৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়: হৃদরোগে দুই সমর্থকের মৃত্যু

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়: হৃদরোগে দুই সমর্থকের মৃত্যু
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর মাঠেই বসে ছিলেন মেসি। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা-স্পেন মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আর্জেন্টিনায় দুই সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা (স্যাম) জানায়, রাজধানী বুয়েনস আইরেসে পৃথক দুটি ঘটনায় ৬৭ ও ৮৮ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে (হৃদরোগ) মারা যান। একই সময়ে আরও এক ৭২ বছর বয়সী ব্যক্তি হৃদরোগজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

প্রথম ব্যক্তির মৃত্যুর খবর রোববার (১৯ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে জানা যায়। আর দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি রাত ১০টার দিকে পাওয়া যায়।

জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা স্যাম জানিয়েছে, দুইজনকেই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছিল। একই সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত আরও এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যিনি এখনো সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

স্যামের সরকারি নথি অনুযায়ী, ৬৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির জন্য জরুরি কল আসে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে। ঘটনাস্থল ছিল বুয়েনস আইরেসের মনসেরাত এলাকার সারান্দি ও আদোলফো আলসিনা সড়কের একটি বাসা। চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছানোর আগেই উপস্থিত লোকজন তাকে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দিচ্ছিলেন।

স্যামের চিকিৎসকরা দীর্ঘ সময় ধরে পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা চালালেও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

দ্বিতীয় ভুক্তভোগী, ৮৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি, বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে একই ধরনের হৃদরোগজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হন। জরুরি বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর তার মেয়ে জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করেন। তখন তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে ছিলেন।

সিপিআর দেওয়ার পর তাকে দ্রুত দুরান্দ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পাঁচ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা বিষয়টি বুয়েনস আইরেস সিটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নিশ্চিত করেন।

একই ঘটনায় আক্রান্ত ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি বর্তমানে আলভারেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটের দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট ও বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর রাত ৮টা ৮ মিনিটে এই তিনটি ঘটনার তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

হৃদরোগে আক্রান্তদের পাশাপাশি ফাইনাল ঘিরে উদযাপনের সময় বুয়েনস আইরেসের ওবেলিস্ক এলাকা ও আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

স্যামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে গুরুতর দুর্ঘটনাটি ঘটে ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি লাভাইয়ে ও নুয়েভে দে হুলিও অ্যাভিনিউয়ের মোড়ে প্রায় চার মিটার উঁচু থেকে পড়ে যান। এতে তার বাঁ পায়ে গুরুতর ভাঙন ও স্থানচ্যুতি (লাক্সোফ্র্যাকচার) হয় এবং তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ছাড়া ৪০ বছর বয়সী এক নারী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে তার জ্ঞান না ফেরায় জরুরি চিকিৎসাসেবা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উদযাপনের সময় অতিরিক্ত মদ্যপানজনিত অসুস্থতা এবং বিভিন্ন ধরনের আঘাতের ঘটনাও ঘটে। ২৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের পর হৃদ্‌স্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া (ব্র্যাডিকার্ডিয়া) ও নিম্ন রক্তচাপে আক্রান্ত হন। ২৩ বছর বয়সী আরেক তরুণ অসুস্থ হলেও চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ছাড়া বোতলের আঘাতে এক ব্যক্তির হাত ও মাথার ত্বক কেটে যায়। মারামারি ও পড়ে যাওয়ার ঘটনায় কয়েকজন মুখমণ্ডল ও নাকে আঘাত পান। সেরিতো এলাকায় ৩৪ বছর বয়সী এক নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানের ছড়ে যাওয়া ক্ষতের চিকিৎসা দেওয়া হয়। আরেক ব্যক্তি নিচের অঙ্গে আঘাত পান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৪৪ বছর বয়সী এক নারী আতঙ্কজনিত (প্যানিক অ্যাটাক) সমস্যায় আক্রান্ত হলে তাকে রামোস মেহিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পাশাপাশি হাঁপানির তীব্র আক্রমণ ও স্নায়বিক জটিলতায় আক্রান্ত আরও কয়েকজনকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

আর্মেনিয়া ইমিগ্রান্টস স্কয়ারে সংঘর্ষে আহত তিনজন পুরুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও তাদের কাউকে হাসপাতালে নিতে হয়নি।

এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ চলাকালেও স্যাম হৃদরোগে একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল। সেদিন আরও ছয়টি হৃদরোগসংক্রান্ত জরুরি ঘটনারও তথ্য প্রকাশ করা হয়। নিহত ব্যক্তি ছিলেন ৫১ বছর বয়সী একজন পুরুষ।

সেই ম্যাচে বুয়েনস আইরেস শহরে মোট সাতজন হৃদরোগসংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হন। তাদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং তিনজন নারী ছিলেন। সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের মধ্যে বুকে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট এবং প্রাণঘাতী করোনারি জটিলতার ঘটনা ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যন্ত আবেগঘন ও চাপপূর্ণ ফুটবল ম্যাচের সময় হৃদরোগসংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ইনফোবায়ে-এর সঙ্গে কথা বলা বিভিন্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলাকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বুকে ব্যথা, অনিয়মিত হৃদ্‌স্পন্দন (অ্যারিদমিয়া) এবং অন্যান্য হৃদরোগজনিত সমস্যার রোগীর সংখ্যা সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

কোচ জেরার্ড জোন্সকে বরখাস্ত করল বাফুফে

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
কোচ জেরার্ড জোন্সকে বরখাস্ত করল বাফুফে

উজবেকিস্তানে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ দলের চরম ব্যর্থতা এবং টানা দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের দায়ে প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্সকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। দলের বাজে পারফরম্যান্স এবং সাম্প্রতিক মাঠের বাইরের নানা বিতর্ক পর্যালোচনার পর জরুরি ভিত্তিতে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ব্রিটিশ কোচ জোন্সকে ই-মেইলের মাধ্যমে বরখাস্তের চূড়ান্ত বার্তা পাঠানো হয়। বাফুফের একটি বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, গত দুই ম্যাচে দলের কৌশলগত ভুল এবং খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্সে স্পষ্ট ঘাটতি দেখে ফেডারেশন কর্তারা ক্ষুব্ধ ছিলেন।

বিশেষ করে সিরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দেশের ফুটবল অঙ্গনে যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়, তা সামাল দিতেই টুর্নামেন্টের মাঝপথে কোচকে সরিয়ে দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

বাফুফের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জোন্সের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে তিনিই প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন।

সিরিয়ার কাছে হারের পর গত রাতেই জোন্সকে টিম হোটেল থেকে সরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তাকে বর্তমানে দলের মূল আবাসন থেকে সরিয়ে অন্য একটি হোটেলে রাখা হয়েছে। দলের ম্যানেজার সামিদ কাশেম এবং ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আতিকুর রহমান মিশুকে এই পরিবর্তনের কথা জানিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, জেরার্ড জোন্সকে নিয়োগ দেয়ার পর থেকেই বাফুফে দফায় দফায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। কখনো বেতন নিয়ে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আবার কখনো ঢাকায় টিম হোটেলে সহকারী কোচের সাথে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় পুলিশ ডাকার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। মাঠের বাইরের এতসব কেলেঙ্কারির পরেও তাকেই অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রধান কোচ করে উজবেকিস্তানে পাঠিয়েছিল বাফুফে, যা নিয়ে ফুটবল মহলে আগে থেকেই প্রশ্ন ছিল।

কিন্তু উজবেকিস্তানে গিয়ে মাঠের লড়াইয়েও চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন জোন্স। দুই ম্যাচে বাংলাদেশ কোনো গোল তো করতেই পারেনি, উল্টো হজম করেছে ৫টি গোল। দলের এমন ছন্নছাড়া দশা এবং কোচের অপেশাদার আচরণের কারণেই তাকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছে ফেডারেশন।

আজ উজবেকিস্তানে রিকভারি সেশন করবেন নাজমুল-আব্বাসরা। স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় আতিকুর রহমান মিশুর অধীনেই প্রথমবার অনুশীলনে নামবে বাংলাদেশ দল। এখন দেখার বিষয়, কোচ পরিবর্তনের পর টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে টাইগাররা ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না।

মেসির ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন কে?

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
মেসির ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন কে?

