৪ অক্টোবর ২০২৬

হুতির অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদির সমর্থনে অস্ত্র পাঠাল পাকিস্তান

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
হুতির অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদির সমর্থনে অস্ত্র পাঠাল পাকিস্তান

সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির বড় ধরনের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরবের সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের কাছে সেপ্টেম্বরে চারটি কার্গো বিমানে করে অস্ত্র পাঠিয়েছে পাকিস্তান।

সৌদি আরব যখন হুতির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন পাকিস্তানের এই অস্ত্র সরবরাহের খবর সামনে এলো।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পাঠানো এসব অস্ত্র ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধে পাকিস্তান তাদের সংশ্লিষ্টতা আরও বাড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এডেনে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, হালকা কামান, ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পাঠিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি পাকিস্তানের সামরিক উপদেষ্টারাও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইয়েমেনে অবস্থান করছেন এবং ইয়েমেনি সেনাদের সহায়তা করছেন।

মিডল ইস্ট আইকে পশ্চিমা ও আরব বিশ্বের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হুতির বড় ধরনের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরব উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। হুতি ইতোমধ্যে ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

হুতির অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদির সমর্থনে অস্ত্র পাঠাল পাকিস্তান

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
হুতির অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদির সমর্থনে অস্ত্র পাঠাল পাকিস্তান

সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির বড় ধরনের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরবের সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের কাছে সেপ্টেম্বরে চারটি কার্গো বিমানে করে অস্ত্র পাঠিয়েছে পাকিস্তান।

সৌদি আরব যখন হুতির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন পাকিস্তানের এই অস্ত্র সরবরাহের খবর সামনে এলো।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পাঠানো এসব অস্ত্র ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধে পাকিস্তান তাদের সংশ্লিষ্টতা আরও বাড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এডেনে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, হালকা কামান, ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পাঠিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি পাকিস্তানের সামরিক উপদেষ্টারাও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইয়েমেনে অবস্থান করছেন এবং ইয়েমেনি সেনাদের সহায়তা করছেন।

মিডল ইস্ট আইকে পশ্চিমা ও আরব বিশ্বের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হুতির বড় ধরনের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরব উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। হুতি ইতোমধ্যে ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

ভারতীয় পাইলটকে মেরে রক্তাক্ত করা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
ভারতীয় পাইলটকে মেরে রক্তাক্ত করা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ

দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সংবাদমাধ্যম। তার নাম হামাম আল-হামানি। ২৯ বছর বয়সী এই পাইলট ওমানের নাগরিক হলেও বেড়ে উঠেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাম আল-হামানির লিংকডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি প্রায় সাত বছর ওমান এয়ারে কাজ করেছেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়ার পর একই বছরের জুনে মরক্কোর রয়্যাল এয়ার মারোকে যোগ দেন। সেখান থেকে ২০২৬ সালের জুনে চাকরি ছাড়েন তিনি।

তবে তার লিংকডইন প্রোফাইলে ফ্লাইদুবাইয়ে কাজ করার কোনো তথ্য ছিল না। একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টটি হামামেরই। পরে অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলা হয়েছে। কেন অ্যাকাউন্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা জানতে লিংকডইনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন।

হামাম ইংল্যান্ডের বাকিংহ্যামশায়ার নিউ ইউনিভার্সিটিতে বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে না গিয়ে অনলাইনে পড়াশোনা করেছেন এবং ২০২৩ সালে সেখান থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন।

সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, হামামের এক্স ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও এখন আর সক্রিয় নেই। এর আগে তার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পাওয়া গিয়েছিল। সিএনএ জানিয়েছে, ককপিট থেকে ধারণ করা ওই ভিডিওতে ইসরায়েলি বিমান দেখানো হয়েছিল।

ভিডিওটির শেষ অংশে আল-কায়েদার সাবেক নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি এবং জর্ডানের নাগরিক হুমাম খলিল আবু-মুলাল আল-বালাওইয়ের ছবি দেখা যায়। ২০০৯ সালে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একটি ঘাঁটিতে হামলার সঙ্গে আল-বালাওই জড়িত ছিলেন।

এ ছাড়া হামামের আরেকটি সামাজিকমাধ্যম পোস্টে ইসলামের তিন পবিত্র স্থান মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেমের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি দেখা যায়। ভিডিওটির পেছনে একটি ইসলামি কবিতা আবৃত্তি করা হচ্ছিল।

ফ্লাইটে ঠিক কী ঘটেছিল এবং হামলার অভিযোগের পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

পাত্রীদের নিকাব পরার শর্ত দিয়েছিলাম, কেউ রাজি হয়নি, পাইলট শুনে সবাই রাজি

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
পাত্রীদের নিকাব পরার শর্ত দিয়েছিলাম, কেউ রাজি হয়নি, পাইলট শুনে সবাই রাজি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে হামলার অভিযোগ ওঠা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। তার নাম হামাম আল-হামানি। ২৯ বছর বয়সী এই পাইলট ওমানের নাগরিক।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাম অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার করা পুরোনো বিভিন্ন পোস্টেও এর প্রতিফলন দেখা যায়।

