীকৃতিস্বরূপ সনদ।’

স্বীকৃতি পাওয়া রেকর্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে সবচেয়ে কম ম্যাচে প্রিমিয়ার লিগে ১০০ গোল করার কীর্তি। গত বছরের ২ ডিসেম্বর ফুলহ্যামের বিপক্ষে গোল করার মধ্য দিয়ে মাত্র ১১১ ম্যাচেই এই মাইলফলকে পৌঁছান হলান্ড। ২০২২-২৩ মৌসুমের শুরুতে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার ঠিক তিন বছরের একটু বেশি সময়ের মধ্যে এই অর্জন ধরা দেয় তাঁর পায়ে।


এছাড়া প্রিমিয়ার লিগে নিজের প্রথম মৌসুমেই গড়া গোল করার রেকর্ডটির জন্যও আরেকটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস খেতাব অর্জন করেছেন তিনি। ২০২২-২৩ মৌসুমে ৩৮ ম্যাচের প্রিমিয়ার লিগ সংস্করণে এক মৌসুমে সর্বাধিক ৩৬ গোল করার রেকর্ড গড়েছিলেন হালান্ড।

নরওয়েজিয়ান তারকা নরওয়ের তৃতীয় রেকর্ডটি এসেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে। ইউয়েফা নেশনস লিগে ১৯ গোল করে এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন হলান্ড। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ২০২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বরের মধ্যে করা তাঁর গোলগুলোকে এই রেকর্ডের জন্য বিবেচনা করেছে।

হলান্ডের চতুর্থ সনদটি এসেছে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি ম্যাচে করা পাঁচ গোলের অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্য। ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ আরবি লাইপজিগের বিপক্ষে ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে পাঁচ গোল করেছিলেন হলান্ড। এর মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে পাঁচ গোল করার বিরল কীর্তিতে নাম লেখানো মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড় বনে যান ২৬ বছর বয়সী এই ‘গোলমেশিন’।

এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে পাঁচ গোল করার এই কৃতিত্ব কেবল লিওনেল মেসি এবং লুইজ আদ্রিয়ানোর ঝুলিতে ছিল, সেই অভিজাত ক্লাবে তাঁদের পাশে বসেন হলান্ডও। ফুটবল রেকর্ডের সমৃদ্ধ ভাণ্ডারে এই চারটি অসাধারণ অর্জনকে তুলে ধরেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।