১৩ অক্টোবর ২০২৬

চালকদের জন্য দুবাই পুলিশের সতর্কবার্তা জারি

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
চালকদের জন্য দুবাই পুলিশের সতর্কবার্তা জারি

দুবাইয়ের জেবেল আলি রোডে একটি ভয়াবহ বহু-যান দুর্ঘটনার পর সড়কের মাঝখানে যানবাহন থামানোর ঝুঁকি সম্পর্কে নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছে দুবাই পুলিশ। শনিবার গালফ নিউজের প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, একটি বাস যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলন্ত লেনেই হঠাৎ থেমে যায়। এরপর পেছন থেকে আসা একটি গাড়ি এবং আরও তিনটি বাস সময়মতো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একটি চেইন-রিঅ্যাকশন ধরনের দুর্ঘটনা সৃষ্টি হয়।

দুবাই পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ি বিকল হওয়া, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়া বা টায়ার নষ্ট হওয়ার কারণে সড়কের মাঝখানে যানবাহন থামানো অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং এটি গুরুতর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের শামিল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল ট্রাফিক আইন অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধে ১,০০০ দিরহাম জরিমানা ও ৬টি ব্ল্যাক পয়েন্ট দেওয়া হয়। এছাড়া ট্রাফিকে বাধা সৃষ্টি করার দায়ে আরও ৫০০ দিরহাম অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করা হয়।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, বিশেষ করে উচ্চগতির সড়কে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত থামা প্রায়ই গুরুতর কিংবা প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই কোনো কারণে গাড়ি বিকল হলে চালকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দুবাই পুলিশ।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে পুরো জিসিসিকে এক হওয়ার ডাক আমিরাতের

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে পুরো জিসিসিকে এক হওয়ার ডাক আমিরাতের
আবুধাবিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গালগাশ অঞ্চলের যৌথ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে জরুরিভিত্তিতে ‘যৌথ উপসাগরীয় পদক্ষেপ’ বা যৌথ সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, আমরা একটি যুদ্ধ এড়াতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আক্রমণকারীদের ভুল ধারণার কারণে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর ওপর পরপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে আমরা সবাই এখন প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তু এবং আমাদের নিরাপত্তা কোনোভাবেই একে অপরের থেকে আলাদা নয়।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের ওপর অব্যাহত আক্রমণ কেবল একক কোনো দেশের বিষয় নয়, বরং তা সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার ভিত্তিকেই হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে।

আনোয়ার গালগাশের মতে, বিশেষ করে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ উপসাগরীয় উদ্যোগগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং সম্মিলিত নিরাপত্তা কাঠামোকে সুদৃঢ় করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। দীর্ঘদিন ধরে সুরক্ষার এই দিকটিতে মারাত্মক অবহেলা করা হয়েছে, যার সুযোগ নিয়ে শত্রুপক্ষ আজ আমাদের ভূখণ্ডে আঘাত হানার সুযোগ পাচ্ছে।

যৌথ নিরাপত্তা রক্ষা করা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি যৌথ দায়িত্ব, যেখানে কোনো ধরনের শিথিলতা বা বিলম্বের কোনো সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন

সৌদি আরব হুথিদের হামলা ঠেকাতে পারছে না কেন?

এই সপ্তাহে হুথিরা কতবার সৌদি বিমানবন্দরগুলোতে হামলা চালিয়েছে?

সৌদি আরবে হুতি হামলায় নিহত ২ , আইসিইউতে ৪ বাংলাদেশি: ঢাকায় আটকে পড়েছেন ৩ হাজার প্রবাসী

ডেলিভারির ফাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে প্রশংসায় ভাসছেন উগান্ডার মনসুর

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ০৫, ২০২৬
ডেলিভারির ফাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে প্রশংসায় ভাসছেন উগান্ডার মনসুর

ডেলিভারির ফাঁকে বাইকের পাশে বসে গভীর মনোযোগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ইন্টারনেটে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন উগান্ডার নাগরিক মনসুর কাতাবালওয়া।

তবে তার কাছে এটি স্রেফ নেটিজেনদের নজর কাড়ার বিষয় নয়, বরং পরিবার ছেড়ে প্রবাসে কাজের মাঝে নিজের ঈমান ও প্রয়াত স্বজনদের স্মৃতি আঁকড়ে রাখার এক দৈনন্দিন প্রচেষ্টা।

গত দুবছর ধরে আরব আমিরাতে বসবাস করছেন মনসুর। আর গত পাঁচ মাস ধরে তিনি জনপ্রিয় রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ‘তালাবাত’-এর ডেলিভারি রাইডার হিসেবে কাজ করছেন।

দেশে থাকা স্ত্রী ও দুই সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই তিনি প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, অর্ডারের ফাঁকে বাইকটি দাঁড় করিয়ে হাতে একটি কুরআন শরীফ নিয়ে পরম তৃপ্তিতে তিলাওয়াত করছেন মনসুর।

তিনি জানান, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার অনেক আগে থেকেই তিনি এটি নিয়মিত করে আসছেন। এর পেছনে রয়েছে তার জীবনের এক বিষাদময় অধ্যায়।

তিন বছর আগে মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে নিজের বাবা-মা এবং ভাইকে হারান মনসুর। প্রিয়জনদের হারানোর এই গভীর শোক ও বেদনা তাকে ইসলামের অনুশাসনের আরও কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি পুরো কোরআন হিফজ (মুখস্থ) করেন।