২০২২ সালে এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন হামাম। পোস্টে তিনি জানান, তার শর্ত ছিল—বিয়ের পর স্ত্রীকে নিকাব পরতে হবে এবং চাকরি করা যাবে না। তবে এসব শর্তে কোনো পাত্রী রাজি হচ্ছিলেন না। পরে তার মা যখন পাত্রীদের জানান যে ছেলে একজন পাইলট, তখন পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি করেন তিনি।

হামাম লিখেছিলেন, ‘তার শর্ত মেনে চলবে এমন পাত্রী খুঁজতে তার মা হিমশিম খাচ্ছিলেন। নিকাব পরা এবং বিয়ের পর চাকরি ছেড়ে দেওয়ার শর্তে পাত্রীদের কেউ রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু তার মা যখন তাদের বলেন, ‘আমার ছেলে পাইলট’, তখন তারা সবাই হঠাৎ বিয়েতে রাজি হয়ে যান।

এছাড়া নারী ও পুরুষদের একসঙ্গে কাজ করা নিয়েও দ্বিমত ছিল হামামের। তার মতে, এটি নারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

২০২২ সালেই করা পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কতজন সম্মানীয়, ধার্মিক মেয়ে ছেলেদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের কৌশলে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে?’

গত বুধবার তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছাড় ও ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হামানি পরিচালনা করছিলেন। মাঝআকাশে হামাম ধারালো কোনো বস্তু দিয়ে ভারতীয় পাইলটকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরপর তিনি বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা-রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ০৩, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে সেনা-রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধের অষ্টম মাস চলছে। উভয়পক্ষই যখন যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ানো ও কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়ে ভাবছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক এক মাস আগে মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি নির্বাচনে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সেনা মোতায়েনের অর্থ কী এবং এটি কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের তীব্রতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

কেমন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে

এক মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগো ঘাঁটি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর এক দিন পর মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও (এমইইউ) রওনা হয়েছে, যাতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌ বহর মোতায়েনের ফলে অতিরিক্ত ৯ থেকে ১০ হাজার মার্কিন সেনা যুক্ত হতে পারে, যার মধ্যে স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে থাকা নাবিক ও মেরিনা সেনা রয়েছে।

ওই কর্মকর্তা জানান, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের কাছাকাছি এলাকায় তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুইটি উভচর অবতরণকারী দল অবস্থান নেবে।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি কোনো ব্যবস্থা নিতে চান, তাহলে সামরিক শক্তির এই বিপুল সমাবেশ তাকে আরও বিস্তৃত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ করে দেবে।

ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার তানিয়া নুরি জানিয়েছেন, নতুন এই প্রক্রিয়ায় এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে আরও নতুন সেনা যুক্ত হবে।

পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে নুরি জানান, এর লক্ষ্য হলো কূটনীতির গতিপথ যা-ই হোক না কেন, ট্রাম্পের জন্য সামরিক পদক্ষেপের বিকল্পটি যেন সব সময় খোলা থাকে। এমনকি ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও সেখান থেকে কোনো সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নেই পেন্টাগনের।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ট্রাম্প যদি নতুন কোনো হামলার নির্দেশ দেন, তবে সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে বাহিনীগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর সংখ্যা কত

যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে রেখেছে।

কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে অন্তত ১৯টি স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী সামরিক স্থাপনার এক বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে।

এর মধ্যে আটটি স্থায়ী ঘাঁটি, যেগুলো বাহরাইন, মিসর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রথম ঘটনাটি ঘটে ১৯৫৮ সালের জুলাইয়ে। মূলত লেবানন সংকটের সময় বৈরুতে সেনা পাঠিয়েছিল ওয়াশিংটন। ওই সময় লেবাননে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। তারা মধ্যপ্রাচ্যের বড় ও স্থায়ী ঘাঁটির পাশাপাশি ছোট ছোট ঘাঁটিতে মোতায়েন ছিল।

ট্রাম্প চলতি বছরের শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছেন। শুরুতে তিনি আরব সাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে ছিলেন, যার মধ্যে বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ ছিল।

ইরান ঘিরে ৩ বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ০২, ২০২৬
ইরান ঘিরে ৩ বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানকে সমঝোতায় আনতে সামরিক চাপ বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে বিশাল স্ট্রাইক গ্রুপসহ মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ডিয়েগো নৌঘাঁটি থেকে যাত্রা করা রণতরীটি ইরানের আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তা। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন থাকবে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস থিওডর রুজভেল্টের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্স-এর সদস্যরাও স্যান ডিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এ বাহিনীতে দুই হাজারের বেশি মার্কিন মেরিন সেনা রয়েছেন।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের সঙ্গে বোঝাপড়ায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের হাতে বিভিন্ন ধরনের বিকল্প রয়েছে।