২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওয়াই-ফাই রাউটারে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর সহজ উপায়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
ওয়াই-ফাই রাউটারে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর সহজ উপায়

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে উচ্চগতির ইন্টারনেট কোনো বিলাসিতা নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। অনলাইন মিটিং, অনলাইন ক্লাস, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা সাধারণ ব্রাউজিং—সবকিছুর জন্যই একটি নির্ভরযোগ্য ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের বিকল্প নেই। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, চড়া মূল্য চুকিয়ে বেশ ভালো গতির ব্রডব্যান্ড প্যাকেজ ব্যবহার করার পরেও কাঙ্ক্ষিত স্পিড বা গতি পাওয়া যায় না।

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

ইন্টারনেট ডাউন বা ধীরগতির এমন বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে কোনো বড় ধরনের খরচ ছাড়াই কিছু সহজ ও কার্যকর কৌশল অবলম্বন করে ইন্টারনেটের কার্যকারিতা এবং গতি বহুলাংশে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অন্যতম প্রধান যে কারণটি কাজ করে, তা হলো ওয়াই-ফাই রাউটারটি ঘরের ঠিক কোন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। অনেকেই রাউটারকে আলমারি, টিভির পেছন বা মোটা দেয়ালের পাশে রাখেন, যা ওয়াই-ফাই সিগন্যালের পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে সংযোগ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই রাউটার এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে চারপাশ খোলা থাকে এবং সিগন্যাল সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

দেশ-বিদেশের খবর হোয়াটসঅ্যাপে পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে

রাউটারটি মাসের পর মাস দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা একটানা চালু থাকার কারণে এর অভ্যন্তরীণ প্রসেসর ও মেমোরির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যা ডিভাইসটির সার্বিক কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর রাউটার বন্ধ করে পর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে পুনরায় চালু করলে এর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতির সমস্যা দূর হয়।

রাউটারের অবস্থানও ইন্টারনেটের মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাসার এক কোণে রাউটার স্থাপন করলে দূরের কক্ষগুলোতে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই ঘরের কেন্দ্রীয় স্থানে রাউটার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে পুরো বাসায় তুলনামূলকভাবে সমান সিগন্যাল পৌঁছায়।

যদি এসব পদ্ধতিতেও সমস্যার সমাধান না হয়, অন্যান্য উপায়েও ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব। প্রয়োজন হলে রাউটারের রিসেট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকাংশ রাউটারে একটি ছোট রিসেট বাটন থাকে, যা চেপে ধরলে ডিভাইসটি ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যায়। এতে অনেক প্রযুক্তিগত ত্রুটি দূর হতে পারে। তবে রিসেট করার পর পুনরায় নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হবে।

এ ছাড়া রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতা উন্নত করতে নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে। পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ধীরগতির ইন্টারনেট মানেই যে নতুন বা আরও ব্যয়বহুল প্যাকেজ নিতে হবে, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে রাউটারের সঠিক ব্যবহার, অবস্থান পরিবর্তন, পুনরায় চালু করা, রিসেট করা কিংবা নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে সংযোগের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।

ফ্যানের সাথে ঝুলছিল প্রবাসীর স্ত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ, উদ্ধার করল পুলিশ

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
ফ্যানের সাথে ঝুলছিল প্রবাসীর স্ত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ, উদ্ধার করল পুলিশ

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে নিজ ঘর থেকে চাম্পা খাতুন (২২) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চার থেকে পাঁচ দিন আগে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত চাম্পা খাতুন শিবপুর গ্রামের আসলাম হোসেনের স্ত্রী। তার স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দুপুরে পাশের বাড়ির লোকজন ওই বাড়ির আশপাশে দুর্গন্ধ পান। পরে বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজ ঘরের বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় চাম্পা খাতুনের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চাম্পা খাতুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা, চার থেকে পাঁচ দিন আগে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন বলেন, সকালে পাশের বাড়ির লোকজন দুর্গন্ধ পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে চাম্পা খাতুনের লাশ দেখতে পান।

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

বিষাক্ত কেমিক্যাল গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশী প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিষাক্ত কেমিক্যাল গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশী প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু

সৌদি আরবের রিয়াদে এক সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে বিষাক্ত কেমিক্যাল গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে মো. আব্দুল্লাহ (৩০) নামের এক বাংলাদেশী প্রবাসীর। সহকর্মীর জীবনের তাগিদে নিজের জীবন বিলিয়ে দেওয়া এই আত্মত্যাগী যুবক গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার দুর্বাটি গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনের তৃতীয় ছেলে।

​বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি সময় দুপুর ৩টার দিকে রিয়াদের ‘আব্দুল লতিফ কোম্পানি’র একটি কর্মস্থলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ৭ বছর ধরে ওই কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন আব্দুল্লাহ। গত মাসেই ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে যোগ দেন তিনি। ঘটনার দিন কাজ করার সময় হঠাৎ বিষাক্ত কেমিক্যাল গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এক সহকর্মীকে বিপদাপন্ন দেখে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান পরোপকারী আব্দুল্লাহ। কিন্তু গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে তিনিসহ মোট চারজন ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

