২৩ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কেসি-৪৬এ রিফুয়েলিং বিমান কিনছে কাতার

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কেসি-৪৬এ রিফুয়েলিং বিমান কিনছে কাতার

কাতারের কাছে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী চারটি পর্যন্ত কেসি-৪৬-এ বিমান এবং এসব বিমানের জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বৃহস্পতিবারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কাতার চারটি পর্যন্ত কেসি-৪৬এ বিমান কেনার পাশাপাশি আটটি পিডাব্লিউ৪০৬২ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি এএন/এএলআর-৬৯এ রাডার সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ১৫টি গার্ডিয়ান লেজার ট্রান্সমিটার এবং আটটি এলএআইআরসিএম সিস্টেম প্রসেসর কেনার অনুরোধ করেছে। চুক্তিতে বিমানের জন্য বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম ও সেবা, পরিবহন, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তাও থাকবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এই বিক্রয় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে। একই সঙ্গে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে কাতারের সামরিক সমন্বয়ও বাড়বে।

এর মাধ্যমে দেশটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিভিন্ন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় আরো সক্ষম হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কাতারকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘কৌশলগত আঞ্চলিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন সরকারের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সম্ভাব্য এই চুক্তির প্রধান মার্কিন ঠিকাদারদের মধ্যে রয়েছে বোয়িং, প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি মিলিটারি ইঞ্জিনস, আরটিএক্স করপোরেশন ও নর্থরপ গ্রুম্যান। রাজনৈতিকআপডেট ও খবর পর্যালোচনা করা

কেসি-৪৬এ বিমানটি আকাশে অন্য বিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে। পাশাপাশি এতে কার্গো পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা স্থানান্তরের সুবিধাও রয়েছে। এটি পুরনো কেসি-১৩৫ বিমানের তুলনায় আরো উন্নত সক্ষমতার বিমান।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবহারের জন্য কাতারের দেওয়া একটি বিমান নিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই এই সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা এলো। ট্রাম্প জুলাই থেকে ওই নতুন জেটটি ব্যবহার শুরু করেছেন এবং বিমানটি উন্নত করতে এর সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগানোর কথা বলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কেসি-৪৬এ রিফুয়েলিং বিমান কিনছে কাতার

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কেসি-৪৬এ রিফুয়েলিং বিমান কিনছে কাতার

কাতারের কাছে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী চারটি পর্যন্ত কেসি-৪৬-এ বিমান এবং এসব বিমানের জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বৃহস্পতিবারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কাতার চারটি পর্যন্ত কেসি-৪৬এ বিমান কেনার পাশাপাশি আটটি পিডাব্লিউ৪০৬২ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন, ১০টি এএন/এএলআর-৬৯এ রাডার সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ১৫টি গার্ডিয়ান লেজার ট্রান্সমিটার এবং আটটি এলএআইআরসিএম সিস্টেম প্রসেসর কেনার অনুরোধ করেছে। চুক্তিতে বিমানের জন্য বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম ও সেবা, পরিবহন, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তাও থাকবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এই বিক্রয় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে। একই সঙ্গে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর সঙ্গে কাতারের সামরিক সমন্বয়ও বাড়বে।

এর মাধ্যমে দেশটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিভিন্ন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় আরো সক্ষম হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কাতারকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘কৌশলগত আঞ্চলিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন সরকারের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সম্ভাব্য এই চুক্তির প্রধান মার্কিন ঠিকাদারদের মধ্যে রয়েছে বোয়িং, প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি মিলিটারি ইঞ্জিনস, আরটিএক্স করপোরেশন ও নর্থরপ গ্রুম্যান। রাজনৈতিকআপডেট ও খবর পর্যালোচনা করা

