ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: ১৪ ধরনের সমরাস্ত্র তৈরিতে পেন্টাগনের তোড়জোড়
Loading...

ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: ১৪ ধরনের সমরাস্ত্র তৈরিতে পেন্টাগনের তোড়জোড়
ইরানের সাথে সাম্প্রতিক ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইউক্রেন সংকটের জোড়া প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
কাতারের সব আপডেট হোয়াটসঅ্যাপে পেতে এখানে ক্লিক করুন
Loading...
পেন্টাগন সতর্ক করে জানিয়েছে, আধুনিক যুদ্ধের তীব্রতা সামলানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র বর্তমানে আমেরিকার কাছে নেই। বিশেষ করে ইরানের মতো একটি মধ্যম শক্তির দেশের সাথে লড়তেই যেভাবে দ্রুতগতিতে মার্কিন মজুত শেষ হয়েছে, তাতে চীন বা রাশিয়ার মতো পরাশক্তির সাথে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পেন্টাগনের সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুদ্ধনীতি এখনও স্নায়ুযুদ্ধের মান্ধাতা আমলের চিন্তাধারায় আটকে আছে, যা হাজার হাজার ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইলের এই যুগে অচল হয়ে পড়েছে।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
এই সংকট নিরসনে পেন্টাগনের ‘মিউনিশনস অ্যাক্সিলারেশন কাউন্সিল’ বা ম্যাক জরুরি ভিত্তিতে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থাকে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১২টি পুরনো বা ‘লিগ্যাসি’ অস্ত্র এবং ২টি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উদীয়মান অস্ত্র।
২০২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর উৎপাদন দ্বিগুণ বা চারগুণ বাড়ানোর জন্য বিশাল অংকের বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তালিকায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে।
পেন্টাগনের নথি অনুযায়ী, প্যাট্রিয়ট, থাড এবং এসএম-সিক্স এর মতো ইন্টারসেপ্টর মিসাইলগুলোর উৎপাদন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
পরিসংখ্যান বলছে, ইরান যুদ্ধের প্রথম পাঁচ দিনেই আমেরিকা ও তার মিত্ররা প্রায় ৮০০টি প্যাট্রিয়ট মিসাইল ছুড়েছে, যা আমেরিকার পুরো এক বছরের উৎপাদনের চেয়েও বেশি। থাড এবং এসএম-থ্রি ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে লকহিড মার্টিন ও রেথিয়নের মতো সমরাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করতে শুরু করেছে। তবে এবার পেন্টাগন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
নতুন চুক্তি অনুযায়ী, কোম্পানিগুলোকে নিজস্ব অর্থায়নে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে তাদের ওপর বড় ধরনের জরিমানা আরোপ করা হবে।
কাতারে বিভিন্ন কোম্পানিতে নতুন চাকরির খবর
Loading...
২০২৭ সালের বাজেটে ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের জন্য ৭০.৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৮৮ শতাংশ বেশি।
পেন্টাগনের কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য বড় যুদ্ধ মোকাবিলায় এই মুহূর্তে অস্ত্রের মজুত বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
বিশেষ করে স্বল্পমূল্যের হাইপারসোনিক অস্ত্র এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলের মতো নতুন প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তিতে জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে ভবিষ্যৎ যুদ্ধে আমেরিকা তার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে পারে।
ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন এখানে
Loading...
আরো পড়ুন
- সৌদি নেতৃত্বের প্রতি ঢাকার সংহতি
- বিশ্বের বৃহত্তম খেজুর প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শনে আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী
- ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: ১৪ ধরনের সমরাস্ত্র তৈরিতে পেন্টাগনের তোড়জোড়
- নতুন পারমাণবিক যুগের সূচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরান যুদ্ধ, দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ
- প্রাইজবন্ড কী, কেন কিনবেন? মধ্যবিত্তের নিরাপদ বিনিয়োগে কোটিপতি হওয়ার সুযোগ!
Loading...






