১ নভেম্বর ২০২৬

হুথিদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত!

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
হুথিদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত!

ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

শুধু তাই নয়, সৌদি সমর্থিত বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করতে হুথিদের গোয়েন্দা তথ্যও সরবরাহ করছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এমন দাবির পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলেনি আমিরাত।

প্রতিবেদনে চারটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, আমিরাতের ঘনিষ্ঠ ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। বিষয়টি জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করছে আবুধাবি।

এর মধ্যে দুটি সূত্রের দাবি, আমিরাত সরাসরি হুথিদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে, যাতে তারা ইয়েমেনের ভেতরে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে পারে।

দুই পক্ষের যোগাযোগব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত এক ইয়েমেনি সূত্র জানিয়েছে, আমিরাত সানাভিত্তিক হুথি প্রশাসনকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে।

দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের পথ এখনো খোলা রয়েছে। এমনকি আমিরাতপন্থি সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নিজস্ব চ্যানেলও তৈরি করেছে হুথিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাত ও হুথিদের মধ্যে কথিত এই সহযোগিতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও হুথিদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক গভীর।

তবে চলতি বছরের শুরুতে ইয়েমেনে সৌদি আরবের কাছে আমিরাতের প্রভাব কমে যাওয়ার পর দুই পক্ষের স্বার্থের কিছুটা মিল তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ড্রপ সাইট নিউজ।

এর মাধ্যমে ইয়েমেনে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেখছে আবুধাবি। এদিকে সৌদি আরবে হুথিদের হামলা এবং ইয়েমেনের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে।

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও প্রধান বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এসব হামলার জেরে ‘ডাভোস ইন দ্য ডেজার্ট’ নামে পরিচিত ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনও বাতিল হয়েছে।

অন্যদিকে ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তারা তাইজ শহরে হুথিদের অবরোধ জোরদার এবং আবাসিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সৌদি ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার ঘোষণাও দিয়েছে কায়রো। অন্যদিকে ইরান সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

হুথিদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত!

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
হুথিদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত!

ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

শুধু তাই নয়, সৌদি সমর্থিত বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করতে হুথিদের গোয়েন্দা তথ্যও সরবরাহ করছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এমন দাবির পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলেনি আমিরাত।

প্রতিবেদনে চারটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, আমিরাতের ঘনিষ্ঠ ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। বিষয়টি জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করছে আবুধাবি।

এর মধ্যে দুটি সূত্রের দাবি, আমিরাত সরাসরি হুথিদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে, যাতে তারা ইয়েমেনের ভেতরে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে পারে।

দুই পক্ষের যোগাযোগব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত এক ইয়েমেনি সূত্র জানিয়েছে, আমিরাত সানাভিত্তিক হুথি প্রশাসনকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে।

দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের পথ এখনো খোলা রয়েছে। এমনকি আমিরাতপন্থি সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নিজস্ব চ্যানেলও তৈরি করেছে হুথিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাত ও হুথিদের মধ্যে কথিত এই সহযোগিতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও হুথিদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক গভীর।

তবে চলতি বছরের শুরুতে ইয়েমেনে সৌদি আরবের কাছে আমিরাতের প্রভাব কমে যাওয়ার পর দুই পক্ষের স্বার্থের কিছুটা মিল তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ড্রপ সাইট নিউজ।

এর মাধ্যমে ইয়েমেনে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেখছে আবুধাবি। এদিকে সৌদি আরবে হুথিদের হামলা এবং ইয়েমেনের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে।

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও প্রধান বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এসব হামলার জেরে ‘ডাভোস ইন দ্য ডেজার্ট’ নামে পরিচিত ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনও বাতিল হয়েছে।

অন্যদিকে ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তারা তাইজ শহরে হুথিদের অবরোধ জোরদার এবং আবাসিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সৌদি ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার ঘোষণাও দিয়েছে কায়রো। অন্যদিকে ইরান সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

সংকট নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারে একমত ইরান ও মক্কা জোট

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
সংকট নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারে একমত ইরান ও মক্কা জোট

সংকট নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারে একমত ইরান–মক্কা জোট
আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং চলমান সংকট অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করতে একমত হয়েছে ইরান ও মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিভুক্ত দেশ—সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। গতকাল সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে চার দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে তারা আলোচনা অব্যাহত রাখবে।

লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ির আয়োজনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিনও বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনার মূল বিষয় ছিল ‘আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা।’

