২৬ জুলাই ২০২৬

ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচে মেসি

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে  শীর্ষ পাঁচে মেসি

ঐতিহ্যগতভাবেই বিশ্বকাপ ফুটবল ব্যালন ডি’অরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয়। ২০০৬ সালে ইতালির বিশ্বজয়ের ওপর ভর করে এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন ফ্যাবিও কানাভারো, ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলে বাজিমাত করেছিলেন লুকা মদরিচ, আর দুই বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে বর্ষসেরার বিতর্ক একপ্রকার থামিয়েই দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি।

তবে ২০২৬ সালের নিউইয়র্ক ফাইনালের পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। স্পেন ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেও এবারের লড়াইয়ে একক কোনো ফেভারিট বেছে নেওয়া বেশ কঠিন। কেউ ক্লাবের হয়ে অনন্য উচ্চতা ছুঁয়েছেন কিন্তু দেশের হয়ে পারেননি, আবার কেউ বিশ্বমঞ্চ রাঙালেও ক্লাব ফুটবলে পিছিয়ে পড়েছেন। আগামী ব্যালন ডি’অরের এই উন্মুক্ত দৌড়ে শীর্ষ পাঁচের পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে স্পোর্টস স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিএজেডএন।

১. হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ / ইংল্যান্ড)

বিশ্বকাপের মঞ্চে ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে না পারলেও পুরো মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকতার অনন্য এক গল্প লিখেছেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পথে ৬টি গোল করেছেন থমাস টুখেলের প্রধান এই অস্ত্র। তবে তার ব্যালন ডি’অর জয়ের শক্ত দাবির পেছনে সবচেয়ে বড় ভিত্তি হলো বায়ার্ন মিউনিখ ও জাতীয় দলের হয়ে এক মৌসুমে করা অবিশ্বাস্য ৭০টি গোল।

সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বুন্দেসলিগা শিরোপা। বড় টুর্নামেন্টের ট্রফি না জিতলেও পুরো মৌসুমজুড়ে এমন অতিমানবীয় পারফরম্যান্সই তাঁকে এবার বর্ষসেরা হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রাখছে। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের তৃতীয় হয়েছে, চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন হয়েছে রানার্সআপ।

২. লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা/স্পেন)

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে নামা লামিন ইয়ামাল হয়তো নিজের সেরা রূপটি শতভাগ দেখাতে পারেননি, তবুও স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক তিনিই। স্প্যানিশ ফুটবলের এই বিস্ময় বালক বড় মঞ্চে ঠিকই দলের প্রয়োজনে আলো ছড়িয়েছেন। তবে তার আসল শক্তি ক্লাব ফুটবলের পারফরম্যান্স; একক নৈপুণ্যে বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছেন লা লিগা শিরোপা। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বেও যদি ক্লাবের মতো বিধ্বংসী রূপ বজায় রাখতে পারতেন, তবে র্যাংকিংয়ের এক নম্বর জায়গাটা হয়তো তার দখলেই থাকত।

৩. রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি/স্পেন)

ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এবার তুলনামূলকভাবে কিছুটা ম্লান মৌসুম কাটলেও জাতীয় দলের জার্সিতে আবারও নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন রদ্রি। মাঝমাঠের গতি নিয়ন্ত্রণ, ঠান্ডা মাথার পাসিং ও বিশ্বমানের নেতৃত্বের জোরে স্পেনকে বিশ্বসেরার মুকুট এনে দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার হিসেবে জিতে নিয়েছেন ‘গোল্ডেন বল’। ব্যালন ডি’অরের বিচারে বিশ্বকাপের এই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কারটির প্রভাব সবসময়ই প্রবল, আর এটিই রদ্রিকে ট্রফির অন্যতম প্রধান দাবিদার করে তুলেছে।

৪. কিলিয়ান এমবাপে (রিয়াল মাদ্রিদ/ফ্রান্স)

বিশ্বকাপে ১০ গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের নামে করে নিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। এই পারফরম্যান্সে লিওনেল মেসিকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান চোখধাঁধানো হলেও লা লিগা বা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোনো ট্রফিই ঘরে তুলতে পারেনি তার দল। অন্যদিকে দিদিয়ে দেশমের শক্তিশালী ফ্রান্সের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়াটাও বড় ধাক্কা। ব্যক্তিগত রেকর্ড সমৃদ্ধ হলেও ট্রফিশূন্য মৌসুম তাঁকে বর্ষসেরার দৌড়ে চার নম্বরে আটকে রেখেছে।

