৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নিউমার্কেটে একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এতে শহরজুড়ে হঠাৎ তীব্র আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে, ফলে সেখানে অবস্থানরত এবং বাংলাদেশ থেকে যাওয়া পর্যটকেরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, কলকাতায় গত ১৯ আগস্ট সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় চিকিৎসা বা অন্যান্য কারণে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা ভ্রমণকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে নিম্নলিখিত নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

কলকাতায় আগমনের আগে সংশ্লিষ্ট হোটেলের বুকিং নিশ্চিত করে এবং হোটেলটির বর্তমান কার্যক্রম, কক্ষের প্রাপ্যতা ও অবস্থান সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত হয়ে ভ্রমণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আগত রোগীর সফরসঙ্গীদের কলকাতায় আসার আগেই হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোটেলের কক্ষের প্রাপ্যতা, বুকিংয়ের বৈধতা, হোটেল থেকে হাসপাতালের দূরত্ব এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে কলকাতায় আগমনের আগেই নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কলকাতায় সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য দুর্ঘটনাপ্রবণ আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁগুলো সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে। স্থানীয় নিরাপত্তা বিধি ও অন্যান্য নিয়ম কানুন মেনে ওই হোটেলগুলো পুনরায় চালু হতে মাসখানেকের বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় এসে আবাসনের সমস্যায় পড়া এড়াতে অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত না করে ভ্রমণ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

প্রবাসী রুবেলের মৃত্যু, মরদেহ আনতে দালালের ৬ লাখ টাকা দাবি

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
প্রবাসী রুবেলের মৃত্যু, মরদেহ আনতে দালালের ৬ লাখ টাকা দাবি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ভবানী পুর নামাপাড়া গ্রামের প্রবাসী রুবেল মিয়া (২৪) কম্বোডিয়ায় মারা গেছেন। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে দালাল ৭ লাখ টাকা দাবি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫ টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে দেশটির পোচেনটং রেফারেল হাসপাতালে মারা যান তিনি।

রুবেলের পরিবারের অভিযোগ, রুবেল মিয়া ৫ লাখ টাকা দালাল কামরুল ইসলামকে দিয়ে দেড় বছর আগে কম্বোডিয়া যান। সেখানে যাওয়ার পর পাসপোর্ট জোর করে নিয়ে যাওয়ায় এতদিন অবৈধভাবে জীবনযাপন করছিলেন তিনি। এরমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লে পোচেনটং রেফারেল হাসপাতালে মারা যান তিনি। রুবেলের মরদেহ দেশে আনতে এখন ৬ লাখ দাবি করছেন দালাল কামরুল।

দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এত টাকা দিয়ে মরদেহ আনা সম্ভব নয় বলে প্রবাসী রুবেলের বাড়িতে বিলাপ চলছে। ছেলের মুখখানা শেষবারের মত দেখতে বৃদ্ধ পিতা-মাতা সরকারের কাছে আকুতি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী ও রুবেলের পরিবার জানায়, জমি বিক্রি করে দালাল কামরুলকে ৫ লাখ টাকা দিয়ে কম্বোডিয়া গিয়েছিল। কিন্তু দেড় বছর কাজকর্ম না দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে যাওয়ায় অবৈধভাবে বসবাস করে আসছিলেন রুবেল। এমনকি, বাড়ি থেকে টাকা পাঠালে সেই টাকা দিয়ে খাবার খেত।

রুবেলের সঙ্গে স্থানীয় আরও ৪ যুবক অবৈধভাবে তাবু টানিয়ে বসবাস করছিল। রাতে তাবুতেই রুবেল অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার সঙ্গে থাকা স্থানীয় যুবক মিনহাজ রুবেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রুবেলের কৃষক বারা সামু মিয়া ফকির বলেন, ‘সংসারে স্বচ্ছলতা আনতে জমি বিক্রি করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়ে ছিলাম। দেড় বছরে এক টাকাও সে বাড়িতে পাঠাতে পারেনি। উল্টো বাড়ি থেকে টাকা পাঠালে খাবার পেত।’

