২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাতার প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় আসামি মিলনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
কাতার প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় আসামি মিলনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

রাজবাড়ীর পাংশায় কাতারপ্রবাসীর স্ত্রী রুনা খাতুন (৩০) হত্যা মামলায় মিলন শেখ (২৭) নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজবাড়ীর বিশেষ দায়রা জজ মো. ইউসুফ হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মিলন শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মিলন পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মুছিদাহ খামারডাঙ্গী গ্রামের খলিল শেখের ছেলে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আইয়ুব আলী খান।

গভীর রাতে মায়ের নিথর দেহ দেখেছিল শিশু

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট রাতে কাতারপ্রবাসী আনিছুর রহমানের স্ত্রী রুনা খাতুন দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত দেড়টার দিকে রুনার দেড় বছর বয়সী ছোট সন্তান কান্না শুরু করলে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে উম্মে সিনহার ঘুম ভেঙে যায়।

ঘুম থেকে উঠে মাকে বিছানায় না পেয়ে সে বাইরে বের হয়। বারান্দায় গিয়ে প্রতিবেশী মিলন শেখকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে শিশুটি। এরপর উঠানে গিয়ে রুনাকে পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে সে।

শিশুটির চিৎকারের পর মিলনসহ আরও দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রতিবেশীরা এসে রুনাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরদিন সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধারের দাবি পুলিশের

রুনা হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই মো. রায়হান শেখ বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ৩০২, ৩৯৪ ও ৩৪ ধারায় করা হয়।

তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ মিলন শেখকে গ্রেপ্তার করে। একই মামলায় তেছেম সরদার (১৬) ও রিয়াজ জোয়াদ্দর (১৫) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে রুনার ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে তেছেম ও রিয়াজ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার আলাদা আদালতে স্থানান্তর করা হয়। তাদের বিচার বর্তমানে নারী ও শিশু আদালতে চলছে।

১৮ জনের সাক্ষ্য, মিলনের সাজা

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আইয়ুব আলী খান জানান, মিলনের বিরুদ্ধে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে। সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এই রায়ের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

রায়ে অসন্তুষ্ট আসামিপক্ষ

তবে আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট নয় আসামিপক্ষ। মিলনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান দাবি করেন, তার মক্কেল নির্দোষ এবং পুলিশের নির্যাতনের মাধ্যমে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

আইনজীবীর ভাষ্য, ওই জবানবন্দির ভিত্তিতেই আদালত মিলনকে সাজা দিয়েছেন। রায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত হাইকোর্টে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

মামলায় মিলনের সাজা হলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই আসামির বিচার এখনো নারী ও শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ড: সেপ্টেম্বরের ২১ দিনেই দেশে এলো ২০৬ কোটি ডলার!

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ড: সেপ্টেম্বরের ২১ দিনেই দেশে এলো ২০৬ কোটি ডলার!

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনেই দেশে এসেছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৫ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে প্রবাসীরা দেশে যে অর্থ পাঠিয়েছেন, তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি। গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার।

সেপ্টেম্বরের এই প্রবাহের ফলে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৭৮৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৬৯৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আগস্টে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলারে।

এর আগে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। তার আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার।

কাতার প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় আসামি মিলনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
কাতার প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় আসামি মিলনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

রাজবাড়ীর পাংশায় কাতারপ্রবাসীর স্ত্রী রুনা খাতুন (৩০) হত্যা মামলায় মিলন শেখ (২৭) নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজবাড়ীর বিশেষ দায়রা জজ মো. ইউসুফ হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মিলন শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মিলন পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মুছিদাহ খামারডাঙ্গী গ্রামের খলিল শেখের ছেলে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আইয়ুব আলী খান।

গভীর রাতে মায়ের নিথর দেহ দেখেছিল শিশু

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট রাতে কাতারপ্রবাসী আনিছুর রহমানের স্ত্রী রুনা খাতুন দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত দেড়টার দিকে রুনার দেড় বছর বয়সী ছোট সন্তান কান্না শুরু করলে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে উম্মে সিনহার ঘুম ভেঙে যায়।

ঘুম থেকে উঠে মাকে বিছানায় না পেয়ে সে বাইরে বের হয়। বারান্দায় গিয়ে প্রতিবেশী মিলন শেখকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে শিশুটি। এরপর উঠানে গিয়ে রুনাকে পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে সে।

শিশুটির চিৎকারের পর মিলনসহ আরও দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রতিবেশীরা এসে রুনাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরদিন সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধারের দাবি পুলিশের

রুনা হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই মো. রায়হান শেখ বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ৩০২, ৩৯৪ ও ৩৪ ধারায় করা হয়।

তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ মিলন শেখকে গ্রেপ্তার করে। একই মামলায় তেছেম সরদার (১৬) ও রিয়াজ জোয়াদ্দর (১৫) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে রুনার ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে তেছেম ও রিয়াজ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার আলাদা আদালতে স্থানান্তর করা হয়। তাদের বিচার বর্তমানে নারী ও শিশু আদালতে চলছে।

১৮ জনের সাক্ষ্য, মিলনের সাজা

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আইয়ুব আলী খান জানান, মিলনের বিরুদ্ধে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে। সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এই রায়ের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

রায়ে অসন্তুষ্ট আসামিপক্ষ

তবে আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট নয় আসামিপক্ষ। মিলনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান দাবি করেন, তার মক্কেল নির্দোষ এবং পুলিশের নির্যাতনের মাধ্যমে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

আইনজীবীর ভাষ্য, ওই জবানবন্দির ভিত্তিতেই আদালত মিলনকে সাজা দিয়েছেন। রায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত হাইকোর্টে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

মামলায় মিলনের সাজা হলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই আসামির বিচার এখনো নারী ও শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

প্রবাসী প্রেমিকের সঙ্গে অভিমানে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা: দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
প্রবাসী প্রেমিকের সঙ্গে অভিমানে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা: দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মা ও বড় বোনের সঙ্গে সিনথিয়া রহমান কাজল: ফাইল ছবি

নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রবাসী প্রেমিকের প্রতি অভিমানে সিনথিয়া রহমান কাজল (১৯) নামে এক কলেজছাত্রী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত কাজল উপজেলার কালিকাপুর মহল্লার মৃত মিজানুর রহমানের ছোট মেয়ে। তিনি কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট স্যাপার কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

মৃতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, চীন প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে কাজলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক দেশে ফিরলে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু বুধবার রাতে মোবাইল ফোনে কোনো বিষয় নিয়ে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। পরে তিনি নিজ ঘরে দরজা বন্ধ করে দেন।

বৃহস্পতিবার সকালে কাজল ঘর থেকে বের না হওয়ায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে দরজার ফাঁক দিয়ে তাকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, মৃতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

খেলার ছলে নদীতে ডুবে প্রবাসীর ৪ বছরের একমাত্র কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
খেলার ছলে নদীতে ডুবে প্রবাসীর ৪ বছরের একমাত্র কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু

ফরিদপুরের মধুখালিতে নদীতে ডুবে হাসনা (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মধুখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চন্দনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। হাসনা নলেপাড়া মহল্লার কুয়েত প্রবাসী পাপ্পা বিশ্বাসের ৪ বছরের একমাত্র শিশুকন্যা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছ, সকালে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে পরিবারের অজান্তে শিশুটি চন্দনা নদীর পাশে চলে যায়। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত নদীর পানিতে পড়ে ডুবে যায় হাসনা। শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

মধুখালী পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিসুর রহমান লিটন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাসনা নলেপাড়া মহল্লার কুয়েত প্রবাসী পাপ্পা বিশ্বাসের একমাত্র শিশু কন্যা। সে অসাবধানতাবশত চন্দনা নদীর পানিতে পড়ে ডুবে যায়। তার মৃত্যু মেনে নেওয়ার মত নয়।

স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ
নিখোঁজ গৃহবধূ রুপা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত

স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে মাদারীপুরের ডাসারে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রবাসীর পরিবার জানায়, নিখোঁজের চারদিন পার হলেও ওই গৃহবধূর কোনো সন্ধান না মেলায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

নিখোঁজ ওই গৃহবধূর নাম রুপা আক্তার (১৯)। তিনি ডাসার উপজেলার পশ্চিম কোমলাপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আশিক মাতুব্বরের স্ত্রী এবং বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের ফেরদাউস মোল্লার মেয়ে।

থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের পশ্চিম কোমলাপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আশিক মাতুব্বরের স্ত্রী রুপা আক্তার গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে আর বাড়িতে ফেরত আসেননি।

এরপর আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজা-খুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে তাকে না পেয়ে ওই গৃহবধূর বাবা ফেরদাউস মোল্লা নিরুপায় হয়ে গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যাহার ডায়েরি নং-৫১৯।

নিখোঁজ গৃহবধূ রুপা আক্তারের স্বামী সৌদী প্রবাসী আশিক মাতুব্বর জানান, তার স্ত্রী রুপা আক্তার স্বর্ণালংকারসহ প্রায় সাত লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়িতে আসেননি। তাই তার সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি করেছেন রুপার বাবা।

এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. সোলায়মান মাহমুদ জানান, গৃহবধূ নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। তাকে উদ্ধারের জোর প্রচেষ্টা চলছে।