১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাশিয়ায় গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে প্রবাসীর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন আরেকজন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাশিয়ায় গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে প্রবাসীর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন আরেকজন

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি নির্মাণাধীন গ্যাস প্রকল্পে পাইপ বিস্ফোরণে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার আব্দুল কুদ্দুস চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা পরিবারের সদস্য। এছাড়া মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির ফকির নামে আরেকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

কুদ্দুসের বড় ভাই আব্দুল আলীম বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় জানতে পারছি আমার ভাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এখন একটাই চাওয়া, ভাইয়ের লাশটা যেন আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।’

এর আগে ২৫ আগস্ট রাশিয়ার এজিসিসি নামক প্রকল্পের সিনোপেক প্ল্যান্টে প্রাথমিক গ্যাস সরবরাহ পরীক্ষার সময় পাইপে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রাজবাড়ির বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস ও মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির ফকির। পরে তাদের উদ্ধার করা গেলেও আব্দুল কদ্দুস আজ মারা গেছে। ওই ঘটনায় আরও ৩৫ বাংলাদেশে শ্রমিক আহত হন বলে জানা গেছে।

নিহত আব্দুল কুদ্দুস জেলার পাংশা উপজেলার যশাই ইউনিয়নের ধোঁপাকেল্লা গ্রামের মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে। প্রায় দেড় বছর আগে তিনি রাশিয়া যান। সেখানে সিনোপেক প্ল্যান্ট নামক কোম্পানিতে কাজ করছিলেন। কুদ্দুসের পরিবারের সদস্যদের দাবি, বাংলাদেশ সরকার যেন যে কোন উপায়ে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনে।

চিকিৎসাধীন মনির ফকির জেলার পাংশা পৌরসভাধীন চরমোদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রবাসীদের বরাতে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, দুর্ঘটনার পর মনির নিখোঁজ ছিল। এখন তার সন্ধান পওয়া গেছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মস্কো শহরে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: ছাত্রদল-বিএনপির দুই নেতা কারাগারে

প্রবাসী কর্মীদের বিমান ভাড়া সহনশীল রাখতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ

রাশিয়ায় গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে প্রবাসীর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন আরেকজন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাশিয়ায় গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে প্রবাসীর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন আরেকজন

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি নির্মাণাধীন গ্যাস প্রকল্পে পাইপ বিস্ফোরণে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার আব্দুল কুদ্দুস চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা পরিবারের সদস্য। এছাড়া মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির ফকির নামে আরেকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

কুদ্দুসের বড় ভাই আব্দুল আলীম বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় জানতে পারছি আমার ভাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এখন একটাই চাওয়া, ভাইয়ের লাশটা যেন আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।’

এর আগে ২৫ আগস্ট রাশিয়ার এজিসিসি নামক প্রকল্পের সিনোপেক প্ল্যান্টে প্রাথমিক গ্যাস সরবরাহ পরীক্ষার সময় পাইপে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রাজবাড়ির বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস ও মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির ফকির। পরে তাদের উদ্ধার করা গেলেও আব্দুল কদ্দুস আজ মারা গেছে। ওই ঘটনায় আরও ৩৫ বাংলাদেশে শ্রমিক আহত হন বলে জানা গেছে।

নিহত আব্দুল কুদ্দুস জেলার পাংশা উপজেলার যশাই ইউনিয়নের ধোঁপাকেল্লা গ্রামের মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে। প্রায় দেড় বছর আগে তিনি রাশিয়া যান। সেখানে সিনোপেক প্ল্যান্ট নামক কোম্পানিতে কাজ করছিলেন। কুদ্দুসের পরিবারের সদস্যদের দাবি, বাংলাদেশ সরকার যেন যে কোন উপায়ে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনে।

চিকিৎসাধীন মনির ফকির জেলার পাংশা পৌরসভাধীন চরমোদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রবাসীদের বরাতে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, দুর্ঘটনার পর মনির নিখোঁজ ছিল। এখন তার সন্ধান পওয়া গেছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মস্কো শহরে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: ছাত্রদল-বিএনপির দুই নেতা কারাগারে

প্রবাসী কর্মীদের বিমান ভাড়া সহনশীল রাখতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: ছাত্রদল-বিএনপির দুই নেতা কারাগারে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: ছাত্রদল-বিএনপির দুই নেতা কারাগারে

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় করা মামলায় একই থানার বিএনপির সভাপতি আবদুর রউফ এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন একদিনের রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন

১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬

মামলার এজাহারে বলা হয়, মালয়েশিয়াপ্রবাসী কাউসার বিয়ে ও পরিবারের ব্যবহারের জন্য গত ২৮ আগস্ট মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণের গয়না পাঠান। ওই দিন রাত ৮টার দিকে সুমন তার বন্ধু রোহান চৌধুরীকে নিয়ে বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণের গয়নাগুলো সংগ্রহ করেন। তারা দুজনে ১০০ গ্রাম করে স্বর্ণ নিজেদের কাছে রেখেছিলেন। স্বর্ণালংকার সংগ্রহের পর তারা বিমানবন্দর এলাকা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।

রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীতে আসামিরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় আসামিরা নিজেদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের লোক পরিচয় দিয়ে এবং তাদের কাছে বোমা রয়েছে বলে ভয় দেখান।

পরে তারা সুমন ও রোহানকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে আসামিরা তাদের কাছে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণের গয়না ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান। পরদিন ২৯ আগস্ট এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সুমন বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।