তিনি আরও বলেন, ‘৬০ হাজার টাকা পাঠালে দেশে আসার আকুতির কথা ছেলে জানিয়েছিল কিন্ত দিতে পারি নাই। এখন ছেলের লাশ দেশে আনতে দালাল কামরুল ৬ লাখ টাকা চান।’

মিয়া ফকির বলেন, ‘আমি গরীর মানুষ এত টাকা আমি কেমনে দিমু।’

রুবেলের মা মিনারা খাতুন বলেন, ‘ভিসা না দিয়ে আমার ছেলের পাসপোর্ট নিয়ে গিয়েছিল দালাল। অবৈধভাবে বসবাস করে মানসিক যন্ত্রনায় তার মৃত্যু হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার ছেলের মুখ দেখে মরতে চাই।’

কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নিউমার্কেটে একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এতে শহরজুড়ে হঠাৎ তীব্র আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে, ফলে সেখানে অবস্থানরত এবং বাংলাদেশ থেকে যাওয়া পর্যটকেরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, কলকাতায় গত ১৯ আগস্ট সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় চিকিৎসা বা অন্যান্য কারণে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা ভ্রমণকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে নিম্নলিখিত নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

কলকাতায় আগমনের আগে সংশ্লিষ্ট হোটেলের বুকিং নিশ্চিত করে এবং হোটেলটির বর্তমান কার্যক্রম, কক্ষের প্রাপ্যতা ও অবস্থান সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত হয়ে ভ্রমণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আগত রোগীর সফরসঙ্গীদের কলকাতায় আসার আগেই হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোটেলের কক্ষের প্রাপ্যতা, বুকিংয়ের বৈধতা, হোটেল থেকে হাসপাতালের দূরত্ব এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে কলকাতায় আগমনের আগেই নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কলকাতায় সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য দুর্ঘটনাপ্রবণ আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁগুলো সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে। স্থানীয় নিরাপত্তা বিধি ও অন্যান্য নিয়ম কানুন মেনে ওই হোটেলগুলো পুনরায় চালু হতে মাসখানেকের বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় এসে আবাসনের সমস্যায় পড়া এড়াতে অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত না করে ভ্রমণ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

প্রবাসীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে আহত দুই, আটক ১

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
প্রবাসীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে আহত দুই, আটক ১

মাদারীপুরে এক ইতালি প্রবাসীর বসতবাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পেয়ারপুর গ্রামের ইতালি প্রবাসী রাজ্জাক মোল্লার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

আটক সালাউদ্দিন গাজী সদর উপজেলার মধ্য পেয়ারপুর গ্রামের মাফেজ গাজীর ছেলে। সে সম্পর্কে ইতালি প্রবাসীর খালাতো ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ইতালি প্রবাসী রাজ্জাক মোল্লার বাড়ির পেছনের কক্ষে ভোররাতে হঠাৎ হাতবোমা বিস্ফোরণ হয়। এতে আহত হন অন্তত দুইজন।

এ সময় টিনশেড ঘরের বেড়া উড়ে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্জাক মোল্লার খালাতো ভাই সালাউদ্দিন গাজীকে আটক করে পুলিশ। পাশাপাশি পুলিশ বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহও করে।

পুলিশের ধারণা, ইতালি প্রবাসীর ঘরে বসে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় জড়িতদের ধরতে এরমধ্যে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে মাঠে নেমেছে একাধিক টিম।

তিনি বলেন, আটক সালাউদ্দিন গাজীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে আহতরা গ্রেফতার আতঙ্কে এখনো সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হননি।

ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে বাংলাদেশিসহ আটক ৯৬

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৬
ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে বাংলাদেশিসহ আটক ৯৬

