ইতালির অভ্যন্তরে ভূবেষ্টিত ছোট্ট দেশ সান মারিনোকে তাদেরই মাঠে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল রাতে তপু বর্মণ জোড়া গোল করে বাংলাদেশকে জিতিয়েছেন।
ইউরোপের মাটিতে কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। আবার এশিয়ার কোনো দেশের বিপক্ষে এটি সান মারিনোর প্রথম ম্যাচ। এ ম্যাচে বাংলাদেশ শেষ হাসি হাসল। নতুন কোচ টমাস ডুলির অধীনে এটাই প্রথম জয় বাংলাদেশের।
১৯ মিনিটে হেডে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন তপু বর্মণ। ৩১ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল গিয়াকোপেত্তির গোল সমতায় ফেরায় সান মারিনোকে। ৮৬ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। হামজা চৌধুরীর ডান প্রান্ত থেকে নেয়া ফ্রিকিকের বলে শট নেন বিশ্বনাথ ঘোষ, দ্রুতগতিতে সেই বলে হেড করে গোল আদায় করে নেন তপু বর্মণ।
দুই দলের মধ্যে লড়াইটা ছিল সমানে সমান। বাংলাদেশ ৫৪ শতাংশ ও সান মারিনো ৪৬ শতাংশ বলের দখল রাখে। স্বাগতিকদের ৪১টি আক্রমণের বিপরীতে অতিথি বাংলাদেশ দল মোট ৩৫টি আক্রমণ করে। সান মারিনোর ৩০৯টি পাসের বিপরীতে বাংলাদেশ দিয়েছে ৩১৪টি। বল পুনরুদ্ধারেও প্রায় সমান—বাংলাদেশ ৩৪টি ও সান মারিনো ৩২টি। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা হলুদ কার্ড পান ৪টি ও সান মারিনোর খেলোয়াড়রা ৫টি।
ফিফা র্যাংকিংয়ে সবার নিচে সান মারিনো। তারা রয়েছে ২১১ নম্বরে। আর বাংলাদেশ ১৮২ নম্বরে। ২৯ ধাপ এগিয়ে থাকলেও দুই দলের পারফরম্যান্স ছিল কাছাকাছি।