১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দুবাইয়ে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের

এশিয়া কাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসর শুরু করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ইন্দোনেশিয়ার ইনিংস থামে মাত্র ৫৮ রানে।

আরও পড়ুন

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

মেসির ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন কে?

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। তৃতীয় ওভারে ৭ বলে ৮ রান করে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা। এরপর দিলারা আক্তার দোলা ও সোবহানা মোস্তারি দ্বিতীয় উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন। ৪ চারে ৩১ বলে ২৭ রান করেন দিলারা। পরে জ্যোতির সঙ্গে সোবহানার ২৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়। অধিনায়ক ১১ বলে ১০ রান করে ফিরলেও সোবহানা করেন ৪২ বলে ৪০ রান। GeographicReference

শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ১৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করে বাংলাদেশের সংগ্রহকে ১২৯-এ নিয়ে যান। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে নি কাদেক আরিয়ানি ২৮ রানে নেন ৩ উইকেট।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে ইন্দোনেশিয়া। পাওয়ার প্লের মধ্যেই দুটি উইকেট তুলে নেন মারুফা আক্তার। এরপর স্পিনারদের ঘূর্ণিতে দ্রুত গুটিয়ে যায় তাদের ব্যাটিং। নাহিদা আক্তার ৪ ওভারে ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন। মারুফা ৩ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাহিমা খাতুন নেন একটি করে উইকেট। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ১২ রান করেন মারিয়া করাজোন।

আগামী রোববার একই মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১২৯/৮ (সোবহানা ৪০, স্বর্ণা ৩১*, দিলারা ২৭; আরিয়ানি ৩/২৮)

ইন্দোনেশিয়া: ১৭.৩ ওভারে ৫৮/১০ (করাজোন ১২, পাঙ্গেসতুতি ৯; নাহিদা ৩/১৫, মারুফা ২/৬)

ফল: বাংলাদেশ ৭১ রানে জয়ী

দুবাইয়ে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দুবাইয়ে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের

এশিয়া কাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসর শুরু করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ইন্দোনেশিয়ার ইনিংস থামে মাত্র ৫৮ রানে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। তৃতীয় ওভারে ৭ বলে ৮ রান করে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা। এরপর দিলারা আক্তার দোলা ও সোবহানা মোস্তারি দ্বিতীয় উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন। ৪ চারে ৩১ বলে ২৭ রান করেন দিলারা। পরে জ্যোতির সঙ্গে সোবহানার ২৬ রানের জুটি বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়। অধিনায়ক ১১ বলে ১০ রান করে ফিরলেও সোবহানা করেন ৪২ বলে ৪০ রান। GeographicReference

শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ১৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করে বাংলাদেশের সংগ্রহকে ১২৯-এ নিয়ে যান। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে নি কাদেক আরিয়ানি ২৮ রানে নেন ৩ উইকেট।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে ইন্দোনেশিয়া। পাওয়ার প্লের মধ্যেই দুটি উইকেট তুলে নেন মারুফা আক্তার। এরপর স্পিনারদের ঘূর্ণিতে দ্রুত গুটিয়ে যায় তাদের ব্যাটিং। নাহিদা আক্তার ৪ ওভারে ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন। মারুফা ৩ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাহিমা খাতুন নেন একটি করে উইকেট। ইন্দোনেশিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ১২ রান করেন মারিয়া করাজোন।

আগামী রোববার একই মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১২৯/৮ (সোবহানা ৪০, স্বর্ণা ৩১*, দিলারা ২৭; আরিয়ানি ৩/২৮)

ইন্দোনেশিয়া: ১৭.৩ ওভারে ৫৮/১০ (করাজোন ১২, পাঙ্গেসতুতি ৯; নাহিদা ৩/১৫, মারুফা ২/৬)

ফল: বাংলাদেশ ৭১ রানে জয়ী

সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিলেন ফিফা সভাপতি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিলেন ফিফা সভাপতি

দীর্ঘ ২১ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি। জাতীয় দলে অসাধারণ সময় কাটানোর জন্য বিদায়বেলায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একইসঙ্গে বিশ্বের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ফিফা সভাপতি।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০৭ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন ১২৫ গোল, যা দলটির পক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড। ২০২২ বিশ্বকাপের শিরোপার পাশাপাশি দুটি কোপা আমেরিকা (২০২১ ও ২০২৪) জিতেছেন তিনি। নিজের ঝুলিতে আরও পুরেছেন ফিনালিসিমা।