ক্রোয়েশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টার সময় বাংলাদেশিসহ ৯৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক করেছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সীমান্ত পুলিশ।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) সীমান্ত নজরদারি অভিযানে পৃথক দু’টি ঘটনায় তাদের আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার দেশটির কর্মকর্তারা জানান, বুধবার বিকেলে বিস্ত্রিৎসা গ্রামের কাছে দু’টি নৌকা থেকে ৬৩ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৪০ জন পাকিস্তানি ও ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক। এ সময় দু’জনকে মানবপাচারকারী হিসেবে সন্দেহ করা হয়। পরে সন্ধ্যায় একই এলাকায় আরও ৩৩ জনকে আটক করা হয়।

তাদের মধ্যে ১৮ জন আফগান, ১৩ জন বাংলাদেশি ও দু’জন পাকিস্তানি নাগরিক। আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্স সার্ভিসের বানিয়া লুকা ফিল্ড সেন্টারকে জানানো হয়েছে।

ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সীমান্ত পুলিশ।

এনআইডি পেয়েছেন ১৪ দেশের ৫৪ হাজারের বেশি প্রবাসী

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
এনআইডি পেয়েছেন ১৪ দেশের ৫৪ হাজারের বেশি প্রবাসী

প্রবাসে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার কার্যক্রমে ১৪টি দেশের ৫৪ হাজার ৪৭৭ জন এনআইডি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৮ হাজারের বেশি স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এনআইডি অনুবিভাগের আগস্ট মাসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের কর্মকর্তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন অফিসারের তদন্ত শেষে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে তিন হাজার ৫৩৬টি আবেদন। তদন্ত শেষে ৫৪ হাজার ৪৭৭টি আবেদন অনুমোদন পেয়েছে।

তদন্তের পর বাতিল হয়েছে ২৬ হাজার ৫৯৫টি আবেদন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশে ভোটার নিবন্ধনের জন্য মোট ৯৯ হাজার ৮১৫টি আবেদন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৬২ হাজার ৫৮৯ জনের বায়োমেট্রিক গ্রহণ করা হয়েছে। এখনো ৩৭ হাজারের বেশি আবেদনের বায়োমেট্রিক গ্রহণ বাকি রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। আবুধাবি ও দুবাই স্টেশনে মোট ২৪ হাজার ৮২৫টি আবেদন জমা পড়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৬২১টি আবেদন এসেছে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ও বার্মিংহাম স্টেশনে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, মিশিগান, ওয়াশিংটন ডিসি ও লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেশনে আবেদন পড়েছে ১৮ হাজার ৪৭২টি।

এ ছাড়া ইতালিতে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার, সৌদি আরবে প্রায় সাত হাজার, কুয়েতে পাঁচ হাজার ৯২১টি এবং কাতারে চার হাজার ৮২৯টি আবেদন এসেছে।

মালয়েশিয়া থেকে আবেদন করেছেন দুই হাজারের বেশি প্রবাসী। কানাডার অটোয়া ও টরন্টো স্টেশনে তিন হাজার ৭৯৪টি এবং ওমানের মাসকাটে দুই হাজার ৫৭৩টি আবেদন পাওয়া গেছে। অস্ট্রেলিয়ায় আবেদন পড়েছে এক হাজার ৪৫৯টি।

জাপানের টোকিও স্টেশনে ৩৬৫টি আবেদনের বিপরীতে বায়োমেট্রিক নেওয়া হয়েছে ২০৮টির। মালদ্বীপে ৩২৮টি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় ১৩৯টি আবেদন এসেছে। ইসির ২৭ আগস্ট পর্যন্ত করা সারসংক্ষেপে ১৪টি দেশ ও ২৪টি স্টেশনের তথ্য রয়েছে।

২০১৯ সালে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়। ওই বছরের ৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় এবং ১৮ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

বর্তমানে ১৪টি দেশের পাশাপাশি নতুন কয়েকটি দেশকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, সিঙ্গাপুর ও বাহরাইনকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪ আগস্ট সিঙ্গাপুরে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। উদ্বোধনের দিন তিন প্রবাসী বাংলাদেশির হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়া হয়।