৬ অক্টোবর ২০২৬

এক সপ্তাহে ১০ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
এক সপ্তাহে ১০ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

সৌদি আরবের বিভিন্ন আইন ভঙ্গের অভিযোগে এক সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৪ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থাগুলো যৌথ অভিযান চালিয়ে এই ব্যবস্থা নেয়। এই এক সপ্তাহে নিয়ম ভাঙার দায়ে মোট ১১ হাজার ৮১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

এর মধ্যে আবাসিক আইন ভাঙায় ৫ হাজার ৭৯৩ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইনে ৩ হাজার ৩০৭ জন এবং শ্রম আইন ভঙ্গের দায়ে ২ হাজার ৭১৯ জন আটক হয়েছেন।

যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে ট্রাভেল পাস বা ভ্রমণ নথি জোগাড়ের জন্য তাদের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে। আরও ৪ হাজার জনের দেশ ছাড়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। এছাড়া নিয়ম ভাঙার কারণে বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন ৩২ হাজারেরও বেশি প্রবাসী।

অভিযানের সময় সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে সৌদি ঢোকার সময় ১ হাজার ৩৮২ জনকে ধরা হয়, যাদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক।

দেশ ছাড়ার সময় অবৈধভাবে পালানোর চেষ্টাকালে ধরা পড়েছেন আরও ৩২ জন। অবৈধ প্রবাসীদের যাতায়াত, আশ্রয় বা কাজে সাহায্য করার অপরাধে ১৯ জনকে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।

অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় বা কোনো ধরনের সহায়তা দিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত গাড়ি ও ঘরবাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হবে। এমন কোনো অনিয়ম দেখলে দ্রুত পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট হটলাইন নম্বরে ফোন করে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

৬ বছর পর দেশে ফিরে ছিনতাইয়ের শিকার প্রবাসী, খোয়া গেল রিয়াল-৮৮ গ্রাম স্বর্ণ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
৬ বছর পর দেশে ফিরে ছিনতাইয়ের শিকার প্রবাসী, খোয়া গেল রিয়াল-৮৮ গ্রাম স্বর্ণ

দীর্ঘ ছয় বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন ওমার ফারুক (৩০) নামের এক প্রবাসী। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে বিমানবন্দর থেকে কেরানীগঞ্জের বাড়িতে ফেরার সময় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যান এলাকায় তিনি ছিনতাইয়ের শিকার হন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ৪-৫ জন তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৭০০ সৌদি রিয়াল ও ৮৮ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

ওমার ফারুক জানান, শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। রাতে সেখানে অবস্থান করার পর ভোরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেরানীগঞ্জের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে প্রাইভেটকারে করে জিয়া উদ্যান হয়ে আসাদগেট যাওয়ার পথে গণভবনসংলগ্ন ক্রসিংয়ে একটি মাইক্রোবাস তাদের গতিরোধ করে।

তিনি অভিযোগ করেন, মাইক্রোবাস থেকে ৪-৫ জন লোক নামেন। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে জানান, গাড়িতে অবৈধ মালামাল রয়েছে এবং তল্লাশি করবেন। পরে তল্লাশির একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা ৪ হাজার ৭০০ সৌদি রিয়াল ও প্রায় ৮৮ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেন তারা।

ওমার বলেন, 'সবকিছু ঘটে যায় মিনিট দেড়েকের মধ্যে।' যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীদের একজন হুমকির সুরে বলেন, 'সোজা যা, কোনো চিল্লাচিল্লি করবি না।'

তখন তাদের একজনের হাতে ছুরিও দেখতে পান ওমার। আরেকজনের হাতে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহৃত লাইট স্টিক।

এ বিষয়ে ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম টিবিএসকে বলেন, 'ভুক্তভোগী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সত্যতা পেলে মামলা নেওয়া হবে।'

বাগেরহাটে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বাগেরহাটে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

বাগেরহাটে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অপরাধে মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)দ্বীপ মণ্ডলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এর আগে এ দিন দুপুরে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে একজন প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে তার বসতবাড়িতে দ্বীপ মণ্ডলকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে তাকে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

এসআই দ্বীপ মণ্ডল বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিট অফিসার ছিলেন। যার সুবাধে ওই এলাকায় তার যাওয়া আসা অপেক্ষাকৃত বেশি ছিল।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এসআই দ্বীপ মণ্ডলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

মালয়েশিয়ায় ৩৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় ৩৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে ১০ হাজারেরও বেশি অভিযান চালিয়ে ৩৭ হাজারেরও বেশি নথিপত্রহীন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল জানান, এই অভিযানে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষের কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে।

তবে এবার শুধু অভিবাসীদের ধরেই থেমে থাকেনি প্রশাসন, বরং তাদের যারা কাজ দিয়েছেন বা লুকিয়ে রেখেছেন, সেই নিয়োগকর্তাদের ওপরও চালানো হয়েছে কঠোর নজরদারি। নির্দিষ্ট এই সময়ে প্রায় ১ হাজার ৮০০ এর বেশি নিয়োগকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার বড় একটি অংশই স্থানীয় নাগরিক।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অতীতের তুলনায় বর্তমানে অবৈধ কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ অনেক বাড়ানো হয়েছে। অতীতে যেখানে অল্প কিছু নিয়োগকর্তা ধরা পড়েছিলেন, এখন সেখানে নিয়মিতভাবে হাজার হাজার আইন অমান্যকারীকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তার মতে, শুধু সাধারণ অভিবাসীদের ধরে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং যারা লোভের বশে বা সুবিধার জন্য অবৈধভাবে তাদের কাজে রাখেন, সেই চক্রের মূল হোতাদেরও শক্ত হাতে দমন করা জরুরি।