৫. লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি/আর্জেন্টিনা)

৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার মূল কাণ্ডারি ছিলেন লিওনেল মেসি। ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্টে আলবিসেলেস্তেদের টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছে দিতে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন। তবে ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স কিছুটা নিষ্প্রভ ছিল। অন্যদিকে ইন্টার মায়ামির হয়ে চমৎকার খেললেও ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর বাইরের ফুটবলকে ব্যালন ডি’অরের ভোটাররা কিছুটা কম নম্বর দিয়ে থাকেন। ফলে মহাকাব্যিক এক বিশ্বকাপের পরও রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অর উঁচিয়ে ধরা মেসির জন্য এবার বেশ কঠিন।

ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচে মেসি

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে  শীর্ষ পাঁচে মেসি

ঐতিহ্যগতভাবেই বিশ্বকাপ ফুটবল ব্যালন ডি’অরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয়। ২০০৬ সালে ইতালির বিশ্বজয়ের ওপর ভর করে এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন ফ্যাবিও কানাভারো, ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলে বাজিমাত করেছিলেন লুকা মদরিচ, আর দুই বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে বর্ষসেরার বিতর্ক একপ্রকার থামিয়েই দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি।

তবে ২০২৬ সালের নিউইয়র্ক ফাইনালের পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। স্পেন ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেও এবারের লড়াইয়ে একক কোনো ফেভারিট বেছে নেওয়া বেশ কঠিন। কেউ ক্লাবের হয়ে অনন্য উচ্চতা ছুঁয়েছেন কিন্তু দেশের হয়ে পারেননি, আবার কেউ বিশ্বমঞ্চ রাঙালেও ক্লাব ফুটবলে পিছিয়ে পড়েছেন। আগামী ব্যালন ডি’অরের এই উন্মুক্ত দৌড়ে শীর্ষ পাঁচের পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে স্পোর্টস স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিএজেডএন।

১. হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ / ইংল্যান্ড)

বিশ্বকাপের মঞ্চে ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে না পারলেও পুরো মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকতার অনন্য এক গল্প লিখেছেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পথে ৬টি গোল করেছেন থমাস টুখেলের প্রধান এই অস্ত্র। তবে তার ব্যালন ডি’অর জয়ের শক্ত দাবির পেছনে সবচেয়ে বড় ভিত্তি হলো বায়ার্ন মিউনিখ ও জাতীয় দলের হয়ে এক মৌসুমে করা অবিশ্বাস্য ৭০টি গোল।

সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বুন্দেসলিগা শিরোপা। বড় টুর্নামেন্টের ট্রফি না জিতলেও পুরো মৌসুমজুড়ে এমন অতিমানবীয় পারফরম্যান্সই তাঁকে এবার বর্ষসেরা হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রাখছে। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের তৃতীয় হয়েছে, চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন হয়েছে রানার্সআপ।

২. লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা/স্পেন)

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে নামা লামিন ইয়ামাল হয়তো নিজের সেরা রূপটি শতভাগ দেখাতে পারেননি, তবুও স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক তিনিই। স্প্যানিশ ফুটবলের এই বিস্ময় বালক বড় মঞ্চে ঠিকই দলের প্রয়োজনে আলো ছড়িয়েছেন। তবে তার আসল শক্তি ক্লাব ফুটবলের পারফরম্যান্স; একক নৈপুণ্যে বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছেন লা লিগা শিরোপা। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বেও যদি ক্লাবের মতো বিধ্বংসী রূপ বজায় রাখতে পারতেন, তবে র্যাংকিংয়ের এক নম্বর জায়গাটা হয়তো তার দখলেই থাকত।

৩. রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি/স্পেন)

ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এবার তুলনামূলকভাবে কিছুটা ম্লান মৌসুম কাটলেও জাতীয় দলের জার্সিতে আবারও নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন রদ্রি। মাঝমাঠের গতি নিয়ন্ত্রণ, ঠান্ডা মাথার পাসিং ও বিশ্বমানের নেতৃত্বের জোরে স্পেনকে বিশ্বসেরার মুকুট এনে দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার হিসেবে জিতে নিয়েছেন ‘গোল্ডেন বল’। ব্যালন ডি’অরের বিচারে বিশ্বকাপের এই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কারটির প্রভাব সবসময়ই প্রবল, আর এটিই রদ্রিকে ট্রফির অন্যতম প্রধান দাবিদার করে তুলেছে।