কেসি-৪৬এ বিমানটি আকাশে অন্য বিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে। পাশাপাশি এতে কার্গো পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসা স্থানান্তরের সুবিধাও রয়েছে। এটি পুরনো কেসি-১৩৫ বিমানের তুলনায় আরো উন্নত সক্ষমতার বিমান।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবহারের জন্য কাতারের দেওয়া একটি বিমান নিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই এই সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা এলো। ট্রাম্প জুলাই থেকে ওই নতুন জেটটি ব্যবহার শুরু করেছেন এবং বিমানটি উন্নত করতে এর সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগানোর কথা বলেছেন।

সৌদি-কাতার-আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ২১ হাজার পাকিস্তানিকে বহিষ্কার

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
সৌদি-কাতার-আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ২১ হাজার পাকিস্তানিকে বহিষ্কার

চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযোগে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে মোট ২১ হাজার ৯৫১ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অতিরিক্ত সময় অবস্থান, ভিক্ষাবৃত্তি, অবৈধ প্রবেশ, মাদক, আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান, জাল কাগজপত্র ও নিরাপত্তাজনিত কারণসহ নানা অভিযোগে তাঁদের পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে। খবর ডনের।News

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এমএনএ হামিদ হোসাইনের উত্থাপিত প্রশ্নের লিখিত জবাবে দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৪ হাজার ৬২৮ জন পলাতক, ১ হাজার ২৯৪ জন কারাবন্দী, ৯৬৮ জন কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া পাসপোর্ট হারানোর ঘটনায় ১ হাজার ১৫৫ জনের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া নেয়া হয়। ভিসা লঙ্ঘনের কারণে ৬৮৯ জন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রবেশে প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় ৩৪২ জন পাকিস্তানিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

দেশভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করেছে সৌদি আরব। দেশটি প্রায় ১৫ হাজার ৫০০ জন পাকিস্তানিকে বিতাড়িত করেছে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ৩ হাজার ৮০৩ জন, ওমান ১ হাজার ৬০৬ জন, বাহরাইন ৫২১ জন, কাতার ৪২৯ জন এবং কুয়েত ৯৭ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করেছে।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আরও ৬ হাজার ৬৬২ জন পাকিস্তানিকে ‘অন্যান্য’ ক্যাটাগরিতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ৪৭২ জন পাকিস্তানি ভিক্ষুককেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

তথ্যে আরও বলা হয়েছে, ইউএই থেকে ৯ জন পাকিস্তানিকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজনকে পরবর্তী গন্তব্যে ভ্রমণের অনুমতি না দেয়া, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ ইকামা ও পাসপোর্ট, চুরি, যুদ্ধকবলিত এলাকায় যাতায়াত এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের মতো বিভিন্ন কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

পলাতক পাকিস্তানিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যককে বহিষ্কার করেছে সৌদি আরব- ৩ হাজার ৯২১ জন। এরপর ইউএই ৬৩৬ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করেছে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত সময় অবস্থান, অবৈধ প্রবেশ বা অবস্থানের মতো অভিযোগে সৌদি আরব ১ হাজার ৯২৪ জন পাকিস্তানিকে বিতাড়িত করেছে। একই কারণে ইউএই ৩৪৭ জন এবং ওমান ২৯৫ জন পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করেছে।

১৫০টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে স্টারলিংক সেবা চালু করল কাতার এয়ারওয়েজ

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
১৫০টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে স্টারলিংক সেবা চালু করল কাতার এয়ারওয়েজ

বিশ্বের প্রথম এয়ারলাইন হিসেবে বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে কাতার এয়ারওয়েজ। একই সঙ্গে এয়ারলাইন্সটি তাদের পুরো বোয়িং ৭৮৭-৮ বহরে স্টারলিংক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে। এর ফলে কাতার এয়ারওয়েজের স্টারলিংক সুবিধাযুক্ত ওয়াইডবডি উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫০টিতে।

কাতার এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তাদের পুরো বোয়িং ৭৮৭ বহরে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এর আগে বোয়িং ৭৭৭ বহরে মাত্র নয় মাস এবং এয়ারবাস এ৩৫০ বহরে আট মাসের মধ্যে স্টারলিংক স্থাপনের কাজ শেষ করেছে এয়ারলাইন্সটি। বোয়িং ৭৮৭-৮ বহরে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় লেগেছে সাত মাস।

