১০ অক্টোবর ২০২৬

চাকরির লোভে ডেকে নিয়ে সাইপ্রাসে বাংলাদেশি তরুণকে হত্যা! ঘাতকের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ০৯, ২০২৬
চাকরির লোভে ডেকে নিয়ে সাইপ্রাসে বাংলাদেশি তরুণকে হত্যা! ঘাতকের যাবজ্জীবন

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি নাগরিক শাহরিয়ার আহমেদ ইমনকে হত্যার ঘটনায় ২২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেওয়া রায়ে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক অপরাধে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

আদালতের শুনানিতে বলা হয়, গত ৭ জুন একটি বাসে ইমনের সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় হয়। পরে তারা একে অপরের সাথে যোগাযোগের তথ্য বিনিময় করেন। বাসে থাকার সময় কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটিও হয়েছিল বলে আদালতকে জানানো হয়।

এরপর ৯ জুন একটি ছুরি কেনেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। দুই দিন পর, ১১ জুন তিনি ইমনের সাথে যোগাযোগ করে জানান, প্রতিদিন ৫০ ইউরো বেতনের একটি চাকরির সুযোগ রয়েছে।

ইমনের রুমমেট আদালতকে জানান, ওই দিন ইমন তাকে নতুন কর্মস্থলে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। লারনাকার কোফিনু গ্রামের একটি মুরগি উৎপাদন কারখানায় কাজ করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে এর বেশি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

কিছুক্ষণ পর ইমনের বাবা ছেলের কাছ থেকে একটি ভীতিকর বার্তা পান। সেখানে তাকে বাঁচানোর জন্য আকুতি জানিয়ে বলা হয়, তা না হলে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইমনের বাবার কাছে আরও কয়েকটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩৫ হাজার ইউরো দাবি করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ না দিলে ইমনের কিডনি বের করে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

ছেলের এমন বার্তা পাওয়ার পর ইমনের বাবা তার রুমমেটের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি বার্তার জবাব দিয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন এবং দাবিকৃত অর্থের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। একই সাথে ইমনের যেন কোনো ক্ষতি না করা হয়, সে অনুরোধও করেন।

ওই রাত ১১টা ৩৭ মিনিটে ইমনের বাবার কাছে আরও একটি বার্তা আসে। সেখানে বলা হয়, ১৪ জুনের মধ্যে ১০ হাজার ইউরো না দিলে ইমনের কিডনি বের করে নেওয়া হবে। এটিই ছিল তার বাবার কাছে আসা শেষ বার্তা।

এদিকে, ১৬ জুন বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল ইমনের। স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার জন্য তিনি সাইপ্রাস সরকারের একটি কর্মসূচির আওতায় আবেদনও করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তিনি লারনাকা বিমানবন্দরে উপস্থিত হননি।

পরে পুলিশ ২২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায়, তিনি ইমনকে কোফিনুর একটি কসাইখানার কাছের নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ছুরি দিয়ে হামলার পর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়।

আদালতে আরও জানানো হয়, হত্যার পর ইমনের লাশ অন্য একটি স্থানে টেনে নিয়ে গিয়ে আবারও শ্বাসরোধ করা হয়। পরে খড় দিয়ে লাশ ঢেকে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান অভিযুক্ত ব্যক্তি। যাওয়ার আগে তিনি নিজের হাত ও জুতা ধুয়ে ফেলেছিলেন। পরে ওই স্থান থেকেই ইমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আদালত হত্যাকাণ্ডটিকে পূর্বপরিকল্পিত বলে রায়ে উল্লেখ করেছে। হত্যার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি অপরাধেও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এসব অপরাধে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

চাকরির লোভে ডেকে নিয়ে সাইপ্রাসে বাংলাদেশি তরুণকে হত্যা! ঘাতকের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ০৯, ২০২৬
চাকরির লোভে ডেকে নিয়ে সাইপ্রাসে বাংলাদেশি তরুণকে হত্যা! ঘাতকের যাবজ্জীবন

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি নাগরিক শাহরিয়ার আহমেদ ইমনকে হত্যার ঘটনায় ২২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেওয়া রায়ে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক অপরাধে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

আদালতের শুনানিতে বলা হয়, গত ৭ জুন একটি বাসে ইমনের সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় হয়। পরে তারা একে অপরের সাথে যোগাযোগের তথ্য বিনিময় করেন। বাসে থাকার সময় কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটিও হয়েছিল বলে আদালতকে জানানো হয়।

এরপর ৯ জুন একটি ছুরি কেনেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। দুই দিন পর, ১১ জুন তিনি ইমনের সাথে যোগাযোগ করে জানান, প্রতিদিন ৫০ ইউরো বেতনের একটি চাকরির সুযোগ রয়েছে।

ইমনের রুমমেট আদালতকে জানান, ওই দিন ইমন তাকে নতুন কর্মস্থলে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। লারনাকার কোফিনু গ্রামের একটি মুরগি উৎপাদন কারখানায় কাজ করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে এর বেশি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

কিছুক্ষণ পর ইমনের বাবা ছেলের কাছ থেকে একটি ভীতিকর বার্তা পান। সেখানে তাকে বাঁচানোর জন্য আকুতি জানিয়ে বলা হয়, তা না হলে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইমনের বাবার কাছে আরও কয়েকটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩৫ হাজার ইউরো দাবি করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ না দিলে ইমনের কিডনি বের করে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