৪. কিলিয়ান এমবাপে (রিয়াল মাদ্রিদ/ফ্রান্স)

বিশ্বকাপে ১০ গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের নামে করে নিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। এই পারফরম্যান্সে লিওনেল মেসিকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান চোখধাঁধানো হলেও লা লিগা বা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোনো ট্রফিই ঘরে তুলতে পারেনি তার দল। অন্যদিকে দিদিয়ে দেশমের শক্তিশালী ফ্রান্সের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়াটাও বড় ধাক্কা। ব্যক্তিগত রেকর্ড সমৃদ্ধ হলেও ট্রফিশূন্য মৌসুম তাঁকে বর্ষসেরার দৌড়ে চার নম্বরে আটকে রেখেছে।

৫. লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি/আর্জেন্টিনা)

৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার মূল কাণ্ডারি ছিলেন লিওনেল মেসি। ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্টে আলবিসেলেস্তেদের টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছে দিতে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন। তবে ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স কিছুটা নিষ্প্রভ ছিল। অন্যদিকে ইন্টার মায়ামির হয়ে চমৎকার খেললেও ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর বাইরের ফুটবলকে ব্যালন ডি’অরের ভোটাররা কিছুটা কম নম্বর দিয়ে থাকেন। ফলে মহাকাব্যিক এক বিশ্বকাপের পরও রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অর উঁচিয়ে ধরা মেসির জন্য এবার বেশ কঠিন।

মেসির শরীরে ব্রাজিলের রক্ত, খেলতে পারতেন ব্রাজিলের হয়েও!

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬
মেসির শরীরে ব্রাজিলের রক্ত, খেলতে পারতেন ব্রাজিলের হয়েও!

লিওনেল মেসি খেলতে পারতেন ব্রাজিলের হয়ে! ফুটবল বিশ্বের জন্য কথাটি অদ্ভুত শোনালেও সাম্প্রতিক এক ঐতিহাসিক গবেষণায় এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। ইতালীয় ইতিহাসবিদ ফিওরেঞ্জো সান্তিনির করা ওই গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়কের পারিবারিক শেকড়ের একটি অংশ ব্রাজিলের সঙ্গে যুক্ত।

তার প্রপিতামহ ব্রাজিলের সাও পাওলো রাজ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যিনি পরে পরিবারের সঙ্গে আর্জেন্টিনায় পাড়ি জমান।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর বরাত দিয়ে করা ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, উনিশ শতকের শেষের দিকে ও বিশ শতকের শুরুতে দক্ষিণ আমেরিকায় ইতালীয়দের বিশাল অভিবাসন তরঙ্গের অংশ হিসেবে দেশ ছাড়েন মেসির এক পূর্বপুরুষ। তার প্রপিতামহের বাবা (গ্রেট-গ্রেট গ্র্যান্ডফাদার) রানিয়েরো কোচ্চেত্তিনি ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পরে স্ত্রী রোজা রিচেজ্জাকে নিয়ে ব্রাজিলে পাড়ি জমান তিনি।

পরিবারটি প্রথমে ব্রাজিলের সান্তোস বন্দরে এসে পৌঁছায়। সে সময় অভিবাসন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নামের বানান ভুল বা পরিবর্তন হওয়া ছিল খুব সাধারণ একটি ঘটনা। রানিয়েরো কোচ্চেত্তিনির নামও পরিবর্তিত হয়ে ‘রামিয়েরো কনসেন্টিনি’ হিসেবে নিবন্ধিত হয়। পরে তাদের পারিবারিক পদবির বানানেও বিভিন্ন সময় পরিবর্তন আসে।

ব্রাজিলে পৌঁছানোর পর পরিবারটি সাও পাওলোর গ্রামাঞ্চলে চলে যায়। সেখানে তারা ওই অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ কফি উৎপাদক মার্তিনহো প্রাদো জুনিয়রের খামারে কৃষিকাজ করতেন। ঠিক সেই সময়েই রিবেইরো প্রেতো এলাকায় তাদের এক সন্তানের জন্ম হয়।

নিবন্ধনের সময় তার নাম আবারও বদলে যায়। আর্দেরিগো কোচ্চেত্তিনি হয়ে যান ফেদেরিকো কুচ্চিত্তিনি। এই ফেদেরিকোই হলেন লিওনেল মেসির প্রপিতামহ।