​নিহতের ভাই মো. আাসাদ উল্লাহ কান্নাভেজা কণ্ঠে জানান, সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়েই তাঁর ভাই নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। আব্দুল্লাহর এই আকস্মিক বিদায়ে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের আহাজারির পাশাপাশি ঘরে রেখে যাওয়া গর্ভবতী স্ত্রী ও আড়াই বছরের কন্যাসন্তান আসপিয়া নুরের বুকফাটা কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

​সহকর্মীর জীবন বাঁচাতে নিজের প্রাণ উৎসর্গ করার এই ঘটনায় রিয়াদের প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের শেষ স্মৃতিটুকু বুকে ধরে রাখতে ও শেষবারের মতো মুখটি দেখতে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের জরুরী হস্তক্ষেপ চেয়েছে শোকার্ত পরিবার।

জীবিকার তাগিদে রিয়াদে গিয়ে চিরতরে নিভে গেল দুই তরুণের প্রাণ

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
জীবিকার তাগিদে রিয়াদে গিয়ে চিরতরে নিভে গেল দুই তরুণের প্রাণ

উন্নত ভবিষ্যতের আশায় দেশ ছেড়ে সুদূর সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে ফিরতে হচ্ছে লাশ হয়ে। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের দুই প্রবাসী বাংলাদেশী।

​গত ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) দিবাগত মধ্যরাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন—কালীগঞ্জের মোক্তারপুর ইউনিয়নের ধনপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত আহসান উল্লাহ খন্দকারের ছেলে আলমগীর খন্দকার (৪৪) এবং একই ইউনিয়নের ধনপুর ফকিরপাড়া এলাকার মৃত রশিদ ফকিরের ছেলে ফরহাদ ফকির (৩৫)।

​নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আলমগীর ২০২২ সালের জুনে এবং ফরহাদ ২০২৪ সালের মার্চে জীবিকার তাগিদে রিয়াদে যান। দুজনই রিয়াদের আল-বাথা এলাকায় বসবাস করতেন এবং নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন।

শনিবার ভোরে স্বজনেরা তাঁদের মর্মান্তিক এই মৃত্যুর সংবাদ পান। নিহত আলমগীরের চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম খন্দকার খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।​সৌদি পুলিশ দুর্ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে বর্তমানে রিয়াদের আল-শুমাইসি হাসপাতালের হিমাগারে রেখেছে।

​প্রিয়জনদের অকাল মৃত্যুতে ধনপুর গ্রামে বইছে শোকের মাতম। স্বজনেরা জানান, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে গত ২০ সেপ্টেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে। আইনি সব দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষ হলেই স্বজনদের কাছে পৌঁছাবে তাঁদের মরদেহ। ​এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন।

আরো পড়ুন

বিষাক্ত কেমিক্যাল গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশী প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাবুল আহমেদের মৃত্যু

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাবুল আহমেদের মৃত্যু

কাতারে লুসাইলে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন প্রবাসী মোঃ বাবুল আহমেদ (৪৭)। ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

লুসাইল থেকে ফেরার পথে গাড়িতে সমস্যা হওয়ায় তিনি রাস্তার পাশে গাড়িটি থামিয়ে চেক করছিলেন। এ সময় আরেকটি গাড়ি এসে তাকে ধাক্কা দেয় এবং ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি একজন মিশরি ড্রাইভার চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

বাবুল আহমেদের ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শিবপুর খাসেরহাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১৭ বছর ধরে কাতারে বসবাস করছিলেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় কাতার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হামাদ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মোঃ বাবুল আহমেদের লাশ বর্তমানে হামাদ হাসাপাতালের মর্গে রাখা আছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি হলে তার লাশ দেশে পাঠানো হবে।

মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার আশায় ১৭ বছর আগে বাবুল বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি গভীর সংকটে পড়েছে।

নিহতের স্বজনরা বলেন, ‘হঠাৎ করে তার মৃত্যুর খবর শুনে আমরা ভেঙে পড়েছি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। মরদেহ দ্রুত দেশে আনার ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চাই।’

মরদেহ দ্রুত দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর এবং দাফনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

বাবুল আহমেদের দুই ছেলে ও ১ মেয়ে। তাঁর বড় ছেলে বর্তমানে কাতার প্রবাসী। এমন আকস্মিক মৃত্যু সংবাদে কাতারে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার জন্য কিছু খবর

রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ড: সেপ্টেম্বরের ২১ দিনেই দেশে এলো ২০৬ কোটি ডলার!

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ড: সেপ্টেম্বরের ২১ দিনেই দেশে এলো ২০৬ কোটি ডলার!

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনেই দেশে এসেছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৫ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে প্রবাসীরা দেশে যে অর্থ পাঠিয়েছেন, তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি। গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার।

সেপ্টেম্বরের এই প্রবাহের ফলে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৭৮৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৬৯৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আগস্টে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলারে।

এর আগে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। তার আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার।