২৬ জুলাই ২০২৬

আজ থেকে কাতারে আবার শুরু হলো সব ধরনের নৌযান চলাচল

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
আজ থেকে কাতারে আবার শুরু হলো সব ধরনের নৌযান চলাচল

কাতারের সমুদ্রে সব ধরনের নৌযান, বাণিজ্যিক জাহাজ ও সাধারণ বোট চলাচল আবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়। আজ ২৬ জুলাই থেকে সমুদ্রপথের যাবতীয় কাজকর্ম আগের মতো পুরোদমে চালু থাকবে।

সামুদ্রিক যাত্রা ও নৌ-পরিবহন নিরাপদ রাখতে সব জলযানের মালিক, ক্যাপ্টেন ও জেলেদের কড়া নিরাপত্তা নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সমুদ্রে নামার আগে যা মেনে চলতে হবে

দুর্ঘটনা এড়াতে পরিবহন মন্ত্রণালয় কয়েকটি বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে:

নিরাপত্তা আইন মানা: সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সব হালনাগাদ নিয়মকানুন ঠিকঠাক মেনে চলতে হবে।

আবহাওয়ার খবর নেওয়া: সমুদ্রে নামার আগেই আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ খবরাখবর ও পূর্বাভাস দেখে নিতে হবে।

জরুরি সরঞ্জাম সাথে রাখা: প্রতিটি বোট বা জাহাজে লাইফ জ্যাকেট ও যোগাযোগের দরকারি সব যন্ত্রপাতি সচল রাখতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সমুদ্রে নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাদের মনিটরিং টিম সবসময় নজরদারি করবে। সমুদ্রপথ খুলে দেওয়ায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে বেশ গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ থেকে কাতারে আবার শুরু হলো সব ধরনের নৌযান চলাচল

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
আজ থেকে কাতারে আবার শুরু হলো সব ধরনের নৌযান চলাচল

কাতারের সমুদ্রে সব ধরনের নৌযান, বাণিজ্যিক জাহাজ ও সাধারণ বোট চলাচল আবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়। আজ ২৬ জুলাই থেকে সমুদ্রপথের যাবতীয় কাজকর্ম আগের মতো পুরোদমে চালু থাকবে।

সামুদ্রিক যাত্রা ও নৌ-পরিবহন নিরাপদ রাখতে সব জলযানের মালিক, ক্যাপ্টেন ও জেলেদের কড়া নিরাপত্তা নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সমুদ্রে নামার আগে যা মেনে চলতে হবে

দুর্ঘটনা এড়াতে পরিবহন মন্ত্রণালয় কয়েকটি বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে:

নিরাপত্তা আইন মানা: সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সব হালনাগাদ নিয়মকানুন ঠিকঠাক মেনে চলতে হবে।

আবহাওয়ার খবর নেওয়া: সমুদ্রে নামার আগেই আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ খবরাখবর ও পূর্বাভাস দেখে নিতে হবে।

জরুরি সরঞ্জাম সাথে রাখা: প্রতিটি বোট বা জাহাজে লাইফ জ্যাকেট ও যোগাযোগের দরকারি সব যন্ত্রপাতি সচল রাখতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সমুদ্রে নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাদের মনিটরিং টিম সবসময় নজরদারি করবে। সমুদ্রপথ খুলে দেওয়ায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে বেশ গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সুক ওয়াকিফে ১১তম খেজুর উৎসব: ভাঙতে পারে বিক্রির সব পুরনো রেকর্ড

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬

কাতারের কৃষিখাত ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে সুক ওয়াকিফের ইস্টার্ন স্কোয়ারে শুরু হয়েছে '১১তম স্থানীয় খেজুর উৎসব ২০২৬'। দেশীয় কৃষকদের সরাসরি পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরি ও খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে আয়োজিত এই উৎসব চলবে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত।

২০১৬ সালে মাত্র ১৯টি খামার নিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে এবার অংশ নিয়েছে রেকর্ড ১২৫টি স্থানীয় খামার।

সুক ওয়াকিফের পরিচালক ও উৎসবের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-সালেম জানান, প্রতি বছর খামারের সংখ্যা বাড়াই প্রমাণ করে যে কৃষকদের আস্থা কতটা বেড়েছে। ঐতিহ্যবাহী সুক ওয়াকিফে আয়োজনের ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষই কেনাকাটায় সুবিধা পাচ্ছেন।

এক ছাদের নিচে তাজা খেজুর ও ফলমূল

উৎসবে আসা দর্শনার্থীরা সরাসরি খামার থেকে আনা সেরা জাতের খেজুুর কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইখলাস, খুনাইজি, শিশি ও বারহি।

খেজুরের পাশাপাশি এখানে মিলছে কাতারেই চাষ হওয়া তাজা ডুমুর, পেঁপে, লেবু ও বাদাম। সবই বিক্রি হচ্ছে খামার মূল্যে।

কাতারি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিফলন

পৌরসভা মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিভাগের প্রধান আহমেদ সালেম আল-ইয়াফি জানান, খেজুর কাতারের আতিথেয়তা ও ঐতিহ্যের বড় এক অংশ। দেশের যেকোনো মজলিসে অতিথি আপ্যায়নে খেজুর থাকবেই, আর এই উৎসব সেই ঐতিহ্যকেই বাঁচিয়ে রাখছে।

