২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ট্রাম্প

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ট্রাম্প

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় নিউইয়র্কে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে সম্ভবত রাজি আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফক্স নিউজকে সাবেক ভারপ্রাপ্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ নীতি উপদেষ্টা থিও ওল্ড এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘এখানে কোরিওগ্রাফি মোটামুটি নাটকীয় মুহূর্তের জন্য তৈরি হতে যাচ্ছে।’

এছাড়া ফক্স নিউজ আরও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান নিয়ে তিনি এখন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে আছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে বড় ধরনের অগ্রগতি বা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের বিষয়ে ট্রাম্প কয়েকটি সম্ভাব্য পথের কথা বলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে আরও সামরিক পদক্ষেপ, অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা এবং আলোচনায় বসা। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইরান ‘আচরণ ঠিক রাখবে’।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বর্তমানে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ‘আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।

সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকট ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন।

ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন। সেখানে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ইরানের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত নিয়ে দেশটির অবস্থান তুলে ধরার কথা রয়েছে।

এছাড়া অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ান বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ট্রাম্প

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ট্রাম্প

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় নিউইয়র্কে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে সম্ভবত রাজি আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফক্স নিউজকে সাবেক ভারপ্রাপ্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ নীতি উপদেষ্টা থিও ওল্ড এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘এখানে কোরিওগ্রাফি মোটামুটি নাটকীয় মুহূর্তের জন্য তৈরি হতে যাচ্ছে।’

এছাড়া ফক্স নিউজ আরও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান নিয়ে তিনি এখন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে আছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে বড় ধরনের অগ্রগতি বা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের বিষয়ে ট্রাম্প কয়েকটি সম্ভাব্য পথের কথা বলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে আরও সামরিক পদক্ষেপ, অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা এবং আলোচনায় বসা। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইরান ‘আচরণ ঠিক রাখবে’।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বর্তমানে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ‘আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।

সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকট ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন।

ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন। সেখানে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ইরানের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত নিয়ে দেশটির অবস্থান তুলে ধরার কথা রয়েছে।

এছাড়া অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ান বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য উচ্চ সতর্কতা জারি

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য উচ্চ সতর্কতা জারি

সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত আরও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।

এ সতর্কতার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— ইসরাইল, লেবানন, জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ওমান।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সেই সঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচল বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ ও ভ্রমণ–সংক্রান্ত আকস্মিক বিঘ্ন ঘটার বিষয়েও সচেতন থাকা প্রয়োজন।

মার্কিন নাগরিকদের মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আসছে। এ সামরিক সংঘাত যেকোনো সময় দ্রুত মারাত্মক রূপ নেওয়ার আশঙ্কা আছে। শুধু তা-ই নয়, ইরান এবং তাদের সমমনা গোষ্ঠীগুলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা সংস্থাসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো স্থাপনা কিংবা মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি বাহিনীর ওপর হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণ প্রতিহত করতে সৌদি আরব মিত্রদেশগুলোর সাহায্য চেয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর সূত্র ধরে ইয়েমেনে হুথিদের অবস্থান কিংবা ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালাতে পারে—এমন গুঞ্জনের মধ্যেই এ সতর্কবার্তা এলো।

এআইয়ের ভুল তথ্যে ইরানের স্কুলে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
এআইয়ের ভুল তথ্যে ইরানের স্কুলে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও পুরোনো স্যাটেলাইট ছবির সঙ্গে এআইয়ের তথ্যও ব্যবহার করা হয়েছিল। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শাজারেহ তাইয়্যেবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে ১২৩ শিশু নিহত হয়।

পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পেন্টাগনের কিছু কর্মকর্তা জানতে পারেন যে হামলাটি যুক্তরাষ্ট্রই চালিয়েছে।

তদন্তে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্প প্রশাসন ব্যাপক বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছিল। ফলে লক্ষ্যবস্তু চূড়ান্ত করার জন্য সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে সময় কমে যায়। যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র ১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।

বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় নিয়োজিত কর্মীর সংখ্যা কমে যাওয়াও পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে। পাশাপাশি হামলার স্থান সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য ছিল না। এসব কারণে ভুল লক্ষ্য নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছিল বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

স্কুলটি আগে একটি সামরিক স্থাপনার অংশ ছিল। পরে দেয়াল দিয়ে সেটিকে আলাদা করা হয়। এরপর সেখানে প্রকাশ্যে স্কুল পরিচালনা করা হচ্ছিল।

তদন্তে আরো বলা হয়েছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কিছু কর্মকর্তা পালান্টিরের ‘ম্যাভেন স্মার্ট সিস্টেম’-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছিলেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, সিস্টেমটি পুরোনো বা অসঙ্গতিপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য শনাক্ত করে দেবে।

পালান্টির অবশ্য বলেছে, ব্যবহৃত মূল তথ্যের জন্য তারা দায়ী নয়। গোয়েন্দা তথ্যের ঘাটতি শনাক্ত করাও তাদের সফটওয়্যারের দায়িত্ব নয়। হামলার জন্য তাদের সফটওয়্যার দায়ী ছিল—এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

এদিকে জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি তথ্য অনুসন্ধানী মিশন জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে ইরানে চালানো দুটি মার্কিন বিমান হামলায় যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমনটা বিশ্বাস করার মতো যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া গেছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে মিশনটি বলেছে, বেসামরিক মানুষের মৃত্যু, আহত হওয়া বা বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো পরিণতি ঘটতে পারে জেনেও নির্বিচার হামলা চালানো হয়েছিল। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে—এমনটা বিশ্বাস করার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুদ্ধ শেষ করতে কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা পাঠিয়েছে ইরান

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
যুদ্ধ শেষ করতে কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে  বার্তা পাঠিয়েছে ইরান

যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের শর্ত জানিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের মাধ্যমে এসব শর্ত ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজাই।

তিনি বলেছেন, তাদের শর্ত হলো সব ফ্রন্টে (লেবানন, ইরান এবং ফিলিস্তিন) যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড় দিতে হবে এবং নৌ-অবরোধ তুলে নিতে হবে।

আর তাদের শর্ত কাতার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন মোহসেন রেজাই।

এখন ট্রাম্পের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জবাবের জন্য অপেক্ষা করছি।’

ইরানের দেওয়া শর্ত মানা যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরান সম্পর্কে ভুল হিসাব-নিকাশ করেছেন এবং তার হুমকি কোনো কিছুই পরিবর্তন করবে না।

ইরানের প্রভাবশালী এ রাজনীতিবিদ আরও বলেছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নির্ণায়ক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর দুর্বলতা সম্পর্কে জানতেন। এ কারণে মার্কিন বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে সফল হতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আগের চেয়ে আরও বেশি প্রস্তুত।’

ইরানে জনসমাবেশ: দেশরক্ষায় অস্ত্র হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত ৬ লাখ ইরানি

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
ইরানে জনসমাবেশ: দেশরক্ষায় অস্ত্র হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত ৬ লাখ ইরানি

যুদ্ধ শুরুর কয়েক মাস পর শুক্রবার ইরানে সরকার আয়োজিত এক সমাবেশে অংশ নিয়েছে লাখো মানুষ। এ সময় দেশ রক্ষায় অস্ত্র হাতে নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানান অনেকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে বড় এ ধরনের সমাবেশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি আরও চাপে পড়ার মধ্যে সরকার জাতীয় ঐক্য ও প্রতিরোধের বার্তা দিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে। একই দিনে হরমুজ প্রণালিতে আরও একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি করেছে ইরান।

‘জানফাদায়ে ইরান’ বা ‘ইরানের জন্য জীবন উৎসর্গকারী’ নামে কর্মসূচির আওতায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহীদের শুক্রবার তেহরানের কেন্দ্রীয় সড়কে সামরিক পোশাকে মিছিল করতে দেখা যায়। তাদের হাতে ছিল ইরানের পতাকা। সমাবেশে উপস্থিত দর্শকেরা তাদের স্বাগত জানান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কয়েক দিন ধরে নাগরিকদের এ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিল। শিগগিরই তাদের অ্যাসল্ট রাইফেল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ শুরু হবে বলে জানানো হয়। সরকারের দাবি, নতুন স্বেচ্ছাসেবকেরা দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও বাসিজ মিলিশিয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর হিসেবে কাজ করবে।

তেহরানের আইআরজিসি প্রধান জেনারেল হাসান হাসানজাদেহ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমকে বলেন, ৬ লাখের বেশি মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়াতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের হিসাবে, তেহরানের রাস্তায় ৩ লাখের বেশি মানুষ ছিল।

সমাবেশ শুরুর সময় বাসিজের নতুন প্রধান হোসেইন তাইয়েব বলেন, স্বেচ্ছাসেবকেরা ‘পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষার’জন্য প্রস্তুত থাকবে। শিগগিরই অন্যান্য শহরেও একই ধরনের সমাবেশ হবে বলে জানান তিনি।