১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই অভিযানে বিভিন্ন ধরনের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৪ হাজার ৪৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২০ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সৌদি আরবজুড়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৯৭৬ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের অভিযোগে আটক করা হয়েছে ৪ হাজার ১১০ জনকে। এ ছাড়া শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৩৪৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানের সময় অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করা আরও ১ হাজার ৪৫০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৪১ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এ ছাড়া সৌদি আরব থেকে অবৈধভাবে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় আরও ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া বা কাজে নিয়োগের অভিযোগে ২৭ জনকেও আটক করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বহিষ্কৃত ১৪ হাজার ৯০৫ জনের পাশাপাশি ১৮ হাজার ৯১৪ জনকে ভ্রমণসংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। আরও ২ হাজার ৮৬৭ জনকে ভ্রমণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, সৌদি আরবে থাকা আরও ২৯ হাজার ৯৩৮ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আবাসন ও অভিবাসন আইন কার্যকরের প্রক্রিয়া চলছে। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার ৯৫৭ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৯৮১ জন নারী।

সৌদি কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে দেশজুড়ে এ ধরনের অভিযান চালায়। আবাসন অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অবস্থান করা, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া কাজ করা কিংবা সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধভাবে কাউকে দেশে প্রবেশে সহায়তা করা, দেশটির ভেতরে পরিবহন করা, আশ্রয় দেওয়া বা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

এ ধরনের অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন এবং অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তিও জব্দ করা হতে পারে।

মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬

ভারতের মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১১ কোটি রুপি মূল্যের ৬ দশমিক ৮৫ কেজি বিদেশি স্বর্ণ জব্দ করেছে দেশটির রাজস্ব গোয়েন্দা অধিদপ্তর (ডিআরআই)। এ ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি ট্রানজিট যাত্রীসহ একটি বেসরকারি বিমান সংস্থার এক গ্রাউন্ড স্টাফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শনিবার পরিচালিত অভিযানে স্বর্ণগুলো জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মুম্বাইকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সদস্য বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

রবিবার কর্মকর্তারা জানান, ডিআরআইয়ের মুম্বাই আঞ্চলিক ইউনিট নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযানের অভ্যন্তরীণ নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন মিডনাইট গোল্ডস্ট্রাইক’।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিআরআই কর্মকর্তারা বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে একটি বেসরকারি বিমান সংস্থায় নিয়োজিত এক গ্রাউন্ড স্টাফকে আটক করেন। পরে তার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে মোমের মধ্যে লুকানো ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের গুঁড়াসহ সাতটি ক্যাপসুল উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে ওই গ্রাউন্ড স্টাফ ট্রানজিট যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণ পাচার এবং বিমানবন্দর থেকে তা বাইরে বের করে নেওয়ার সঙ্গে অন্যদের জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছেন বলে দাবি করেছে ডিআরআই।

এরপর কর্মকর্তারা চক্রটির আরও কয়েকজন সদস্যকে শনাক্ত করে আটক করেন। তাদের কাছ থেকে আরও নয়টি ক্যাপসুল উদ্ধার করা হয়।

ডিআরআই জানিয়েছে, চক্রটি মুম্বাইকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক এবং মালদ্বীপের মালে থেকে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণ পাচারের কার্যক্রম চালাত বলে অভিযোগ রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জব্দ করা স্বর্ণের মোট ওজন ৬ দশমিক ৮৫ কেজি এবং এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১১ কোটি রুপি।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুরো চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং স্বর্ণ পাচারের নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিচালিত হচ্ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঋণ করে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন সচ্ছলতা আনতে, লাশ হয়ে ফিরছেন জাকির

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
ঋণ করে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন সচ্ছলতা আনতে, লাশ হয়ে ফিরছেন জাকির

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে নিহত কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জাকির হোসেনের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ নিহতের পরিবারটি।

​নিহত জাকির হোসেন কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের মৃত রতন মিয়ার বড় ছেলে। তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।

সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাশিয়ার মস্কো থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দূরে আমুর অঞ্চলের কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (এজিসিসি) প্রকল্পের সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে বাংলাদেশি প্রবাসী জাকির হোসেন নিহত হন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়িতে মৃত্যু সংবাদ পৌঁছায়।

​পরিবারের সদস্যরা জানান, সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে মাত্র দেড় বছর আগে জমি বিক্রি ও ধার করে রাশিয়ায় পাড়ি জমান জাকির। সেখানে রাশিয়ার আমুর এলাকায় এলএনজি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের অধীন একটি গ্যাস কমপ্লেক্সে চাকরি করতেন তিনি। তার আয়ে ধারদেনা পরিশোধ করে সংসার কোনোমতে চললেও সম্প্রতি তার প্রমোশন হয়। সেই সুখবর এখন শোকের খবরে পরিণত হয়েছে।

​জাকিরের চাচাতো ভাই মাহবুবুর রহমান জানান, জাকিরের পরিবার অত্যন্ত অসহায় ও অসচ্ছল। দেশে থাকা অবস্থায় তিনি রিকশা চালানোসহ নানা কাজ করে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। বাধ্য হয়ে দেড় বছর আগে জমি বিক্রি ও ঋণ করে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবার আরও সংকটে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জাকিরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

​এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, রাশিয়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে জাকির হোসেনের মৃত্যুর খবরটি আমরা পেয়েছি। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জেনেছি পরিবারটি অত্যন্ত অসচ্ছল। তার স্ত্রী ও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। আমাদের প্রথম প্রচেষ্টা হলো জাকিরের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই অসহায় পরিবারটিকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।