আরও পড়ুন
আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

মেসির অবসরের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ইন্সটাগ্রামে ইনফান্তিনো লিখেছেন, ‘একটি অসাধারণ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য (লিওনেল মেসিকে) অভিনন্দন, যা লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং সুন্দর এই (ফুটবল) খেলাটিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।’

তিনি যোগ করেছেন, ‘২০২২ ফিফা বিশ্বকাপজয়ী, আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোল করার পাশাপাশি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডের অধিকারী— তোমার এই জাদুকরী প্রতিভা ও বিনয় চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ফিফা প্রধান আরও লিখেছেন, ‘(আর্জেন্টিনার) জার্সিতে অবিস্মরণীয় সব স্মৃতি উপহার দেওয়ার জন্য এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। তোমার জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।’

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

সবশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের দুই দিন পর জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। এর এক মাসেরও বেশি সময় পর তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার প্রকাশ করেছেন তার সিদ্ধান্ত।

ইন্সটাগ্রামে হাতে লেখা নোট পোস্ট করে বিদায় জানিয়ে মেসি লিখেছেন, ‘ফাইনালের পর এতদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে অনেক ভাবনাচিন্তার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি...।’

আরও পড়ুন
এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

সবশেষে একটি টীকায় তিনি লিখেছেন, ‘এই কথাগুলো আমি লিখেছিলাম গত ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর। আমার বাবার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার (মৃত্যু) পর, আমি আগের চেয়েও এই বিষয়ে (আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে অবসর নেওয়া) বেশি নিশ্চিত।’

গত ৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে মারা যান মেসির বাবা হোর্হে মেসি। দীর্ঘ অসুস্থতার পর রোসারিওর একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্সেলোনায় পাড়ি জমানোর প্রথম দিকের বছরগুলো থেকে শুরু করে মেসির গোটা ক্যারিয়ারেই ছায়ার মতো নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন হোর্হে।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে যেসব শিরোপা জিতেছেন মেসি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
আর্জেন্টিনার জার্সিতে যেসব শিরোপা জিতেছেন মেসি

লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা এসেছে বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের মধ্য দিয়ে। ২০০৫ সালে শুরু হওয়া পথচলার ২১ বছর পর ৩৯ বছর বয়সে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন তিনি। এ দীর্ঘ সময়ে শুধু আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সর্বাধিক ম্যাচ খেলা ফুটবলারই হননি শুধু, জিতেছেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় সব আন্তর্জাতিক শিরোপাও।

বিশ্বকাপ জয়
মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ। ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জেতান তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলও জেতেন মেসি।

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসির আরও কিছু অনন্য কীর্তি রয়েছে। তিনি ছয়টি বিশ্বকাপে খেলেছেন এবং মোট ২১ গোল করেছেন। বিশ্বকাপে তার অ্যাসিস্ট ১২টি, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালসহ তিনি বিশ্বকাপে মোট ৩৩ ম্যাচ খেলেছেন।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপেও মেসি আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন। জার্মানির কাছে অতিরিক্ত সময়ে হেরে সেবার শিরোপা হাতছাড়া হলেও টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছিলেন তিনি। সর্বশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপেও প্রায় একক নৈপূন্যে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে তুলে আনেন মেসি। যদিও ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি তারা।

দুইবার কোপা আমেরিকা জয়
মেসির ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক শিরোপার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের মধ্য দিয়ে। ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা শিরোপা জয় করে। এটি ছিল জাতীয় দলের হয়ে মেসির প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা। সে সঙ্গে ২৮ বছর পর আর্জেন্টিনাকে কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা উপহার দেন তিনি।

এরপর ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকার শিরোপা জয় করে আর্জেন্টিনা। ফলে মেসির ট্রফির তালিকায় যোগ হয় দ্বিতীয় কোপা আমেরিকা। তিনি কোপা আমেরিকার ইতিহাসে সর্বাধিক ৩৯ ম্যাচ খেলা ফুটবলারও। সাতটি আসরে অংশ নিয়ে করেছেন ১৪ গোল।

