রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি নির্মাণাধীন গ্যাস প্রকল্পে পাইপ বিস্ফোরণে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার আব্দুল কুদ্দুস চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা পরিবারের সদস্য। এছাড়া মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির ফকির নামে আরেকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কুদ্দুসের বড় ভাই আব্দুল আলীম বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় জানতে পারছি আমার ভাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এখন একটাই চাওয়া, ভাইয়ের লাশটা যেন আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।’
এর আগে ২৫ আগস্ট রাশিয়ার এজিসিসি নামক প্রকল্পের সিনোপেক প্ল্যান্টে প্রাথমিক গ্যাস সরবরাহ পরীক্ষার সময় পাইপে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রাজবাড়ির বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস ও মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির ফকির। পরে তাদের উদ্ধার করা গেলেও আব্দুল কদ্দুস আজ মারা গেছে। ওই ঘটনায় আরও ৩৫ বাংলাদেশে শ্রমিক আহত হন বলে জানা গেছে।
নিহত আব্দুল কুদ্দুস জেলার পাংশা উপজেলার যশাই ইউনিয়নের ধোঁপাকেল্লা গ্রামের মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে। প্রায় দেড় বছর আগে তিনি রাশিয়া যান। সেখানে সিনোপেক প্ল্যান্ট নামক কোম্পানিতে কাজ করছিলেন। কুদ্দুসের পরিবারের সদস্যদের দাবি, বাংলাদেশ সরকার যেন যে কোন উপায়ে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনে।
চিকিৎসাধীন মনির ফকির জেলার পাংশা পৌরসভাধীন চরমোদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রবাসীদের বরাতে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, দুর্ঘটনার পর মনির নিখোঁজ ছিল। এখন তার সন্ধান পওয়া গেছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মস্কো শহরে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব
মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: ছাত্রদল-বিএনপির দুই নেতা কারাগারে
প্রবাসী কর্মীদের বিমান ভাড়া সহনশীল রাখতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