৩ নভেম্বর ২০২৬

৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: মঙ্গলবার, নভেম্বর ০৩, ২০২৬
৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

আরব উপসাগর ও সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে কাতার।

এ লক্ষ্যে লেবানন, জর্ডান, তুরস্ক ও মিসরের শীর্ষ কূটনীতবিদ ও সরকারপ্রধানদের সাথে দফায় দফায় ফোনালাপ ও পরামর্শ করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী।

আলোচনায় কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর মধ্যে সমন্বয় রেখে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মুক্ত ও নিরাপদ সামুদ্রিক চলাচল নিশ্চিত করতে একটি সর্বসম্মত চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর কাতার তাদের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

যেসব নেতাদের সাথে কথা বলেছেন কাতার প্রধানমন্ত্রী

আঞ্চলিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান পৃথক ফোনালাপ করেছেন:

  • লেবানন: লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এবং পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রী ইউসেফ রাজির সাথে।

  • জর্ডান: জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদির সাথে।

  • তুরস্ক: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাথে।

  • মিসর: মিসরের পররাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী বদর আবদেলআতির সাথে।

ফোনালাপগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সামরিক সংঘাত এড়াতে কীভাবে যৌথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ জোরদার করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে জানান, সামুদ্রিক নাব্যতা ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। কাতার সবসময়ই সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিশ্বাসী।

এছাড়া লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সাথে আলাপকালে কাতার প্রধানমন্ত্রী লেবাননের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও দেশটির জনগণের প্রতি কাতারের অবিচল সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়েও ফোনালাপে আলোকপাত করা হয়।

৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: মঙ্গলবার, নভেম্বর ০৩, ২০২৬
৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

আরব উপসাগর ও সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে কাতার।

এ লক্ষ্যে লেবানন, জর্ডান, তুরস্ক ও মিসরের শীর্ষ কূটনীতবিদ ও সরকারপ্রধানদের সাথে দফায় দফায় ফোনালাপ ও পরামর্শ করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী।

আলোচনায় কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর মধ্যে সমন্বয় রেখে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মুক্ত ও নিরাপদ সামুদ্রিক চলাচল নিশ্চিত করতে একটি সর্বসম্মত চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর কাতার তাদের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

যেসব নেতাদের সাথে কথা বলেছেন কাতার প্রধানমন্ত্রী

আঞ্চলিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান পৃথক ফোনালাপ করেছেন:

  • লেবানন: লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এবং পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রী ইউসেফ রাজির সাথে।

  • জর্ডান: জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদির সাথে।

  • তুরস্ক: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাথে।

  • মিসর: মিসরের পররাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী বদর আবদেলআতির সাথে।

ফোনালাপগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সামরিক সংঘাত এড়াতে কীভাবে যৌথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ জোরদার করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে জানান, সামুদ্রিক নাব্যতা ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। কাতার সবসময়ই সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিশ্বাসী।

এছাড়া লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সাথে আলাপকালে কাতার প্রধানমন্ত্রী লেবাননের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও দেশটির জনগণের প্রতি কাতারের অবিচল সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়েও ফোনালাপে আলোকপাত করা হয়।

আল জাজিরার ৩০ বছর পূর্তি: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আমীর শেখ তামিম

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬

"গল্পের পথচলা অব্যাহত..." প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আন্তর্জাতিক শীর্ষ সংবাদ মাধ্যম ‘আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক’-এর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

গত সন্ধ্যায় আল জাজিরা সদর দপ্তরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য এই বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানী।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর আমীর আল জাজিরার গত তিন দশকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, ইতিহাস ও অগ্রযাত্রার ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এছাড়া নেটওয়ার্কটির প্রতিষ্ঠাতা, মরহুম ফাদার আমীর শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানীর দৃষ্টিভঙ্গি ও গণমাধ্যমে আল জাজিরার ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

নতুন ডিজিটাল স্টুডিও ও নিউজ রুম পরিদর্শন

অনুষ্ঠান শেষে আমীর শেখ তামিম আল জাজিরার নতুন হাই-টেক স্টুডিও এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ নিউজ রুম পরিদর্শন করেন। এ সময় সম্প্রচার ও টেলিভিশন সংবাদ পরিবেশনায় ব্যবহৃত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্বমানের প্রযুক্তি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী, আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান শেখ হামাদ বিন সামের আল-থানী, ডিরেক্টর জেনারেল শেখ নাসের বিন ফয়সাল আল-থানী, দেশি-বিদেশি মন্ত্রী, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

তিন দশকের সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের ইতিহাস

১৯৯৬ সালে ফাদার আমীর শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানীর হাত ধরে মাত্র ৬ ঘণ্টার সম্প্রচার দিয়ে শুরু হওয়া আল জাজিরা আজ বিশ্ব গণমাধ্যমের অন্যতম পরাশক্তি।

