২ নভেম্বর ২০২৬
কমিউনিটি সংবাদ

৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কাতার যুবদলের অনুষ্ঠান

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কাতার যুবদলের অনুষ্ঠান

কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো যুবদল কাতার শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন কাতার যুবদল নেতা রাজু ফরাজি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবদল নেতা গাজী কাউসার।

এ সময় বক্তব্য রাখেন যুব নেতা আদনান কবির, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন রাজু , আব্দুল মালেক, জুবায়ের সিদ্দিকী, কবির হোসেন বাবুসহ আরো অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রবাসের মাটিতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।

আল জাজিরার ৩০ বছর পূর্তি: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আমীর শেখ তামিম

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬

"গল্পের পথচলা অব্যাহত..." প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আন্তর্জাতিক শীর্ষ সংবাদ মাধ্যম ‘আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক’-এর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

গত সন্ধ্যায় আল জাজিরা সদর দপ্তরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য এই বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানী।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর আমীর আল জাজিরার গত তিন দশকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, ইতিহাস ও অগ্রযাত্রার ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এছাড়া নেটওয়ার্কটির প্রতিষ্ঠাতা, মরহুম ফাদার আমীর শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানীর দৃষ্টিভঙ্গি ও গণমাধ্যমে আল জাজিরার ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

নতুন ডিজিটাল স্টুডিও ও নিউজ রুম পরিদর্শন

অনুষ্ঠান শেষে আমীর শেখ তামিম আল জাজিরার নতুন হাই-টেক স্টুডিও এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ নিউজ রুম পরিদর্শন করেন। এ সময় সম্প্রচার ও টেলিভিশন সংবাদ পরিবেশনায় ব্যবহৃত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্বমানের প্রযুক্তি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী, আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান শেখ হামাদ বিন সামের আল-থানী, ডিরেক্টর জেনারেল শেখ নাসের বিন ফয়সাল আল-থানী, দেশি-বিদেশি মন্ত্রী, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

তিন দশকের সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের ইতিহাস

১৯৯৬ সালে ফাদার আমীর শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানীর হাত ধরে মাত্র ৬ ঘণ্টার সম্প্রচার দিয়ে শুরু হওয়া আল জাজিরা আজ বিশ্ব গণমাধ্যমের অন্যতম পরাশক্তি।

গ্লোবাল নেটওয়ার্ক: বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে ৪৩ কোটি (৪৩০ মিলিয়ন) পরিবারে পৌঁছে যায় আল জাজিরা। বিশ্বের ৭০টিরও বেশি ব্যুরোতে ৯৫টি দেশের প্রায় ৩,০০০-এর বেশি কর্মী কাজ করছেন।

বিপ্লব ও সম্মাননা: ২০০১ সালে কাবুল ও ২০০৩ সালে বাগদাদে আল জাজিরার কার্যালয়ে হামলা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের সাহসী সাংবাদিকতা থামায়নি। ২০১১ সালের ‘আরব বসন্ত’-এর কভারেজের জন্য চ্যানেলটি মর্যাদাপূর্ণ ‘পীবডি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে।

সাংবাদিকদের আত্মত্যাগ: পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত আল জাজিরার ২৪ জনেরও বেশি সংবাদকর্মী শহীদ হয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম ২০২২ সালে জেনিনে নিহত শিরিন আবু আকলেহ এবং ২০২৫ সালে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত আনাস আল-শরীফ।

৩০ বছর পূর্তির এই বিশেষ মুহূর্তে আল জাজিরা তাদের নতুন ডিজিটাল চ্যানেল ‘আল জাজিরা নাও’ (Al Jazeera Now) এবং ৩০টিরও বেশি নতুন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানটির ৫ কোটি ২০ লাখ (৫২ মিলিয়ন) অনুসারী রয়েছে।

কাতারের মধ্যস্থতা: যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
কাতারের মধ্যস্থতা: যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান

হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের প্রস্তাব ও প্রশ্নের জবাব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আরাঘচি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ, পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের ওপর।

