আরব উপসাগর ও সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে কাতার।
এ লক্ষ্যে লেবানন, জর্ডান, তুরস্ক ও মিসরের শীর্ষ কূটনীতবিদ ও সরকারপ্রধানদের সাথে দফায় দফায় ফোনালাপ ও পরামর্শ করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী।
আলোচনায় কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর মধ্যে সমন্বয় রেখে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মুক্ত ও নিরাপদ সামুদ্রিক চলাচল নিশ্চিত করতে একটি সর্বসম্মত চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর কাতার তাদের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
যেসব নেতাদের সাথে কথা বলেছেন কাতার প্রধানমন্ত্রী
আঞ্চলিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান পৃথক ফোনালাপ করেছেন:
-
লেবানন: লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এবং পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রী ইউসেফ রাজির সাথে।
-
জর্ডান: জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদির সাথে।
-
তুরস্ক: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাথে।
-
মিসর: মিসরের পররাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী বদর আবদেলআতির সাথে।
ফোনালাপগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সামরিক সংঘাত এড়াতে কীভাবে যৌথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ জোরদার করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে জানান, সামুদ্রিক নাব্যতা ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। কাতার সবসময়ই সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিশ্বাসী।
এছাড়া লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সাথে আলাপকালে কাতার প্রধানমন্ত্রী লেবাননের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও দেশটির জনগণের প্রতি কাতারের অবিচল সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়েও ফোনালাপে আলোকপাত করা হয়।