গ্লোবাল নেটওয়ার্ক: বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে ৪৩ কোটি (৪৩০ মিলিয়ন) পরিবারে পৌঁছে যায় আল জাজিরা। বিশ্বের ৭০টিরও বেশি ব্যুরোতে ৯৫টি দেশের প্রায় ৩,০০০-এর বেশি কর্মী কাজ করছেন।

বিপ্লব ও সম্মাননা: ২০০১ সালে কাবুল ও ২০০৩ সালে বাগদাদে আল জাজিরার কার্যালয়ে হামলা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের সাহসী সাংবাদিকতা থামায়নি। ২০১১ সালের ‘আরব বসন্ত’-এর কভারেজের জন্য চ্যানেলটি মর্যাদাপূর্ণ ‘পীবডি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে।

সাংবাদিকদের আত্মত্যাগ: পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত আল জাজিরার ২৪ জনেরও বেশি সংবাদকর্মী শহীদ হয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম ২০২২ সালে জেনিনে নিহত শিরিন আবু আকলেহ এবং ২০২৫ সালে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত আনাস আল-শরীফ।

৩০ বছর পূর্তির এই বিশেষ মুহূর্তে আল জাজিরা তাদের নতুন ডিজিটাল চ্যানেল ‘আল জাজিরা নাও’ (Al Jazeera Now) এবং ৩০টিরও বেশি নতুন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানটির ৫ কোটি ২০ লাখ (৫২ মিলিয়ন) অনুসারী রয়েছে।

কমিউনিটি সংবাদ

৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কাতার যুবদলের অনুষ্ঠান

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কাতার যুবদলের অনুষ্ঠান

কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো যুবদল কাতার শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন কাতার যুবদল নেতা রাজু ফরাজি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবদল নেতা গাজী কাউসার।

এ সময় বক্তব্য রাখেন যুব নেতা আদনান কবির, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন রাজু , আব্দুল মালেক, জুবায়ের সিদ্দিকী, কবির হোসেন বাবুসহ আরো অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রবাসের মাটিতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।

কাতারের মধ্যস্থতা: যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
কাতারের মধ্যস্থতা: যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান

হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের প্রস্তাব ও প্রশ্নের জবাব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আরাঘচি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ, পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের ওপর।

এ সফরে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তেহরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আগে ঘোষণা করা সাতটি শর্তে অটল রয়েছে। এসব শর্তের বিষয়ে ওয়াশিংটনের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটি।

আরাঘচি জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দিন ধরে টানা যোগাযোগ চলছে। এতে চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। তবে ইরানের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিন সময় দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সময়সীমা কমিয়ে এখন দুই দিন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব এবং তাদের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ওপরই পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে বলে জানান আব্বাস আরাঘচি।

কাতারের এলএনজি জাহাজে হামলা: তীব্র নিন্দা দোহার

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬

আরব উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলসীমায় চলাচলকারী কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (নাকিলত/Nakilat)-এর মালিকানাধীন ‘আল মাইদা’ (Al Mayeda) নামক একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাহক জাহাজের ওপর এক দুষ্কৃতকারী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক উসকানিমূলক হামলার তীব্র ভাষা ও কড়া শব্দে নিন্দা জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌচলাচল রুটে এ ধরনের হামলা কেবল আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন নয়, বরং তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ চেইনের স্থায়িত্ব ও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এক মারাত্মক হুমকি এবং অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।

সুরক্ষিত আছেন ক্রুরা, বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা

ঘটনার পরপরই জাহাজ প্রস্তুতকারক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি ‘নাকিলত’ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর একটি আশ্বস্তকারী তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে যে:

  • ক্রুদের নিরাপত্তা: হামলায় জাহাজে থাকা নাবিক ও ক্রু সদস্যদের কেউ কোনো প্রকার শারীরিক আঘাত বা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হননি। সবাই সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ রয়েছেন।

  • পরিবেশগত ও ভৌত ক্ষতি: জাহাজের ওপর হামলা হওয়া সত্ত্বেও কোনো বড় ধরণের কাঠামোগত ধ্বংস বা পরিবেশগত বিপর্যয় (যেমন গ্যাস লিক বা মারাত্মক অগ্নিকাণ্ড) ঘটেনি।

আত্মরক্ষা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, কাতার সবসময়ই আন্তর্জাতিক শান্তি, অবাধ নৌচলাচল এবং কূটনৈতিক আলোচনার পক্ষে। তবে জাতীয় স্বার্থ ও নিজস্ব সম্পদের সুরক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।

আন্তর্জাতিক আইন, সামুদ্রিক সনদ ও কনভেনশন অনুযায়ী কাতার নিজেদের কৌশলগত সম্পদ, বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নাগরিকদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের প্রতিরক্ষামূলক বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকে দ্রুত ও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দোহা।