২০ অক্টোবর ২০২৬

বৃটেনে আর্মি কলেজে ধর্ষণ-যৌন নিপীড়নের ভয়াবহ চিত্র

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ০৭, ২০২৬
বৃটেনে আর্মি কলেজে ধর্ষণ-যৌন নিপীড়নের ভয়াবহ চিত্র

বৃটেনের অন্যতম বৃহৎ সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আর্মি ফাউন্ডেশন কলেজকে (এএফসি) ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত পাঁচ বছরে সেখানে প্রশিক্ষণ নেয়া অন্তত চার নারী অভিযোগ করেছেন, তারা ১৭ বছর বয়সে কলেজে থাকাকালে গণধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, গোপনে নজরদারি (ভয়্যারিজম) এবং নারীবিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হয়েছেন।

তাদের দাবি, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং কলেজটিতে যৌন সহিংসতা ও নারীবিদ্বেষের একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যা কিছু প্রশিক্ষকের আচরণে আরও উৎসাহিত হয়েছে। বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বৃটেনের বৃহত্তম সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
উত্তর ইয়র্কশায়ারের হারোগেটে অবস্থিত আর্মি ফাউন্ডেশন কলেজ বৃটেনের ১৯ বছরের কম বয়সী সেনা সদস্যদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। সেনাবাহিনীর সব ১৬ বছর বয়সী নতুন রিক্রুটকে এখানেই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বর্তমানে কলেজটিতে মোট ৮৮৯ জন রিক্রুটের মধ্যে অন্তত ৭০ জন নারী জুনিয়র সৈনিক রয়েছেন।

দেশটিতে এই অভিযোগগুলো এমন সময় সামনে এলো, যখন বৃটেনে প্রথম সরকারি জরিপে দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত ৬৭ শতাংশ নারী অন্তত একবার কোনো পুরুষ সহকর্মীর দ্বারা সম্মতি ছাড়া যৌন হয়রানি বা যৌন আচরণের শিকার হয়েছেন।
বিবিসির অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে আর্মি ফাউন্ডেশন কলেজকে ঘিরে ১৬টি যৌন অপরাধের অভিযোগ পেয়েছে নর্থ ইয়র্কশায়ার পুলিশ।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে অশ্লীলভাবে নিজেকে প্রদর্শন, গোপনে নজরদারি (ভয়্যারিজম) এবং যৌন নিপীড়নের ঘটনা। তবে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় পাওয়া নথিতে এসব অভিযোগের কোনোটি আদালতে বিচারের পর্যায়ে পৌঁছেছে কিনা, তা উল্লেখ করা হয়নি।

অন্যদিকে বৃটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত কলেজটিতে অনুপযুক্ত যৌন আচরণের ১৭৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি ছিল স্থায়ী স্টাফদের বিরুদ্ধে এবং ১৪৪টি ছিল জুনিয়র সৈনিকদের বিরুদ্ধে।

‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমাকে গণধর্ষণ করা হয়’
পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মনাম ব্যবহার করা টিলি জানান, ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়, যখন কলেজে একাধিক সহপাঠী সৈনিক তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্ষণ করে।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে বলেছিল, ‘রুমে আসবে?’ আমি তখন ১৭ বছরের সরল একটি মেয়ে। আমি রাজি হই। এরপর তারা আমার কাপড় খুলে ফেলে এবং আমার সম্মতি ছাড়াই নানা ধরনের যৌন নির্যাতন শুরু করে। তারা অনেকজন ছিল। আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করছিল, অশালীন মন্তব্য করছিল। আমাকে মেয়ে নয়, একটি বস্তু হিসেবে দেখছিল। পরে একই বয়সী একাধিক জুনিয়র সৈনিক আমাকে ধর্ষণ করে। এটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলেছিল। তখন নিজেকে যেন এক টুকরো মাংস মনে হচ্ছিল। ঘটনার দুই সপ্তাহ পরই তিনি সেনাবাহিনী ছেড়ে দেন।
তিনি বলেন, আমি সেখানে থাকতে পারিনি। মা আমাকে বলেছিলেন, চলে আসো। না হলে সবাই আমাকে সেই মেয়ে হিসেবেই চিনত, যে নাকি অনেকের সঙ্গে শুয়েছে। অথচ বাস্তবে তা ঘটেনি।