এ সফরে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তেহরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আগে ঘোষণা করা সাতটি শর্তে অটল রয়েছে। এসব শর্তের বিষয়ে ওয়াশিংটনের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটি।

আরাঘচি জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দিন ধরে টানা যোগাযোগ চলছে। এতে চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। তবে ইরানের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিন সময় দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সময়সীমা কমিয়ে এখন দুই দিন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব এবং তাদের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ওপরই পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে বলে জানান আব্বাস আরাঘচি।

কাতারের এলএনজি জাহাজে হামলা: তীব্র নিন্দা দোহার

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬

আরব উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলসীমায় চলাচলকারী কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (নাকিলত/Nakilat)-এর মালিকানাধীন ‘আল মাইদা’ (Al Mayeda) নামক একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাহক জাহাজের ওপর এক দুষ্কৃতকারী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক উসকানিমূলক হামলার তীব্র ভাষা ও কড়া শব্দে নিন্দা জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌচলাচল রুটে এ ধরনের হামলা কেবল আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন নয়, বরং তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ চেইনের স্থায়িত্ব ও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এক মারাত্মক হুমকি এবং অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।

সুরক্ষিত আছেন ক্রুরা, বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা

ঘটনার পরপরই জাহাজ প্রস্তুতকারক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি ‘নাকিলত’ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর একটি আশ্বস্তকারী তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে যে:

  • ক্রুদের নিরাপত্তা: হামলায় জাহাজে থাকা নাবিক ও ক্রু সদস্যদের কেউ কোনো প্রকার শারীরিক আঘাত বা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হননি। সবাই সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ রয়েছেন।

  • পরিবেশগত ও ভৌত ক্ষতি: জাহাজের ওপর হামলা হওয়া সত্ত্বেও কোনো বড় ধরণের কাঠামোগত ধ্বংস বা পরিবেশগত বিপর্যয় (যেমন গ্যাস লিক বা মারাত্মক অগ্নিকাণ্ড) ঘটেনি।

আত্মরক্ষা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, কাতার সবসময়ই আন্তর্জাতিক শান্তি, অবাধ নৌচলাচল এবং কূটনৈতিক আলোচনার পক্ষে। তবে জাতীয় স্বার্থ ও নিজস্ব সম্পদের সুরক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।

আন্তর্জাতিক আইন, সামুদ্রিক সনদ ও কনভেনশন অনুযায়ী কাতার নিজেদের কৌশলগত সম্পদ, বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নাগরিকদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের প্রতিরক্ষামূলক বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকে দ্রুত ও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দোহা।

২৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয় করে কাতারি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের চমক

দুই ভাইয়ের ভালোবাসার গল্পে নির্মিত ‘সনদ’: ঢাকা থেকে লন্ডন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত কাতারি চলচ্চিত্র
প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০১, ২০২৬
২৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয় করে কাতারি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের চমক

দুই ভাইয়ের খুনসুটি, প্রতিযোগিতা এবং অমলিন ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত কাতারি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সনদ’ (SANAD) বিশ্বমঞ্চে এক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। কাতারি প্রখ্যাত নির্মাতা নূর আল-নাসর (Noor al-Nasr) পরিচালিত এই ছবিটি এ পর্যন্ত বিশ্বের ৫০টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে ২৫টি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ঝুলিতে পুরেছে।

লন্ডন থেকে ঢাকা: বিশ্বজুড়ে প্রশংসার জোয়ার

কাতারি এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি লন্ডনের ‘লন্ডন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস’ এবং সুইডেনের ‘সুইডেন ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস’-এ সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র (Best Short Film) হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে। পাশাপাশি ইতালির ‘মিলানো ইন্ডি মুভি অ্যাওয়ার্ডস’-এ লাভ করেছে সেরা চিত্রনাট্যের (Best Screenplay) পুরস্কার।

এছাড়া ঐতিহ্যবাহী সারায়েভো ফিল্ম ফেস্টিংভাল, মেক্সিকোর গুয়ানাহুয়াতো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিংভাল এবং বাংলাদেশের ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের (Dhaka International Film Festival) পর্দায় প্রদর্শিত হয়ে আন্তর্জাতিক দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে এটি। নিজ দেশ কাতারেও এটি জনপ্রিয় ‘আজয়াল ফিল্ম ফেস্টিংভাল’-এ অফিসিয়ালি নির্বাচিত ও প্রদর্শিত হয়।

কী গল্প বলছে ‘সনদ’?