উৎসবে বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও দারুণ আগ্রহ দেখা গেছে। নিয়মিত আসা উম্ম সারা নামের এক ক্রেতা জানান, রাসায়নিকমুক্ত তাজা খেজুর কম দামে কেনার পাশাপাশি সন্তানদের দেশীয় কৃষির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চমৎকার পরিবেশ মিলছে এখানে।

ভাঙতে পারে বিক্রির সব পুরনো রেকর্ড

গত বছর ১০ম খেজুর উৎসবে ১ লাখের বেশি মানুষ এসেছিলেন এবং বিক্রি হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কেজি খেজুর। আয়োজকদের আশা, এবার খামারের সংখ্যা বাড়ায় বিক্রি ও দর্শনার্থী—দুই দিক দিয়েই আগের সব রেকর্ড পার হয়ে যাবে।

৯ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের জন্য কাতারে শুরু হচ্ছে 'সামার ক্যাম্প ২০২৬'

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
৯ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের জন্য কাতারে শুরু হচ্ছে 'সামার ক্যাম্প ২০২৬'

কাতারের মিউজিয়াম অব ইসলামিক আর্ট (এমআইএ) এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী 'লেখুইয়া' যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে 'সামার ক্যাম্প ২০২৬'। শিশুদের মেধা বিকাশ ও নেতৃত্বের গুণ তৈরি করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পটি চলবে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সী কাতারি শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারবে।

ক্যাম্পের যাবতীয় আয়োজন এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে পড়াশোনা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও নেতৃত্ব শেখার একটা দারুণ সুযোগ তৈরি হয়। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছেলে ও মেয়ে—উভয়দের জন্যই ক্যাম্পটি উন্মুক্ত থাকবে।

এই উদ্যোগে সাড়াও মিলছে বেশ। গ্রীষ্মের ছুটিতে বাচ্চাদের সুশৃঙ্খল পরিবেশ, চরিত্র গঠন ও দেশপ্রেম শেখার সুযোগ দেখে কাতারি অভিভাবকদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

যা থাকছে এই ক্যাম্পে

শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে চার ধরনের কার্যক্রম থাকবে:

  • শিল্প ও সংস্কৃতি: ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামের ভেতরে বিশেষ গ্যালারি ঘুরে দেখা এবং শিল্পকলা সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজ হাতে-কলমে শেখা।

  • খেলাধুলা ও শৃঙ্খলা: 'লেখুইয়া'র তত্ত্বাবধানে সাঁতার, দলগত খেলাধুলা এবং আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বাড়ানোর নানা শারীরিক প্রশিক্ষণ।

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: কাতার সায়েন্স ক্লাব এবং কাতার ক্যালেন্ডার হাউসের সাহায্যে মজার মজার বৈজ্ঞানিক ওয়ার্কশপ।

  • স্পোর্টস মিউজিয়াম সফর: ‘৩-২-১ কাতার অলিম্পিক অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়াম’ ঘুরে খেলাধুলার ইতিহাস ও ইতিবাচক দিক সম্পর্কে জানা।

নিরাপত্তা সংস্থা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের এই যৌথ উদ্যোগ শিশুদের জন্য ছুটির সময়টাকে শুধু বিনোদন নয়, বরং নতুন কিছু শেখার নিরাপদ ও উদ্দীপনামূলক সুযোগ করে দিচ্ছে।

নিরাপত্তা জোরদারে কাতারের বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬

কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নিরাপত্তা বাহিনী 'লেখুইয়া'র প্রধান শেখ খলিফা বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি এক বিশেষ সামরিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ একাডেমিতে 'নিরাপত্তা কমান্ড ও স্টাফ প্রোগ্রাম'-এর দ্বিতীয় ব্যাচের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করা অফিসারদের হাতে সনদপত্র ও সম্মাননা তুলে দেন।

কেন এই আয়োজন?

পুলিশ একাডেমির উচ্চতর শিক্ষা বিভাগ এই বিশেষ কোর্সের আয়োজন করে। মূলত অফিসারদের কাজের মান আরও উন্নত করতেই এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল:

  • অফিসারদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানো।

  • দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং যেকোনো আধুনিক ঝুঁকি সামলানোর সঠিক পদ্ধতি শেখানো।

কোর্সের কঠোর নিয়মকানুন ও পরীক্ষা সফলভাবে পার করার পরই অফিসারদের এই চূড়ান্ত সনদ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শীর্ষ কর্তারা

অনুষ্ঠানে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লেখুইয়া এবং পুলিশ একাডেমির উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃতকার্য অফিসারদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে নতুন এই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশের আইন-শৃঙ্খলা আরও শক্ত হাতে সামলানোর আহ্বান জানান।

কাতার সফররত যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬
কাতার সফররত যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

কাতারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল-থানি কাতার সফররত যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক সচিব এড মিলিব্যান্ডের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।

বৈঠকের শুরুতেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় এড মিলিব্যান্ডকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন।

বৈঠকে কাতার ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং তা আরও সুদৃঢ় করার কার্যকরী উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সাথে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রশমন এবং এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যৌথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল পক্ষকে শান্ত থেকে সংলাপ ও কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। এর আওতায় মূল অগ্রাধিকারসমূহ হলো:

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের নিরাপদ ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করা।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সাফল্যগুলো বজায় রেখে সমগ্র অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা।

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সার্বিক ও সংহত চুক্তিতে পৌঁছাতে উত্তেজনা হ্রাসের সকল ইতিবাচক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কাতার রাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।