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

ফাইনালিসিমা জয়
২০২২ সালে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন ইতালির বিপক্ষে ফাইনালিসিমা জয়েও আর্জেন্টিনার নেতৃত্ব দেন মেসি। ওয়েম্বলিতে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে আলবিসেলেস্তেরা। মেসি ম্যাচে দুটি গোলে সহায়তা করেন।

অলিম্পিক স্বর্ণ ও অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ
মূল জাতীয় দলের বাইরে বয়সভিত্তিক পর্যায়েও আর্জেন্টিনার হয়ে সাফল্যের সাক্ষী মেসি। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনাকে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জেতান তিনি। একই আসরে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারও জয় করেন।

২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনার হয়ে স্বর্ণ পদক জয় করেন মেসি। ফলে যুব পর্যায় থেকেই দেশের জার্সিতে তার সাফল্যের শুরু হয় তার।

আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ গোলদাতা
জাতীয় দলের হয়ে মেসির শেষ পরিসংখ্যান- ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল। তিনি আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সর্বাধিক ম্যাচ খেলা ফুটবলার।

২০০৫ সালে অভিষেকের পর প্রায় দুই দশক ধরে দেশের জার্সিতে গোলের পর গোল করেছেন তিনি। তার ১২৫ গোল আর্জেন্টিনার আর কোনো খেলোয়াড়ের কাছাকাছিও নেই। মেসির পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা। তিনি করেছেন ৫৬ গোল। দিয়েগো ম্যারাডোনার গোল ৩৪টি। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার হলেন হ্যাভিয়ের মাচেরানো, ১৪৭টি।

বিশ্বকাপের দুই গোল্ডেন বল
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেসি একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি দুইবার গোল্ডেন বল জয় করেন- ২০১৪ ও ২০২২ সালে। ২০১৪ সালে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলার পর এবং ২০২২ সালে দলকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পথে তিনি এই পুরস্কার জেতেন।

আরও পড়ুন

এক নজরে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

১০ বছর আগেই অবসর নিয়েছিলেন মেসি, কী এমন ঘটেছিল, অবসর ভাঙলেনই বা কেন?

অধিনায়ক হিসেবে সাফল্য
মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে সোনালি অধ্যায় শুরু হয় ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা থেকে। এরপর ২০২২ সালে ফাইনালিসিমা, একই বছর বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকা- টানা চারটি বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।

এর আগে অবশ্য হতাশাও কম ছিল না। ২০০৭ সালের কোপা আমেরিকা, ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ- চারটি বড় ফাইনালে হেরে শিরোপাবঞ্চিত হয়েছিলেন মেসি। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর একপর্যায়ে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণাও দিয়েছিলেন তিনি। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলে আবার আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফেরেন।

শেষ পর্যন্ত সেই প্রত্যাবর্তনই হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তন। যে মেসিকে একসময় জাতীয় দলের হয়ে শিরোপা জিততে না পারার জন্য সমালোচিত হতে হয়েছিল, তিনিই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ, দুই কোপা আমেরিকা, ফাইনালিসিমা, অলিম্পিক সোনা ও অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ- আর্জেন্টিনার হয়ে সম্ভাব্য প্রায় সব বড় আন্তর্জাতিক সম্মান জিতে বিদায় নিলেন।

আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ার এক নজরে
ম্যাচ: ২০৭
গোল: ১২৫
বিশ্বকাপ: ২০২২ চ্যাম্পিয়ন
কোপা আমেরিকা: ২০২১ ও ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন
ফাইনালিসিমা: ২০২২ চ্যাম্পিয়ন
অলিম্পিক: ২০০৮ স্বর্ণ
অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ: ২০০৫ চ্যাম্পিয়ন
বিশ্বকাপ গোল: ২১
বিশ্বকাপ অ্যাসিস্ট: ১২
বিশ্বকাপ গোল্ডেন বল: ২০১৪ ও ২০২২
বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ: ৬টি
আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ গোলদাতা: ১২৫
আর্জেন্টিনার সর্বাধিক ম্যাচ: ২০৭
আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট: ৬৮টি।