বৈঠকের পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বর্তমান সংকটের সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে তেহরান সফরের ফলাফল এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় ইতিবাচক ও গঠনমূলক সাড়া দিতে হবে। নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আলোচনার পথ খুলে দেওয়া এবং সংকটের অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছনোর ওপর জোর দিয়েছে রিয়াদ।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধিদল এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফর ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এই সফর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপের প্রসারে সৌদি আরবের ভূমিকার ধারাবাহিকতা।

মন্ত্রক আরও জানায়, বর্তমান সংকটে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমানো, সংলাপ এগিয়ে নেওয়া এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করার প্রচেষ্টার অংশ এই সফর। একই সঙ্গে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে সমর্থন করাও এর উদ্দেশ্য।

সৌদি আরব আশা প্রকাশ করেছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ তেহরান সফরের ফলাফল এবং সংকটের সমাধানে কাতার ও পাকিস্তানের চলমান প্রচেষ্টায় ইতিবাচক ও গঠনমূলক সাড়া দেবে। বিবৃতিতে বলা হয়, সামরিক উত্তেজনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে আলোচনার পথ খুলে দেওয়া জরুরি। এর মাধ্যমে এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছনো সম্ভব, যা চলমান সংকটের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করবে।

এর আগে সৌদি আরবের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত রায়েদ ক্রিমলি জানিয়েছিলেন, প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধিদল তেহরানের বৈঠকে অংশ নিচ্ছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিনও এতে যোগ দিচ্ছেন।

ক্রিমলি আরও জানান, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাঁর মতে, বর্তমান সংকটে উত্তেজনা কমানোর চলমান প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে সমর্থন করাই এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।

সৌদি এই কর্মকর্তা বর্তমান উত্তেজনা কাটিয়ে উঠতে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা করাও জরুরি।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপরও জোর দিয়েছে রিয়াদ।

১ সপ্তাহে প্রায় ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠানো হলো

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১ সপ্তাহে প্রায় ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠানো হলো

মাত্র এক সপ্তাহে ৭ হাজার ৯৩৪ জন প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। একই সময়ে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৩ হাজার ৯০৫ জনকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫৪ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৮৬৫ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৩ হাজার ৪৮৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন।

এ ছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় ১ হাজার ৮৮১ জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, অনুমতি ছাড়া সীমান্ত পেরিয়ে দেশত্যাগের চেষ্টাকালে আটক হয়েছেন আরও ২২ জন।

আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা কিংবা তাদের তথ্য গোপন করে সহায়তার অভিযোগে আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে ৩৭ হাজার ৬১৮ জন বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৪৪৯ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ১৬৯ জন নারী।

এদিকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভ্রমণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য ২০ হাজার ২৫২ জনকে নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৬ হাজার ৫৫৫ জনের বিমানযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে ৭ হাজার ৯৩৪ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কোন দেশের কতজন নাগরিক রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ খুলছে সৌদির রিয়াদ বিমানবন্দর

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ খুলছে সৌদির রিয়াদ বিমানবন্দর

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ হামলায় একসঙ্গে এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর গত ১২ অক্টোবর বন্ধ করে দেওয়া হয় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর।

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ থেকে আবারও বিমানবন্দরটির কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

গতকাল শনিবার কিং খালেদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এক্সে এক পোস্টে এ নিয়ে বলেছে, “২৫ অক্টোবর থেকে কিং খালেদ বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদির এয়ারলাইন্স কর্তৃক পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।”

ইয়েমেনের হুথিরা রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে গত দুই সপ্তাহে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে।

এতে এই বিমানবন্দরে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণ গেছে।

এমন পরিস্থিতিতেই রিয়াদ বিমানবন্দর চালু করতে যাচ্ছে দেশটি।

সূত্র: এএফপি

সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় দুই প্রবাসী নিহত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় দুই প্রবাসী নিহত

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের শায়বাহ তেলক্ষেত্রে সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে দুজন প্রবাসীকর্মী নিহত এবং দুজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ঘটা এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেলক্ষেত্রের একটি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা ড্রোনটি সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করে দেয়।

সৌদি আরবের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১

তবে হামলার চেষ্টা চলাকালীন তেলক্ষেত্রের সীমানার বাইরে থাকা এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে আগুন ধরে যায়।

এই ঘটনায় সৌদি আরামকোর মূল পরিচালন কার্যক্রমে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটেনি।

হামলায় যে দুই প্রবাসী কর্মী নিহত হয়েছেন, তাদের একজন ফিলিপাইন ও অপরজন নেপালের নাগরিক।

এ ছাড়া আহত অপর দুজনের মধ্যে একজন পাকিস্তানি এবং একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সূত্র আরও জানা যায়, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

একই সাথে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।

সূত্র: সৌদি গেজেট