ছেলের এমন বার্তা পাওয়ার পর ইমনের বাবা তার রুমমেটের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি বার্তার জবাব দিয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন এবং দাবিকৃত অর্থের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। একই সাথে ইমনের যেন কোনো ক্ষতি না করা হয়, সে অনুরোধও করেন।

ওই রাত ১১টা ৩৭ মিনিটে ইমনের বাবার কাছে আরও একটি বার্তা আসে। সেখানে বলা হয়, ১৪ জুনের মধ্যে ১০ হাজার ইউরো না দিলে ইমনের কিডনি বের করে নেওয়া হবে। এটিই ছিল তার বাবার কাছে আসা শেষ বার্তা।

এদিকে, ১৬ জুন বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল ইমনের। স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার জন্য তিনি সাইপ্রাস সরকারের একটি কর্মসূচির আওতায় আবেদনও করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তিনি লারনাকা বিমানবন্দরে উপস্থিত হননি।

পরে পুলিশ ২২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায়, তিনি ইমনকে কোফিনুর একটি কসাইখানার কাছের নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ছুরি দিয়ে হামলার পর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়।

আদালতে আরও জানানো হয়, হত্যার পর ইমনের লাশ অন্য একটি স্থানে টেনে নিয়ে গিয়ে আবারও শ্বাসরোধ করা হয়। পরে খড় দিয়ে লাশ ঢেকে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান অভিযুক্ত ব্যক্তি। যাওয়ার আগে তিনি নিজের হাত ও জুতা ধুয়ে ফেলেছিলেন। পরে ওই স্থান থেকেই ইমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আদালত হত্যাকাণ্ডটিকে পূর্বপরিকল্পিত বলে রায়ে উল্লেখ করেছে। হত্যার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি অপরাধেও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এসব অপরাধে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর দিল সৌদি আরব

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০৮, ২০২৬
প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর দিল সৌদি আরব

উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ চালু করেছে সৌদি আরব। এখন থেকে কাজের ভিসার প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই যোগ্য পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন এসব কর্মী।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

নতুন ব্যবস্থায় যোগ্য কর্মীরা তাদের জীবনসঙ্গী (স্ত্রী), ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং অবিবাহিত মেয়েকে সৌদি আরবে নিয়ে যেতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা হলে কর্মীর কর্মসংস্থান ভিসার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি যোগ্য পরিবারের সদস্যদের জন্যও প্রবেশ ভিসা দেওয়া যাবে। ফলে পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে কর্মীদের নিজেদের কাজের ভিসা পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা দেশটিতে পৌঁছানোর পর প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বসবাসের অনুমতিপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

নতুন এই উদ্যোগের ফলে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের জন্য সৌদি আরবে পরিবার নিয়ে বসবাসের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে দেশটিতে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রেও এই ব্যবস্থা ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাঁচদিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ৬ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
পাঁচদিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ৬ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা

চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম পাঁচদিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৫১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ছয় হাজার ৩০৯ কোটি ৯০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। এর মধ্যে গত সোমবারই প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৩৪০ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৯১০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৮০০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।

৬ বছর পর দেশে ফিরে ছিনতাইয়ের শিকার প্রবাসী, খোয়া গেল রিয়াল-৮৮ গ্রাম স্বর্ণ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
৬ বছর পর দেশে ফিরে ছিনতাইয়ের শিকার প্রবাসী, খোয়া গেল রিয়াল-৮৮ গ্রাম স্বর্ণ

দীর্ঘ ছয় বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন ওমার ফারুক (৩০) নামের এক প্রবাসী। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে বিমানবন্দর থেকে কেরানীগঞ্জের বাড়িতে ফেরার সময় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যান এলাকায় তিনি ছিনতাইয়ের শিকার হন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ৪-৫ জন তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৭০০ সৌদি রিয়াল ও ৮৮ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

ওমার ফারুক জানান, শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। রাতে সেখানে অবস্থান করার পর ভোরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেরানীগঞ্জের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে প্রাইভেটকারে করে জিয়া উদ্যান হয়ে আসাদগেট যাওয়ার পথে গণভবনসংলগ্ন ক্রসিংয়ে একটি মাইক্রোবাস তাদের গতিরোধ করে।

তিনি অভিযোগ করেন, মাইক্রোবাস থেকে ৪-৫ জন লোক নামেন। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে জানান, গাড়িতে অবৈধ মালামাল রয়েছে এবং তল্লাশি করবেন। পরে তল্লাশির একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা ৪ হাজার ৭০০ সৌদি রিয়াল ও প্রায় ৮৮ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেন তারা।

ওমার বলেন, 'সবকিছু ঘটে যায় মিনিট দেড়েকের মধ্যে।' যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীদের একজন হুমকির সুরে বলেন, 'সোজা যা, কোনো চিল্লাচিল্লি করবি না।'

তখন তাদের একজনের হাতে ছুরিও দেখতে পান ওমার। আরেকজনের হাতে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবহৃত লাইট স্টিক।

এ বিষয়ে ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম টিবিএসকে বলেন, 'ভুক্তভোগী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সত্যতা পেলে মামলা নেওয়া হবে।'

বাগেরহাটে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বাগেরহাটে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

বাগেরহাটে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অপরাধে মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)দ্বীপ মণ্ডলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এর আগে এ দিন দুপুরে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে একজন প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে তার বসতবাড়িতে দ্বীপ মণ্ডলকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে তাকে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

এসআই দ্বীপ মণ্ডল বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিট অফিসার ছিলেন। যার সুবাধে ওই এলাকায় তার যাওয়া আসা অপেক্ষাকৃত বেশি ছিল।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এসআই দ্বীপ মণ্ডলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।