টিলির অভিযোগ, ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর এক প্রশিক্ষক অন্যদের কাছে তাকে নিয়ে বলেছিলেন, শুনেছ, সেই মেয়েটার কথা, যে এতগুলো ছেলের সঙ্গে শুয়েছে?
তার ভাষায়, একজন প্রশিক্ষকের কাছ থেকে এমন কথা শোনা ভয়াবহ। এতে ছেলেদের শেখানো হয় যে নারীরা শুধু একটি কাজের জন্যই আছে।
তিনি ঘটনাটি পুলিশের কাছে জানিয়েছিলেন। তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়নি। পরে নর্থ ইয়র্কশায়ার পুলিশের সঙ্গে তিনি আর্থিক সমঝোতায় পৌঁছান, যদিও পুলিশ কোনো দায় স্বীকার করেনি।
আরেক ভুক্তভোগী মোনিকা (ছদ্মনাম) বলেন, এক সহকর্মী সৈনিক তাকে একটি কক্ষে আটকে যৌন নিপীড়ন করে।

তার ভাষায়, সে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছিল, যাতে আমি বের হতে না পারি। এরপর আমাকে জড়িয়ে ধরে মুখে চুমু খেতে শুরু করে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে। কোনোভাবে তাকে ধাক্কা দিয়ে সরাতে সক্ষম হই।
পরে অন্য একটি স্বাস্থ্যগত কারণে তাকে কলেজ ছাড়তে হয়। তিনি বলেন, সেই বিদায় ছিল তার জন্য “স্বস্তির”।
আরেক ভুক্তভোগী অ্যামির ঘটনা তুলে ধরেছেন তার মা শেরিল। তার দাবি, প্রশিক্ষণ চলাকালে অ্যামি প্রায় প্রতিদিনই যৌন হয়রানির শিকার হতেন। শেরিল বলেন, মেয়ের কক্ষের দরজার তালা নষ্ট থাকায় পুরুষ সৈনিকদের ঢোকা ঠেকাতে তাকে দরজার সামনে শুয়ে রাত কাটাতে হতো।

এছাড়া প্রশিক্ষকরাও তাকে নিয়মিত নারীবিদ্বেষী গালিগালাজ করতেন।
শেরিল বলেন, করিডরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে প্রশিক্ষকরা তাকে ‘বড় বেশ্যা’ বা ‘স্ল্যাপার’ বলে ডাকত। তারা বলত, ছেলেরা তার দিকে তাকায়, সেটাও নাকি তার দোষ। এমনও বলা হয়েছিল, প্রতি বছর একজন মেয়েকে ছেলেরা পছন্দ করে, মনে হচ্ছে এ বছর সেই মেয়েটি তুমি। তিনি বলেন, সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, মানুষ ভুলে যায় যে সে আসলে এখনো একটি শিশু।

যুক্তরাজ্যের আইনে ১৮ বছরের কম বয়সী সবাইকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়।
চতুর্থ ভুক্তভোগী এলি জানান, কলেজের প্রথম সপ্তাহেই এক প্রশিক্ষক নতুন রিক্রুটদের বলেছিলেন, সবকিছুই নির্ভর করে কতটা নারীকে পাওয়া যায় তার ওপর। তার অভিযোগ, প্রশিক্ষকরা মেয়েদের সৌন্দর্য ১০-এর মধ্যে নম্বর দিতেন এবং দরজায় না নক করেই ডরমিটরিতে ঢুকে পড়তেন।
এলি বলেন, আমরা তখন শুধু অন্তর্বাস পরে থাকতাম। তারা দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকত। তিনি বলেন, কলেজে যা দেখেছেন, তার পর সেনাবাহিনীতে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছাই নষ্ট হয়ে যায়।

স্টাফদের বিরুদ্ধেও দণ্ডের নজির
গত পাঁচ বছরে কলেজটির একাধিক প্রশিক্ষক সামরিক আদালতে যৌন ও শারীরিক সহিংসতার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ২০২৩ সালে করপোরাল ড্যানিয়েল কনওয়ে ঘুমন্ত এক সহকর্মীকে ধর্ষণের দায়ে সাত বছরের বেশি কারাদণ্ড পান।
একই বছরে করপোরাল সাইমন বার্ট্রাম যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০ মাসের সামরিক কারাদণ্ড পান। বিবিসিকে দেয়া এক বিবৃতিতে বৃটিশ সেনাবাহিনী অভিযোগগুলোকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও গুরুতর” বলে উল্লেখ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অগ্রহণযোগ্য ও অপরাধমূলক আচরণের কোনো স্থানই আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে নেই। মানুষ একটি ভালো ক্যারিয়ারের আশায় সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং সেনাবাহিনীর মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
দেশটির সেনাবাহিনী আরও জানায়, যারা এ ধরনের যৌন নিপীড়ন বা অপরাধের শিকার হয়েছেন বা প্রত্যক্ষ করেছেন, তাদের সামনে এসে অভিযোগ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের সহায়তায় ডিফেন্স সিরিয়াস ক্রাইম কমান্ড গঠনসহ বেশ কয়েকটি সংস্কার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যাতে সেনাবাহিনীর নিয়মিত কমান্ড কাঠামোর বাইরে থেকেও তারা বিচারিক সহায়তা ও বিশেষায়িত সেবা পেতে পারেন।