তবে ব্রাজিলে পরিবারটির বসবাস খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ফেদেরিকো কুচ্চিত্তিনির বয়স যখন মাত্র এক বছর, তখন পুরো পরিবার আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে চলে যায়। আর এখান থেকেই শুরু হয় ফুটবলের অন্যতম বিখ্যাত এক পরিবারের ইতিহাস। রোজারিওতে যাওয়ার পর ব্রাজিলের সঙ্গে তাদের সব ধরনের সরাসরি সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন হয়ে যায়। আর এর কয়েক দশক পর রোজারিওতেই জন্ম নেন লিওনেল মেসি।

এই গবেষণার পর ফুটবলভক্তদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জেগেছে, তবে কি মেসির পক্ষে ব্রাজিলের হয়ে খেলা সম্ভব ছিল? ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার পরিবারের একাংশের ব্রাজিলের সঙ্গে সংযোগ থাকলেও, আইনিভাবে তার ব্রাজিলের হয়ে খেলার কোনো সুযোগ ছিল না।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, শুধু দূরবর্তী পূর্বপুরুষদের জন্মস্থানের ওপর ভিত্তি করে কোনো দেশের জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা যায় না। এর জন্য ওই দেশের নাগরিকত্ব ও আইনি সম্পর্ক থাকতে হয়।

জন্ম, নাগরিকত্ব ও ফুটবল শিক্ষা—সব দিক থেকেই মেসির ভিত্তি রচিত হয়েছে আর্জেন্টিনায়। যুব পর্যায় থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ জেতা পর্যন্ত তিনি শুধু আকাশী-সাদা জার্সিরই প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ফিওরেঞ্জো সান্তিনির এই গবেষণা আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী তারকার পারিবারিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে। যদিও এই আবিষ্কার আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির অসামান্য অর্জনকে কোনোভাবেই ম্লান করে না, তবে এটি দক্ষিণ আমেরিকায় ইউরোপীয় অভিবাসনের সেই সময়কার প্রবাহকে নতুন করে সামনে এনেছে।

এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে ইতালীয় অভিবাসীদের মাধ্যমে ইতালি, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ইতিহাস কীভাবে এক সুতোয় গাঁথা পড়েছিল, সেই চিত্রই উঠে এসেছে এই গবেষণায়।

ফুটবল বিশ্বের কাছে লিওনেল মেসিকে আর্জেন্টিনার জার্সি ছাড়া অন্য কোনো রূপে কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব হলেও, তার পরিবারের ব্রাজিলে বসবাসের ইতিহাস নতুন এক কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

বিশ্বকাপের ফ্লপ একাদশ প্রকাশ, রোনালদোসহ আছেন যারা

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬
বিশ্বকাপের ফ্লপ একাদশ প্রকাশ, রোনালদোসহ আছেন যারা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে যেখানে অনেক ফুটবলার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে নজর কেড়েছেন, সেখানে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন কয়েকজন তারকাও। টুর্নামেন্ট শেষে সেই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ‘বিশ্বকাপ ফ্লপ একাদশ’ প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় ক্রীড়া মাধ্যম ব্লিচার রিপোর্ট।

এই একাদশের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে রাখা হয়েছে পর্তুগালের কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। এছাড়া দলে জায়গা পেয়েছেন জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার, উরুগুয়ের ফেদেরিকো ভালভার্দে, পর্তুগালের ভিতিনিয়া, জার্মানির লেরয় সানে, ইংল্যান্ডের রিস জেমস ও ননি মাদুয়েকে, ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, জার্মানির জোনাথন তাহ, ফ্রান্সের লুকাস দিগনে এবং আইভরি কোস্টের ইয়ান দিওমান্দে।

ব্লিচার রিপোর্টের মূল্যায়নে, প্রত্যাশার তুলনায় সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছেন ম্যানুয়েল নয়্যার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে অবসর ভেঙে ফেরার পরও জার্মানির হয়ে নিজের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি তাকে। গ্রুপ পর্বে একাধিক ভুলের পাশাপাশি নকআউট পর্বেও দলকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক।

রক্ষণভাগে রিস জেমসকে রাখা হয়েছে মূলত ইনজুরির কারণে। সম্ভাব্য ৭২০ মিনিটের মধ্যে তিনি খেলতে পেরেছেন মাত্র ৩১৮ মিনিট। অন্যদিকে গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে অবস্থানগত ভুলের জন্য সমালোচিত হন। বিশেষ করে নরওয়ের বিপক্ষে আর্লিং হলান্ডকে ফাঁকা হেডের সুযোগ করে দেওয়াকে তার বড় ভুল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জোনাথন তাহও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে টাইব্রেকারে প্রথম শট মিস করে জার্মানির বিদায় ত্বরান্বিত করেন তিনি। আর লুকাস দিগনের ভুল থেকেই সেমিফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি পায় স্পেন।

