৫ নভেম্বর ২০২৬

মার্কিন নির্বাচনে জয়, ফের স্টেট সিনেটর হলেন বাংলাদেশি শেখ রহমান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
মার্কিন নির্বাচনে জয়, ফের স্টেট সিনেটর হলেন বাংলাদেশি শেখ রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন। শেখ রহমান নামে পরিচিত এই রাজনীতিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছেন। সাধারণ নির্বাচনে তার বিপরীতে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি।

শেখ মুজাহিদুর রহমানের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর গ্রামে। তার এই অর্জনে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

জর্জিয়া স্টেট সিনেটের নির্বাচনি ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যটির ডিস্ট্রিক্ট-৫ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ রহমান। প্রাথমিক ফলাফলে তার নামে ৩৫ হাজার ১০১ ভোট দেখানো হয়েছে। তবে সাধারণ নির্বাচনে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় নিশ্চিত হয়।

এর আগে গত ১৯ মে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন তিনি। ওই নির্বাচনে শেখ রহমান পেয়েছিলেন ৬ হাজার ১৮৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাককয় পেয়েছিলেন ৫ হাজার ১৬৬ ভোট।

২০১৮ সালে প্রথমবার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন শেখ রহমান। তিনি অঙ্গরাজ্যটির প্রথম মুসলিম ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর হিসেবে পরিচিতি পান। এরপর থেকে সিনেটের ৫ নম্বর আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

শেখ রহমান কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজিবুর রহমানের ছেলে। তার বাবা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের আগরতলায় ‘জয় বাংলা যুব শিবির’-এর ক্যাম্প সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শেখ রহমান কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের বড় ভাই। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।

শেখ রহমানের জয়ের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার মা সৈয়দা হাজেরা খাতুন। ছেলের সাফল্যে আনন্দিত মা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলে একদিন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হবে।’

ছোট ভাই ও সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, বড় ভাইয়ের এই বিজয়ে তারা আনন্দিত। তিনি, তার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা শেখ রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। মাসের শেষ দিকে তার বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

শেখ রহমানের ভাতিজা শেখ রাফিদ রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় তার চাচার সিনেটর নির্বাচিত হওয়ায় পরিবার ও এলাকাবাসী গর্বিত। একজন বাংলাদেশি মুসলিম হিসেবে এই অর্জনের পথ সহজ ছিল না। ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় দায়িত্বে উন্নীত হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

১৯৮১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান শেখ রহমান। পরে জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে পরাজিত করে জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন শেখ মুজাহিদুর রহমান।

মার্কিন নির্বাচনে জয়, ফের স্টেট সিনেটর হলেন বাংলাদেশি শেখ রহমান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
মার্কিন নির্বাচনে জয়, ফের স্টেট সিনেটর হলেন বাংলাদেশি শেখ রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন। শেখ রহমান নামে পরিচিত এই রাজনীতিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছেন। সাধারণ নির্বাচনে তার বিপরীতে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি।

শেখ মুজাহিদুর রহমানের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর গ্রামে। তার এই অর্জনে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

জর্জিয়া স্টেট সিনেটের নির্বাচনি ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যটির ডিস্ট্রিক্ট-৫ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ রহমান। প্রাথমিক ফলাফলে তার নামে ৩৫ হাজার ১০১ ভোট দেখানো হয়েছে। তবে সাধারণ নির্বাচনে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় নিশ্চিত হয়।

এর আগে গত ১৯ মে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন তিনি। ওই নির্বাচনে শেখ রহমান পেয়েছিলেন ৬ হাজার ১৮৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাককয় পেয়েছিলেন ৫ হাজার ১৬৬ ভোট।

২০১৮ সালে প্রথমবার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন শেখ রহমান। তিনি অঙ্গরাজ্যটির প্রথম মুসলিম ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর হিসেবে পরিচিতি পান। এরপর থেকে সিনেটের ৫ নম্বর আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

শেখ রহমান কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজিবুর রহমানের ছেলে। তার বাবা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের আগরতলায় ‘জয় বাংলা যুব শিবির’-এর ক্যাম্প সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শেখ রহমান কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের বড় ভাই। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।

শেখ রহমানের জয়ের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার মা সৈয়দা হাজেরা খাতুন। ছেলের সাফল্যে আনন্দিত মা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলে একদিন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হবে।’

ছোট ভাই ও সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, বড় ভাইয়ের এই বিজয়ে তারা আনন্দিত। তিনি, তার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা শেখ রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। মাসের শেষ দিকে তার বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

শেখ রহমানের ভাতিজা শেখ রাফিদ রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় তার চাচার সিনেটর নির্বাচিত হওয়ায় পরিবার ও এলাকাবাসী গর্বিত। একজন বাংলাদেশি মুসলিম হিসেবে এই অর্জনের পথ সহজ ছিল না। ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় দায়িত্বে উন্নীত হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

১৯৮১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান শেখ রহমান। পরে জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে পরাজিত করে জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন শেখ মুজাহিদুর রহমান।

মালয়েশিয়া কর্মী পাঠাতে অননুমোদিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
মালয়েশিয়া কর্মী পাঠাতে অননুমোদিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে শুরু হবে। এর আগে কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা বা করানো যাবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা খুব শিগ‌গিরই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈ‌দে‌শিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এই তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