জেলেনস্কি যুদ্ধ শেষ করতে চান না: ট্রাম্প

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
জেলেনস্কি যুদ্ধ শেষ করতে চান না: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ শেষ করতে চান না।

একই সঙ্গে রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, মস্কোকে আলোচনার টেবিলে ধরে রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের কয়েক দিন আগে সেগুলো স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন ট্রাম্প।

ইসরায়েল থেকে আসা বিমানে বোমা আতঙ্ক, বুলগেরিয়ায় জরুরি অবতরণ

তিনি লেখেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমন কিছু করতে চান না, যা রাশিয়াকে আলোচনার টেবিল থেকে দূরে ঠেলে দেয়।

এ সিদ্ধান্তের জেরে গত এক সপ্তাহে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে বড় ধরনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। জেলেনস্কি বলেছেন, ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু করা রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে তা ইউক্রেনের ক্ষতি করবে। রোববার এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।

জেলেনস্কি বলেন, আমার সঙ্গে পুতিনের তুলনা চলে না। পুতিন একজন আগ্রাসী, যিনি ইউক্রেনের ভূখণ্ড দখল করেছেন এবং তার বাহিনী প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের হত্যা করেছে। পুতিনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ট্রাম্প এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন।

বেলজিয়ামে বিক্ষোভে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তার ১৯৫

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে আরও অভিযোগ করেন, কিয়েভ রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারগুলোতে হামলা চালাচ্ছে, যদিও এতে বিশ্ববাজারে ডিজেলের সরবরাহ ও দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ইউরোপের কাছ থেকে বিপুল অর্থ সহায়তা পাওয়ায় জেলেনস্কি যুদ্ধ শেষ করতে চান না, এমনকি শুরু থেকেই হয়তো তা চাননি।

৯ অক্টোবর ট্রাম্প ঘোষণা করেন, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে তিন লাখ মেট্রিক টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হতো।

রুশ জ্বালানি গ্রহণের বিষয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে কিয়েভের পাশাপাশি ইউরোপীয় অংশীদার ও যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কর্মকর্তাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাঁদের মতে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে এমন পদক্ষেপ মস্কোকে পুরস্কৃত করার শামিল।

ফিলিস্তিনিদের ভূমি ও ক্ষোভের স্বীকৃতি দিতে হবে! বারাক ওবামা

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে ইউক্রেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জেলেনস্কি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট-নিযুক্ত দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় অবিরাম যোগাযোগের অংশ হিসেবে এ আলোচনা হয়েছে। এর লক্ষ্য কূটনীতির পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা।

জেলেনস্কি লেখেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইউক্রেন নিজেদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সবকিছু করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যেন শক্তিশালী থাকে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ ত্বরান্বিত হয়, তা নিশ্চিত করতে চায়। রাশিয়া ছাড়া বাকি সবাই গত সাড়ে চার বছর ধরে এমন শান্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

জেলেনস্কির সঙ্গে উইটকফ ও কুশনারের আলোচনা চলার সময়ও রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার হামলায় হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল সেন্ট পিটার্সবার্গ।

ইসরায়েল থেকে আসা বিমানে বোমা আতঙ্ক, বুলগেরিয়ায় জরুরি অবতরণ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ইসরায়েল থেকে আসা বিমানে বোমা আতঙ্ক, বুলগেরিয়ায় জরুরি অবতরণ

ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাগামী অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমান বোমা হামলার হুমকির পর বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় জরুরি অবতরণ করেছে। উড়োজাহাজটিতে থাকা ৫১ জন যাত্রী ও ছয়জন ক্রুকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রোমানিয়ার সীমান্তের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর ফ্লাইট ওএস৮২-এর ক্রুরা বোমা হামলার হুমকি পান। পরে বুলগেরিয়ার বিমানবাহিনীর একটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের পাহারায় উড়োজাহাজটি সোফিয়া বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বুলগেরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাত্রীদের নামানোর পর উড়োজাহাজটিতে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানো হয়।

অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইনস জানিয়েছে, তল্লাশি শেষ হলে যাত্রীদের বিকল্প ফ্লাইটে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

ঘটনাটি তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু করেছে। তবে এই হুমকির সঙ্গে এর আগে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে পাইলটকে কুঠার দিয়ে হামলার অভিযোগের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪৬ মিনিটে তেল আবিব থেকে যাত্রা শুরু করে এবং রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে সোফিয়ায় অবতরণ করে।

ফ্রান্স-স্পেনের মতো ইতালি-পর্তুগালেও ছড়িয়েছে বিক্ষোভের উত্তাপ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ফ্রান্স-স্পেনের মতো ইতালি-পর্তুগালেও ছড়িয়েছে বিক্ষোভের উত্তাপ

ফ্রান্স ও স্পেনে উত্তাপ ছড়ানো বিক্ষোভ ইতালি ও পর্তুগালেও ছড়িয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে মিলানে পুলিশের সঙ্গে দাঙ্গাকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। একই কারণে লিসবনে তাঁবু শিবির গড়ে তুলে প্রতিবাদ জানান বিক্ষোভকারীরা।

মিলানে স্থানীয় সময় শনিবার বিক্ষোভকারীরা প্রথমে একটি শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুখোশধারী দাঙ্গাকারীরা পুলিশের দিকে পাথরসহ অন্যান্য বস্তু নিক্ষেপ করে। বারের টেবিল দিয়ে তৈরি একটি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে। পরবর্তী সময়ে তোলা একটি ছবিতে পুলিশের ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি দেখা গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম লাপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘর্ষে অন্তত দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। আটক করা হয়েছে অপ্রাপ্তবয়স্কসহ প্রায় ৫০ বিক্ষোভকারীকে।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেছেন, ‘বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার সবার আছে। কিন্তু শহরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।’ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মেলোনি লিখেন, শহরে বিশৃঙ্খলা ছড়ানো ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা করতে একটি পক্ষ বিক্ষোভকে ব্যবহার করেছে।

এদিকে আবাসন সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে লিসবনে বিক্ষোভকারীরা একটি তাঁবু শিবির স্থাপন করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে স্পেনের বিক্ষোভে একই ধরনের শিবির গড়ে তোলা হয়েছিল।

লিসবনের দর্শনীয় স্থান রসিও স্কোয়ারে শনিবার রাতে কয়েক হাজার মানুষ পদযাত্রা করেন। অনেকে সারা রাত সেখানে অবস্থানের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ৪৬ বছর বয়সী সমাজকর্মী এলেনা কস্তা বলেন, সমাজের যে শ্রেণির মানুষ কর দিয়ে অর্থনীতি সচল রাখে তারা আক্রমণের শিকার ও অধিকার হারাচ্ছে। বিশেষ করে আবাসনের অধিকার সংকটের মুখে পড়েছে।

বাসা ভাড়ার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতির সমালোচনা করেন ৫২ বছর বয়সী প্রকৌশলী আন্তোনিও মারগাদো। তিনি বলেন, সরকার ভাড়াটিয়াদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেনি। মালিকদের স্বার্থকে রক্ষা করেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পর্তুগালে আবাসনে ব্যয় বেড়েছে ১২৪ শতাংশ। যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। সবেচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে তরুণ ও লিসবনের বাসিন্দাদের ওপর। দেশটির ১ কোটি ১০ লাখের বেশি জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ রাজধানীর মহানগর এলাকায় বসবাস করে।

পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রো জানিয়েছেন, তিনি জনগণের ক্ষোভের দিকটি বুঝতে পারছেন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সতর্ক করে বলেন, ‘এটিকে কেন্দ্র করে বাইরে থেকে অস্থিতিশীলতা ডেকে আনার সুযোগ নেই।’ মূলত ফ্রান্সের বিক্ষোভের দিকে ইঙ্গিত করে এমন মন্তব্য করেন মন্টিনিগ্রো।

ফ্রান্সে নজিরবিহীন সহিংসতায় সংকটে সরকার

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ফ্রান্সে নজিরবিহীন সহিংসতায় সংকটে সরকার