এই সংকটকে বহুদিনের পুরোনো এক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে সাইফুদ্দিন বলেন, সিস্টেমের কিছু ফাঁকফোকর এবং অসাধু চক্রের যোগসাজশে এটি জটিল আকার ধারণ করেছে। তাই এটি কোনো সাময়িক বা লোকদেখানো অভিযান নয়, বরং দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিদিন এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবাসন বিভাগ।

আইন অমান্যকারীদের সতর্ক করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বৈধ উপায় ছাড়া কেউ মালয়েশিয়ায় প্রবেশ বা অবৈধভাবে বসবাস করতে পারবে না।

ভুয়া কাগজপত্র তৈরি কিংবা মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যারা লুকিয়ে থাকবেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই বিদেশি কর্মীদের অবৈধভাবে আশ্রয় না দিতে এবং আইন মেনে চলতে দেশবাসীর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এক সপ্তাহে ১০ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
এক সপ্তাহে ১০ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

সৌদি আরবের বিভিন্ন আইন ভঙ্গের অভিযোগে এক সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৪ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থাগুলো যৌথ অভিযান চালিয়ে এই ব্যবস্থা নেয়। এই এক সপ্তাহে নিয়ম ভাঙার দায়ে মোট ১১ হাজার ৮১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

এর মধ্যে আবাসিক আইন ভাঙায় ৫ হাজার ৭৯৩ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইনে ৩ হাজার ৩০৭ জন এবং শ্রম আইন ভঙ্গের দায়ে ২ হাজার ৭১৯ জন আটক হয়েছেন।

যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে ট্রাভেল পাস বা ভ্রমণ নথি জোগাড়ের জন্য তাদের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে। আরও ৪ হাজার জনের দেশ ছাড়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। এছাড়া নিয়ম ভাঙার কারণে বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন ৩২ হাজারেরও বেশি প্রবাসী।

অভিযানের সময় সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে সৌদি ঢোকার সময় ১ হাজার ৩৮২ জনকে ধরা হয়, যাদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক।

দেশ ছাড়ার সময় অবৈধভাবে পালানোর চেষ্টাকালে ধরা পড়েছেন আরও ৩২ জন। অবৈধ প্রবাসীদের যাতায়াত, আশ্রয় বা কাজে সাহায্য করার অপরাধে ১৯ জনকে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।

অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় বা কোনো ধরনের সহায়তা দিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত গাড়ি ও ঘরবাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হবে। এমন কোনো অনিয়ম দেখলে দ্রুত পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট হটলাইন নম্বরে ফোন করে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাটিচাপা পড়ে সৌদি প্রবাসী ইসমাইলের মৃত্যু, এলাকায় শোকের মাতম

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ০৩, ২০২৬
মাটিচাপা পড়ে সৌদি প্রবাসী ইসমাইলের মৃত্যু, এলাকায় শোকের মাতম

সৌদি আরবে পাইপলাইনের কাজ করার সময় মাটিচাপা পড়ে ইসমাইল হোসেন নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের বিমানবন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের আমজেদ হাওলাদারের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিহত ইসমাইল হোসেন বরগুনা সদর উপজেলার ১ নম্বর বদরখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি আমজেদ হাওলাদারের ছেলে এবং তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব নেওয়ার জন্য দেনা করে গত ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের বিমানবন্দর এলাকায় একটি চীনা কোম্পানির অধীনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন ইসমাইল। বৃহস্পতিবার পাইপলাইনের কাজ করার সময় হঠাৎ মাটি ধসে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাটিচাপা পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। বিকেল ৫টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

নিহত ইসমাইলের স্ত্রী সোনিয়া বেগম জানান, প্রতিদিনই স্বামীর সঙ্গে তার কথা হতো। বৃহস্পতিবার সকালেও তাদের কথা হয়। এ সময় ইসমাইল দুপুরে আবার ফোন করবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু দুপুর পেরিয়ে বিকেল হলেও ফোন না আসায় তিনি স্বামীর সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন।

সোনিয়া বেগম বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে সহপাঠীরা ফোন দিয়ে জানায়, আমার স্বামী দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। এর কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে জানানো হয়, হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়েছে।’

ইসমাইলের মৃত্যুতে তার পরিবারসহ এলাকায় শোকের মাতম চলছে। সংসারের হাল ধরতে দেনা করে বিদেশে যাওয়া ইসমাইলের এমন মৃত্যুতে স্বজনরা শোকে ভেঙে পড়েছেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, দ্রুত ইসমাইল হোসেনের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। মরদেহ দেশে আনতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

আরও পড়ুন

মুন্সিগঞ্জে দুই সন্তান বাসায় রেখে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাসীর স্ত্রী

লিবিয়ার কারাগারে নিখোঁজ ফরিদপুরের ২৪ প্রবাসী, স্বজনদের আহাজারি