যেই দিনটি কেউ চাইছিল না, সেটাই এসে গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন লিওনেল মেসি। হাতে লেখা একটি বার্তা ও এক আবেগঘন ভিডিও দিয়ে রোজারিওর জাদুকর তার সাফল্যে ভরা অধ্যায়ের ইতি টানলেন। এখন আলবিসেলেস্তের ১০ নম্বর জার্সি উঠবে নতুন কারও গায়ে। আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে এই জার্সির উত্তরসূরি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রহস্যই থেকে যাবে।

মেসি প্রথমবার এই আইকনিক জার্সি পরেছিলেন ২০০৯ সালের ২৮ মার্চ, জাতীয় দলে যখন কোচ ছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। এই জার্সিতে অভিষেকেই তার ক্যারিয়ারের দারুণ সূচনা এনে দেন, ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৪-০ গোলে ম্যাচটি জেতে আলবিসেলেস্তেরা। তারপর থেকে এই জার্সি তার গায়েই শোভা পেয়েছে।

মেসি অবসর নেওয়ায় নতুন নাম্বার টেন খুঁজে বের করা এখন বাধ্যতামূলক। মেসি বাদে এই জার্সি শেষবার পরেছিলেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে। ১-০ গোলে হারের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে এই জার্সি পরে মাঠে নামেন তিনি। তারও আগে উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে অ্যাঞ্জেল কোরেয়া ১০ নম্বর জার্সি পরেছিলে। পাওলো দিবালাও পেয়েছিলেন ১০ নম্বর জার্সি পরার সুযোগ, চিলির বিপক্ষে। কিন্তু এই তিনজনের কেউই শেষ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ছিলেন না।

লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা দলে নিয়মিত ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে নিজ ক্লাবের হয়ে ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলছেন। ইন্টার মিলানের হয়ে লাউতারো মার্টিনেজ, লিভারপুলে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও কোমার নিকোলাস পাজ। তাদের আগেও নিজ নিজ ক্লাবের হয়ে একটা সময় এই জার্সি পরেছিলেন রদ্রিগো দি পল (রেসিং ও উদিনেসে), লিয়ান্দ্রো পারেদেস (বোকা), থিয়াগো আলমাদা (ভেলেজ ও আতলান্তা ইউনাইটেড), জিওভানি লু সেলসো (রোজারিও সেন্ট্রাল) ও নিকোলাস গঞ্জালেজ (আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্স ও ফিওরেন্তিনা)।

তবে মাঠে মেসির স্থলাভিষিক্ত হওয়া অনেক বেশি কঠিন। শুধু তিনি যা প্রতিনিধিত্ব করেন তার জন্যই নয়, বরং এই বয়সেও মাঠে তিনি যা কিছু অবদান রেখেছেন, তার জন্যও। গত দুটি বিশ্বকাপেই অবিশ্বাস্য সব কীর্তি গড়েছেন তিনি। তাকে ঘিরেই যেন দল আবর্তিত ছিল। যদিও শেষটা ভুলে যাওয়ার মতো হয়েছে উত্তর আমেরিকায়।

গত বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সিধারী মেসি সেন্টার ফরোয়ার্ডের স্ট্রাইক পার্টনার হিসেবে খেলেছেন, যে ভূমিকায় শুরুতে ছিলেন লাউতারো মার্টিনেজ, পরে হুলিয়ান আলভারেজ। জর্ডানের বিপক্ষে যে ম্যাচেই কেবল বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন মেসি, সেই ম্যাচে লাউতারো ও আলভারেজ জুটি বেঁধে আক্রমণে খেলেছেন। সম্ভবত এই পজিশন থেকেই কেউ মেসির ১০ নম্বর জার্সির উত্তরসূরি হবেন।

আরও পড়ুন

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিলেন ফিফা সভাপতি

দুবাইয়ে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দুবাইয়ে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের

এশিয়া কাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসর শুরু করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ইন্দোনেশিয়ার ইনিংস থামে মাত্র ৫৮ রানে।

আরও পড়ুন

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

মেসির ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন কে?

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। তৃতীয় ওভারে ৭ বলে ৮ রান করে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা। এরপর দিলারা আক্তার দোলা ও সোবহানা মোস্তারি দ্বিতীয় উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন। ৪ চারে ৩১ বলে ২৭ রান করেন দিলারা। পরে জ্যোতির সঙ্গে সোবহানার ২৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়। অধিনায়ক ১১ বলে ১০ রান করে ফিরলেও সোবহানা করেন ৪২ বলে ৪০ রান। GeographicReference

শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ১৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করে বাংলাদেশের সংগ্রহকে ১২৯-এ নিয়ে যান। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে নি কাদেক আরিয়ানি ২৮ রানে নেন ৩ উইকেট।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে ইন্দোনেশিয়া। পাওয়ার প্লের মধ্যেই দুটি উইকেট তুলে নেন মারুফা আক্তার। এরপর স্পিনারদের ঘূর্ণিতে দ্রুত গুটিয়ে যায় তাদের ব্যাটিং। নাহিদা আক্তার ৪ ওভারে ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন। মারুফা ৩ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাহিমা খাতুন নেন একটি করে উইকেট। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ১২ রান করেন মারিয়া করাজোন।