ফ্রান্সে স্কুলে বিদ্যমান সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দেশজুড়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৫০ পুলিশ সদস্য।

ফ্রান্সে কয়েক বছরের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনায় গভীর সংকটে পড়েছে দেশটির সরকার।

বেলজিয়ামে বিক্ষোভে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তার ১৯৫

শনিবারের বিক্ষোভে সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ, শত শত দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। দেশজুড়ে বিভিন্ন শহর থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রোববার জরুরি বৈঠকে বসেছে সরকার।

সহিংসতা মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজের পদত্যাগ দাবি করেছেন বামপন্থি ও কট্টর ডানপন্থি রাজনীতিকেরা।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সরকারি ভবনে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। বাসস্টপ ভাঙচুর, সড়কে ব্যারিকেড স্থাপন এবং দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।

রোববার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো। আগামী বসন্তে তার ক্ষমতা ছাড়ার কথা রয়েছে।

এবার সৌদিকে সামরিক সহায়তায় প্রস্তুত মিসর

এদিকে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি নেতা মেরিন লে পেন জনমত জরিপে ভালো অবস্থানে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ইমানুয়েল ম্যাক্রো বলেন, ফ্রান্সে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবারের বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশ ও প্রশাসনকে কয়েক ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে।

প্রথমত, প্যারিসসহ দেশটির বড় শহরগুলোতে হাজার হাজার মানুষ শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের জরাজীর্ণ স্কুল সংস্কার এবং আরো শিক্ষক নিয়োগের দাবির প্রতি সংহতি জানাতে এসব কর্মসূচিতে অভিভাবক, শিক্ষক, প্রবীণ ব্যক্তি, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষ অংশ নেন।

জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদও ছিল তাদের দাবির মধ্যে। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার হাতে সরকারি সেবায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান এবং অভিযোগ করেন, সরকার তাদের কথা শুনছে না।

চার সপ্তাহ ধরে চলা মিছিল ও স্কুলে ব্যারিকেড কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এসব শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা সিসির

তবে এর বাইরে বিভিন্ন গোষ্ঠী বিচ্ছিন্নভাবে জড়ো হয়ে রাস্তায় অগ্নিসংযোগ, ব্যারিকেড স্থাপন ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও দাঙ্গায় জড়ায়। প্যারিস, বোর্দো, নিস ও মার্সেইসহ বিভিন্ন শহরে এসব ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ ও প্রশাসন অনেক ক্ষেত্রে অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া মুখোশধারী লুটেরারাও রাস্তায় সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে দোকানের সামনের কাচ ভেঙে পণ্য লুট করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের সরকারকে একদিকে শিক্ষার্থীদের দাবি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে জনঅসন্তোষ মোকাবিলা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জও সামলাতে হচ্ছে।

মাঝ আকাশে খুলে গেল দরজা: ঢাকায় জরুরি অবতরণ করল ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

বেলজিয়ামে বিক্ষোভে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তার ১৯৫

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
বেলজিয়ামে বিক্ষোভে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তার ১৯৫

শিক্ষানীতি ও বাজেট কাটছাঁটের প্রতিবাদে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ও লিয়েজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালে ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবারের এসব বিক্ষোভের ঘটনায় রোববার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রাসেলস পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১৮ জনকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় আটক এবং ৩২ জনকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।

পুলিশের ভাষ্য, কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে বস্তু নিক্ষেপ, গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের মতো অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। ফলে গ্রেপ্তারের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

ফ্রান্সে নজিরবিহীন সহিংসতায় সংকটে সরকার

বিক্ষোভে পাঁচ পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ব্রাসেলসের কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুলিশ জানায়, বিক্ষোভকারীরা বৈদ্যুতিক স্কুটার ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একাধিকবার কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।

বেলজীয় সংবাদ সংস্থা বেলগার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিয়েজে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ জনকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় আটক এবং পাঁচজনকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়।

ইসরাইলি দখলদারিত্ব বন্ধে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

শনিবার সন্ধ্যায় শহরটির বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্লাস সাঁ-ল্যামবার চত্বরে জড়ো হওয়া প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারী প্রিন্স-বিশপস প্যালেস লক্ষ্য করে আতশবাজির মর্টার নিক্ষেপ করেন। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।

এ সময় আশপাশে জড়ো হওয়া লোকজন তাদের বন্ধুদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন। সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে বলে জানিয়েছে পুলিশ।