মাঝমাঠে উরুগুয়ের অধিনায়ক ফেদেরিকো ভালভার্দে পুরো টুর্নামেন্টে কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। একইভাবে ক্লাব ফুটবলে উজ্জ্বল মৌসুম কাটিয়েও জাতীয় দলের হয়ে নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন ভিতিনিয়া। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই তাকে বদলি করা হয়েছিল, যা তার হতাশাজনক বিশ্বকাপের প্রতীক বলেই মনে করছে ব্লিচার রিপোর্ট।

জার্মান উইঙ্গার লেরয় সানেও সহজ সুযোগ নষ্ট, সিদ্ধান্তহীনতা ও ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সের কারণে জায়গা পেয়েছেন এই একাদশে।

ফ্লপ একাদশের কোচ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পর্তুগালের সাবেক কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। ব্লিচার রিপোর্টের দাবি, দলের সামগ্রিক কৌশলের চেয়ে রোনালদোকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন তিনি। ফলে দলীয় ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয় পর্তুগালকে। পরবর্তীতে স্পেনের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শেষ করে তারা।

ব্লিচার রিপোর্টের ২০২৬ বিশ্বকাপ ফ্লপ একাদশ-

গোলরক্ষক: ম্যানুয়েল নয়্যার
রক্ষণভাগ: রিস জেমস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, জোনাথন তাহ, লুকাস দিগনে
মাঝমাঠ: ফেদেরিকো ভালভার্দে, ভিতিনিয়া, লেরয় সানে
আক্রমণভাগ: ইয়ান দিওমান্দে, ননি মাদুয়েকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
কোচ: রবার্তো মার্তিনেজ

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা, নেই ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা, নেই ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। টুর্নামেন্টের পর এবার আসরের সেরা পারফরমারদের নিয়ে ‘টিম অব দ্য টুর্নামেন্ট’ ঘোষণা করেছে ফিফা। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের তিন ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন এই একাদশে।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্বকাপজুড়ে আলো ছড়ানো সাতটি ভিন্ন দেশের খেলোয়াড়দের নিয়ে সাজানো হয়েছে ফিফার এই সেরা দল। যা গড়া হয়েছে ৪-৩-৩ ফরমেশনে।

শিরোপাজয়ী স্পেনের হয়ে একাদশে জায়গা পেয়েছেন দুই ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পেরো। তাদের সঙ্গে মাঝমাঠে আছেন দলের অন্যতম ভরসা রদ্রি, যিনি পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং জিতেছেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার।

রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করছেন দুই ফুটবলার। আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, যিনি আরেকটি বিশ্বকাপে নিজের অসাধারণ ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিয়েছেন। রক্ষণভাগে আছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।

সেমিফাইনাল পর্যন্ত দারুণ ফুটবল খেলা ফ্রান্সের তিন খেলোয়াড়ও জায়গা পেয়েছেন সেরা একাদশে। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও মাইকেল ওলিসেকে রাখা হয়েছে আক্রমণভাগে, আর ডিফেন্সে আছেন দায়ো উপামেকানো।

ইংল্যান্ডের হয়ে মাঝমাঠে জায়গা পেয়েছেন জুড বেলিংহ্যাম। পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে তাকে বেছে নিয়েছে ফিফা। মিডফিল্ডার হয়েও এক আসরে ৭টি গোল করে রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।

স্ট্রাইকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। গোলের পর গোল করে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ফুটবলার ছিলেন তিনি।

আর গোলবারের নিচে জায়গা পেয়েছেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ সব সেভ করে বিশ্বকাপের অন্যতম অনুপ্রেরণার গল্পে পরিণত হন। স্পেন, উরুগুয়ে, সৌদি আরব এবং আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ অভিযানে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

বিশ্বকাপের উন্মাদনা শেষে এবার ঢাকায় 'দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ'

প্রকাশ: বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
বিশ্বকাপের উন্মাদনা শেষে এবার ঢাকায় 'দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ'