স্টারলিংক সেবার মাধ্যমে যাত্রীরা আকাশে সর্বোচ্চ ৫০০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এর ফলে উড়োজাহাজে বসেই ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইনে অফিসের কাজ এবং স্থানীয় বিধিনিষেধ অনুমোদন করলে ভিডিও কল করার সুযোগও থাকবে। দ্রুতগতির এই সংযোগ দীর্ঘ ও অতি-দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

কাতার এয়ারওয়েজ ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথম স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করে। বর্তমানে যোগ্য ফ্লাইটগুলোতে যাত্রীরা বিনামূল্যে উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। স্থানীয় বিধিনিষেধ না থাকলে গেট থেকে উড্ডয়ন এবং গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো যাত্রায় সংযোগ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

এয়ারলাইন্সটির তথ্য অনুযায়ী, সেবা চালুর পর এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজারের বেশি ফ্লাইটে ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি যাত্রী স্টারলিংক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩২৩টি স্টারলিংক-সুবিধাযুক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করছে কাতার এয়ারওয়েজ।

স্টারলিংক স্থাপন কার্যক্রমে কাতার এয়ারওয়েজের অগ্রগতি ৮৩ শতাংশের বেশি। বোয়িং ৭৭৭, এয়ারবাস এ৩৫০ এবং বোয়িং ৭৮৭—এই তিন ধরনের ওয়াইডবডি উড়োজাহাজে স্টারলিংক সুবিধা যুক্ত করে এয়ারলাইনটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইনফ্লাইট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে।

দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে কাতার এয়ারওয়েজ বর্তমানে বিশ্বের ১৬০টির বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। পুরো বোয়িং ৭৮৭ বহরে স্টারলিংক চালু হলে যাত্রীদের জন্য আকাশপথে দ্রুত, নিরবচ্ছিন্ন ও বিনামূল্যের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। প্রযুক্তিনির্ভর যাত্রীসেবা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাতার এয়ারওয়েজের এই উদ্যোগ বিমান পরিবহন খাতে নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে পারে।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

বুধবার (১৯ আগস্ট) দোহায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আশ্বাস দেন।

বর্তমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দোহায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আশ্বাস দেন। এ সময় শেখ মোহাম্মদ বাংলাদেশকে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান কাতারের নেতৃত্বের কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কাতারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাতারের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, এ ভূমিকা বৃহত্তর অঞ্চলসহ এর বাইরেও গুরুত্বপূর্ণ।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান শেখ মোহাম্মদ। একই সঙ্গে তার দায়িত্ব সফলভাবে পালনে কাতারের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

ড. খলিলুর রহমান কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখির সঙ্গে বৈঠক করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হরমুজ প্রণালিতে ব্ল্যাকমেইল বন্ধের আহ্বান কাতারের

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে ব্ল্যাকমেইল বন্ধের আহ্বান কাতারের

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল অবশ্যই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে, যেখানে সংঘাতের কোনো পক্ষই অন্য পক্ষকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করবে না।

বৃহস্পতিবার মিশরের আল-আলামিনে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের শেখ মোহাম্মদ বলেন, ‘এই যুদ্ধের পরিণতি শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও গুরুতর ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাক। এ ব্যাপারে যে-কোনো ধরনের হুমকি ও বাধার আমরা নিন্দা জানাই।’

এদিকে, ওমান বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রয়োজন এবং দেশটি আরও উত্তেজনা বৃদ্ধি বা সংঘাত প্রত্যাখ্যান করেছে। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জাপানি প্রতিপক্ষকে এ কথা জানান।

ইরান বলেছে, প্রণালীটির মধ্য দিয়ে নতুন নৌপথ তৈরির বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।