৫ নভেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০
সানার একটি স্থাপনা থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হুথি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো। দেশটির আল-জাওফ, আল-বায়দা, সা’দা ও তাইজ প্রদেশে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। খবর আল জাজিরার

হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকায় ১০৪টি হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে বেসামরিক স্থাপনাও ছিল। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলা চালানো হয় বলে জানান তিনি।

এদিকে বুধবার এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, আল-জাওফ প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত আল-দাহিদা পর্বতমালায় তারা আরও অগ্রসর হয়েছে। হুথিদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ অগ্রগতি অর্জন করেছে তারা। এর আগের দিনই ওই পর্বতমালার গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল সরকারি বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন স্থানে হুথিদের সমাবেশ ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় হুথি যোদ্ধাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এ ছাড়া ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগ বুধবার কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে অবরুদ্ধ তাইজ শহর ও আল-হাজম এলাকায় হুথি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলার দৃশ্য দেখা গেছে।

সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত

সৌদি আরব এবং সিরিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সম্প্রতি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে সৌদি আরব যখন নিজেদের নিরাপত্তা জোরদার করছে, ঠিক তখনই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এলো।

সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা রিয়াদ সফরে এসে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এক মাসের মধ্যে তাদের এটি দ্বিতীয় সাক্ষাৎ।

বৈঠকেই উভয় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার এই চুক্তিতে সই হয়।

সামরিক চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হুথি বিরোধী এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সিরিয়া সৌদি আরবকে কী ধরনের সাহায্য করতে পারে, চুক্তিটির মাধ্যমে সেই ভিত্তি তৈরি হলো।

এর আগে সিরীয় এক কূটনীতিক জানিয়েছিলেন, দুই দেশের যেকোনো সামরিক কিংবা অভিজ্ঞতা বিনিময় সরকারি চুক্তির মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।

প্রতিরক্ষা ছাড়াও সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন জোরদার করতে সৌদি আরব ৪০ কোটি ডলারের বেশি ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্পর্ক পুনর্গঠনে শুরু থেকেই সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি সরকার।

ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০
সানার একটি স্থাপনা থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হুথি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো। দেশটির আল-জাওফ, আল-বায়দা, সা’দা ও তাইজ প্রদেশে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। খবর আল জাজিরার

হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকায় ১০৪টি হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে বেসামরিক স্থাপনাও ছিল। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলা চালানো হয় বলে জানান তিনি।

এদিকে বুধবার এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, আল-জাওফ প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত আল-দাহিদা পর্বতমালায় তারা আরও অগ্রসর হয়েছে। হুথিদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ অগ্রগতি অর্জন করেছে তারা। এর আগের দিনই ওই পর্বতমালার গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল সরকারি বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন স্থানে হুথিদের সমাবেশ ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় হুথি যোদ্ধাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এ ছাড়া ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগ বুধবার কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে অবরুদ্ধ তাইজ শহর ও আল-হাজম এলাকায় হুথি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলার দৃশ্য দেখা গেছে।

জমজমের পানি পাচারের চেষ্টা, সৌদিতে শাস্তির মুখে অভিযুক্ত

প্রকাশ: বুধবার, নভেম্বর ০৪, ২০২৬
জমজমের পানি পাচারের চেষ্টা, সৌদিতে শাস্তির মুখে অভিযুক্ত

সৌদি আরব থেকে ৩৮০ লিটার জমজমের পানি পাচারের চেষ্টার দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩ হাজার ৮০০ সৌদি রিয়াল (এক লাখ ২৫ হাজার ৭০০ বাংলাদেশি টাকা) জরিমানা করেছেন দেশটির শুল্ক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি জব্দ করা হয়েছে পানির পুরো চালান।

সোমবার (২ নভেম্বর) খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত দ্বিতীয় প্রাথমিক শুল্ক কমিটির এক রায়ে এ আদেশ দেওয়া হয়।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে কিং ফাহদ কজওয়ে শুল্ক চেকপোস্টে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এর পেছনের ডিকিতে লুকিয়ে রাখা ৩৮০ লিটার জমজমের পানি উদ্ধার করেন শুল্ক কর্মকর্তারা।