আরবি ‘সনদ’ শব্দটির অর্থ হলো ‘আস্থা বা ভরসার জায়গা’— যে প্রতিকূল সময়ে পাশে এসে দাঁড়ায়। ছবির মূল গল্পটি আবর্তিত হয়েছে আলী ও জসিম নামের দুই ভাইয়ের সম্পর্কের গল্প ঘিরে।

একটি সামান্য ও নির্দোষ প্র্যাংক বা কৌতুক কীভাবে আস্তে আস্তে প্রতিশোধের খেলায় রূপ নেয় এবং শেষপর্যন্ত এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাদের রক্তের সম্পর্ককে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে দেয়— তা-ই এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। হাস্যরস, টানটান উত্তেজনা এবং আবেগের মিশেলে নির্মিত চলচ্চিত্রটি তুলে ধরেছে যে ভাইয়ে-ভাইয়ে যত দ্বন্দ্বই থাকুক না কেন, বিপদের দিনে ভাইয়ের নিরাপত্তায় এগিয়ে আসাই মূল স্তম্ভ।

পরিচালকের অনুভূতি

পরিচালক নূর আল-নাসর বলেন, “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের জীবনের গল্পগুলোকে ভিন্ন কোণ থেকে দেখতে পছন্দ করি। ‘সনদ’-এর মাধ্যমে আমি ভাই-বোনের পারস্পরিক রাগ-অনুরাগ ও প্রতিযোগিতার পাশাপাশি একে অপরকে রক্ষা করার সুপ্ত মানসিকতাটি ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “এই অর্জন পুরো টিমের। ছবির দক্ষ অভিনয়শিল্পী, ক্রু সদস্য এবং দোহা ফিল্ম ইনস্টিটিউট (DFI)-এর অসামান্য সমর্থন ও উৎসাহের জন্যই আজ বিশ্বজুড়ে এই গল্পটি এত মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে পেরেছে।”

‘সনদ’-এর এই বিপুল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কাতারি চলচ্চিত্র শিল্প ও গল্প বলার ধারাকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল।

কাতারি প্রতিনিধিদের সাথে দোহায় পৌঁছাল ইরানি প্রতিনিধিদল

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০১, ২০২৬
কাতারি প্রতিনিধিদের সাথে দোহায় পৌঁছাল ইরানি প্রতিনিধিদল

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির পর কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছে এক ইরানি প্রতিনিধিদল। কাতারের একটি সংবাদপত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আল-আরাবি আল-জাদিদের প্রতিবেদনে এক ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির একজন উপপ্রতিনিধিসহ পুরো প্রতিনিধিদলটি কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা নিশ্চিত করতে দোহায় অবস্থান করছে।

তেহরানে কাতারি প্রতিনিধিদলের নিবিড় আলোচনার পরই এই সাফল্য আসে, যার ভিত্তিতে ইরানি আলোচক দল কাতারি প্রতিনিধিদের সঙ্গেই দোহায় ফিরে যায়। সংবাদমাধ্যমটিকে ওই ইরানি সূত্র নিশ্চিত করেছে, মার্কিন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা কোনও সরাসরি প্রক্রিয়ায় নয়, বরং মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, দোহায় এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি মার্কিন প্রতিনিধিদলও যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমনকি দোহায় পৌঁছানোর পর মার্কিন প্রতিনিধিদলটি ইরানি আলোচকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সম্ভাব্য সমঝোতার আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল এবং তেহরানের জন্য আর্থিক প্রণোদনা সংক্রান্ত প্রাথমিক বিষয়াবলীতে ঐকমত্য হতে পারে, যা উভয় পক্ষকে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা পুনরারম্ভের পথ দেখাবে।

এ ছাড়া এই চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে চীন ও রাশিয়া গ্যারান্টার হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।