আগামী রোববার একই মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১২৯/৮ (সোবহানা ৪০, স্বর্ণা ৩১*, দিলারা ২৭; আরিয়ানি ৩/২৮)

ইন্দোনেশিয়া: ১৭.৩ ওভারে ৫৮/১০ (করাজোন ১২, পাঙ্গেসতুতি ৯; নাহিদা ৩/১৫, মারুফা ২/৬)

ফল: বাংলাদেশ ৭১ রানে জয়ী

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

২০১৬ সালে মেসি কেন এতটা ভেঙে পড়েছিলেন যে অবসর ঘোষণা করেছিলেন?
প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

লিওনেল মেসির জীবনে ২০১৬ সালের সেই রাতটা ছিল সবচেয়ে যন্ত্রণার। আর্জেন্তিনার হয়ে আরও একটি ফাইনালে হার, তার উপর টাইব্রেকারে নিজের পেনাল্টি মিস। সেই ধাক্কা এতটাই গভীর ছিল যে, ম্যাচ শেষেই জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা করেছিলেন মেসি।

কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরই বদলে যায় সিদ্ধান্ত। দেশের প্রতি ভালোবাসায় ফের আর্জেন্তিনার জার্সি গায়ে মাঠে নামেন তিনি। তার পরের গল্পে এসেছে বিশ্বকাপ-সহ একের পর এক সাফল্য। আজ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় নেওয়ার পর তাই ফিরে দেখা যাক, কেন ২০১৬ সালে এতটা ভেঙে পড়েছিলেন মেসি?

ফাইনালে হার, নিজের পেনাল্টি মিস
২০১৬ সালের জুনে কোপা আমেরিকা শতবর্ষের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্তিনা ও চিলি। নির্ধারিত সময় এবং অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচ গোলশূন্য থাকায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই চিলির কাছে হেরে যায় আর্জেন্তিনা। আর সেই টাইব্রেকারে নিজের পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। এই হার মেসির কাছে ছিল অত্যন্ত যন্ত্রণার। কারণ তার আগেও বড় মঞ্চের ফাইনালে বারবার হতাশ হতে হয়েছিল তাঁকে।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে হার। তার পর ২০১৫ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হার। ২০১৬ সালেও একই দলের কাছে একই ভাবে হার। অর্থাৎ ন’ বছরের মধ্যে বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার চারটি ফাইনালে হারের সাক্ষী হয়েছিলেন মেসি।

তখন আর সেই হতাশা সামলাতে পারেননি তিনি। ম্যাচের পরই জাতীয় দল থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করেছিলেন লিও। সেই সময় মেসি বলেছিলেন, ‘আমার কাছে জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ। আমি যা যা করতে পারতাম, সব করেছি। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারাটা খুব কষ্টের। চারটি ফাইনাল খেলেছি, চেষ্টা করেছি। এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। কিন্তু সেটা পূরণ করতে পারিনি। তাই মনে হয়, এ বার শেষ।’

আরও পড়ুন

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিলেন ফিফা সভাপতি

কয়েক সপ্তাহেই বদলে গেল সিদ্ধান্ত
তবে সেই অবসর বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন মেসি। ২০১৬ সালের অগস্টে জানিয়ে দেন, আবার আর্জেন্তিনার হয়ে খেলতে চান। আসলে জাতীয় দলের প্রতি মেসির টান এতটাই গভীর ছিল যে, ফাইনালের সেই তীব্র হতাশা ধীরে ধীরে তাঁর সিদ্ধান্ত বদলে দেয়। নিজের দেশ এবং জাতীয় দলের জার্সির প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে ফের মাঠে টেনে আনে। অবসর ভেঙে ফিরে এসে মেসি বলেছিলেন, ‘আমি এই দেশ এবং এই জার্সিটাকে খুব বেশি ভালোবাসি।’

শুধু ফিরে আসাই নয়, আর্জেন্তিনার ফুটবলের সমস্যাগুলির সমাধানও ভিতর থেকে করতে চেয়েছিলেন তিনি। বাইরে থেকে সমালোচনা না করে দলের সঙ্গেই থেকে পরিবর্তনের অংশ হতে চেয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমি বাইরে থেকে সমালোচনা করার চেয়ে ভিতর থেকে এই কাজটা করতেই বেশি পছন্দ করি।’