বিজ্ঞ‌প্তি‌তে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত মেডিকেল সেন্টারগুলোর বিষয়ে খোঁজখবর রাখার জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হলো। কোনো মেডিকেল সেন্টার সরকারি নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

৩১ অক্টোবরের আগে করা কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না।

কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। কিছু দালাল ও অসাধু এজেন্সি অনুমতি ছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের নিকট থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। কর্মীদের এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার এবং অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র এবং ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাসম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিল করা হতে পারে।

অবৈধ বা অনুমোদনহীন স্বাস্থ্য পরীক্ষা কিংবা এ ধরনের কার্যক্রমের তথ্য জানা থাকলে ঘটনার তারিখ, স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রমাণসহ মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হচ্ছে (ইমেইল[email protected])।

কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় মন্ত্রণালয় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখবে। সব সংশ্লিষ্ট কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।

জনস্বার্থে সরকারি এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ প্রবাসী বাংলাদেশি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ প্রবাসী বাংলাদেশি
লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ মিসরাতা শহরে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন

লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক থাকা আরও ১৭২ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে তাঁদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় মিসরাতা শহর থেকে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন। তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে সম্মত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন অসুস্থ রয়েছেন।

দেশে ফেরার আগে লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ মিসরাতা শহরে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রি-ডিপার্চার ব্রিফিংয়ে তিনি অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি এবং এর শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষতিকর দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিবিয়ায় আটক এবং স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দূতাবাস কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা বন্দিশালায় আটক বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিপদগ্রস্ত অভিবাসীদের দ্রুত দেশে ফেরাতে আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হচ্ছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরেন।

কুয়েতে ভারতকে হারিয়ে 'কিংস প্রিমিয়ার লিগ' চ্যাম্পিয়ন জিলিব প্রবাসী ক্রিকেট ক্লাব

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কুয়েতে ভারতকে হারিয়ে 'কিংস প্রিমিয়ার লিগ' চ্যাম্পিয়ন জিলিব প্রবাসী ক্রিকেট ক্লাব
চ্যাম্পিয়ন ‘জিলিব প্রবাসী ক্রিকেট ক্লাব’, ছবি: আরব টাইমস, কুয়েত।

কুয়েতে অভিবাসীদের নিয়ে আয়োজিত ‘কিংস প্রিমিয়ার লিগ’ (কেপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দল ‘জিলিব প্রবাসী ক্রিকেট ক্লাব’।

শুক্রবার কুয়েতের সুলাইবিয়া ক্রিকেট মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতীয় প্রবাসীদের দল ‘এশিয়ান ব্রাদার্স’-কে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে ট্রফি নিজেদের করে নেয় তারা।

কুয়েতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের মোট ১২টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দীর্ঘ ছয় মাসের লড়াই শেষে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

ফাইনালে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিলিব প্রবাসী ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন। আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে পড়ে এশিয়ান ব্রাদার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৪ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায়।

জবাবে ১২৫ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সূচনা করে জিলিব প্রবাসী দল। ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। ফাইনালে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন রাজু আহমেদ।

জয়ের পর অধিনায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “এই টুর্নামেন্টটি কুয়েতে অবস্থানরত বহুভাষী ও বহুজাতির প্রবাসীদের মাঝে ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক মানের এসব দলের বিপক্ষে লড়াই করে চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমাদের পুরো স্কোয়াডের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি কুয়েতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রেও এটি এক দারুণ অর্জন।”

বাংলাদেশিদের এই কৃতিত্বে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কুয়েতের সভাপতি মইন উদ্দিন সরকার সুমন।

তিনি বলেন, “প্রবাসে কঠোর দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মাঝেও আমাদের শ্রমজীবী প্রবাসী ভাইয়েরা যেভাবে খেলার মাঠে দক্ষতা, একাগ্রতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

সঠিক সহায়তা ও সুযোগ পেলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রবাসীদের এই সম্ভাবনা আরও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।”

১২ দিন পর কুয়েতে দুর্ঘটনায় নিহত জিয়ার মরদেহ দেশে ফিরল

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১২ দিন পর কুয়েতে দুর্ঘটনায় নিহত জিয়ার মরদেহ দেশে ফিরল

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ও সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে এক যুগ আগে কুয়েতে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেল তার জীবনপ্রদীপ। স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে যাওয়া হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার জিয়াউর রহমান জিয়া (৪৫) ১২ দিন পর দেশে ফিরলেন নিথর দেহে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে তাঁর মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছালে কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাহুবল উপজেলার নিভৃত পল্লী আব্দুল্লাহপুর গ্রামের পরিবেশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছালে কান্না ও আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে পুরো গ্রামের পরিবেশ। স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় সৃষ্টি হয় শোকাবহ পরিস্থিতি।

নিহত জিয়াউর রহমান জিয়া বাহুবল উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর কুয়েতে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন জিয়া। এরপর থেকেই প্রিয়জনের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে ১২ দিন পর তার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়।

আব্দুল্লাহপুর গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।