অর্থাৎ, মেসির বিদায় শুধু একজন ফুটবলারের অবসর নয়; এটি আর্জেন্টিনা ফুটবলের এক দীর্ঘ ও ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি।

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে লিওনেল মেসির দীর্ঘ পথচলা ঘিরে আবেগঘন বার্তা দিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দেশটির ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। এএফএ লিখেছে, ‘আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর যাত্রা উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। তোমার উত্তরাধিকার ও পেশাদারত্ব চিরকাল আমাদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে।’

বার্তার শেষে মেসিকে ‘অধিনায়ক’ হিসেবে সম্বোধন করে এএফএ বলেছে, ‘ধন্যবাদ, অধিনায়ক। আমরা তোমাকে ভালোবাসি।’

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় মেসি লিখেছেন, ‘ফাইনালের পর থেকে অনেকটা সময় কেটে গেছে। অনেক ভেবে আমি সবাইকে জানাতে চাই, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি।’

সিদ্ধান্তটি নেওয়া সহজ ছিল না। বরং ভেতর থেকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছে তাকে। তবে এখন মনে করছেন, এটাই সঠিক সময়। জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি, ‘বিশ্বাস করুন, আমি সব সময় সবকিছু দিয়েছি। শুধু শেষ কয়েক বছরে নয়, তারও আগে থেকে। এই জার্সির জন্য, আপনাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য, ফুটবলের মাধ্যমে আর্জেন্টাইন হওয়ার গর্বটা আপনাদের আরও অনুভব করানোর জন্য আমি সব সময় লড়ে গেছি।’

বিদায়ের সময়টা তাই মেসির কাছে আরও বেশি কঠিন, ‘সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, একের পর এক অধ্যায়ও শেষ হয়ে যাচ্ছে। এটাও এমন একটি অধ্যায়, যা আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। আমি জাতীয় দলকে ভালোবাসি, ভালোবেসেছি এবং সব সময় ভালোবাসব।’

আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই দশকের ভালোবাসার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘২০ বছরের এই ভালোবাসা আমি ভীষণ মিস করব। ভেতর থেকে আপনাদের সমর্থন শোনার অনুভূতিটাও খুব মনে পড়বে। এখন থেকে বাইরে থেকে আপনাদেরই একজন হয়ে থাকব—সব সময় সমর্থন করব, ভালো সময়ে যেমন, খারাপ সময়ে আরও বেশি।’

এই দীর্ঘ যাত্রায় পরিবারের অবদানও আলাদা করে স্মরণ করেছেন তিনি, ‘আমার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা। সব সময় পাশে থাকার জন্য, এই সুন্দর অথচ কঠিন যাত্রায় আমাকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য।’

কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন কোচ, সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের প্রতিও। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়কে নিজের জীবনের অমূল্য স্মৃতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, ‘আমি শান্তি ও গর্ব নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। সতীর্থদের সঙ্গে মিলে আপনাদের এমন কিছু মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছি, যেগুলো স্বপ্নের মতো। আপনাদের সঙ্গে সেগুলো বেঁচে থাকার অনুভূতি ছিল অবিশ্বাস্য।’

এরপর মাত্র তিনটি শব্দ লিখেছেন—‘আমি তোমাদের ভালোবাসি।’

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা লিওনেল মেসির

আন্তর্জাতিক ফুটবলের রঙিন মঞ্চে যবনিকা টানলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন ও দীর্ঘ খোলা চিঠির মাধ্যমে আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই কিংবদন্তি মহাতারকা।

নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সেই আবেগাপ্লুত বার্তায় দেশের জার্সিকে বিদায় জানানোর কঠিন সিদ্ধান্তের পেছনের অনুভূতি ও স্মৃতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন মেসি। পাঠকদের জন্য তাঁর দেওয়া পোস্টটির বিস্তারিত অনুবাদ ও মূল বক্তব্য তুলে ধরা হলো:

“ফাইনালের পর অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়েছে। গভীর পর্যালোচনা ও চিন্তাভাবনার পর আজ আমি সবাইকে অবগত করতে চাই—জাতীয় দল থেকে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা আমার জন্য অত্যন্ত পীড়াদায়ক ছিল, হৃদয়ের ভেতর এখনও সেই তীব্র অনুভূতি রয়ে গেছে। তবে আমি উপলব্ধি করতে পারছি, সরে দাঁড়ানোর এখনই মোক্ষম সময়। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, সবসময় নিজের শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি।