সেই প্রত্যাবর্তনই বদলে দিল মেসির গল্প
২০১৬ সালে যে মেসি একটি ফাইনালে হারের পর ভেঙে পড়ে জাতীয় দল ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই মেসিই কয়েক বছর পর আর্জেন্তিনার ফুটবলের সবচেয়ে বড় সাফল্যের নায়ক হয়ে ওঠেন। অবসর থেকে ফেরার পাঁচ বছর পর ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা জেতে আর্জেন্তিনা। সেটিই ছিল মেসির প্রথম বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর জাতীয় দলের হয়ে প্রথম বড় সাফল্য পাওয়ার পর যেন বদলে যায় তাঁর গল্প।

তার পর হয় মেসির সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনাকে নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বকাপ জেতেন তিনি। সাতটি গোল করে জেতেন গোল্ডেন বলও। এর পর ২০২২ সালের ফাইনালিসিমায় ইতালিকে হারায় আর্জেন্তিনা। ২০২৪ সালে আবার কোপা আমেরিকা জেতে তারা। অর্থাৎ ২০১৬ সালে যে মেসি মনে করেছিলেন, জাতীয় দলের হয়ে আর কিছু দেওয়ার নেই, তিনিই পরের কয়েক বছরে আর্জেন্তিনাকে একের পর এক বড় ট্রফি এনে দেন।

এর পর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপেও আর্জেন্তিনার নেতৃত্বে ছিলেন মেসি। দলকে পৌঁছে দিয়েছিলেন ফাইনালে। কিন্তু সেখানে স্পেনের কাছে ০-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ ধরে রাখার স্বপ্নভঙ্গ হয়। তবু এ বারের বিদায় ২০১৬ সালের মতো কোনও হতাশার মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। বরং আর্জেন্তিনার হয়ে কোপা আমেরিকা, বিশ্বকাপ-সহ প্রায় সব বড় সাফল্য ছুঁয়ে, নিজের স্বপ্ন পূরণ করেই জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেন মেসি।

সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিলেন ফিফা সভাপতি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিলেন ফিফা সভাপতি

দীর্ঘ ২১ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি। জাতীয় দলে অসাধারণ সময় কাটানোর জন্য বিদায়বেলায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একইসঙ্গে বিশ্বের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ফিফা সভাপতি।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০৭ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন ১২৫ গোল, যা দলটির পক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড। ২০২২ বিশ্বকাপের শিরোপার পাশাপাশি দুটি কোপা আমেরিকা (২০২১ ও ২০২৪) জিতেছেন তিনি। নিজের ঝুলিতে আরও পুরেছেন ফিনালিসিমা।

আরও পড়ুন
আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

মেসির অবসরের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ইন্সটাগ্রামে ইনফান্তিনো লিখেছেন, ‘একটি অসাধারণ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য (লিওনেল মেসিকে) অভিনন্দন, যা লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং সুন্দর এই (ফুটবল) খেলাটিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।’

তিনি যোগ করেছেন, ‘২০২২ ফিফা বিশ্বকাপজয়ী, আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোল করার পাশাপাশি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডের অধিকারী— তোমার এই জাদুকরী প্রতিভা ও বিনয় চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ফিফা প্রধান আরও লিখেছেন, ‘(আর্জেন্টিনার) জার্সিতে অবিস্মরণীয় সব স্মৃতি উপহার দেওয়ার জন্য এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। তোমার জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।’

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

সবশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের দুই দিন পর জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। এর এক মাসেরও বেশি সময় পর তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার প্রকাশ করেছেন তার সিদ্ধান্ত।

ইন্সটাগ্রামে হাতে লেখা নোট পোস্ট করে বিদায় জানিয়ে মেসি লিখেছেন, ‘ফাইনালের পর এতদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে অনেক ভাবনাচিন্তার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি...।’

আরও পড়ুন
এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

সবশেষে একটি টীকায় তিনি লিখেছেন, ‘এই কথাগুলো আমি লিখেছিলাম গত ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর। আমার বাবার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার (মৃত্যু) পর, আমি আগের চেয়েও এই বিষয়ে (আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে অবসর নেওয়া) বেশি নিশ্চিত।’

গত ৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে মারা যান মেসির বাবা হোর্হে মেসি। দীর্ঘ অসুস্থতার পর রোসারিওর একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্সেলোনায় পাড়ি জমানোর প্রথম দিকের বছরগুলো থেকে শুরু করে মেসির গোটা ক্যারিয়ারেই ছায়ার মতো নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন হোর্হে।