ডেলিভারির কাজে দিনের বেশিরভাগ সময় তাকে রাস্তায় বাইক চালিয়ে পার করতে হয়। কুরআন যেন ভুলে না যান, তাই বাইক চালানোর সময় তিনি মোবাইলে তিলাওয়াত শোনেন। আর রাইডের মাঝে যখনই খানিকটা অবসর মেলে, সাথে রাখা কুরআন শরিফ খুলে তিলাওয়াত করতে বসে যান।

মনসুর বলেন, ‘কাজের বিরতিতে কুরআন পড়লে তা আমাকে গভীরভাবে মনোযোগী হতে সাহায্য করে এবং মানসিকভাবে আল্লাহর কাছাকাছি অনুভব করি।’ প্রয়াত মা-বাবার মাগফিরাত কামনা করেই মূলত তার এই তিলাওয়াত।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার প্রয়াত মা-বাবার আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদাউস প্রার্থনার নিয়তেই কোরআন পাঠ ও চর্চা করি।’

ফ্লাই দুবাইয়ের পাইলটকে হাসপাতালে গিয়ে সম্মান জানালেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
ফ্লাই দুবাইয়ের পাইলটকে হাসপাতালে গিয়ে সম্মান জানালেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স

ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সহপাইলটের হামলার পর ১৭২ যাত্রীর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। হামলার সময় গুরুতর আহত হওয়ার পর দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মাচ্ছার।

সাক্ষাতের পর মাচ্ছারের প্রতি ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা ও প্রশংসা’ জানিয়েছেন ক্রাউন প্রিন্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে এবং দেশের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও প্রশংসা রয়েছে। আমরা গর্বিত যে তিনি আমাদের দলের অংশ, আমাদের দেশের ইতিহাসের অংশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত যে মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করে, তারও অংশ। এটি সহমর্মিতা, শান্তি ও জীবনের পক্ষে থাকা একটি দেশ।’

ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে মাচ্ছারের সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে তাঁকে পাইলটের সঙ্গে কথা বলতে ও তাঁকে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়।

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানের ক্যাপ্টেন ছিলেন মাচ্ছার। তাঁর সহপাইলট ছিলেন ওমানের নাগরিক হামাম আল-হাম্মামি। গত বুধবার উড্ডয়নের পর হামাম ককপিটে থাকা কুঠার দিয়ে মাচ্ছারকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দুই পাইলটের ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে বিমানটি কয়েক হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। গুরুতর আহত অবস্থাতেও পরিস্থিতি সামাল দিতে মাচ্ছার ককপিটের দরজা খুলে দেন এবং যাত্রীদের সতর্ক করেন। এরপর কয়েকজন যাত্রী ককপিটে ঢুকে হামামকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে দায়িত্বের বাইরে থাকা অন্য পাইলটরা বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করান।

মাচ্ছারের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টার পেছনে হামামের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনো তদন্তাধীন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কট্টরপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে এর আগে ওমানে হামামকে উড়োজাহাজ চালানো থেকে বিরত রাখা হয়েছিল।

ঘটনার তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা উদ্দেশ্যের’ যোগসূত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ ও সংঘাত চলার মধ্যেই অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ইসরায়েলের। ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ। এ সময়ে ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানির পরিমাণ ৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস, হিজবুল্লাহ, হুতি ও ইরানের সঙ্গে ইসরাইলের সংঘাত চললেও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশটির অস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা রপ্তানির বড় একটি অংশ গেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। বিশেষ করে আব্রাহাম চুক্তির আওতায় থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), মরক্কো ও বাহরাইন গত পাঁচ বছরে ইসরায়েল থেকে প্রায় ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে।

এই তিন দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে উঠে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি ইসরায়েলের কাছ থেকে মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম এবং গোয়েন্দা বিমান সংগ্রহ করেছে।

দুই দেশের সহযোগিতা অবশ্য শুধু অস্ত্র কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। আমিরাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি দুই দেশ যৌথভাবে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে আব্রাহাম চুক্তির অপর দুই অংশীদার মরক্কো ও বাহরাইনও। দেশ দুটি ইসরায়েলের কাছ থেকে স্যাটেলাইট, রাডার ও ড্রোনসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে। তবে আর্থিক সক্ষমতা এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের তুলনামূলক সীমাবদ্ধতার কারণে আমিরাতের মতো বড় পরিসরে শিল্প সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারেনি তারা।

আইআইএসএসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দেশটির অস্ত্র রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ইসরাইলগামী সব ফ্লাইট বন্ধ করল ফ্লাই দুবাই

প্রকাশ: শুক্রবার, অক্টোবর ০২, ২০২৬
ইসরাইলগামী সব ফ্লাইট বন্ধ করল ফ্লাই দুবাই

ইসরাইলে চলাচলকারী তাদের সব ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে দুবাইভিত্তিক বাজেট এয়ারলাইন ফ্লাই দুবাই। বুধবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে একই দিন দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি ফ্লাইটে ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর বিমানটি জরুরি অবতরণ করে।

ফ্লাই দুবাইয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত চলাকালে ইসরাইলগামী ও ইসরাইল থেকে আসা ফ্লাইট স্থগিত রাখা হবে।

এয়ারলাইনটি জানায়, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ও পরিস্থিতি নির্ধারণের সুযোগ করে দিতেই সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের যাত্রী, ক্রু এবং কার্যক্রমের নিরাপত্তা ও কল্যাণই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

এর আগে বুধবার ১৭৪ জন যাত্রী নিয়ে দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাই দুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে সহকারী পাইলটের ছুরিকাঘাতে আহত হন প্রধান পাইলট স্মিত মচ্ছর। এরপর সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাবুকের প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি।