১৫ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইস্যুতে আলোচনা শেষে তেহরান ছাড়লেন কাতারের আলোচকরা

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইস্যুতে আলোচনা শেষে তেহরান ছাড়লেন কাতারের আলোচকরা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শেষে কাতারের আলোচকরা তেহরান ত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার একজন কূটনীতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানান।

এমন এক সময়ে এ আলোচনা হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কূটনীতিক আরও বলেন, ‘ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে আজ সকালে কাতারের প্রতিনিধিদল তেহরান ত্যাগ করেছে। আলোচনা আজ ভোর পর্যন্ত চলেছে।’

তিনি আরও বলেন, এ আলোচনা ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই’ পরিচালিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক চুক্তি সফল করতে এবার সরাসরি মাঠে নামল কাতার

মধ্যস্থতাকারী দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানির একজন উপদেষ্টা বলে ইরানের আইএসএনএ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।
প্রকাশ: রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক চুক্তি সফল করতে এবার সরাসরি মাঠে নামল কাতার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কাতারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধিরা চুক্তির চূড়ান্তকরণ সহজতর করতে রোববার সকালে তেহরানে উড়ে গেছেন বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র সিএনএন-কে জানিয়েছে।

প্রতিনিধিদলটি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে বলে আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।

মধ্যস্থতাকারী দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানির একজন উপদেষ্টা বলে ইরানের আইএসএনএ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।


তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, এই সফরের উদ্দেশ্য হলো কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কিত সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।

সর্বশেষ এই বৈঠকটি এমন সময়ে হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্ভাব্য চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে সমঝোতা স্মারক কবে স্বাক্ষর করা হবে সেই বিষয়টিও।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল চুক্তিটি রবিবার স্বাক্ষরিত হবে।

ইরানি ও কাতারি কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহের শুরুতে তেহরানে আবারও বৈঠক করেন, যেখানে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়া উপস্থাপন করে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

যুদ্ধের মাঝেই গোপন মিশন;

হরমুজ পার হলো কাতারের ২ মেগা এলএনজি ট্যাংকার

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬
হরমুজ পার হলো কাতারের ২ মেগা এলএনজি ট্যাংকার

এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রারত তিনটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাহাজগুলোর ট্রান্সপন্ডার (অবস্থান শনাক্তকারী ব্যবস্থা) বন্ধ ছিল বলে জাহাজ-ট্র্যাকিং তথ্য থেকে জানা গেছে।

রয়টার্সের দেখা এলএসইজি ও কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, কাতারএনার্জি নিয়ন্ত্রিত লেব্রেথাহ ও রাশিদা নামের দুটি ট্যাংকারকে সর্বশেষ যথাক্রমে ১ জুন ও ৩০ এপ্রিল হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে দেখা গিয়েছিল। উভয় জাহাজই কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি বোঝাই করেছিল।
পরবর্তীতে ১০ জুন জাহাজ দুটি আবার ট্র্যাকিং তথ্যের আওতায় আসে। ২২ মে এলএনজি বোঝাই করা লেব্রেথাহ বর্তমানে পাকিস্তানের দিকে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এলএনজি বহনকারী রাশিদা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। খবর আল জাজিরার।
তৃতীয় এলএনজি ট্যাংকার ম্যারিগোল্ড, যা আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত, সেটিও ১০ জুন ট্র্যাকিং তথ্যের আওতায় ফিরে আসে। জাহাজটি ভারতের দিকে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেব্রেথাহ, রাশিদা ও ম্যারিগোল্ডসহ মোট ১২টি এলএনজি কার্গো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে। জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অব্যাহত থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কাতারি বাহিনী

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কাতারি নিরাপত্তা বাহিনী। টুর্নামেন্টের জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে কাজ করতে ইতিমধ্যেই তারা আয়োজক দেশগুলোতে এসে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ও মেগা ক্রীড়া ইভেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কাতারি নিরাপত্তা কর্মীদের যোগ্যতা এবং তাদের উন্নত দক্ষতার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর আস্থারই প্রতিফলন এই অংশগ্রহণ। ২০২২ সালে সফলভাবে কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্টের নিরাপত্তা রক্ষায় যে আন্তর্জাতিক অবস্থান তৈরি হয়েছে, তা এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।

এই বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী উত্তর আমেরিকার আয়োজক দেশগুলোর স্থানীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি সমন্বয় করে কাজ করবে। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে বিশ্বজুড়ে আসা ফুটবল ভক্ত ও দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য।

চূড়ান্ত চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ওয়াশিংটন-তেহরান;

কাতারের আমিরের সাথে ফোনালাপে জানালেন ট্রাম্প

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬
কাতারের আমিরের সাথে ফোনালাপে জানালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়ে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক ফোনালাপে দুই নেতা এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসের লক্ষ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কাতারসহ অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর মধ্যস্থতা ও সমর্থনে এই আলোচনায় যেসব সমঝোতা তৈরি হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ ইতিমধ্যে অনুমোদন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফোনালাপে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির চলমান প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান।

একই সাথে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা, স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শান্তি ও সহযোগিতা প্রসারে কাতার তার সর্বাত্মক সমর্থন ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন শেখ তামিম।

দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দুই নেতার এই ফোনালাপের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতির আভাস মিলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে ‘ইরানি হামলার’ তীব্র নিন্দা কাতারের

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুন ১১, ২০২৬
কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে ‘ইরানি হামলার’ তীব্র নিন্দা কাতারের

কুয়েত, বাহরাইন এবং জর্ডানের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কাতার।

বুধবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই হামলাকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের 'সুস্পষ্ট লঙ্ঘন' এবং আন্তর্জাতিক আইনের 'চরম অবমাননা' হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে কাতার সরকার জোর দিয়ে বলেছে, এই ধরণের অযৌক্তিক হামলার পরিণতি থেকে পুরো অঞ্চলটিকে রক্ষা করা জরুরি। একই সাথে মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে দেশটি।

এছাড়াও, কাতার রাষ্ট্র হিসেবে কুয়েত, বাহরাইন এবং জর্ডানের প্রতি তাদের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি দোহার পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কাতারের এই অবস্থানকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।