শুল্ক কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সৌদি আরবের বিধি অনুযায়ী জমজমের পানি দেশটির বাইরে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। যথাযথ ঘোষণা ছাড়াই এসব পানি বহনের চেষ্টা করায় ঘটনাটিকে শুল্ক পণ্য পাচার হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

রায়ে ওই ব্যক্তিকে জব্দ পানির সমমূল্য ৩ হাজার ৮০০ রিয়াল জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা পানির চালান বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সরকারি কৌঁসুলির পক্ষ থেকে জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ড এবং জব্দ করা পণ্য বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তির আগে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড না থাকায় কারাদণ্ডের আবেদন নাকচ করেন কমিটি। তাদের মতে, আরোপিত অন্যান্য শাস্তিই এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট।

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর অভিন্ন শুল্ক আইনের ১৪২, ১৪৪ ও ১৪৫ নম্বর ধারার আওতায় এ রায় দেওয়া হয়েছে। এসব ধারায় শুল্ক পণ্য পাচারের সংজ্ঞা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের শাস্তির বিধান উল্লেখ রয়েছে।

সূত্র: খালিজ টাইমস

কেনিয়া ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি সৌদি আরবের

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
কেনিয়া ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি সৌদি আরবের

ইবোলা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কেনিয়ার নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সাথে কেনিয়া থেকে আগত ভ্রমণকারীদের সব ধরনের ভিসা প্রদান বন্ধ এবং দেশটিতে তাদের প্রবেশও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)-র বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, সৌদিতে পৌঁছানোর আগের ২১ দিনের মধ্যে কেনিয়া বা ইবোলা উপদ্রুত অঞ্চলে অবস্থান করেছিলেন—এমন ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের জুলাই থেকে এই নীতিমালা অনুসরণ করে আসছে দেশটি।

এর আগে চলতি বছরের জুনে ইবোলা নিয়ে উদ্বেগের কারণে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে নিজেদের নাগরিকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি ওই দেশগুলো থেকেও সৌদিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল রিয়াদ।

সৌদির জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কর্তৃপক্ষ ‘ওয়েগায়া’ জানিয়েছে, দেশটির সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

হুথিদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত!

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
হুথিদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত!

ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের গোপনে সহায়তা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

শুধু তাই নয়, সৌদি সমর্থিত বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করতে হুথিদের গোয়েন্দা তথ্যও সরবরাহ করছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এমন দাবির পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলেনি আমিরাত।

প্রতিবেদনে চারটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, আমিরাতের ঘনিষ্ঠ ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। বিষয়টি জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করছে আবুধাবি।

এর মধ্যে দুটি সূত্রের দাবি, আমিরাত সরাসরি হুথিদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে, যাতে তারা ইয়েমেনের ভেতরে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে পারে।

দুই পক্ষের যোগাযোগব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত এক ইয়েমেনি সূত্র জানিয়েছে, আমিরাত সানাভিত্তিক হুথি প্রশাসনকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে।

দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের পথ এখনো খোলা রয়েছে। এমনকি আমিরাতপন্থি সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নিজস্ব চ্যানেলও তৈরি করেছে হুথিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাত ও হুথিদের মধ্যে কথিত এই সহযোগিতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও হুথিদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক গভীর।

তবে চলতি বছরের শুরুতে ইয়েমেনে সৌদি আরবের কাছে আমিরাতের প্রভাব কমে যাওয়ার পর দুই পক্ষের স্বার্থের কিছুটা মিল তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ড্রপ সাইট নিউজ।

এর মাধ্যমে ইয়েমেনে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেখছে আবুধাবি। এদিকে সৌদি আরবে হুথিদের হামলা এবং ইয়েমেনের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে।

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও প্রধান বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এসব হামলার জেরে ‘ডাভোস ইন দ্য ডেজার্ট’ নামে পরিচিত ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনও বাতিল হয়েছে।

অন্যদিকে ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তারা তাইজ শহরে হুথিদের অবরোধ জোরদার এবং আবাসিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সৌদি ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার ঘোষণাও দিয়েছে কায়রো। অন্যদিকে ইরান সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।