মেসির অবসর ঘোষণার পর যা বলছে আর্জেন্টিনা ফুটবল

শুধু সাম্প্রতিক এই সফল বছরগুলোতেই নয়, তারও বহু আগে থেকেই। এই জার্সির মর্যাদা রক্ষা, স্বদেশবাসীর মুখে আনন্দ ও হাসি ফোটানো এবং ফুটবলের মাধ্যমে যেন আপনারা নিজেদের আর্জেন্টাইন পরিচয় নিয়ে বিশ্বমঞ্চে গর্ববোধ করতে পারেন—সেই লক্ষ্যেই নিরন্তর সংগ্রাম করেছি এবং নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েছি। সময়ের স্বাভাবিক নিয়মে জীবনের একেকটি সোনালী অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে।

এই অধ্যায়টির ইতি টানা আমার জন্য ভীষণ যন্ত্রণার। জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাকে আমি আজীবন ভালোবেসেছি এবং চিরকাল ভালোবেসে যাব। নিজের ভেতরের সবটুকু নিংড়ে দিয়েছি, দেশকে দেওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাছাড়া, বর্তমান পাইপলাইনে অসাধারণ সব প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যাদের জাতীয় দলের মঞ্চে জায়গা পাওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা রয়েছে। বিগত ২০ বছর ধরে আপনারা যে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন জুগিয়েছেন, তার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।

মাঠের ভেতর থেকে আপনাদের সেই গর্জন ও কণ্ঠস্বর আমি গভীরভাবে মিস করব। তবে এখন থেকে আমি আপনাদের মতোই একজন সাধারণ সমর্থক—মাঠের বাইরে থেকে সর্বদা দলের পাশে থাকব ও সমর্থন দিয়ে যাব। সুসময়ের মতো দুঃসময়েও আমার এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

আমার পরিবারের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ—প্রতিটি পদক্ষেপে পাশে থাকার জন্য এবং এই অভাবনীয় অথচ বন্ধুর পথচলায় আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী হওয়ার জন্য। ক্যারিয়ারে যেসব কোচ, সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সান্নিধ্য পেয়েছি, তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আপনাদের সবার সঙ্গে কাটানো অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো আমি আজীবন হৃদয়ে ধারণ করব—এগুলোই আমার জীবনের অমূল্য সম্পদ।

আমার হৃদয়ে এখন শুধুই অপার শান্তি এবং আত্মতৃপ্তি—সতীর্থদের সঙ্গে মিলে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের এমন কিছু ঐতিহাসিক ও স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছি, যা হয়তো আমরা নিজেরাও কখনো কল্পনা করিনি। আপনাদের সঙ্গে সেই অর্জনগুলো উদযাপনের অভিজ্ঞতা ছিল এককথায় অবিশ্বাস্য ও পরাবাস্তব।

আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি!

আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে এই পৃথিবীতে পাঠানোর জন্য হে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, তোমার দরবারে অনন্ত কৃতজ্ঞতা।

চলো এগিয়ে যাই আর্জেন্টিনা।”

মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সর্বশেষ ম্যাচ হয়ে থাকল ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের রুদ্ধশ্বাস ফাইনাল। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়বিদারক পরাজয়ের পর মাঠে অঝোরে কাঁদতে দেখা গিয়েছিল এই মহাতারকাকে। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সোনালী স্বপ্ন হাতছোঁয়া দূরত্বে এসে ভঙ্গ হয় আলবিসেলেস্তেদের।

এর আগে ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হেরে আবেগাপ্লুত হয়ে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। তবে ভক্ত-সমর্থকদের আকুল আবেদন ও ভালোবাসায় দ্রুতই জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।

এরপর ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে কাতারে আর্জেন্টিনাকে কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ এনে দিয়ে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে অমরত্বের রূপ দেন এই জাদুকর। দীর্ঘ দুই দশকের রূপকথাতুল্য যাত্রার ইতি টেনে অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন আর্জেন্টিনার ফুটবল ঈশ্বর।