শেষ হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা। প্রায় দেড় মাস দুনিয়া মেতেছিল এই আসর ঘিরে। বাংলাদেশ কখনো বিশ্বকাপ খেলেনি, কখনো খেলবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তারপরও বিশ্বকাপ নিয়ে যে উৎসব তৈরি হয় তা দুনিয়া কাঁপানো আসরে খেলার দেশেও হয় না।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সত্যিই চ্যাম্পিয়ন। ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের হাই কমিশনাররা জায়ান্ট স্কিনে গভীর রাতে খেলা চলাকালে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন। দুজনই বলেছেন এমন উন্মাদনা তাদের দেশেও হয় না।

২০১৪ সালে জার্মানির রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, এমন উত্তেজনা দেখে আফসোস হয় বাংলাদেশ কেন বিশ্বকাপ খেলতে পারে না।

আসল বিশ্বকাপে খেলার সামর্থ্য নেই বলে বাংলাদেশও দুই বছর অন্তর একটি বিশ্বকাপ খেলে। আর তা হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বা সাফ ফুটবল। ফুটবলে এশিয়ার দেশগুলোর দুর্বলতার কথা কারও অজানা নয়। বিশ্বকাপে কখনো চ্যাম্পিয়ন হবে এ সম্ভাবনা নেই বললে চলে।

এখন পর্যন্ত বড় প্রাপ্তি ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সেমিফাইনাল খেলা। সাফ ফুটবল হয় দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল দলগুলো নিয়ে। যাদের বাংলাদেশের মতো স্বপ্নের বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা নেই বললে চলে।

সম্ভাবনা যখন নেই তখন সাফকেই দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ বলা হয়। কেননা এটাই এ অঞ্চলের ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। বিশ্বকাপ চলা অবস্থায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কোনো খবরই ছিল না। মিডিয়াজুড়েও শুধু বিশ্বকাপ আর বিশ্বকাপ।

স্পেনের উৎসব আর আর্জেন্টিনার বেদনা দিয়ে বিশ্ব ফুটবলের উন্মাদনা শেষ হয়েছে। অপেক্ষায় থাকতে হবে চার বছরই। সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন ঘোষণা দিয়েছে নভেম্বরেই পর্দা উঠবে সাফ ফুটবলের। তা হবে বিশ্বকাপের উন্মাদনার শহর ঢাকাতেই।

৪ থেকে ১৭ নভেম্বর হবে এ আসর। স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ভারত, মালদ্বীপ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ভুটান যে খেলবে তা নিশ্চিত। ফিফার নিষেধাজ্ঞা থাকায় নেপাল শেষ পর্যন্ত খেলতে পারবে কি না তা দেখার বিষয়।


সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম ক্যাটেল বলেন, ‘ঢাকাকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়ায় আমরা আনন্দিত। বিশ্বকাপ ঘিরে ঢাকাসহ বাংলাদেশে যে উন্মাদনা হয়েছিল আমার বিশ্বাস সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তার প্রভাব পড়বে।

ইতিহাসে জমকালো আয়োজনও হতে পারে।’ জমকালো বা বর্ণাঢ্য হোক দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপখ্যাত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ কী করবে সেটাই প্রশ্ন।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ফুটবল মান যে কতটা নিচে সাফকে বিশ্বকাপ বলাতেই তার প্রমাণ মেলে। বাংলাদেশ তো এই বিশ্বকাপেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারছে না। ২০০৩ সালে ঢাকাতে একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ। ২৩ বছর ধরে না পাওয়ায় তা স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

অতীতে যা-ই ঘটুক এবার জাতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। হামজা দেওয়ান চৌধুরী, সামিত সোম, জায়ান আহমেদ, ফাহমিদুল ইসলামরা লাল-সবুজের জার্সি পরায় নতুন আশার সঞ্চায় হয়েছে। রোনাল সুনিভাল ও ডেকান সুনিভালের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের খেলার মান আগের চেয়ে বেড়েছে। তারপর আবার সাফ চ্যাম্পিয়নটা হবে ঢাকাতেই। নিজ মাঠ, সমর্থক এখানে বাড়তি সুবিধা পাবেই। তা কাজে লাগিয়ে বিজয়ের নিশানা উড়বে আশা করা যেতেই পারে। বলা হচ্ছে একটা সাফ জিতলেই ফুটবলের চেহারা বদলে যাবে। মেয়েরা টানা দুই শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়েছেন। ২৩ বছর পর পুরুষরা হারানো গৌরব ফিরে পাবে এ প্রত্যাশা করা যেতেই পারে।